কোরবানির হাট কাঁপাবে ‘জমিদার’
জামালপুর সংবাদদাতা

কোরবানির হাট কাঁপাবে ‘জমিদার’
জামালপুর সংবাদদাতা
প্রকাশ : ১১ মে ২০২৬, ০৭: ০০

গরু। ছবি: সংগৃহীত
জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার মাহমুদপুর এলাকার একটি খামারেে বেড়ে উঠছে ফিজিয়ান জাতের বিশালদেহী গরু। নাম তার জমিদার। নামের মতোই রাজকীয় গড়ন। ওজন এক হাজার ৩০০ কেজি।
সরজমিনে খামারটিতে গিয়ে দেখা যায়, জমিদার শুধু আকারেই বড় নয়, তার জীবনযাপনও একেবারে রাজকীয়।
খামারি রফিকুল জানান, জমিদারের খাবারের পেছনে প্রতিদিন খরচ হয় প্রায় দুই হাজার টাকা। খাবারের তালিকায় থাকে কলা, হাঁসের ডিম, ঘাস, ভুট্টা ও গমের ভুষি। শ্যাম্পু দিয়ে নিয়মিত গোসল করানো হয় ।
তিনি আরও বলেন, গত বছর ছয় লাখ ২০ হাজার টাকা দাম উঠেছিল, কিন্তু বিক্রি করিনি। ইচ্ছা ছিল আরো বড় করে বিক্রি করার। এবার ভালো দাম পেলে ছেড়ে দেবো।
রফিকুলের স্ত্রী রোজিনা বেগম বলেন, সন্তানের মতো করেই গরুটিকে বড় করা হয়েছে। পরিবারের সবাই মিলে তার যত্ন নিই।
স্থানীয়রা জানান, এলাকায় এর আগে এত বড় গরু কেউ দেখেনি। প্রতিদিনই মানুষ জমিদারকে দেখতে খামারে আসছেন। গরুটি মালিকের ভাষা বোঝে এবং তাতে সাড়াও দেয়। দাঁত দেখাতে বললে দাঁত দেখায়, ডাক দিলে সাড়া দেয়। এসব কারণেই মানুষ বেশি ভিড় করছে সেখানে।
জামালপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এ টি এম হাবিবুর রহমান বলেন, প্রাণিসম্পদ বিভাগ থেকে গরুটির নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এ বছর কোরবানির জন্য জেলায় গবাদি পশু রয়েছে এক লাখ সাত হাজার ৬৫টি। জেলার জন্য চাহিদা ৮২ হাজার। বাকি ২৩ হাজার পশু দেশের বিভিন্ন হাটে বিক্রি করা হবে।

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার মাহমুদপুর এলাকার একটি খামারেে বেড়ে উঠছে ফিজিয়ান জাতের বিশালদেহী গরু। নাম তার জমিদার। নামের মতোই রাজকীয় গড়ন। ওজন এক হাজার ৩০০ কেজি।
সরজমিনে খামারটিতে গিয়ে দেখা যায়, জমিদার শুধু আকারেই বড় নয়, তার জীবনযাপনও একেবারে রাজকীয়।
খামারি রফিকুল জানান, জমিদারের খাবারের পেছনে প্রতিদিন খরচ হয় প্রায় দুই হাজার টাকা। খাবারের তালিকায় থাকে কলা, হাঁসের ডিম, ঘাস, ভুট্টা ও গমের ভুষি। শ্যাম্পু দিয়ে নিয়মিত গোসল করানো হয় ।
তিনি আরও বলেন, গত বছর ছয় লাখ ২০ হাজার টাকা দাম উঠেছিল, কিন্তু বিক্রি করিনি। ইচ্ছা ছিল আরো বড় করে বিক্রি করার। এবার ভালো দাম পেলে ছেড়ে দেবো।
রফিকুলের স্ত্রী রোজিনা বেগম বলেন, সন্তানের মতো করেই গরুটিকে বড় করা হয়েছে। পরিবারের সবাই মিলে তার যত্ন নিই।
স্থানীয়রা জানান, এলাকায় এর আগে এত বড় গরু কেউ দেখেনি। প্রতিদিনই মানুষ জমিদারকে দেখতে খামারে আসছেন। গরুটি মালিকের ভাষা বোঝে এবং তাতে সাড়াও দেয়। দাঁত দেখাতে বললে দাঁত দেখায়, ডাক দিলে সাড়া দেয়। এসব কারণেই মানুষ বেশি ভিড় করছে সেখানে।
জামালপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এ টি এম হাবিবুর রহমান বলেন, প্রাণিসম্পদ বিভাগ থেকে গরুটির নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এ বছর কোরবানির জন্য জেলায় গবাদি পশু রয়েছে এক লাখ সাত হাজার ৬৫টি। জেলার জন্য চাহিদা ৮২ হাজার। বাকি ২৩ হাজার পশু দেশের বিভিন্ন হাটে বিক্রি করা হবে।

কোরবানির হাট কাঁপাবে ‘জমিদার’
জামালপুর সংবাদদাতা
প্রকাশ : ১১ মে ২০২৬, ০৭: ০০

গরু। ছবি: সংগৃহীত
জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার মাহমুদপুর এলাকার একটি খামারেে বেড়ে উঠছে ফিজিয়ান জাতের বিশালদেহী গরু। নাম তার জমিদার। নামের মতোই রাজকীয় গড়ন। ওজন এক হাজার ৩০০ কেজি।
সরজমিনে খামারটিতে গিয়ে দেখা যায়, জমিদার শুধু আকারেই বড় নয়, তার জীবনযাপনও একেবারে রাজকীয়।
খামারি রফিকুল জানান, জমিদারের খাবারের পেছনে প্রতিদিন খরচ হয় প্রায় দুই হাজার টাকা। খাবারের তালিকায় থাকে কলা, হাঁসের ডিম, ঘাস, ভুট্টা ও গমের ভুষি। শ্যাম্পু দিয়ে নিয়মিত গোসল করানো হয় ।
তিনি আরও বলেন, গত বছর ছয় লাখ ২০ হাজার টাকা দাম উঠেছিল, কিন্তু বিক্রি করিনি। ইচ্ছা ছিল আরো বড় করে বিক্রি করার। এবার ভালো দাম পেলে ছেড়ে দেবো।
রফিকুলের স্ত্রী রোজিনা বেগম বলেন, সন্তানের মতো করেই গরুটিকে বড় করা হয়েছে। পরিবারের সবাই মিলে তার যত্ন নিই।
স্থানীয়রা জানান, এলাকায় এর আগে এত বড় গরু কেউ দেখেনি। প্রতিদিনই মানুষ জমিদারকে দেখতে খামারে আসছেন। গরুটি মালিকের ভাষা বোঝে এবং তাতে সাড়াও দেয়। দাঁত দেখাতে বললে দাঁত দেখায়, ডাক দিলে সাড়া দেয়। এসব কারণেই মানুষ বেশি ভিড় করছে সেখানে।
জামালপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এ টি এম হাবিবুর রহমান বলেন, প্রাণিসম্পদ বিভাগ থেকে গরুটির নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এ বছর কোরবানির জন্য জেলায় গবাদি পশু রয়েছে এক লাখ সাত হাজার ৬৫টি। জেলার জন্য চাহিদা ৮২ হাজার। বাকি ২৩ হাজার পশু দেশের বিভিন্ন হাটে বিক্রি করা হবে।
/এসআর/




