হরমুজে ইউরোপীয় যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন নিয়ে ইরানের হুঁশিয়ারি
সিটিজেন ডেস্ক

হরমুজে ইউরোপীয় যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন নিয়ে ইরানের হুঁশিয়ারি
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১০ মে ২০২৬, ২২: ২১

ব্রিটিশ রয়্যাল নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ এইচএমএস ড্রাগন। ছবি: সংগৃহীত
হরমুজ প্রণালিতে ইউরোপীয় সামরিক উপস্থিতি ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যের নেতৃত্বে সম্ভাব্য নৌ মিশনের খবর প্রকাশের পর তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তেহরান। ইরান স্পষ্ট করে বলেছে, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে বিদেশি যুদ্ধজাহাজের উপস্থিতিকে তারা সরাসরি উসকানি হিসেবে দেখছে এবং এর বিরুদ্ধে ‘তাৎক্ষণিক ও চূড়ান্ত’ জবাব দেওয়া হবে।
ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গরিবাবাদি সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের ‘অবৈধ ও আন্তর্জাতিক আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ডে’ সহায়তা করতে পারে—এমন কোনো ফরাসি, ব্রিটিশ বা অন্য দেশের যুদ্ধজাহাজের উপস্থিতি মেনে নেওয়া হবে না।
তিনি আরও বলেন, এই ধরনের যেকোনো পদক্ষেপের বিরুদ্ধে ইরান ‘চূড়ান্ত ও তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া’ জানাবে।
এর আগে গত সপ্তাহে ফরাসি সশস্ত্র বাহিনী মন্ত্রণালয় জানায়, তাদের পারমাণবিক শক্তিচালিত বিমানবাহী রণতরী শার্ল দ্য গল হরমুজ প্রণালির দিকে যাত্রা করেছে। ফরাসি কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এই মিশনের লক্ষ্য হলো সাম্প্রতিক অস্থিরতার পর আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা ও বাণিজ্যিক আস্থা পুনরুদ্ধার করা।
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এবং যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার যৌথভাবে এই উদ্যোগকে সমর্থন করছেন। তাদের দাবি, এটি সম্পূর্ণ প্রতিরক্ষামূলক একটি উদ্যোগ, যার উদ্দেশ্য হরমুজ প্রণালিতে ‘নৌ চলাচলের স্বাধীনতা’ নিশ্চিত করা।
তবে তেহরান এই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট নয়। ইরানের কর্মকর্তারা মনে করছেন, পশ্চিমা সামরিক উপস্থিতি বাড়ানো হলে অঞ্চলটি আরও অস্থিতিশীল হয়ে উঠতে পারে এবং এতে সংঘাতের ঝুঁকি বাড়বে।
বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালি দীর্ঘদিন ধরেই ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দু। বৈশ্বিক তেল পরিবহনের বড় একটি অংশ এই জলপথ দিয়ে সম্পন্ন হয়। ফলে সেখানে সামরিক উত্তেজনা বাড়লে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার ও বাণিজ্যে বড় ধরনের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা থাকে।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি আলোচনা এবং ইরানকে ঘিরে চলমান কূটনৈতিক তৎপরতার মধ্যেই হরমুজে নতুন সামরিক উপস্থিতি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
সূত্র: আল জাজিরা

হরমুজ প্রণালিতে ইউরোপীয় সামরিক উপস্থিতি ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যের নেতৃত্বে সম্ভাব্য নৌ মিশনের খবর প্রকাশের পর তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তেহরান। ইরান স্পষ্ট করে বলেছে, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে বিদেশি যুদ্ধজাহাজের উপস্থিতিকে তারা সরাসরি উসকানি হিসেবে দেখছে এবং এর বিরুদ্ধে ‘তাৎক্ষণিক ও চূড়ান্ত’ জবাব দেওয়া হবে।
ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গরিবাবাদি সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের ‘অবৈধ ও আন্তর্জাতিক আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ডে’ সহায়তা করতে পারে—এমন কোনো ফরাসি, ব্রিটিশ বা অন্য দেশের যুদ্ধজাহাজের উপস্থিতি মেনে নেওয়া হবে না।
তিনি আরও বলেন, এই ধরনের যেকোনো পদক্ষেপের বিরুদ্ধে ইরান ‘চূড়ান্ত ও তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া’ জানাবে।
এর আগে গত সপ্তাহে ফরাসি সশস্ত্র বাহিনী মন্ত্রণালয় জানায়, তাদের পারমাণবিক শক্তিচালিত বিমানবাহী রণতরী শার্ল দ্য গল হরমুজ প্রণালির দিকে যাত্রা করেছে। ফরাসি কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এই মিশনের লক্ষ্য হলো সাম্প্রতিক অস্থিরতার পর আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা ও বাণিজ্যিক আস্থা পুনরুদ্ধার করা।
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এবং যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার যৌথভাবে এই উদ্যোগকে সমর্থন করছেন। তাদের দাবি, এটি সম্পূর্ণ প্রতিরক্ষামূলক একটি উদ্যোগ, যার উদ্দেশ্য হরমুজ প্রণালিতে ‘নৌ চলাচলের স্বাধীনতা’ নিশ্চিত করা।
তবে তেহরান এই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট নয়। ইরানের কর্মকর্তারা মনে করছেন, পশ্চিমা সামরিক উপস্থিতি বাড়ানো হলে অঞ্চলটি আরও অস্থিতিশীল হয়ে উঠতে পারে এবং এতে সংঘাতের ঝুঁকি বাড়বে।
বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালি দীর্ঘদিন ধরেই ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দু। বৈশ্বিক তেল পরিবহনের বড় একটি অংশ এই জলপথ দিয়ে সম্পন্ন হয়। ফলে সেখানে সামরিক উত্তেজনা বাড়লে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার ও বাণিজ্যে বড় ধরনের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা থাকে।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি আলোচনা এবং ইরানকে ঘিরে চলমান কূটনৈতিক তৎপরতার মধ্যেই হরমুজে নতুন সামরিক উপস্থিতি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
সূত্র: আল জাজিরা

হরমুজে ইউরোপীয় যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন নিয়ে ইরানের হুঁশিয়ারি
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১০ মে ২০২৬, ২২: ২১

ব্রিটিশ রয়্যাল নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ এইচএমএস ড্রাগন। ছবি: সংগৃহীত
হরমুজ প্রণালিতে ইউরোপীয় সামরিক উপস্থিতি ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যের নেতৃত্বে সম্ভাব্য নৌ মিশনের খবর প্রকাশের পর তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তেহরান। ইরান স্পষ্ট করে বলেছে, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে বিদেশি যুদ্ধজাহাজের উপস্থিতিকে তারা সরাসরি উসকানি হিসেবে দেখছে এবং এর বিরুদ্ধে ‘তাৎক্ষণিক ও চূড়ান্ত’ জবাব দেওয়া হবে।
ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গরিবাবাদি সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের ‘অবৈধ ও আন্তর্জাতিক আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ডে’ সহায়তা করতে পারে—এমন কোনো ফরাসি, ব্রিটিশ বা অন্য দেশের যুদ্ধজাহাজের উপস্থিতি মেনে নেওয়া হবে না।
তিনি আরও বলেন, এই ধরনের যেকোনো পদক্ষেপের বিরুদ্ধে ইরান ‘চূড়ান্ত ও তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া’ জানাবে।
এর আগে গত সপ্তাহে ফরাসি সশস্ত্র বাহিনী মন্ত্রণালয় জানায়, তাদের পারমাণবিক শক্তিচালিত বিমানবাহী রণতরী শার্ল দ্য গল হরমুজ প্রণালির দিকে যাত্রা করেছে। ফরাসি কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এই মিশনের লক্ষ্য হলো সাম্প্রতিক অস্থিরতার পর আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা ও বাণিজ্যিক আস্থা পুনরুদ্ধার করা।
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এবং যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার যৌথভাবে এই উদ্যোগকে সমর্থন করছেন। তাদের দাবি, এটি সম্পূর্ণ প্রতিরক্ষামূলক একটি উদ্যোগ, যার উদ্দেশ্য হরমুজ প্রণালিতে ‘নৌ চলাচলের স্বাধীনতা’ নিশ্চিত করা।
তবে তেহরান এই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট নয়। ইরানের কর্মকর্তারা মনে করছেন, পশ্চিমা সামরিক উপস্থিতি বাড়ানো হলে অঞ্চলটি আরও অস্থিতিশীল হয়ে উঠতে পারে এবং এতে সংঘাতের ঝুঁকি বাড়বে।
বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালি দীর্ঘদিন ধরেই ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দু। বৈশ্বিক তেল পরিবহনের বড় একটি অংশ এই জলপথ দিয়ে সম্পন্ন হয়। ফলে সেখানে সামরিক উত্তেজনা বাড়লে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার ও বাণিজ্যে বড় ধরনের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা থাকে।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি আলোচনা এবং ইরানকে ঘিরে চলমান কূটনৈতিক তৎপরতার মধ্যেই হরমুজে নতুন সামরিক উপস্থিতি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
সূত্র: আল জাজিরা
/এমআর/




