ইরানের প্রস্তাব পর্যালোচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের প্রস্তাব পর্যালোচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১০ মে ২০২৬, ২২: ৪১

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত
ইরানের পক্ষ থেকে যুদ্ধবিরতি-সংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ প্রস্তাব পৌঁছানোর পর এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি যুক্তরাষ্ট্র। তবে কূটনৈতিক পর্যায়ে পরোক্ষ যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে এবং মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা স্থায়ীভাবে প্রশমনের পথ খুঁজতে একাধিক আঞ্চলিক দেশ সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, পাকিস্তানের মাধ্যমে ইরানের যুদ্ধবিরতি-সংক্রান্ত প্রতিক্রিয়া ওয়াশিংটনের কাছে পৌঁছেছে। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি না আসায় পরিস্থিতি এখনো পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়নের পর্যায়েই রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা মনে করছেন, এই মুহূর্তে প্রকাশ্য অবস্থান নেওয়া কিছুটা তাড়াহুড়ো হয়ে যেতে পারে। কারণ যুদ্ধবিরতিকে স্থায়ী সমাধানে রূপ দেওয়ার জন্য এখনো বেশ কয়েকটি জটিল বিষয় নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে।
এরই মধ্যে মার্কিন উপরাষ্ট্রপতি এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলাদাভাবে কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। আলোচনায় প্রায় এক মাস ধরে কার্যকর থাকা যুদ্ধবিরতিকে কীভাবে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি চুক্তির দিকে নেওয়া যায়, সে বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।
তবে প্রধান বাধাগুলোর একটি হচ্ছে ইরানের বন্দরগুলোকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোর ক্ষেত্রে ইরানের আরোপিত শর্ত নিয়েও দুই দেশের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে। তেহরান জানিয়েছে, নির্দিষ্ট শর্ত মেনে না চললে তারা সব জাহাজের অবাধ চলাচল নিশ্চিত করবে না।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই দুটি বিষয় এখনো ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে তীব্র বিরোধের জায়গা হয়ে রয়েছে। ফলে বর্তমান যুদ্ধবিরতিকে দ্রুত স্থায়ী শান্তিতে রূপ দেওয়া কতটা সম্ভব হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
একই সঙ্গে মার্কিন প্রশাসন সরাসরি নয়, বরং আঞ্চলিক মিত্রদের মাধ্যমে ইরানের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছে। পাকিস্তান, কাতার, মিসর ও জর্ডানসহ কয়েকটি দেশ এই পরোক্ষ যোগাযোগে মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করছে বলে জানা গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, আলোচনা ভেঙে গেলে পরিস্থিতি আবারও পূর্ণমাত্রার যুদ্ধে গড়াতে পারে। সেই কারণেই আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
তবে কূটনৈতিক প্রচেষ্টার পাশাপাশি সামরিক প্রস্তুতিও বজায় রেখেছে ওয়াশিংটন। মার্কিন বাহিনী এখনো মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন ঘাঁটিতে মোতায়েন রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, পরিস্থিতি অচলাবস্থায় পৌঁছালে বা প্রয়োজন মনে করলে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পুনরায় সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার পথও খোলা রেখেছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতি একদিকে যেমন কূটনৈতিক সমঝোতার সম্ভাবনা তৈরি করছে, অন্যদিকে সামান্য ভুল হিসাবও নতুন করে বড় ধরনের সংঘাতের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরানের পক্ষ থেকে যুদ্ধবিরতি-সংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ প্রস্তাব পৌঁছানোর পর এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি যুক্তরাষ্ট্র। তবে কূটনৈতিক পর্যায়ে পরোক্ষ যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে এবং মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা স্থায়ীভাবে প্রশমনের পথ খুঁজতে একাধিক আঞ্চলিক দেশ সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, পাকিস্তানের মাধ্যমে ইরানের যুদ্ধবিরতি-সংক্রান্ত প্রতিক্রিয়া ওয়াশিংটনের কাছে পৌঁছেছে। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি না আসায় পরিস্থিতি এখনো পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়নের পর্যায়েই রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা মনে করছেন, এই মুহূর্তে প্রকাশ্য অবস্থান নেওয়া কিছুটা তাড়াহুড়ো হয়ে যেতে পারে। কারণ যুদ্ধবিরতিকে স্থায়ী সমাধানে রূপ দেওয়ার জন্য এখনো বেশ কয়েকটি জটিল বিষয় নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে।
এরই মধ্যে মার্কিন উপরাষ্ট্রপতি এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলাদাভাবে কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। আলোচনায় প্রায় এক মাস ধরে কার্যকর থাকা যুদ্ধবিরতিকে কীভাবে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি চুক্তির দিকে নেওয়া যায়, সে বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।
তবে প্রধান বাধাগুলোর একটি হচ্ছে ইরানের বন্দরগুলোকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোর ক্ষেত্রে ইরানের আরোপিত শর্ত নিয়েও দুই দেশের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে। তেহরান জানিয়েছে, নির্দিষ্ট শর্ত মেনে না চললে তারা সব জাহাজের অবাধ চলাচল নিশ্চিত করবে না।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই দুটি বিষয় এখনো ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে তীব্র বিরোধের জায়গা হয়ে রয়েছে। ফলে বর্তমান যুদ্ধবিরতিকে দ্রুত স্থায়ী শান্তিতে রূপ দেওয়া কতটা সম্ভব হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
একই সঙ্গে মার্কিন প্রশাসন সরাসরি নয়, বরং আঞ্চলিক মিত্রদের মাধ্যমে ইরানের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছে। পাকিস্তান, কাতার, মিসর ও জর্ডানসহ কয়েকটি দেশ এই পরোক্ষ যোগাযোগে মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করছে বলে জানা গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, আলোচনা ভেঙে গেলে পরিস্থিতি আবারও পূর্ণমাত্রার যুদ্ধে গড়াতে পারে। সেই কারণেই আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
তবে কূটনৈতিক প্রচেষ্টার পাশাপাশি সামরিক প্রস্তুতিও বজায় রেখেছে ওয়াশিংটন। মার্কিন বাহিনী এখনো মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন ঘাঁটিতে মোতায়েন রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, পরিস্থিতি অচলাবস্থায় পৌঁছালে বা প্রয়োজন মনে করলে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পুনরায় সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার পথও খোলা রেখেছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতি একদিকে যেমন কূটনৈতিক সমঝোতার সম্ভাবনা তৈরি করছে, অন্যদিকে সামান্য ভুল হিসাবও নতুন করে বড় ধরনের সংঘাতের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরানের প্রস্তাব পর্যালোচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১০ মে ২০২৬, ২২: ৪১

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত
ইরানের পক্ষ থেকে যুদ্ধবিরতি-সংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ প্রস্তাব পৌঁছানোর পর এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি যুক্তরাষ্ট্র। তবে কূটনৈতিক পর্যায়ে পরোক্ষ যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে এবং মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা স্থায়ীভাবে প্রশমনের পথ খুঁজতে একাধিক আঞ্চলিক দেশ সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, পাকিস্তানের মাধ্যমে ইরানের যুদ্ধবিরতি-সংক্রান্ত প্রতিক্রিয়া ওয়াশিংটনের কাছে পৌঁছেছে। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি না আসায় পরিস্থিতি এখনো পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়নের পর্যায়েই রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা মনে করছেন, এই মুহূর্তে প্রকাশ্য অবস্থান নেওয়া কিছুটা তাড়াহুড়ো হয়ে যেতে পারে। কারণ যুদ্ধবিরতিকে স্থায়ী সমাধানে রূপ দেওয়ার জন্য এখনো বেশ কয়েকটি জটিল বিষয় নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে।
এরই মধ্যে মার্কিন উপরাষ্ট্রপতি এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলাদাভাবে কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। আলোচনায় প্রায় এক মাস ধরে কার্যকর থাকা যুদ্ধবিরতিকে কীভাবে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি চুক্তির দিকে নেওয়া যায়, সে বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।
তবে প্রধান বাধাগুলোর একটি হচ্ছে ইরানের বন্দরগুলোকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোর ক্ষেত্রে ইরানের আরোপিত শর্ত নিয়েও দুই দেশের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে। তেহরান জানিয়েছে, নির্দিষ্ট শর্ত মেনে না চললে তারা সব জাহাজের অবাধ চলাচল নিশ্চিত করবে না।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই দুটি বিষয় এখনো ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে তীব্র বিরোধের জায়গা হয়ে রয়েছে। ফলে বর্তমান যুদ্ধবিরতিকে দ্রুত স্থায়ী শান্তিতে রূপ দেওয়া কতটা সম্ভব হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
একই সঙ্গে মার্কিন প্রশাসন সরাসরি নয়, বরং আঞ্চলিক মিত্রদের মাধ্যমে ইরানের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছে। পাকিস্তান, কাতার, মিসর ও জর্ডানসহ কয়েকটি দেশ এই পরোক্ষ যোগাযোগে মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করছে বলে জানা গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, আলোচনা ভেঙে গেলে পরিস্থিতি আবারও পূর্ণমাত্রার যুদ্ধে গড়াতে পারে। সেই কারণেই আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
তবে কূটনৈতিক প্রচেষ্টার পাশাপাশি সামরিক প্রস্তুতিও বজায় রেখেছে ওয়াশিংটন। মার্কিন বাহিনী এখনো মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন ঘাঁটিতে মোতায়েন রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, পরিস্থিতি অচলাবস্থায় পৌঁছালে বা প্রয়োজন মনে করলে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পুনরায় সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার পথও খোলা রেখেছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতি একদিকে যেমন কূটনৈতিক সমঝোতার সম্ভাবনা তৈরি করছে, অন্যদিকে সামান্য ভুল হিসাবও নতুন করে বড় ধরনের সংঘাতের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
সূত্র: আল জাজিরা
/এমআর/




