ঘূর্ণিঝড়ে ৭০০ ফুট রাস্তা বিলীন, এখন সাঁকো দিয়ে পারাপার
সাতক্ষীরা সংবাদদাতা

ঘূর্ণিঝড়ে ৭০০ ফুট রাস্তা বিলীন, এখন সাঁকো দিয়ে পারাপার
সাতক্ষীরা সংবাদদাতা
প্রকাশ : ১১ মে ২০২৬, ০৬: ০৩

ঝুঁকি নিয়ে সাঁকো পার হচ্ছে শিশুসহ অন্যরা। ছবি: সংবাদদাতা
ঘূর্ণিঝড়ে সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার কুড়িকাহুনিয়ার কাঁঠালতলা থেকে মকবুলের বাড়ি পর্যন্ত প্রায় ৭০০ ফুট রাস্তা বিলীন হয়ে গেছে। সেখানে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে। এটি দিয়ে প্রতিদিন সাত গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ চলাচল করেন। এর ফলে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন পথচারীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালে ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের সময় জলোচ্ছ্বাসের প্রবল স্রোতে সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগরের গড়ইমহল সড়ক ভেঙে যায়। এরপর থেকে সড়কটি আর স্থায়ীভাবে নির্মাণ করা হয়নি।
স্থানীয় বাসিন্দা খালেক গাজী বলেন, ছয় বছর ধরে আমরা শুধু আশ্বাসই শুনছি, কিন্তু সড়ক আর ঠিক হচ্ছে না। বাঁশের সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। আগে আমাদের সাঁকোও ছিল না, নৌকায় পারাপার হতে হতো।
স্কুলগামী শিক্ষার্থীরা জানায়, বাঁশের সাঁকো দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে তাদের প্রতিনিয়ত হচ্ছে। অনেক শিক্ষার্থী যাতায়াতের সময় নিচে পড়ে আহতও হয়েছে। তারা দ্রুত সড়কটি সংস্কারের দাবি জানিয়েছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, বর্ষা মৌসুম এলে দুর্ভোগ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। শিশু ও বৃদ্ধদের যাতায়াত করতে কষ্ট হয়। সংশ্লিষ্ট দপ্তরে একাধিকবার আবেদন করেও তারা কোনো স্থায়ী সমাধান পাননি।
এ বিষয়ে প্রতাপনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু দাউদ ঢালী বলেন, সাঁকো দিয়ে পারাপারে মানুষের খুব ভোগান্তি হচ্ছে। এই রাস্তা দিয়ে কুড়িকাহুনিয়া, সনাতনকাঠি, নাকনা, গোকুলনগর, গোয়ালকাটি ও শ্রীপুরসহ সাত গ্রামের মানুষ চলাচল করে। রাস্তাটি ভেঙে যাওয়ার পরে আমরা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানিয়েছি। আমরা দ্রুত রাস্তাটি সংস্কার করার কাজ করবো।
আশাশুনি উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আমিরুল ইসলাম বলেন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় প্রায় ৭০০ ফুট দীর্ঘ একটি অস্থায়ী ভাসমান বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়। বরাদ্দ পাওয়া সাপেক্ষে আবারও মেরামত করা হবে। জায়গাটি অনেক গভীর হয়ে গেছে। সেখানে বিপুল পরিমাণ মাটি ভরাট করতে হবে, যা ব্যয়বহুল। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ না থাকায় আপাতত স্থায়ী কোনো উদ্যোগ নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
দীর্ঘ ছয় বছরের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেতে অবিলম্বে সড়কটি পুনর্নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

ঘূর্ণিঝড়ে সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার কুড়িকাহুনিয়ার কাঁঠালতলা থেকে মকবুলের বাড়ি পর্যন্ত প্রায় ৭০০ ফুট রাস্তা বিলীন হয়ে গেছে। সেখানে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে। এটি দিয়ে প্রতিদিন সাত গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ চলাচল করেন। এর ফলে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন পথচারীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালে ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের সময় জলোচ্ছ্বাসের প্রবল স্রোতে সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগরের গড়ইমহল সড়ক ভেঙে যায়। এরপর থেকে সড়কটি আর স্থায়ীভাবে নির্মাণ করা হয়নি।
স্থানীয় বাসিন্দা খালেক গাজী বলেন, ছয় বছর ধরে আমরা শুধু আশ্বাসই শুনছি, কিন্তু সড়ক আর ঠিক হচ্ছে না। বাঁশের সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। আগে আমাদের সাঁকোও ছিল না, নৌকায় পারাপার হতে হতো।
স্কুলগামী শিক্ষার্থীরা জানায়, বাঁশের সাঁকো দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে তাদের প্রতিনিয়ত হচ্ছে। অনেক শিক্ষার্থী যাতায়াতের সময় নিচে পড়ে আহতও হয়েছে। তারা দ্রুত সড়কটি সংস্কারের দাবি জানিয়েছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, বর্ষা মৌসুম এলে দুর্ভোগ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। শিশু ও বৃদ্ধদের যাতায়াত করতে কষ্ট হয়। সংশ্লিষ্ট দপ্তরে একাধিকবার আবেদন করেও তারা কোনো স্থায়ী সমাধান পাননি।
এ বিষয়ে প্রতাপনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু দাউদ ঢালী বলেন, সাঁকো দিয়ে পারাপারে মানুষের খুব ভোগান্তি হচ্ছে। এই রাস্তা দিয়ে কুড়িকাহুনিয়া, সনাতনকাঠি, নাকনা, গোকুলনগর, গোয়ালকাটি ও শ্রীপুরসহ সাত গ্রামের মানুষ চলাচল করে। রাস্তাটি ভেঙে যাওয়ার পরে আমরা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানিয়েছি। আমরা দ্রুত রাস্তাটি সংস্কার করার কাজ করবো।
আশাশুনি উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আমিরুল ইসলাম বলেন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় প্রায় ৭০০ ফুট দীর্ঘ একটি অস্থায়ী ভাসমান বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়। বরাদ্দ পাওয়া সাপেক্ষে আবারও মেরামত করা হবে। জায়গাটি অনেক গভীর হয়ে গেছে। সেখানে বিপুল পরিমাণ মাটি ভরাট করতে হবে, যা ব্যয়বহুল। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ না থাকায় আপাতত স্থায়ী কোনো উদ্যোগ নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
দীর্ঘ ছয় বছরের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেতে অবিলম্বে সড়কটি পুনর্নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

ঘূর্ণিঝড়ে ৭০০ ফুট রাস্তা বিলীন, এখন সাঁকো দিয়ে পারাপার
সাতক্ষীরা সংবাদদাতা
প্রকাশ : ১১ মে ২০২৬, ০৬: ০৩

ঝুঁকি নিয়ে সাঁকো পার হচ্ছে শিশুসহ অন্যরা। ছবি: সংবাদদাতা
ঘূর্ণিঝড়ে সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার কুড়িকাহুনিয়ার কাঁঠালতলা থেকে মকবুলের বাড়ি পর্যন্ত প্রায় ৭০০ ফুট রাস্তা বিলীন হয়ে গেছে। সেখানে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে। এটি দিয়ে প্রতিদিন সাত গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ চলাচল করেন। এর ফলে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন পথচারীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালে ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের সময় জলোচ্ছ্বাসের প্রবল স্রোতে সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগরের গড়ইমহল সড়ক ভেঙে যায়। এরপর থেকে সড়কটি আর স্থায়ীভাবে নির্মাণ করা হয়নি।
স্থানীয় বাসিন্দা খালেক গাজী বলেন, ছয় বছর ধরে আমরা শুধু আশ্বাসই শুনছি, কিন্তু সড়ক আর ঠিক হচ্ছে না। বাঁশের সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। আগে আমাদের সাঁকোও ছিল না, নৌকায় পারাপার হতে হতো।
স্কুলগামী শিক্ষার্থীরা জানায়, বাঁশের সাঁকো দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে তাদের প্রতিনিয়ত হচ্ছে। অনেক শিক্ষার্থী যাতায়াতের সময় নিচে পড়ে আহতও হয়েছে। তারা দ্রুত সড়কটি সংস্কারের দাবি জানিয়েছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, বর্ষা মৌসুম এলে দুর্ভোগ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। শিশু ও বৃদ্ধদের যাতায়াত করতে কষ্ট হয়। সংশ্লিষ্ট দপ্তরে একাধিকবার আবেদন করেও তারা কোনো স্থায়ী সমাধান পাননি।
এ বিষয়ে প্রতাপনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু দাউদ ঢালী বলেন, সাঁকো দিয়ে পারাপারে মানুষের খুব ভোগান্তি হচ্ছে। এই রাস্তা দিয়ে কুড়িকাহুনিয়া, সনাতনকাঠি, নাকনা, গোকুলনগর, গোয়ালকাটি ও শ্রীপুরসহ সাত গ্রামের মানুষ চলাচল করে। রাস্তাটি ভেঙে যাওয়ার পরে আমরা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানিয়েছি। আমরা দ্রুত রাস্তাটি সংস্কার করার কাজ করবো।
আশাশুনি উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আমিরুল ইসলাম বলেন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় প্রায় ৭০০ ফুট দীর্ঘ একটি অস্থায়ী ভাসমান বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়। বরাদ্দ পাওয়া সাপেক্ষে আবারও মেরামত করা হবে। জায়গাটি অনেক গভীর হয়ে গেছে। সেখানে বিপুল পরিমাণ মাটি ভরাট করতে হবে, যা ব্যয়বহুল। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ না থাকায় আপাতত স্থায়ী কোনো উদ্যোগ নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
দীর্ঘ ছয় বছরের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেতে অবিলম্বে সড়কটি পুনর্নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
/এসআর/




