
এবার বৈশাখের শুরুতেই নেত্রকোনা জেলার হাওরাঞ্চলের বোরো ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন কৃষকরা। তার প্রভাব পড়েছে কোরবানির পশুর হাটে। বাজারে কোরবানির পশুর আশানুরূপ মূল্য না থাকায় হতাশ খামারিরা।

কালো কুচকুচে বিশাল দেহের অধিকারী ষাঁড়টির নাম ‘বাহারাম বাদশা’। এবারের কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে লালন-পালন করছেন খামারি মনিরুল ইসলাম। শুনলে অবাক হবেন, বাহারাম বাদশার প্রিয় খাবার কলা ও আপেল।

দরজায় কড়া নাড়ছে ঈদুল আজহা। এই ঈদের প্রধান আনন্দ পশু কোরবানি। তাই খামারে খামারে পশু লালন-পালনে ব্যস্ত সময় কাটছে খামারিদের। তারা প্রাকৃতিক উপায়ে গরু মোটাতাজা করছেন বলে জানা গেছে। এবার কোরবানির পশু ভালো দামে বিক্রি হবে বলে আশা করছেন খামারিরা।

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার মাহমুদপুর এলাকার খামারি রফিকুল ইসলামের খামারে বেড়ে উঠেছে ফিজিয়ান জাতের বিশালদেহী গরু। তার নাম জমিদার। নামের মতোই রাজকীয় গড়ন। ওজন এক হাজার ৩০০ কেজি।