মাদকাসক্ত ছেলের বিরুদ্ধে মাকে হত্যার অভিযোগ
সিটিজেন ডেস্ক

মাদকাসক্ত ছেলের বিরুদ্ধে মাকে হত্যার অভিযোগ
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১১ মে ২০২৬, ০০: ৫২

খুনের অভিযোগে আটক মোহাম্মদ রফিক। ছবি: সংগৃহীত
ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলায় মাদকাসক্ত ছেলের বিরুদ্ধে ছুরিকাঘাতে মাকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন তার স্বামী ও মেয়ে। রবিবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে উপজেলার সিন্দুরপুর ইউনিয়নের দিলপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত নারীর নাম লাকি বেগম (৪৫)। তিনি দিলপুর গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ মোস্তফার স্ত্রী। আহতরা হলেন মোহাম্মদ মোস্তফা (৫৫) ও তাদের মেয়ে মোসাম্মদ মিথিলা মোস্তফা (১৮)। মিথিলা রাজাপুর আলিম মাদ্রাসার এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনার পর অভিযুক্ত ছেলে মোহাম্মদ রাফিককে (২১) আটক করেছে পুলিশ। স্থানীয় লোকজন ধাওয়া করে তাকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।
এলাকাবাসীর দাবি, রাফিক দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, অনলাইনে অর্ডার করে কেনা ছুরি দিয়েই তিনি এ হামলা চালান।
পুলিশ, প্রত্যক্ষদর্শী ও পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, রোববার রাতে রাফিক বাড়িতে এসে মাদক কেনার জন্য মায়ের কাছে টাকা চান। তবে লাকি বেগম টাকা দিতে না চাইলে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন তিনি। একপর্যায়ে ধারালো ছুরি দিয়ে মায়ের ওপর হামলা চালান। এতে গুরুতর আহত হন লাকি বেগম।
মাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে বোন মিথিলাকেও ছুরিকাঘাত করেন রাফিক। পরে মেয়েকে রক্ষা করতে গেলে বাবা মোহাম্মদ মোস্তফাকেও আঘাত করা হয়। পরিবারের সদস্যদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে রাফিক পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরে স্থানীয় লোকজন ধাওয়া করে তাকে আটক করেন।
আহত তিনজনকে দ্রুত ফেনী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক লাকি বেগমকে মৃত ঘোষণা করেন।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শাহরিয়ার কবির জানান, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই লাকি বেগমের মৃত্যু হয়েছিল। আহত মোস্তফা ও মিথিলার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম নোমান বলেন, ঘটনাস্থল থেকেই রাফিককে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানিয়েছেন, অনলাইনে অর্ডার দিয়ে দুটি ছুরি কিনেছিলেন। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দুটি ছুরিও জব্দ করেছে পুলিশ।
ওসি আরও জানান, নিহত লাকি বেগমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
নিহত নারীর নাম লাকি বেগম (৪৫)। তিনি দিলপুর গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ মোস্তফার স্ত্রী। আহতরা হলেন মোহাম্মদ মোস্তফা (৫৫) ও তাদের মেয়ে মোসাম্মদ মিথিলা মোস্তফা (১৮)। মিথিলা রাজাপুর আলিম মাদ্রাসার এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনার পর অভিযুক্ত ছেলে মোহাম্মদ রাফিককে (২১) আটক করেছে পুলিশ। স্থানীয় লোকজন ধাওয়া করে তাকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।
এলাকাবাসীর দাবি, রাফিক দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, অনলাইনে অর্ডার করে কেনা ছুরি দিয়েই তিনি এ হামলা চালান।
পুলিশ, প্রত্যক্ষদর্শী ও পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, রোববার রাতে রাফিক বাড়িতে এসে মাদক কেনার জন্য মায়ের কাছে টাকা চান। তবে লাকি বেগম টাকা দিতে না চাইলে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন তিনি। একপর্যায়ে ধারালো ছুরি দিয়ে মায়ের ওপর হামলা চালান। এতে গুরুতর আহত হন লাকি বেগম।
মাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে বোন মিথিলাকেও ছুরিকাঘাত করেন রাফিক। পরে মেয়েকে রক্ষা করতে গেলে বাবা মোহাম্মদ মোস্তফাকেও আঘাত করা হয়। পরিবারের সদস্যদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে রাফিক পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরে স্থানীয় লোকজন ধাওয়া করে তাকে আটক করেন।
আহত তিনজনকে দ্রুত ফেনী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক লাকি বেগমকে মৃত ঘোষণা করেন।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শাহরিয়ার কবির জানান, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই লাকি বেগমের মৃত্যু হয়েছিল। আহত মোস্তফা ও মিথিলার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম নোমান বলেন, ঘটনাস্থল থেকেই রাফিককে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানিয়েছেন, অনলাইনে অর্ডার দিয়ে দুটি ছুরি কিনেছিলেন। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দুটি ছুরিও জব্দ করেছে পুলিশ।
ওসি আরও জানান, নিহত লাকি বেগমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলায় মাদকাসক্ত ছেলের বিরুদ্ধে ছুরিকাঘাতে মাকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন তার স্বামী ও মেয়ে। রবিবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে উপজেলার সিন্দুরপুর ইউনিয়নের দিলপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত নারীর নাম লাকি বেগম (৪৫)। তিনি দিলপুর গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ মোস্তফার স্ত্রী। আহতরা হলেন মোহাম্মদ মোস্তফা (৫৫) ও তাদের মেয়ে মোসাম্মদ মিথিলা মোস্তফা (১৮)। মিথিলা রাজাপুর আলিম মাদ্রাসার এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনার পর অভিযুক্ত ছেলে মোহাম্মদ রাফিককে (২১) আটক করেছে পুলিশ। স্থানীয় লোকজন ধাওয়া করে তাকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।
এলাকাবাসীর দাবি, রাফিক দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, অনলাইনে অর্ডার করে কেনা ছুরি দিয়েই তিনি এ হামলা চালান।
পুলিশ, প্রত্যক্ষদর্শী ও পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, রোববার রাতে রাফিক বাড়িতে এসে মাদক কেনার জন্য মায়ের কাছে টাকা চান। তবে লাকি বেগম টাকা দিতে না চাইলে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন তিনি। একপর্যায়ে ধারালো ছুরি দিয়ে মায়ের ওপর হামলা চালান। এতে গুরুতর আহত হন লাকি বেগম।
মাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে বোন মিথিলাকেও ছুরিকাঘাত করেন রাফিক। পরে মেয়েকে রক্ষা করতে গেলে বাবা মোহাম্মদ মোস্তফাকেও আঘাত করা হয়। পরিবারের সদস্যদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে রাফিক পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরে স্থানীয় লোকজন ধাওয়া করে তাকে আটক করেন।
আহত তিনজনকে দ্রুত ফেনী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক লাকি বেগমকে মৃত ঘোষণা করেন।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শাহরিয়ার কবির জানান, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই লাকি বেগমের মৃত্যু হয়েছিল। আহত মোস্তফা ও মিথিলার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম নোমান বলেন, ঘটনাস্থল থেকেই রাফিককে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানিয়েছেন, অনলাইনে অর্ডার দিয়ে দুটি ছুরি কিনেছিলেন। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দুটি ছুরিও জব্দ করেছে পুলিশ।
ওসি আরও জানান, নিহত লাকি বেগমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
নিহত নারীর নাম লাকি বেগম (৪৫)। তিনি দিলপুর গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ মোস্তফার স্ত্রী। আহতরা হলেন মোহাম্মদ মোস্তফা (৫৫) ও তাদের মেয়ে মোসাম্মদ মিথিলা মোস্তফা (১৮)। মিথিলা রাজাপুর আলিম মাদ্রাসার এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনার পর অভিযুক্ত ছেলে মোহাম্মদ রাফিককে (২১) আটক করেছে পুলিশ। স্থানীয় লোকজন ধাওয়া করে তাকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।
এলাকাবাসীর দাবি, রাফিক দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, অনলাইনে অর্ডার করে কেনা ছুরি দিয়েই তিনি এ হামলা চালান।
পুলিশ, প্রত্যক্ষদর্শী ও পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, রোববার রাতে রাফিক বাড়িতে এসে মাদক কেনার জন্য মায়ের কাছে টাকা চান। তবে লাকি বেগম টাকা দিতে না চাইলে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন তিনি। একপর্যায়ে ধারালো ছুরি দিয়ে মায়ের ওপর হামলা চালান। এতে গুরুতর আহত হন লাকি বেগম।
মাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে বোন মিথিলাকেও ছুরিকাঘাত করেন রাফিক। পরে মেয়েকে রক্ষা করতে গেলে বাবা মোহাম্মদ মোস্তফাকেও আঘাত করা হয়। পরিবারের সদস্যদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে রাফিক পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরে স্থানীয় লোকজন ধাওয়া করে তাকে আটক করেন।
আহত তিনজনকে দ্রুত ফেনী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক লাকি বেগমকে মৃত ঘোষণা করেন।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শাহরিয়ার কবির জানান, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই লাকি বেগমের মৃত্যু হয়েছিল। আহত মোস্তফা ও মিথিলার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম নোমান বলেন, ঘটনাস্থল থেকেই রাফিককে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানিয়েছেন, অনলাইনে অর্ডার দিয়ে দুটি ছুরি কিনেছিলেন। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দুটি ছুরিও জব্দ করেছে পুলিশ।
ওসি আরও জানান, নিহত লাকি বেগমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

মাদকাসক্ত ছেলের বিরুদ্ধে মাকে হত্যার অভিযোগ
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১১ মে ২০২৬, ০০: ৫২

খুনের অভিযোগে আটক মোহাম্মদ রফিক। ছবি: সংগৃহীত
ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলায় মাদকাসক্ত ছেলের বিরুদ্ধে ছুরিকাঘাতে মাকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন তার স্বামী ও মেয়ে। রবিবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে উপজেলার সিন্দুরপুর ইউনিয়নের দিলপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত নারীর নাম লাকি বেগম (৪৫)। তিনি দিলপুর গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ মোস্তফার স্ত্রী। আহতরা হলেন মোহাম্মদ মোস্তফা (৫৫) ও তাদের মেয়ে মোসাম্মদ মিথিলা মোস্তফা (১৮)। মিথিলা রাজাপুর আলিম মাদ্রাসার এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনার পর অভিযুক্ত ছেলে মোহাম্মদ রাফিককে (২১) আটক করেছে পুলিশ। স্থানীয় লোকজন ধাওয়া করে তাকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।
এলাকাবাসীর দাবি, রাফিক দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, অনলাইনে অর্ডার করে কেনা ছুরি দিয়েই তিনি এ হামলা চালান।
পুলিশ, প্রত্যক্ষদর্শী ও পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, রোববার রাতে রাফিক বাড়িতে এসে মাদক কেনার জন্য মায়ের কাছে টাকা চান। তবে লাকি বেগম টাকা দিতে না চাইলে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন তিনি। একপর্যায়ে ধারালো ছুরি দিয়ে মায়ের ওপর হামলা চালান। এতে গুরুতর আহত হন লাকি বেগম।
মাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে বোন মিথিলাকেও ছুরিকাঘাত করেন রাফিক। পরে মেয়েকে রক্ষা করতে গেলে বাবা মোহাম্মদ মোস্তফাকেও আঘাত করা হয়। পরিবারের সদস্যদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে রাফিক পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরে স্থানীয় লোকজন ধাওয়া করে তাকে আটক করেন।
আহত তিনজনকে দ্রুত ফেনী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক লাকি বেগমকে মৃত ঘোষণা করেন।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শাহরিয়ার কবির জানান, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই লাকি বেগমের মৃত্যু হয়েছিল। আহত মোস্তফা ও মিথিলার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম নোমান বলেন, ঘটনাস্থল থেকেই রাফিককে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানিয়েছেন, অনলাইনে অর্ডার দিয়ে দুটি ছুরি কিনেছিলেন। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দুটি ছুরিও জব্দ করেছে পুলিশ।
ওসি আরও জানান, নিহত লাকি বেগমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
নিহত নারীর নাম লাকি বেগম (৪৫)। তিনি দিলপুর গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ মোস্তফার স্ত্রী। আহতরা হলেন মোহাম্মদ মোস্তফা (৫৫) ও তাদের মেয়ে মোসাম্মদ মিথিলা মোস্তফা (১৮)। মিথিলা রাজাপুর আলিম মাদ্রাসার এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনার পর অভিযুক্ত ছেলে মোহাম্মদ রাফিককে (২১) আটক করেছে পুলিশ। স্থানীয় লোকজন ধাওয়া করে তাকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।
এলাকাবাসীর দাবি, রাফিক দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, অনলাইনে অর্ডার করে কেনা ছুরি দিয়েই তিনি এ হামলা চালান।
পুলিশ, প্রত্যক্ষদর্শী ও পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, রোববার রাতে রাফিক বাড়িতে এসে মাদক কেনার জন্য মায়ের কাছে টাকা চান। তবে লাকি বেগম টাকা দিতে না চাইলে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন তিনি। একপর্যায়ে ধারালো ছুরি দিয়ে মায়ের ওপর হামলা চালান। এতে গুরুতর আহত হন লাকি বেগম।
মাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে বোন মিথিলাকেও ছুরিকাঘাত করেন রাফিক। পরে মেয়েকে রক্ষা করতে গেলে বাবা মোহাম্মদ মোস্তফাকেও আঘাত করা হয়। পরিবারের সদস্যদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে রাফিক পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরে স্থানীয় লোকজন ধাওয়া করে তাকে আটক করেন।
আহত তিনজনকে দ্রুত ফেনী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক লাকি বেগমকে মৃত ঘোষণা করেন।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শাহরিয়ার কবির জানান, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই লাকি বেগমের মৃত্যু হয়েছিল। আহত মোস্তফা ও মিথিলার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম নোমান বলেন, ঘটনাস্থল থেকেই রাফিককে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানিয়েছেন, অনলাইনে অর্ডার দিয়ে দুটি ছুরি কিনেছিলেন। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দুটি ছুরিও জব্দ করেছে পুলিশ।
ওসি আরও জানান, নিহত লাকি বেগমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
/এমআর/




