হামে মৃত্যু ৪০০ ছাড়ালো

হামে মৃত্যু ৪০০ ছাড়ালো
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশজুড়ে বেড়েই চলেছে হামের সংক্রমণ এবং মৃত্যুর সংখ্যা। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম ও উপসর্গে প্রাণ হারিয়েছে ৪০৯ জন শিশু। হামের সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার কমতে আরও দেড়-দুই মাস সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, হামে এ পর্যন্ত ৬৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আর হামজনিত উপসর্গে প্রাণ হারিয়েছে ৩৪৪ জন শিশু। ফলে হাম ও এ রোগের উপসর্গ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪০৯ জনে।
এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে ১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ৪ শিশুর, আর বাকি ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে হামের উপসর্গ নিয়ে। নিশ্চিত হামে ঢাকায় ৩ শিশু ও বরিশালে ১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আর হামের উপসর্গে ঢাকায় ৩, চট্টগ্রামে ২ ও সিলেটে ২ শিশু মারা গেছে।
শনিবার (১০ মে) সকাল ৮টা থেকে রবিবার (১১ মে) সকাল ৮টা পর্যন্ত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো হামবিষয়ক প্রেস বিজ্ঞপ্তি থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হাম উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে ১৫০৩ জন আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ২০৫ শিশুর।
চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ৪৯ হাজার ১৫৯ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। এর সময়ের মধ্যে ৩৪ হাজার ৯০৯ শিশুকে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়িতে ফিরেছে ৩০ হাজার ৮৬২ শিশু। গত ১৫ মার্চ থেকে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৬ হাজার ৮১৯ জন।
করোনা মহামারিজনিত টিকাদান কার্যক্রম বিঘ্নের কারণে সৃষ্ট রোগ প্রতিরোধ ঘাটতি (ইমিউনিটি গ্যাপ) হামের সংক্রমণ বাড়ার অন্যতম কারণ। বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের পেডিয়াট্রিক ইনফেকশন ডিজিজের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মির্জা জিয়াউল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন। হামে আক্রান্ত শিশুর মৃত্যুর অন্যতম কারণ হিসেবে নিউমোনিয়াকে দায়ী করেছেন তিনি। জিয়াউল ইসলাম বলেন, হাম মোকাবিলায় ব্যবস্থাপনা কৌশলের অংশ হিসেবে আক্রান্ত শিশুর জন্য বাধ্যতামূলক ভিটামিন ‘এ’ নিশ্চিত করা জরুরি।
এদিকে দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়া হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছে সরকার। এর আওতায় এখন পর্যন্ত ১ কোটি ৭২ লাখ ৬৮ হাজার ৯০৮ জন শিশুকে হাম-রুবেলার টিকা দেওয়া হয়েছে।

দেশজুড়ে বেড়েই চলেছে হামের সংক্রমণ এবং মৃত্যুর সংখ্যা। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম ও উপসর্গে প্রাণ হারিয়েছে ৪০৯ জন শিশু। হামের সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার কমতে আরও দেড়-দুই মাস সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, হামে এ পর্যন্ত ৬৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আর হামজনিত উপসর্গে প্রাণ হারিয়েছে ৩৪৪ জন শিশু। ফলে হাম ও এ রোগের উপসর্গ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪০৯ জনে।
এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে ১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ৪ শিশুর, আর বাকি ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে হামের উপসর্গ নিয়ে। নিশ্চিত হামে ঢাকায় ৩ শিশু ও বরিশালে ১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আর হামের উপসর্গে ঢাকায় ৩, চট্টগ্রামে ২ ও সিলেটে ২ শিশু মারা গেছে।
শনিবার (১০ মে) সকাল ৮টা থেকে রবিবার (১১ মে) সকাল ৮টা পর্যন্ত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো হামবিষয়ক প্রেস বিজ্ঞপ্তি থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হাম উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে ১৫০৩ জন আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ২০৫ শিশুর।
চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ৪৯ হাজার ১৫৯ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। এর সময়ের মধ্যে ৩৪ হাজার ৯০৯ শিশুকে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়িতে ফিরেছে ৩০ হাজার ৮৬২ শিশু। গত ১৫ মার্চ থেকে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৬ হাজার ৮১৯ জন।
করোনা মহামারিজনিত টিকাদান কার্যক্রম বিঘ্নের কারণে সৃষ্ট রোগ প্রতিরোধ ঘাটতি (ইমিউনিটি গ্যাপ) হামের সংক্রমণ বাড়ার অন্যতম কারণ। বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের পেডিয়াট্রিক ইনফেকশন ডিজিজের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মির্জা জিয়াউল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন। হামে আক্রান্ত শিশুর মৃত্যুর অন্যতম কারণ হিসেবে নিউমোনিয়াকে দায়ী করেছেন তিনি। জিয়াউল ইসলাম বলেন, হাম মোকাবিলায় ব্যবস্থাপনা কৌশলের অংশ হিসেবে আক্রান্ত শিশুর জন্য বাধ্যতামূলক ভিটামিন ‘এ’ নিশ্চিত করা জরুরি।
এদিকে দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়া হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছে সরকার। এর আওতায় এখন পর্যন্ত ১ কোটি ৭২ লাখ ৬৮ হাজার ৯০৮ জন শিশুকে হাম-রুবেলার টিকা দেওয়া হয়েছে।

হামে মৃত্যু ৪০০ ছাড়ালো
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশজুড়ে বেড়েই চলেছে হামের সংক্রমণ এবং মৃত্যুর সংখ্যা। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম ও উপসর্গে প্রাণ হারিয়েছে ৪০৯ জন শিশু। হামের সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার কমতে আরও দেড়-দুই মাস সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, হামে এ পর্যন্ত ৬৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আর হামজনিত উপসর্গে প্রাণ হারিয়েছে ৩৪৪ জন শিশু। ফলে হাম ও এ রোগের উপসর্গ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪০৯ জনে।
এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে ১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ৪ শিশুর, আর বাকি ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে হামের উপসর্গ নিয়ে। নিশ্চিত হামে ঢাকায় ৩ শিশু ও বরিশালে ১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আর হামের উপসর্গে ঢাকায় ৩, চট্টগ্রামে ২ ও সিলেটে ২ শিশু মারা গেছে।
শনিবার (১০ মে) সকাল ৮টা থেকে রবিবার (১১ মে) সকাল ৮টা পর্যন্ত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো হামবিষয়ক প্রেস বিজ্ঞপ্তি থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হাম উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে ১৫০৩ জন আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ২০৫ শিশুর।
চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ৪৯ হাজার ১৫৯ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। এর সময়ের মধ্যে ৩৪ হাজার ৯০৯ শিশুকে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়িতে ফিরেছে ৩০ হাজার ৮৬২ শিশু। গত ১৫ মার্চ থেকে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৬ হাজার ৮১৯ জন।
করোনা মহামারিজনিত টিকাদান কার্যক্রম বিঘ্নের কারণে সৃষ্ট রোগ প্রতিরোধ ঘাটতি (ইমিউনিটি গ্যাপ) হামের সংক্রমণ বাড়ার অন্যতম কারণ। বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের পেডিয়াট্রিক ইনফেকশন ডিজিজের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মির্জা জিয়াউল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন। হামে আক্রান্ত শিশুর মৃত্যুর অন্যতম কারণ হিসেবে নিউমোনিয়াকে দায়ী করেছেন তিনি। জিয়াউল ইসলাম বলেন, হাম মোকাবিলায় ব্যবস্থাপনা কৌশলের অংশ হিসেবে আক্রান্ত শিশুর জন্য বাধ্যতামূলক ভিটামিন ‘এ’ নিশ্চিত করা জরুরি।
এদিকে দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়া হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছে সরকার। এর আওতায় এখন পর্যন্ত ১ কোটি ৭২ লাখ ৬৮ হাজার ৯০৮ জন শিশুকে হাম-রুবেলার টিকা দেওয়া হয়েছে।

হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু


