বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
৯ বছরেও মিলেনি ৫০ শয্যার আর্থিক অনুমোদন
জামালপুর সংবাদদাতা

৯ বছরেও মিলেনি ৫০ শয্যার আর্থিক অনুমোদন
জামালপুর সংবাদদাতা
প্রকাশ : ০৩ মে ২০২৬, ২১: ৪০

বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দক্ষ জনবলের অভাবে রোগীরা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ছবি: সিটিজেন জার্নাল
জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করার প্রশাসনিক অনুমোদনের ৯ বছর পেরিয়ে গেলেও মেলেনি আর্থিক অনুমোদন।
ফলে নতুন অবকাঠামোসহ সার্বিক সুবিধা থাকার পরেও দক্ষ জনবলের অভাবে রোগীরা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। শয্যার অভাবে প্রতিনিয়ত ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন তারা। ৫০ শয্যার সাইনবোর্ড সম্বলিত স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খুড়িঁয়ে খুড়িঁয়ে চলছে ৩১ শয্যার কার্যক্রম।
জানা যায়, ২০১৬ সালে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যার উন্নীত করার জন্য প্রশাসনিক অনুমোদন পায়। এজন্য নির্মাণ করা হয় নতুন ভবন, পাশাপাশি নতুন যন্ত্রপাতিও সংযোজন করা হয়।
কিন্তু আর্থিক অনুমোদন না মেলায় ৫০ শয্যার কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ফলে নির্মিত ভবন ও চিকিৎসা সরঞ্জাম অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে দীর্ঘদিন। এতে অরক্ষিত অবস্থায় মূল্যবান যন্ত্রপাতিগুলো দিনে দিনে নষ্ট হচ্ছে।
বকশীগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র নজরুল ইসলাম সওদাগর বলেন, উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতাল হলেও যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো থাকার কারণে পাশ্ববর্তী কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারি, রাজিবপুর ও জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জের আংশিক এবং ইসলামপুর উপজেলার আংশিক এলাকার লোকজন বকশীগঞ্জ হাসপাতালে সেবা নিতে আসে। তাই বার্ষিক হিসাব করলে প্রায় জেলা হাসপাতালের সমপরিমান রোগী চিকিৎসা নেয় এ হাসপাতালে। অন্যান্য উপজেলার চাইতে এ হাসপাতালে রোগীর চাপ বেশি। তাই ৫০ শয্যার কার্যক্রম চালু হলে চিকিৎসা সেবার মান বাড়বে।
সাবেক মেডিকেল অফিসার ডা. আজিজুল হক বলেন, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ৯ বছর আগে ৫০ শয্যায় উন্নীত হয়েছে। যন্ত্রপাতিরও ঘাটতি নেই। আর্থিক অনুমোদন পেলে বেশ কয়েকজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারসহ জনবলের বরাদ্দ পাওয়া যাবে। জনবল বরাদ্দ পেলে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারগণ আধুনিক যন্ত্রপাতিগুলো ব্যবহার করতে পারবেন। তখন সিজারসহ মাঝারি ও ছোট-খাটো অপারেশনের জন্য রোগীদের জামালপুর, শেরপুর ও ময়মনসিংহ যেতে হবেনা। তাদের হয়রানি কমবে। আর্থিক ভাবেও তাদের সাশ্রয় হবে। চিকিৎসা সেবার মানও বাড়বে।
পৌর শহরের সরদারপাড়ার বাসিন্দা লিয়াকত হোসেন বাবুল বলেন, অতিরিক্ত রোগী ভর্তি হওয়ায় প্রায়ই রোগীরা চিকিৎসা নিতে এসে বেড না পেয়ে মেঝেতে, বারান্দা বা ছাঁদে খোলা আকাশের নিচে থাকে। ৩১ জনের পর বাকী রোগীরা শয্যা পায়না। সিট ও যন্ত্রপাতি সবই আছে। কিন্তু আর্থিক অনুমোদন না থাকায় দক্ষ জনবল সংকটে রোগীরা ৫০ শয্যার সুবিধা পাচ্ছে না। বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর মানসম্মত চিকিৎসা সেবার স্বার্থে দ্রুত সময়ের মধ্যে আর্থিক অনুমোদনের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের দাবি জানাই।

সেবা নিতে আসা কামালপুর গ্রামের বাসিন্দা মকবুল মিয়া বলেন, ‘৫০ শয্যার কার্যক্রম চালু হলে রোগীদের হয়রানি কমবে। বর্তমানে ছোট-খাটো বিষয় নিয়েও রোগীদের অন্য হাসপাতালে রেফার করা হয়। বিশেষজ্ঞ ডাক্তার না থাকায় কর্তব্যরত চিকিৎসকরা ঝুঁকি নিতে চাননা। তাই চিকিৎসা সেবার মান উন্নয়নে ৫০ শয্যার কার্যক্রম চালু করা জরুরী।’
বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রেজাউল করিম বলেন, ‘আর্থিক অনুমোদনের বিষয়টি নিয়ে চিঠি চালাচালি চলমান আছে। কর্তৃপক্ষ অনুমোদন দিলে যেকোন সময় ৫০ শয্যার কার্যক্রম চালু করা সম্ভব।’
জামালপুর জেলা সিভিল সার্জন ডা. আজিজুল হক বলেন, ’আর্থিক অনুমোদনের বিষয়টি স্বাস্থ্য বিভাগ ও মন্ত্রণালয়কে জানিয়ে অনুমোদন চাওয়া হয়েছে। বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অনুমোদন প্রক্রিয়া সমাধান ও ফরম্যাট অনুযায়ী জনবল পাওয়ার পর কার্যক্রম চালু করা সহজ হবে। এর পূর্বে ৩১ শয্যার কার্যক্রমই চলমান থাকবে। কারণ, দক্ষ জনবল ছাড়া ৫০ শয্যার কার্যক্রম চালুর সুযোগ নেই।’

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করার প্রশাসনিক অনুমোদনের ৯ বছর পেরিয়ে গেলেও মেলেনি আর্থিক অনুমোদন।
ফলে নতুন অবকাঠামোসহ সার্বিক সুবিধা থাকার পরেও দক্ষ জনবলের অভাবে রোগীরা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। শয্যার অভাবে প্রতিনিয়ত ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন তারা। ৫০ শয্যার সাইনবোর্ড সম্বলিত স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খুড়িঁয়ে খুড়িঁয়ে চলছে ৩১ শয্যার কার্যক্রম।
জানা যায়, ২০১৬ সালে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যার উন্নীত করার জন্য প্রশাসনিক অনুমোদন পায়। এজন্য নির্মাণ করা হয় নতুন ভবন, পাশাপাশি নতুন যন্ত্রপাতিও সংযোজন করা হয়।
কিন্তু আর্থিক অনুমোদন না মেলায় ৫০ শয্যার কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ফলে নির্মিত ভবন ও চিকিৎসা সরঞ্জাম অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে দীর্ঘদিন। এতে অরক্ষিত অবস্থায় মূল্যবান যন্ত্রপাতিগুলো দিনে দিনে নষ্ট হচ্ছে।
বকশীগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র নজরুল ইসলাম সওদাগর বলেন, উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতাল হলেও যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো থাকার কারণে পাশ্ববর্তী কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারি, রাজিবপুর ও জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জের আংশিক এবং ইসলামপুর উপজেলার আংশিক এলাকার লোকজন বকশীগঞ্জ হাসপাতালে সেবা নিতে আসে। তাই বার্ষিক হিসাব করলে প্রায় জেলা হাসপাতালের সমপরিমান রোগী চিকিৎসা নেয় এ হাসপাতালে। অন্যান্য উপজেলার চাইতে এ হাসপাতালে রোগীর চাপ বেশি। তাই ৫০ শয্যার কার্যক্রম চালু হলে চিকিৎসা সেবার মান বাড়বে।
সাবেক মেডিকেল অফিসার ডা. আজিজুল হক বলেন, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ৯ বছর আগে ৫০ শয্যায় উন্নীত হয়েছে। যন্ত্রপাতিরও ঘাটতি নেই। আর্থিক অনুমোদন পেলে বেশ কয়েকজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারসহ জনবলের বরাদ্দ পাওয়া যাবে। জনবল বরাদ্দ পেলে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারগণ আধুনিক যন্ত্রপাতিগুলো ব্যবহার করতে পারবেন। তখন সিজারসহ মাঝারি ও ছোট-খাটো অপারেশনের জন্য রোগীদের জামালপুর, শেরপুর ও ময়মনসিংহ যেতে হবেনা। তাদের হয়রানি কমবে। আর্থিক ভাবেও তাদের সাশ্রয় হবে। চিকিৎসা সেবার মানও বাড়বে।
পৌর শহরের সরদারপাড়ার বাসিন্দা লিয়াকত হোসেন বাবুল বলেন, অতিরিক্ত রোগী ভর্তি হওয়ায় প্রায়ই রোগীরা চিকিৎসা নিতে এসে বেড না পেয়ে মেঝেতে, বারান্দা বা ছাঁদে খোলা আকাশের নিচে থাকে। ৩১ জনের পর বাকী রোগীরা শয্যা পায়না। সিট ও যন্ত্রপাতি সবই আছে। কিন্তু আর্থিক অনুমোদন না থাকায় দক্ষ জনবল সংকটে রোগীরা ৫০ শয্যার সুবিধা পাচ্ছে না। বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর মানসম্মত চিকিৎসা সেবার স্বার্থে দ্রুত সময়ের মধ্যে আর্থিক অনুমোদনের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের দাবি জানাই।

সেবা নিতে আসা কামালপুর গ্রামের বাসিন্দা মকবুল মিয়া বলেন, ‘৫০ শয্যার কার্যক্রম চালু হলে রোগীদের হয়রানি কমবে। বর্তমানে ছোট-খাটো বিষয় নিয়েও রোগীদের অন্য হাসপাতালে রেফার করা হয়। বিশেষজ্ঞ ডাক্তার না থাকায় কর্তব্যরত চিকিৎসকরা ঝুঁকি নিতে চাননা। তাই চিকিৎসা সেবার মান উন্নয়নে ৫০ শয্যার কার্যক্রম চালু করা জরুরী।’
বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রেজাউল করিম বলেন, ‘আর্থিক অনুমোদনের বিষয়টি নিয়ে চিঠি চালাচালি চলমান আছে। কর্তৃপক্ষ অনুমোদন দিলে যেকোন সময় ৫০ শয্যার কার্যক্রম চালু করা সম্ভব।’
জামালপুর জেলা সিভিল সার্জন ডা. আজিজুল হক বলেন, ’আর্থিক অনুমোদনের বিষয়টি স্বাস্থ্য বিভাগ ও মন্ত্রণালয়কে জানিয়ে অনুমোদন চাওয়া হয়েছে। বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অনুমোদন প্রক্রিয়া সমাধান ও ফরম্যাট অনুযায়ী জনবল পাওয়ার পর কার্যক্রম চালু করা সহজ হবে। এর পূর্বে ৩১ শয্যার কার্যক্রমই চলমান থাকবে। কারণ, দক্ষ জনবল ছাড়া ৫০ শয্যার কার্যক্রম চালুর সুযোগ নেই।’

৯ বছরেও মিলেনি ৫০ শয্যার আর্থিক অনুমোদন
জামালপুর সংবাদদাতা
প্রকাশ : ০৩ মে ২০২৬, ২১: ৪০

বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দক্ষ জনবলের অভাবে রোগীরা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ছবি: সিটিজেন জার্নাল
জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করার প্রশাসনিক অনুমোদনের ৯ বছর পেরিয়ে গেলেও মেলেনি আর্থিক অনুমোদন।
ফলে নতুন অবকাঠামোসহ সার্বিক সুবিধা থাকার পরেও দক্ষ জনবলের অভাবে রোগীরা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। শয্যার অভাবে প্রতিনিয়ত ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন তারা। ৫০ শয্যার সাইনবোর্ড সম্বলিত স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খুড়িঁয়ে খুড়িঁয়ে চলছে ৩১ শয্যার কার্যক্রম।
জানা যায়, ২০১৬ সালে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যার উন্নীত করার জন্য প্রশাসনিক অনুমোদন পায়। এজন্য নির্মাণ করা হয় নতুন ভবন, পাশাপাশি নতুন যন্ত্রপাতিও সংযোজন করা হয়।
কিন্তু আর্থিক অনুমোদন না মেলায় ৫০ শয্যার কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ফলে নির্মিত ভবন ও চিকিৎসা সরঞ্জাম অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে দীর্ঘদিন। এতে অরক্ষিত অবস্থায় মূল্যবান যন্ত্রপাতিগুলো দিনে দিনে নষ্ট হচ্ছে।
বকশীগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র নজরুল ইসলাম সওদাগর বলেন, উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতাল হলেও যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো থাকার কারণে পাশ্ববর্তী কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারি, রাজিবপুর ও জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জের আংশিক এবং ইসলামপুর উপজেলার আংশিক এলাকার লোকজন বকশীগঞ্জ হাসপাতালে সেবা নিতে আসে। তাই বার্ষিক হিসাব করলে প্রায় জেলা হাসপাতালের সমপরিমান রোগী চিকিৎসা নেয় এ হাসপাতালে। অন্যান্য উপজেলার চাইতে এ হাসপাতালে রোগীর চাপ বেশি। তাই ৫০ শয্যার কার্যক্রম চালু হলে চিকিৎসা সেবার মান বাড়বে।
সাবেক মেডিকেল অফিসার ডা. আজিজুল হক বলেন, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ৯ বছর আগে ৫০ শয্যায় উন্নীত হয়েছে। যন্ত্রপাতিরও ঘাটতি নেই। আর্থিক অনুমোদন পেলে বেশ কয়েকজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারসহ জনবলের বরাদ্দ পাওয়া যাবে। জনবল বরাদ্দ পেলে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারগণ আধুনিক যন্ত্রপাতিগুলো ব্যবহার করতে পারবেন। তখন সিজারসহ মাঝারি ও ছোট-খাটো অপারেশনের জন্য রোগীদের জামালপুর, শেরপুর ও ময়মনসিংহ যেতে হবেনা। তাদের হয়রানি কমবে। আর্থিক ভাবেও তাদের সাশ্রয় হবে। চিকিৎসা সেবার মানও বাড়বে।
পৌর শহরের সরদারপাড়ার বাসিন্দা লিয়াকত হোসেন বাবুল বলেন, অতিরিক্ত রোগী ভর্তি হওয়ায় প্রায়ই রোগীরা চিকিৎসা নিতে এসে বেড না পেয়ে মেঝেতে, বারান্দা বা ছাঁদে খোলা আকাশের নিচে থাকে। ৩১ জনের পর বাকী রোগীরা শয্যা পায়না। সিট ও যন্ত্রপাতি সবই আছে। কিন্তু আর্থিক অনুমোদন না থাকায় দক্ষ জনবল সংকটে রোগীরা ৫০ শয্যার সুবিধা পাচ্ছে না। বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর মানসম্মত চিকিৎসা সেবার স্বার্থে দ্রুত সময়ের মধ্যে আর্থিক অনুমোদনের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের দাবি জানাই।

সেবা নিতে আসা কামালপুর গ্রামের বাসিন্দা মকবুল মিয়া বলেন, ‘৫০ শয্যার কার্যক্রম চালু হলে রোগীদের হয়রানি কমবে। বর্তমানে ছোট-খাটো বিষয় নিয়েও রোগীদের অন্য হাসপাতালে রেফার করা হয়। বিশেষজ্ঞ ডাক্তার না থাকায় কর্তব্যরত চিকিৎসকরা ঝুঁকি নিতে চাননা। তাই চিকিৎসা সেবার মান উন্নয়নে ৫০ শয্যার কার্যক্রম চালু করা জরুরী।’
বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রেজাউল করিম বলেন, ‘আর্থিক অনুমোদনের বিষয়টি নিয়ে চিঠি চালাচালি চলমান আছে। কর্তৃপক্ষ অনুমোদন দিলে যেকোন সময় ৫০ শয্যার কার্যক্রম চালু করা সম্ভব।’
জামালপুর জেলা সিভিল সার্জন ডা. আজিজুল হক বলেন, ’আর্থিক অনুমোদনের বিষয়টি স্বাস্থ্য বিভাগ ও মন্ত্রণালয়কে জানিয়ে অনুমোদন চাওয়া হয়েছে। বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অনুমোদন প্রক্রিয়া সমাধান ও ফরম্যাট অনুযায়ী জনবল পাওয়ার পর কার্যক্রম চালু করা সহজ হবে। এর পূর্বে ৩১ শয্যার কার্যক্রমই চলমান থাকবে। কারণ, দক্ষ জনবল ছাড়া ৫০ শয্যার কার্যক্রম চালুর সুযোগ নেই।’
/এমআর/




