তিন ধাপে যুদ্ধের অবসান চায় ইরান
সিটিজেন ডেস্ক

তিন ধাপে যুদ্ধের অবসান চায় ইরান
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ০৩ মে ২০২৬, ২৩: ০২

প্রতীকী ছবি
পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পাঠানো ইরানের সর্বশেষ শান্তি প্রস্তাবে একটি সুস্পষ্ট তিন ধাপের রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে আল জাজিরা জানিয়েছে, তেহরানের লক্ষ্য হলো চলমান যুদ্ধবিরতিকে ৩০ দিনের মধ্যে স্থায়ীভাবে সংঘাতের অবসানে রূপ দেওয়া।
এই প্রস্তাবে ইসরায়েলসহ সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলা হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে কোনো যুদ্ধ শুরু না হয় এবং পুরো অঞ্চলে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা যায়।
প্রথম ধাপে ধাপে হরমুজ প্রণালী পুনরায় উন্মুক্ত করার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি ইরানের বন্দরগুলোর ওপর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত অবরোধ তুলে নেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে। সমুদ্রপথে স্থাপিত মাইন অপসারণের দায়িত্ব ইরান নিজেই গ্রহণ করবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
দ্বিতীয় ধাপে নির্দিষ্ট সময়সীমা শেষে ইরান সীমিত পর্যায়ে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ পুনরায় শুরু করবে। এ ক্ষেত্রে ৩ দশমিক ৬ শতাংশ মাত্রা বজায় রাখা হবে এবং ‘জিরো-স্টোরেজ’ নীতি অনুসরণ করা হবে, অর্থাৎ উৎপাদিত উপাদান মজুত রাখা হবে না।
এ ছাড়া প্রস্তাবে পারস্পরিক অনাক্রমণের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। শর্ত অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল ইরান ও তার মিত্রদের ওপর কোনো হামলা চালাবে না; একইভাবে ইরানও প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকবে। ইরানের পরমাণু অবকাঠামো ভেঙে ফেলা বা স্থাপনা ধ্বংসের দাবিকে এই প্রস্তাবে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।
অর্থনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ শর্ত রাখা হয়েছে—ইরানের ওপর থেকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং বিদেশে আটকে থাকা ইরানি সম্পদ ধাপে ধাপে মুক্ত করে দেওয়ার প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
তৃতীয় ধাপে তেহরান তার আরব প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে কৌশলগত সংলাপ শুরু করতে চায়। এর লক্ষ্য হলো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে একটি সমন্বিত নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে তোলা, যা দীর্ঘমেয়াদে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে পারে।
সূত্র: আল জাজিরা

পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পাঠানো ইরানের সর্বশেষ শান্তি প্রস্তাবে একটি সুস্পষ্ট তিন ধাপের রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে আল জাজিরা জানিয়েছে, তেহরানের লক্ষ্য হলো চলমান যুদ্ধবিরতিকে ৩০ দিনের মধ্যে স্থায়ীভাবে সংঘাতের অবসানে রূপ দেওয়া।
এই প্রস্তাবে ইসরায়েলসহ সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলা হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে কোনো যুদ্ধ শুরু না হয় এবং পুরো অঞ্চলে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা যায়।
প্রথম ধাপে ধাপে হরমুজ প্রণালী পুনরায় উন্মুক্ত করার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি ইরানের বন্দরগুলোর ওপর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত অবরোধ তুলে নেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে। সমুদ্রপথে স্থাপিত মাইন অপসারণের দায়িত্ব ইরান নিজেই গ্রহণ করবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
দ্বিতীয় ধাপে নির্দিষ্ট সময়সীমা শেষে ইরান সীমিত পর্যায়ে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ পুনরায় শুরু করবে। এ ক্ষেত্রে ৩ দশমিক ৬ শতাংশ মাত্রা বজায় রাখা হবে এবং ‘জিরো-স্টোরেজ’ নীতি অনুসরণ করা হবে, অর্থাৎ উৎপাদিত উপাদান মজুত রাখা হবে না।
এ ছাড়া প্রস্তাবে পারস্পরিক অনাক্রমণের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। শর্ত অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল ইরান ও তার মিত্রদের ওপর কোনো হামলা চালাবে না; একইভাবে ইরানও প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকবে। ইরানের পরমাণু অবকাঠামো ভেঙে ফেলা বা স্থাপনা ধ্বংসের দাবিকে এই প্রস্তাবে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।
অর্থনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ শর্ত রাখা হয়েছে—ইরানের ওপর থেকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং বিদেশে আটকে থাকা ইরানি সম্পদ ধাপে ধাপে মুক্ত করে দেওয়ার প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
তৃতীয় ধাপে তেহরান তার আরব প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে কৌশলগত সংলাপ শুরু করতে চায়। এর লক্ষ্য হলো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে একটি সমন্বিত নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে তোলা, যা দীর্ঘমেয়াদে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে পারে।
সূত্র: আল জাজিরা

তিন ধাপে যুদ্ধের অবসান চায় ইরান
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ০৩ মে ২০২৬, ২৩: ০২

প্রতীকী ছবি
পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পাঠানো ইরানের সর্বশেষ শান্তি প্রস্তাবে একটি সুস্পষ্ট তিন ধাপের রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে আল জাজিরা জানিয়েছে, তেহরানের লক্ষ্য হলো চলমান যুদ্ধবিরতিকে ৩০ দিনের মধ্যে স্থায়ীভাবে সংঘাতের অবসানে রূপ দেওয়া।
এই প্রস্তাবে ইসরায়েলসহ সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলা হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে কোনো যুদ্ধ শুরু না হয় এবং পুরো অঞ্চলে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা যায়।
প্রথম ধাপে ধাপে হরমুজ প্রণালী পুনরায় উন্মুক্ত করার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি ইরানের বন্দরগুলোর ওপর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত অবরোধ তুলে নেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে। সমুদ্রপথে স্থাপিত মাইন অপসারণের দায়িত্ব ইরান নিজেই গ্রহণ করবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
দ্বিতীয় ধাপে নির্দিষ্ট সময়সীমা শেষে ইরান সীমিত পর্যায়ে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ পুনরায় শুরু করবে। এ ক্ষেত্রে ৩ দশমিক ৬ শতাংশ মাত্রা বজায় রাখা হবে এবং ‘জিরো-স্টোরেজ’ নীতি অনুসরণ করা হবে, অর্থাৎ উৎপাদিত উপাদান মজুত রাখা হবে না।
এ ছাড়া প্রস্তাবে পারস্পরিক অনাক্রমণের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। শর্ত অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল ইরান ও তার মিত্রদের ওপর কোনো হামলা চালাবে না; একইভাবে ইরানও প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকবে। ইরানের পরমাণু অবকাঠামো ভেঙে ফেলা বা স্থাপনা ধ্বংসের দাবিকে এই প্রস্তাবে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।
অর্থনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ শর্ত রাখা হয়েছে—ইরানের ওপর থেকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং বিদেশে আটকে থাকা ইরানি সম্পদ ধাপে ধাপে মুক্ত করে দেওয়ার প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
তৃতীয় ধাপে তেহরান তার আরব প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে কৌশলগত সংলাপ শুরু করতে চায়। এর লক্ষ্য হলো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে একটি সমন্বিত নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে তোলা, যা দীর্ঘমেয়াদে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে পারে।
সূত্র: আল জাজিরা
/এমআর/




