শিরোনাম

কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে যুক্ত হচ্ছে নতুন ৪ ইনস্টিটিউট

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে যুক্ত হচ্ছে নতুন ৪ ইনস্টিটিউট
কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। ছবি: সিটিজেন জার্নাল

কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন চারটি ইনস্টিটিউট করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সর্বশেষ সিন্ডিকেট সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রাসেদুল ইসলাম।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, সীমিত সংখ্যক শিক্ষক ও জনবল নিয়ে শিক্ষা, গবেষণা এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। স্থায়ী ক্যাম্পাস না হওয়ায় দুটি ভাড়া ভবনে প্রশাসনিক এবং অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। বর্তমানে দুটি ফ্যাকাল্টি নিয়ে অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম চললেও নতুন করে আরও চারটি ইনস্টিটিউট খোলার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

প্রশাসনিক শাখা সূত্র জানায়, বিশ্ববিদ্যালয়টি তাত্ত্বিক শিক্ষার পাশাপাশি ব্যবহারিক শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। কৃষি গবেষণার পথ প্রশস্ত করতে সাউথইস্ট ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশেষ গবেষণা অনুদান প্রদান করেছে। এছাড়া অস্ট্রেলিয়ার চার্লস স্টার্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতামূলক শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

জানা গেছে, চলতি বছরের ২২ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, চর অ্যাগ্রিকালচারাল ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট, ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট, ফ্রেশওয়াটার  ফিশারিজ রিসার্চ ইনস্টিটিউট এবং ভেজিটেবলস অ্যান্ড ফ্রুটস রিসার্চ ইনস্টিটিউট নামে নতুন চারটি ইনস্টিটিউট চালু করা হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রাসেদুল ইসলাম বলেন, ‘কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নের লক্ষ্যে বর্তমান সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের সাথে সামঞ্জস্য রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষা কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। বর্তমানে দুটি ফ্যাকাল্টিতে পাঠদান চললেও আগামীতে আমরা চারটি ইনস্টিটিউট চালুর অনুমোদন পেয়েছি।’

শিক্ষক ও জনবল নিয়োগ প্রসঙ্গে উপাচার্য বলেন, ‘অ্যাকাডেমিক ও গবেষণা কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে অতি অল্প সময়ের মধ্যে একটি নিয়মতান্ত্রিক ও স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরুর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম গতিশীল করতে দ্রুত স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণ করা প্রয়োজন। আমরা আশা করছি, সরকার দ্রুত স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণে উদ্যোগ নেবে। ইউজিসি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় সঠিক সময়ে অনুদান পেলে কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় অচিরেই একটি আধুনিক ও বিশ্বমানের গবেষণাভিত্তিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।’

/এফআর/