বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে চলছে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’, উপাচার্যকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে চলছে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’, উপাচার্যকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা
বরিশাল সংবাদদাতা

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) পদোন্নতির দাবিতে টানা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষকরা। উপাচার্যকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ রেখে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি পালন করছেন তারা। এতে কার্যত অচল হয়ে পড়েছে পুরো বিশ্ববিদ্যালয়।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে সোমবার (১১ মে) সকালে শিক্ষকদের একাংশকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন-১ এর নিচে অবস্থান নিতে দেখা গেছে।
জানা গেছে, গত ২১ এপ্রিল পদোন্নতির দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন ববি শিক্ষকরা। প্রথমে লাগাতার কর্মবিরতি ও পরে শাটডাউন কর্মসূচি পালন করে তারা। তবে দাবি পূরণ না হওয়ায় গত ২৮ এপ্রিল সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলনের ঘোষণা দেওয়া হয়। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা বেশ কয়েকজন শিক্ষক পদত্যাগ করেন। এসব ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ে সব ধরনের প্রশাসনিক ও অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়।
সবশেষ, গতকাল রবিবার বৈঠক করে ‘শাটডাউন কর্মসূচি’ ঘোষণা দেন আন্দোলনরত শিক্ষকেরা। ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয় উপচার্য মোহাম্মদ তৌফিক আলমকে। একই সঙ্গে অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা প্রায় ৪০ জন শিক্ষক পদত্যাগ করারও ঘোষণা দিয়েছেন।

সদ্য পদত্যাগকারী প্রক্টর রাহাত হোসাইন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পদোন্নতি নিয়ে উপাচার্য তালবাহানা করছেন। এমন পরিবেশে তার সঙ্গে কাজ করা সম্ভব নয়। তাই নিজ দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেছি।’
আন্দোলনরত শিক্ষকেরা জানান, পদোন্নতি সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে গত ৩০ এপ্রিল উপাচার্য, বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার ও শিক্ষকদের প্রতিনিধিদের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় বৈঠক হয়। সেখানে তাদের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল, ৮ মে অনুষ্ঠিত ৯৪তম সিন্ডিকেট সভায় পদোন্নতির বিষয়ে যৌক্তিক সমাধান হবে। কিন্তু ওই সভায় বিদ্যমান নীতিমালা অনুযায়ী, সংকট সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
তাদের অভিযোগ, উপাচার্য বিষয়টি ঝুলিয়ে রাখেন। পাশাপাশি অধিকাংশ সিন্ডিকেট সদস্যের মতামত উপেক্ষা করে তিনি নিজের সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিয়েছেন।
এসব বিষয়ে ববি উপাচার্য মোহাম্মদ তৌফিক আলম বলেন, ‘আমরা বিধি অনুযায়ী শিক্ষকদের পদোন্নতি দিতে সর্বোচ্চ আন্তরিক। তাই শনিবারের সিন্ডিকেট সভায় শিক্ষকদের কয়েকজন প্রতিনিধিসহ সবার ঐকমত্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত হয়েছে, আগামী দুই মাসের মধ্যে অভিন্ন সংবিধি প্রণয়ন করে তাদের পদোন্নতি দেওয়া হবে। তবুও শিক্ষকেরা আবার আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন।’

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) পদোন্নতির দাবিতে টানা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষকরা। উপাচার্যকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ রেখে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি পালন করছেন তারা। এতে কার্যত অচল হয়ে পড়েছে পুরো বিশ্ববিদ্যালয়।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে সোমবার (১১ মে) সকালে শিক্ষকদের একাংশকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন-১ এর নিচে অবস্থান নিতে দেখা গেছে।
জানা গেছে, গত ২১ এপ্রিল পদোন্নতির দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন ববি শিক্ষকরা। প্রথমে লাগাতার কর্মবিরতি ও পরে শাটডাউন কর্মসূচি পালন করে তারা। তবে দাবি পূরণ না হওয়ায় গত ২৮ এপ্রিল সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলনের ঘোষণা দেওয়া হয়। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা বেশ কয়েকজন শিক্ষক পদত্যাগ করেন। এসব ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ে সব ধরনের প্রশাসনিক ও অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়।
সবশেষ, গতকাল রবিবার বৈঠক করে ‘শাটডাউন কর্মসূচি’ ঘোষণা দেন আন্দোলনরত শিক্ষকেরা। ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয় উপচার্য মোহাম্মদ তৌফিক আলমকে। একই সঙ্গে অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা প্রায় ৪০ জন শিক্ষক পদত্যাগ করারও ঘোষণা দিয়েছেন।

সদ্য পদত্যাগকারী প্রক্টর রাহাত হোসাইন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পদোন্নতি নিয়ে উপাচার্য তালবাহানা করছেন। এমন পরিবেশে তার সঙ্গে কাজ করা সম্ভব নয়। তাই নিজ দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেছি।’
আন্দোলনরত শিক্ষকেরা জানান, পদোন্নতি সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে গত ৩০ এপ্রিল উপাচার্য, বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার ও শিক্ষকদের প্রতিনিধিদের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় বৈঠক হয়। সেখানে তাদের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল, ৮ মে অনুষ্ঠিত ৯৪তম সিন্ডিকেট সভায় পদোন্নতির বিষয়ে যৌক্তিক সমাধান হবে। কিন্তু ওই সভায় বিদ্যমান নীতিমালা অনুযায়ী, সংকট সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
তাদের অভিযোগ, উপাচার্য বিষয়টি ঝুলিয়ে রাখেন। পাশাপাশি অধিকাংশ সিন্ডিকেট সদস্যের মতামত উপেক্ষা করে তিনি নিজের সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিয়েছেন।
এসব বিষয়ে ববি উপাচার্য মোহাম্মদ তৌফিক আলম বলেন, ‘আমরা বিধি অনুযায়ী শিক্ষকদের পদোন্নতি দিতে সর্বোচ্চ আন্তরিক। তাই শনিবারের সিন্ডিকেট সভায় শিক্ষকদের কয়েকজন প্রতিনিধিসহ সবার ঐকমত্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত হয়েছে, আগামী দুই মাসের মধ্যে অভিন্ন সংবিধি প্রণয়ন করে তাদের পদোন্নতি দেওয়া হবে। তবুও শিক্ষকেরা আবার আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন।’

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে চলছে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’, উপাচার্যকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা
বরিশাল সংবাদদাতা

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) পদোন্নতির দাবিতে টানা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষকরা। উপাচার্যকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ রেখে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি পালন করছেন তারা। এতে কার্যত অচল হয়ে পড়েছে পুরো বিশ্ববিদ্যালয়।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে সোমবার (১১ মে) সকালে শিক্ষকদের একাংশকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন-১ এর নিচে অবস্থান নিতে দেখা গেছে।
জানা গেছে, গত ২১ এপ্রিল পদোন্নতির দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন ববি শিক্ষকরা। প্রথমে লাগাতার কর্মবিরতি ও পরে শাটডাউন কর্মসূচি পালন করে তারা। তবে দাবি পূরণ না হওয়ায় গত ২৮ এপ্রিল সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলনের ঘোষণা দেওয়া হয়। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা বেশ কয়েকজন শিক্ষক পদত্যাগ করেন। এসব ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ে সব ধরনের প্রশাসনিক ও অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়।
সবশেষ, গতকাল রবিবার বৈঠক করে ‘শাটডাউন কর্মসূচি’ ঘোষণা দেন আন্দোলনরত শিক্ষকেরা। ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয় উপচার্য মোহাম্মদ তৌফিক আলমকে। একই সঙ্গে অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা প্রায় ৪০ জন শিক্ষক পদত্যাগ করারও ঘোষণা দিয়েছেন।

সদ্য পদত্যাগকারী প্রক্টর রাহাত হোসাইন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পদোন্নতি নিয়ে উপাচার্য তালবাহানা করছেন। এমন পরিবেশে তার সঙ্গে কাজ করা সম্ভব নয়। তাই নিজ দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেছি।’
আন্দোলনরত শিক্ষকেরা জানান, পদোন্নতি সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে গত ৩০ এপ্রিল উপাচার্য, বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার ও শিক্ষকদের প্রতিনিধিদের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় বৈঠক হয়। সেখানে তাদের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল, ৮ মে অনুষ্ঠিত ৯৪তম সিন্ডিকেট সভায় পদোন্নতির বিষয়ে যৌক্তিক সমাধান হবে। কিন্তু ওই সভায় বিদ্যমান নীতিমালা অনুযায়ী, সংকট সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
তাদের অভিযোগ, উপাচার্য বিষয়টি ঝুলিয়ে রাখেন। পাশাপাশি অধিকাংশ সিন্ডিকেট সদস্যের মতামত উপেক্ষা করে তিনি নিজের সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিয়েছেন।
এসব বিষয়ে ববি উপাচার্য মোহাম্মদ তৌফিক আলম বলেন, ‘আমরা বিধি অনুযায়ী শিক্ষকদের পদোন্নতি দিতে সর্বোচ্চ আন্তরিক। তাই শনিবারের সিন্ডিকেট সভায় শিক্ষকদের কয়েকজন প্রতিনিধিসহ সবার ঐকমত্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত হয়েছে, আগামী দুই মাসের মধ্যে অভিন্ন সংবিধি প্রণয়ন করে তাদের পদোন্নতি দেওয়া হবে। তবুও শিক্ষকেরা আবার আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন।’

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের কমপ্লিট শাটডাউন


