অবৈধ শুল্কের টাকা ফেরত দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, চালু হলো পোর্টাল
অবৈধ শুল্কের টাকা ফেরত দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, চালু হলো পোর্টাল
সোমবার (২০ এপ্রিল) থেকে অর্থ ফেরত দেওয়ার জন্য ডিজিটাল রিফান্ড সিস্টেম ‘কেপ’ নামের একটি বিশেষ ডিজিটাল পোর্টাল চালু করা হয়েছে |


রপ্তানি ভলিউমেও পতন দেখা গেছে। মার্চে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ২৩ কোটি ২৭ লাখ পিস পোশাক রপ্তানি হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় ৫ দশমিক ৪৬ শতাংশ কম। বছরের প্রথম ৩ মাসে মোট ভলিউম কমেছে প্রায় ৬ শতাংশ।

বিশ্ব বাণিজ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বহুল আলোচিত ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্তটি এক নতুন আইনি মোড় নিয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) দেশটির আদালতের একটি গুরুত্বপূর্ণ রায়ে এই শুল্কের ওপর আংশিক স্থগিতাদেশ দেওয়া হলেও, এটি সাধারণ আমদানিকারকদের জন্য পুরোপুরি সুখবর বয়ে আনেনি।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিতর্কিত ১০ শতাংশ ‘বেইসলাইন শুল্ক’ নীতিকে অবৈধ ও আইন বহির্ভূত হিসেবে রায় দিয়েছেন নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য আদালত।

এক বছর আগে পাল্টাপাল্টি শুল্ক আরোপ করে ওয়াশিংটন ও বেইজিং। তবে গত অক্টোবরে ট্রাম্প-শি দক্ষিণ কোরিয়ায় বৈঠক করে এক বছরের ‘শুল্কবিরতিতে’ সম্মতি দেন। এরপর থেকে পরিস্থিতি বেশ বদলে গেছে।
সোমবার (২০ এপ্রিল) থেকে অর্থ ফেরত দেওয়ার জন্য ডিজিটাল রিফান্ড সিস্টেম ‘কেপ’ নামের একটি বিশেষ ডিজিটাল পোর্টাল চালু করা হয়েছে |

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাজধানীর ধানমন্ডিতে আয়োজিত ‘২০২৬-২৭ অর্থ বছরের বাজেট সুপারিশালা’ শীর্ষক রাউন্ড টেবিল বৈঠকে এ তথ্য জানিয়েছে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)।

যুক্তরাষ্ট্রর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিশ্বের সব দেশের ওপর আরোপ করা অস্থায়ী পারস্পরিক আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করার ঘোষণা দিয়েছেন।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের বৈশ্বিক পাল্টা শুল্ক আরোপের পদক্ষেপ বাতিল করে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট রায় দেওয়ার পর খুব দ্রুতই নতুন শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন ট্রাম্প।

রায়ে বলা হয়েছে, ১৯৭৭ সালের ‘ইন্টারন্যাশনাল ইমার্জেন্সি ইকোনমিক পাওয়ার্স অ্যাক্ট’ ব্যবহার করে প্রেসিডেন্ট যে শুল্ক আরোপ করেছেন, তা তার আইনি এখতিয়ারের বাইরে। তবে ইতোমধ্যে সংগৃহীত ১৩০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি শুল্কের বিষয়ে সিদ্ধান্ত কী হবে, সে বিষয়ে আদালত কিছু বলেনি।

নতুন চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানিতে এখন পারস্পরিক শুল্ক দিতে হবে ১৯ শতাংশ। অর্থাৎ আগের চেয়ে শুল্ক হার কমেছে ১ শতাংশ। ফলে মোট শুল্কহার আগের ৩৫ শতাংশ থেকে কমে হবে ৩৪ শতাংশ।


প্রায় দুই দশকের আলোচনার পর ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও ভারত একটি ঐতিহাসিক বাণিজ্য চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কনীতির কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক অনিশ্চিত হয়ে ওঠায় এই চুক্তিকে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হচ্ছে।

ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে সোমবার (২৫ জানুয়ারি) প্রধান অতিথি হিসেবে থাকছেন ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও লুইস সান্তোস দা কস্তা ও ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লিয়েন।
