যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি, সম্পূরক শুল্ক নামলো ১৯ শতাংশে

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি, সম্পূরক শুল্ক নামলো ১৯ শতাংশে
নিজস্ব প্রতিবেদক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে রেসিপ্রোকাল ট্রেড (এআরটি) চুক্তি স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাংলাদেশের পক্ষে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে জেমিসন গ্রিয়ার চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
চুক্তি সই হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর।
এতে বলা হয়েছে, নতুন চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানিতে এখন পারস্পরিক শুল্ক দিতে হবে ১৯ শতাংশ। অর্থাৎ আগের চেয়ে শুল্ক হার কমেছে ১ শতাংশ। ফলে মোট শুল্কহার আগের ৩৫ শতাংশ থেকে কমে হবে ৩৪ শতাংশ।
এই চুক্তি নিয়ে কিছুদিন থেকে বেশ আশাবাদী ছিল সরকার। যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা অতিরিক্ত সম্পূরক শুল্কহার ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে আনতে দেশটির সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক উন্নয়নে বেশ কিছু ছাড় দেয় সরকার। যুক্তরাষ্ট্র থেকে বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ কেনাসহ আরও পণ্য কিনতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়। ইতিমধধ্যে গম আমদানি বাড়ানো হয়েছে। তুলাসহ আরও পণ্য আমদানি বাড়ানোর প্রক্রিয়া চলছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের আশা, এ চুক্তিতে শুল্কহার খুব বেশি না কমলেও এর বাইরে দেশটির বাজারে আরও কিছু বাড়তি সুবিধা পাবে বাংলাদেশি পণ্য।
প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অনলাইনে এ চুক্তি সই হয়। এতে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান এবং যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার সই করেন।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় বসার পর ২০২৫ সালের ২ এপ্রিল শতাধিক দেশের ওপর চড়া হারে শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন। বাংলাদেশের ওপর বাড়তি ৩৭ শতাংশ শুল্কের ঘোষণা আসে। পরে দর কষাকষি করে হার ২০ শতাংশে নামে, যা ১ অগাস্ট কার্যকর হয়। এবার কমে হলো ১৯ শতাংশ।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে রেসিপ্রোকাল ট্রেড (এআরটি) চুক্তি স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাংলাদেশের পক্ষে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে জেমিসন গ্রিয়ার চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
চুক্তি সই হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর।
এতে বলা হয়েছে, নতুন চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানিতে এখন পারস্পরিক শুল্ক দিতে হবে ১৯ শতাংশ। অর্থাৎ আগের চেয়ে শুল্ক হার কমেছে ১ শতাংশ। ফলে মোট শুল্কহার আগের ৩৫ শতাংশ থেকে কমে হবে ৩৪ শতাংশ।
এই চুক্তি নিয়ে কিছুদিন থেকে বেশ আশাবাদী ছিল সরকার। যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা অতিরিক্ত সম্পূরক শুল্কহার ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে আনতে দেশটির সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক উন্নয়নে বেশ কিছু ছাড় দেয় সরকার। যুক্তরাষ্ট্র থেকে বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ কেনাসহ আরও পণ্য কিনতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়। ইতিমধধ্যে গম আমদানি বাড়ানো হয়েছে। তুলাসহ আরও পণ্য আমদানি বাড়ানোর প্রক্রিয়া চলছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের আশা, এ চুক্তিতে শুল্কহার খুব বেশি না কমলেও এর বাইরে দেশটির বাজারে আরও কিছু বাড়তি সুবিধা পাবে বাংলাদেশি পণ্য।
প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অনলাইনে এ চুক্তি সই হয়। এতে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান এবং যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার সই করেন।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় বসার পর ২০২৫ সালের ২ এপ্রিল শতাধিক দেশের ওপর চড়া হারে শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন। বাংলাদেশের ওপর বাড়তি ৩৭ শতাংশ শুল্কের ঘোষণা আসে। পরে দর কষাকষি করে হার ২০ শতাংশে নামে, যা ১ অগাস্ট কার্যকর হয়। এবার কমে হলো ১৯ শতাংশ।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি, সম্পূরক শুল্ক নামলো ১৯ শতাংশে
নিজস্ব প্রতিবেদক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে রেসিপ্রোকাল ট্রেড (এআরটি) চুক্তি স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাংলাদেশের পক্ষে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে জেমিসন গ্রিয়ার চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
চুক্তি সই হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর।
এতে বলা হয়েছে, নতুন চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানিতে এখন পারস্পরিক শুল্ক দিতে হবে ১৯ শতাংশ। অর্থাৎ আগের চেয়ে শুল্ক হার কমেছে ১ শতাংশ। ফলে মোট শুল্কহার আগের ৩৫ শতাংশ থেকে কমে হবে ৩৪ শতাংশ।
এই চুক্তি নিয়ে কিছুদিন থেকে বেশ আশাবাদী ছিল সরকার। যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা অতিরিক্ত সম্পূরক শুল্কহার ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে আনতে দেশটির সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক উন্নয়নে বেশ কিছু ছাড় দেয় সরকার। যুক্তরাষ্ট্র থেকে বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ কেনাসহ আরও পণ্য কিনতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়। ইতিমধধ্যে গম আমদানি বাড়ানো হয়েছে। তুলাসহ আরও পণ্য আমদানি বাড়ানোর প্রক্রিয়া চলছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের আশা, এ চুক্তিতে শুল্কহার খুব বেশি না কমলেও এর বাইরে দেশটির বাজারে আরও কিছু বাড়তি সুবিধা পাবে বাংলাদেশি পণ্য।
প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অনলাইনে এ চুক্তি সই হয়। এতে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান এবং যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার সই করেন।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় বসার পর ২০২৫ সালের ২ এপ্রিল শতাধিক দেশের ওপর চড়া হারে শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন। বাংলাদেশের ওপর বাড়তি ৩৭ শতাংশ শুল্কের ঘোষণা আসে। পরে দর কষাকষি করে হার ২০ শতাংশে নামে, যা ১ অগাস্ট কার্যকর হয়। এবার কমে হলো ১৯ শতাংশ।




