মধ্যপ্রাচ্যে নতুন রণতরি পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্যে নতুন রণতরি পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই এবার মধ্যপ্রাচ্যে নতুন একটি বিমানবাহী রণতরি পাঠানোর পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র।


মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল থেকে আরব সাগরে পৌঁছেছে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন।

দীর্ঘ ২৬০ দিনেরও বেশি সময় ধরে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন থাকার পর অবশেষে দেশে ফিরছে মার্কিন নৌবাহিনীর বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন’।

ইরানের বিরুদ্ধে দীর্ঘ সামরিক অভিযানের জেরে মনস্তাত্ত্বিক ও কৌশলগত চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে মার্কিন নৌবাহিনী। মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের উপস্থিতি জোরদার রাখতে গিয়ে পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল থেকে নিজেদের রণতরী সরিয়ে ফেলতে হচ্ছে ওয়াশিংটনকে।

মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনে’ ৭ জন নাবিকের মৃত্যুর খবর পুরোপুরি ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। কমান্ডটি নিশ্চিত করেছে, যুদ্ধজাহাজটিতে কোনো সামরিক সদস্যের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।
ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই এবার মধ্যপ্রাচ্যে নতুন একটি বিমানবাহী রণতরি পাঠানোর পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র।

পরমাণু আলোচনা ও স্থায়ী শান্তিচুক্তি নিয়ে উত্তেজনার মধ্যেই এবার মার্কিন অবরোধ ঘিরে নতুন হুমকি দিলো ইরান। হরমুজ প্রণালি অবরোধকারী মার্কিন বাহিনীকে

মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের অভিমুখে অগ্রসর হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) নিশ্চিত করেছে, নিমিটজ শ্রেণির এই সুপারক্যারিয়ারটি ইতোমধ্যে তাদের নির্ধারিত দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় প্রবেশ করেছে।

কর্মকর্তারা জানিয়েছে, রণতরীটি পূর্ব ভূমধ্যসাগরে সক্রিয় ছিল। বর্তমানে সুয়েজ খাল অতিক্রম করে এখন লোহিত

যুক্তরাষ্ট্রের সর্বাধুনিক বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ডে গত সপ্তাহে লাগা আগুন ৩০ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে জ্বলেছে। এতে রণতরিটির বেশ কয়েকজন নৌসেনা ধোঁয়ার কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।

‘এর উদ্দেশ্য সংঘর্ষের সবচেয়ে তীব্র পর্যায় শেষ হওয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব কন্টেইনার জাহাজ ও ট্যাঙ্কারদের নিরাপদে অনুসরণ করে হরমুজ প্রণালি ধীরে ধীরে চালু করা,’ যোগ করেন মাখোঁ।

মধ্যপ্রাচ্যে দুটি বিমানবাহী রণতরী পাঠানোর বিষয়ে ব্রিটেন ‘গুরুত্ব দিয়ে চিন্তাভাবনা’ করছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জয়ী হতে যুক্তরাষ্ট্রের ব্রিটেনের সহায়তার প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

পোস্টটির সঙ্গে সিআইএর সঙ্গে যোগাযোগের উপায়-সংবলিত দুই মিনিটের একটি ভিডিও যুক্ত করা হয়েছে।

এই দুই রণতরীর মাধ্যমে ইরানকে ধ্বংস করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এসব রণতরীকে ওয়াশিংটন যত ভয়ংকর

যুক্তরাষ্ট্রের এমন আচরণ আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য হামলার প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিচ্ছে।
