জাহাজ বিধ্বংসী ক্রুজ মিসাইল কিনছে ইরান

জাহাজ বিধ্বংসী ক্রুজ মিসাইল কিনছে ইরান

ইরানের বিরুদ্ধে হামলার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আরব সাগরে বিমানবাহী রণতরী আব্রাহাম লিংকন মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। পরবর্তীতে বিশ্বের বৃহত্তম রণতরী জেরাল্ড আর ফোর্ডও প্রেরণ করেছে ট্রাম্প। ইতোমধ্যে এটি ভূমধ্যসাগরে এসে পৌঁছেছে।
এই দুই রণতরীর মাধ্যমে ইরানকে ধ্বংস করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এসব রণতরীকে ওয়াশিংটন যত ভয়ংকর করেই উপস্থাপন করুক না কে তাতে কিছুই যায়-আসে না বলে বরাবরই বলে আসছে তেহরান।
এতদিন বিষয়টি নিয়ে ভাবনা ছিল যুক্তরাষ্ট্রসহ তার মিত্রদের মধ্যে। কেন ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে ভয় পাচ্ছে না এবং কেন তেহরান আত্মসমর্পণ করছে না এই প্রশ্ন এখন পেন্টাগন ও হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তাদের মুখে।
এমন পরিস্থিতির মধ্যেই সম্প্রতি আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি জানিয়েছেন, তেহরান মার্কিন রণতরীর ভয়ে কেঁপে ওঠে না, কারণ তাদের কাছে আরও শক্তিশালী অস্ত্র রয়েছে, যা এসব বিশাল রণতরীকে সমুদ্রে ডুবিয়ে দিতে সক্ষম।
বিষয়টি নিয়ে যখন সবাই চিন্তিত, খোদ মার্কিন সামরিক বিশেষজ্ঞরাই ভেবে পাচ্ছেন না ইরানের কাছে কী ধরনের অস্ত্র রয়েছে যা তাদের কেবল সামরিকভাবে নয়, মানসিকভাবেও শক্তিশালী করেছে। তখন প্রকাশ্যে এলো গোপন চুক্তির তথ্য।
ইরান চীন থেকে জাহাজবিধ্বংসী ক্রুজ মিসাইল কিনছে। দেশ দুটি ইতোমধ্যে এই চুক্তি শেষ ধাপে পৌঁছেছে। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ছয় ব্যক্তির বরাতে এই তথ্য প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান চীন থেকে জাহাজ বিধ্বংসী সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল সিএম-৩০২ কিনছে।
দুই সমরাস্ত্র বিশেষজ্ঞের মতে, এই ক্ষেপণাস্ত্র পাওয়ার পর ইরানের সক্ষমতা সাগরে যেকোনো অস্ত্র বা রণতরী ধ্বংস করার ক্ষেত্রে অনেক গুণ বৃদ্ধি পাবে।
সিএম-৩০২ চীনের তৈরি একটি সুপারসনিক অ্যান্টি-শিপ মিসাইল। এটি যুদ্ধক্ষেত্রে জাহাজবিধ্বংসী প্রধান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে পরিচিত। এটি চীনের ওয়াইজে-১২ সুপারসনিক অ্যান্টি-শিপ ক্রুজ মিসাইলের রপ্তানি সংস্করণ, যা মিত্র দেশগুলোর কাছে বিক্রি করা হয়।
ক্ষেপণাস্ত্রটির দক্ষতা ও সক্ষমতা শত্রুপক্ষকে ভীত করার জন্য যথেষ্ট। এটি জাহাজভিত্তিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এড়াতে নিচ দিয়ে উঁচু গতিতে উড়ার জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে। এর অপারেশনাল রেঞ্জ প্রায় ২৯০ কিমি।
সিএম-৩০২ ব্যবহারও সহজ। এটি স্থলভিত্তিক ভ্রাম্যমান স্টেশন, জাহাজ এবং বিমান থেকে নিক্ষেপ করা যায়।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

ইরানের বিরুদ্ধে হামলার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আরব সাগরে বিমানবাহী রণতরী আব্রাহাম লিংকন মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। পরবর্তীতে বিশ্বের বৃহত্তম রণতরী জেরাল্ড আর ফোর্ডও প্রেরণ করেছে ট্রাম্প। ইতোমধ্যে এটি ভূমধ্যসাগরে এসে পৌঁছেছে।
এই দুই রণতরীর মাধ্যমে ইরানকে ধ্বংস করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এসব রণতরীকে ওয়াশিংটন যত ভয়ংকর করেই উপস্থাপন করুক না কে তাতে কিছুই যায়-আসে না বলে বরাবরই বলে আসছে তেহরান।
এতদিন বিষয়টি নিয়ে ভাবনা ছিল যুক্তরাষ্ট্রসহ তার মিত্রদের মধ্যে। কেন ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে ভয় পাচ্ছে না এবং কেন তেহরান আত্মসমর্পণ করছে না এই প্রশ্ন এখন পেন্টাগন ও হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তাদের মুখে।
এমন পরিস্থিতির মধ্যেই সম্প্রতি আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি জানিয়েছেন, তেহরান মার্কিন রণতরীর ভয়ে কেঁপে ওঠে না, কারণ তাদের কাছে আরও শক্তিশালী অস্ত্র রয়েছে, যা এসব বিশাল রণতরীকে সমুদ্রে ডুবিয়ে দিতে সক্ষম।
বিষয়টি নিয়ে যখন সবাই চিন্তিত, খোদ মার্কিন সামরিক বিশেষজ্ঞরাই ভেবে পাচ্ছেন না ইরানের কাছে কী ধরনের অস্ত্র রয়েছে যা তাদের কেবল সামরিকভাবে নয়, মানসিকভাবেও শক্তিশালী করেছে। তখন প্রকাশ্যে এলো গোপন চুক্তির তথ্য।
ইরান চীন থেকে জাহাজবিধ্বংসী ক্রুজ মিসাইল কিনছে। দেশ দুটি ইতোমধ্যে এই চুক্তি শেষ ধাপে পৌঁছেছে। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ছয় ব্যক্তির বরাতে এই তথ্য প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান চীন থেকে জাহাজ বিধ্বংসী সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল সিএম-৩০২ কিনছে।
দুই সমরাস্ত্র বিশেষজ্ঞের মতে, এই ক্ষেপণাস্ত্র পাওয়ার পর ইরানের সক্ষমতা সাগরে যেকোনো অস্ত্র বা রণতরী ধ্বংস করার ক্ষেত্রে অনেক গুণ বৃদ্ধি পাবে।
সিএম-৩০২ চীনের তৈরি একটি সুপারসনিক অ্যান্টি-শিপ মিসাইল। এটি যুদ্ধক্ষেত্রে জাহাজবিধ্বংসী প্রধান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে পরিচিত। এটি চীনের ওয়াইজে-১২ সুপারসনিক অ্যান্টি-শিপ ক্রুজ মিসাইলের রপ্তানি সংস্করণ, যা মিত্র দেশগুলোর কাছে বিক্রি করা হয়।
ক্ষেপণাস্ত্রটির দক্ষতা ও সক্ষমতা শত্রুপক্ষকে ভীত করার জন্য যথেষ্ট। এটি জাহাজভিত্তিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এড়াতে নিচ দিয়ে উঁচু গতিতে উড়ার জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে। এর অপারেশনাল রেঞ্জ প্রায় ২৯০ কিমি।
সিএম-৩০২ ব্যবহারও সহজ। এটি স্থলভিত্তিক ভ্রাম্যমান স্টেশন, জাহাজ এবং বিমান থেকে নিক্ষেপ করা যায়।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

জাহাজ বিধ্বংসী ক্রুজ মিসাইল কিনছে ইরান

ইরানের বিরুদ্ধে হামলার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আরব সাগরে বিমানবাহী রণতরী আব্রাহাম লিংকন মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। পরবর্তীতে বিশ্বের বৃহত্তম রণতরী জেরাল্ড আর ফোর্ডও প্রেরণ করেছে ট্রাম্প। ইতোমধ্যে এটি ভূমধ্যসাগরে এসে পৌঁছেছে।
এই দুই রণতরীর মাধ্যমে ইরানকে ধ্বংস করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এসব রণতরীকে ওয়াশিংটন যত ভয়ংকর করেই উপস্থাপন করুক না কে তাতে কিছুই যায়-আসে না বলে বরাবরই বলে আসছে তেহরান।
এতদিন বিষয়টি নিয়ে ভাবনা ছিল যুক্তরাষ্ট্রসহ তার মিত্রদের মধ্যে। কেন ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে ভয় পাচ্ছে না এবং কেন তেহরান আত্মসমর্পণ করছে না এই প্রশ্ন এখন পেন্টাগন ও হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তাদের মুখে।
এমন পরিস্থিতির মধ্যেই সম্প্রতি আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি জানিয়েছেন, তেহরান মার্কিন রণতরীর ভয়ে কেঁপে ওঠে না, কারণ তাদের কাছে আরও শক্তিশালী অস্ত্র রয়েছে, যা এসব বিশাল রণতরীকে সমুদ্রে ডুবিয়ে দিতে সক্ষম।
বিষয়টি নিয়ে যখন সবাই চিন্তিত, খোদ মার্কিন সামরিক বিশেষজ্ঞরাই ভেবে পাচ্ছেন না ইরানের কাছে কী ধরনের অস্ত্র রয়েছে যা তাদের কেবল সামরিকভাবে নয়, মানসিকভাবেও শক্তিশালী করেছে। তখন প্রকাশ্যে এলো গোপন চুক্তির তথ্য।
ইরান চীন থেকে জাহাজবিধ্বংসী ক্রুজ মিসাইল কিনছে। দেশ দুটি ইতোমধ্যে এই চুক্তি শেষ ধাপে পৌঁছেছে। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ছয় ব্যক্তির বরাতে এই তথ্য প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান চীন থেকে জাহাজ বিধ্বংসী সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল সিএম-৩০২ কিনছে।
দুই সমরাস্ত্র বিশেষজ্ঞের মতে, এই ক্ষেপণাস্ত্র পাওয়ার পর ইরানের সক্ষমতা সাগরে যেকোনো অস্ত্র বা রণতরী ধ্বংস করার ক্ষেত্রে অনেক গুণ বৃদ্ধি পাবে।
সিএম-৩০২ চীনের তৈরি একটি সুপারসনিক অ্যান্টি-শিপ মিসাইল। এটি যুদ্ধক্ষেত্রে জাহাজবিধ্বংসী প্রধান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে পরিচিত। এটি চীনের ওয়াইজে-১২ সুপারসনিক অ্যান্টি-শিপ ক্রুজ মিসাইলের রপ্তানি সংস্করণ, যা মিত্র দেশগুলোর কাছে বিক্রি করা হয়।
ক্ষেপণাস্ত্রটির দক্ষতা ও সক্ষমতা শত্রুপক্ষকে ভীত করার জন্য যথেষ্ট। এটি জাহাজভিত্তিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এড়াতে নিচ দিয়ে উঁচু গতিতে উড়ার জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে। এর অপারেশনাল রেঞ্জ প্রায় ২৯০ কিমি।
সিএম-৩০২ ব্যবহারও সহজ। এটি স্থলভিত্তিক ভ্রাম্যমান স্টেশন, জাহাজ এবং বিমান থেকে নিক্ষেপ করা যায়।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া




