শিরোনাম

প্রতিনিয়ত শেখার মধ্যে আছি: জন্মদিনে সাবিনা ইয়াসমিন

বিনোদন ডেস্ক
বিনোদন ডেস্ক
প্রতিনিয়ত শেখার মধ্যে আছি: জন্মদিনে সাবিনা ইয়াসমিন
সাবিনা ইয়াসমিন

বাংলাদেশের সংগীত জগতের জীবন্ত কিংবদন্তী সাবিনা ইয়াসমিন। দীর্ঘ ছয় দশকের অধিক সময় ধরে অসংখ্য কালজয়ী গান উপহার দিয়েছেন তিনি। জায়গা করে নিয়েছেন কয়েক প্রজন্মের শ্রোতার হৃদয়ে। উপমহাদেশের প্রখ্যাত এই সংগীতশিল্পী জন্মদিন আজ। বিশেষ এই দিনটিতে সুস্থ রাখার জন্য মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জ্ঞাপন করেছেন তিনি।

সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, ‘আল্লাহর কাছে শুকরিয়া তিনি এখনও আমাকে সুস্থ রেখেছেন। এখন পর্যন্ত গানের সঙ্গে থাকতে পারছি। সবার ভালোবাসা পেয়ে আসছি, সবাই আমাকে ভালোবাসেন। মনে হয় এটিই জীবনের সুন্দর পাওয়া।’

জীবনটাকে কীভাবে দেখেন এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমার কাছে জীবনের বিশেষ কোনো সংজ্ঞা নেই। সত্যি বলতে আমি এখনো শিখছি। গুরুজনদের কাছ থেকে যেমন শিখি, অসভ্যদের কাছ থেকেও শিখি। গুরুজন ও শিক্ষকরা যা শিখিয়েছেন সেভাবে চলার চেষ্টা করছি। প্রতিনিয়ত শেখার মধ্যেই আছি।’

মাত্র সাত বছর বয়সে প্রথমবার মঞ্চে গান করেন এই সংগীতশিল্পী। ১৯৬২ সালে রবীন ঘোষের সুরে ছোটদের জন্য গান গেয়ে সংগীতে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হয়। একই বছর এহতেশাম পরিচালিত ‘নতুন সুর’ ছবিতে শিশুশিল্পী হিসেবে গান করেন। এছাড়া ১৯৬৭ সালে আমজাদ হোসেন ও নুরুল হক বাচ্চু পরিচালিত ‘আগুন নিয়ে খেলা’ চলচ্চিত্রে প্রথম প্লেব্যাক করেন তিনি।

সাবিনা ইয়াসমীনের কণ্ঠে গান শুনে বেড়ে উঠেছে কয়েক প্রজন্ম। চলচ্চিত্রের পাশাপাশি তিনি দেশাত্মবোধক গান থেকে শুরু করে উচ্চাঙ্গ, ধ্রুপদী, লোকসঙ্গীত ও আধুনিক বাংলা গানসহ বিভিন্ন ধারার নানান আঙ্গিকের সুরে গান গেয়ে নিজেকে বৈচিত্রময় শিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

বর্তমান প্রজন্মের শিল্পীদের গান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘নতুনদের অনেকেই ভালো গান করছে। কেউ কেউ ভালো সুর-সংগীতও করছে। তবে এদের সঠিক গাইডলাইন নেই। যার কারণে অনেকে আবার হারিয়ে যাচ্ছে।’

দীর্ঘ সংগীতজীবনে সাবিনা ইয়াসমিন শুধু গানই করেননি, তৈরি করেছেন বাংলা গানের এক সমৃদ্ধ অধ্যায়। তার গান আজও শ্রোতাদের স্মৃতিতে অমলীন হয়ে আছে।

/জেএইচ/