৩০ হাজার টন জ্বালানি নিয়ে এলো জাহাজ
৩০ হাজার টন জ্বালানি নিয়ে এলো জাহাজ
জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতির চাপের মধ্যেই ১০ হাজার টন ডিজেল ও ২০ হাজার টন জেট ফুয়েল নিয়ে একটি জাহাজ দেশে পৌঁছেছে।


মালয়েশিয়া থেকে ৩৪ হাজার টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে ‘শান গ্যাং ফা জিয়ান’ নামে একটি চীনা জাহাজ।

মালয়েশিয়া থেকে ডিজেল নিয়ে আরেকটি জাহাজ বন্দরের কাছাকাছি পৌঁছেছে বলেও জানান তিনি। জাহাজটি গত ২৯ মার্চ মালয়েশিয়া থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।

হরমুজ প্রণালি অবশ্যই পুনরায় খুলবে, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের জন্য নয়। এটি তাদের জন্য খুলবে যারা

ঢাকায় ইরানি দূতাবাসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘বাংলাদেশের আটকে থাকা ৬টি জাহাজ হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার বিষয়ে ইরানের নিরাপত্তা কাউন্সিল সহায়তা করার অনুমোদন দিয়েছে।
জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতির চাপের মধ্যেই ১০ হাজার টন ডিজেল ও ২০ হাজার টন জেট ফুয়েল নিয়ে একটি জাহাজ দেশে পৌঁছেছে।

আব্বাস আরাঘচি
হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধ করা হয়নি। তবে সেখানে জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। হরমুজে নিজেদের বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ চলাচলের জন্য ইতোমধ্যে অনেক রাষ্ট্র আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে এবং অনুরোধ জানিয়েছে। তাদের মধ্যে অনেক দেশকে আমরা মিত্র বলে বিবেচনা করি।

অন্যান্য করিডোরের মতোই কোনো দেশের ভেতর দিয়ে পণ্য পরিবহন করলে শুল্ক দিতে হয়। হরমুজ প্রণালিও একটি করিডোর। এখানে নিরাপত্তা আমরা নিশ্চিত করি, তাই জাহাজ ও তেল ট্যাঙ্কারগুলোর ফি দেওয়া স্বাভাবিক।

রবিবার জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে পাঠানোর পর মঙ্গলবার আইএমওর ১৭৬টি সদস্য দেশের কাছেও এই বার্তা পাঠানো হয়।

এ পথ দিয়ে চলতে আগে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসির কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন নিতে হবে।

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর হরমুজ প্রণালির কাছে আটকা পড়ে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) জাহাজ এমভি বাংলার জয়যাত্রা।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বলেন, দ্বীপের সামরিক লক্ষ্যবস্তুগুলো পুরোপুরি ধ্বংস করা হয়েছে। তিনি আরও সতর্ক করেন, ইরান যদি হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে না দেয়, তবে দ্বীপের তেল স্থাপনাগুলোও লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানায়, যেসব বন্দরে ইরানের নৌবাহিনী কার্যক্রম চালাচ্ছে, সেসব স্থানে বেসামরিক লোকজনের না যাওয়ার জন্য বলা হয়েছে।

হরমুজ প্রণালিতে উড়ে আসা অজানা এক বস্তুর আঘাতে একটি মালবাহী জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে তাতে আগুন ধরে গেছে। পরে জাহাজটির ক্রুরা সেটি ছেড়ে চলে যান এবং জরুরি সহায়তার আবেদন জানান।

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার আগে হরমুজ প্রণালি ও ওমান উপসাগর পেরিয়ে আসা ১৫টি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে শুরু করেছে। ইরান এ প্রণালি বন্ধ ঘোষণার আগেই এসব জাহাজ পথ অতিক্রম করে বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা হয়েছিল।

তিনি আরও বলেন, সেই অনুযায়ী আমাদের নৌবাহিনীর জাহাজগুলো ওই জাহাজের কাছে পৌঁছেছে এবং ক্রুদের উদ্ধারকাজে নিয়োজিত রয়েছে।

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর হরমুজ প্রণালি দিয়ে সব ধরনের জাহাজ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে ইরানের আধাসরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি এ তথ্য জানায়।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাহাজটিতে বর্তমানে ইরানের পতাকা উড়ছে। ডেনিশ সম্প্রচারমাধ্যম

আকাশপথ হোক, স্থলপথ হোক কিংবা জলপথ, আমাদের প্রতিরক্ষা বাহিনী আপনাদের খুঁজে বের করবে এবং আপনার সঙ্গে ন্যায়বিচার করবে। আমাদের ছাড়িয়ে যাওয়ার অনেক আগেই আপনার জ্বালানি ফুরিয়ে যাবে।

নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের যুক্তরাষ্ট্রে থাকা সব সম্পদ জব্দ করা হবে। পাশাপাশি, অনুমতি ছাড়া কোনো মার্কিন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান তাদের সঙ্গে লেনদেন করতে পারবে না।

পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিনে পর্যটক ভ্রমণ নির্ধারিত সময়ের দুই মাস আগেই সমাপ্ত করেছে সরকার। এ সিদ্ধান্তে দ্বীপের পর্যটন নির্ভর ব্যবসায়ী, শ্রমজীবী ও পরিবহন খাতের মানুষের মধ্যে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

ভবিষ্যতে এমনভাবে পরিকল্পনা করতে হবে যাতে এই প্রতিষ্ঠানের আয় দিয়ে প্রতিষ্ঠানই আরও শক্তিশালী হয়, বহরে নতুন নতুন জাহাজ যুক্ত হয়।

সাগরের তলদেশে বিপুল পরিমাণ প্লাস্টিকের উপস্থিতি এবং গভীর সমুদ্রে জেলিফিশের অস্বাভাবিক আধিক্য নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্থলভাগের সমপরিমাণ জলভাগ থাকা সত্ত্বেও এই বিশাল সামুদ্রিক সম্পদ এখনো পুরোপুরি কাজে লাগানো সম্ভ
