শিরোনাম

হরমুজ প্রণালিতে হামলা: মালবাহী জাহাজে আগুন

সিটিজেন ডেস্ক
হরমুজ প্রণালিতে হামলা: মালবাহী জাহাজে আগুন
হরমুজ প্রণালি। ছবি: ব্লুমবার্গ

হরমুজ প্রণালিতে উড়ে আসা অজানা এক বস্তুর আঘাতে একটি মালবাহী জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে তাতে আগুন ধরে গেছে। পরে জাহাজটির ক্রুরা সেটি ছেড়ে চলে যান এবং জরুরি সহায়তার আবেদন জানান।

বুধবার (১১ মার্চ) যুক্তরাজ্যের নৌ নিরাপত্তা সংস্থা মেরিটাইম ট্রেড অপারেশন্সের (ইউকেএমটিও)-এর বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স।

ইউকেএমটিও জানায়, স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ৩৫ মিনিটে হরমুজ প্রণালী এলাকায় ওমান উপকূল থেকে প্রায় ১১ নটিক্যাল মাইল উত্তরে ঘটনাটি ঘটে। কী ধরনের বস্তু জাহাজটিতে আঘাত হেনেছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং ওই জলপথে চলাচলকারী জাহাজগুলোকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

এর আগে একই এলাকায় পৃথক আরেক ঘটনায় একটি কন্টেইনারবাহী জাহাজেও ‘অজ্ঞাত উড়ন্ত বস্তু’ আঘাত হানার খবর দিয়েছিল ইউকেএমটিও।

ইরাকে মার্কিন কূটনৈতিক স্থাপনায় হামলা

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মধ্যে ইরাকের বাগদাদে অবস্থিত একটি মার্কিন কূটনৈতিক স্থাপনাতেও ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ হামলায় কেউ হতাহত হয়নি।

মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এর একটি অভ্যন্তরীণ সতর্কবার্তার বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, ড্রোনটি বাগদাদে ডিপ্লোম্যাটিক সাপোর্ট সেন্ট্রারে আঘাত হানে। এতে একটি গার্ড টাওয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কেন্দ্রটি বাগদাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পাশেই অবস্থিত।

এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে মন্তব্য করতে রাজি হয়নি হোয়াইট হাউস ও মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

অন্যদিকে ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে, ওই কম্পাউন্ড লক্ষ্য করে মোট ছয়টি ড্রোন ছোড়া হয়েছিল। এর মধ্যে পাঁচটি ভূপাতিত করা হয়। হামলার পেছনে ইরানসমর্থিত গোষ্ঠী ইসলামিক রেজিট্যান্স জড়িত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে ব্যাপক হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। ইরানের রাষ্ট্রদূতের দাবি, এসব হামলায় দেশটিতে ১ হাজার ৩০০-এর বেশি বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন।

সংঘাত শুরুর পর থেকে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কোর জানিয়েছে, মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত তারা ওই অঞ্চল থেকে ‘এক লিটার তেলও’ বাইরে যেতে দেবে না।

/এসএ/