টেনিস বলের গায়ে কেন লোম থাকে?

টেনিস বলের গায়ে কেন লোম থাকে?
সিজেডএন ডেস্ক

ছোটবেলায় টেনিস বল দিয়ে ক্রিকেট খেলেননি, এমন মানুষ পাওয়া হয়তো দুষ্কর। বিশেষ করে নব্বইয়ের দশকে যারা বেড়ে উঠেছেন, তাদের কাছে এটা বেশি পরিচিত। বল-ব্যাট হাতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা খেলা করা এবং বাড়িতে এসে বাবা-মায়ের বকুনি খাওয়া ছিল নৈমিত্যিক ব্যাপার। তবে যদি কখনো কোনো টেনিস ম্যাচ দেখেন, তাহলে দেখবেন প্রত্যেক খেলোয়াড় নতুন বলটি হাতে নেওয়ার পর খুব যত্ন করে পরীক্ষা করে দেখে। তারা আসলে টেনিস বলের গায়ের সূক্ষ্ম লোমগুলোও পরীক্ষা করেন।
বল নিয়ে আপনার মনেও প্রশ্ন জাগতে পারে, এর গায়ে ছোট ছোট লোম বা তুলোর মতো অংশগুলো কেন থাকে? ফুটবল বা ভলিবলে এমন থাকে না কেন?
কেন এই লোম?
টেনিস বলের উপরিভাগে সূক্ষ্ম লোমগুলোকে ন্যাপ বলা হয়। বলটি তৈরি করার সময় একটি প্রেশারাইজড রাবার বলকে আবৃত করে রাখে। উল, নাইলন, তুলা বা এই তিনটির মিশ্রণে তৈরি হয় এর আবরণ।
এই ন্যাপের মূল কাজ হলো বলের গতিকে নিয়ন্ত্রণ করা। বলে হিট করার পর এটি বাতাসের সঙ্গে ঘর্ষণ বাড়িয়ে গতি কিছুটা কমিয়ে আনে। ফলে বল দ্রুত নিচে পড়ে না বরং বাতাসে কিছুটা ভাসে।
উদাহরণস্বরূপ, যখন একজন টেনিস খেলোয়াড় সার্ভ করেন, তখন বলটি ঘণ্টায় ১৫০ মাইল বেগে চলে। কিন্তু প্রতিপক্ষের র্যাকেটে আঘাত করার পর ঘর্ষণের কারণে এর গতি কমে ঘণ্টায় ৫০ মাইল হয়ে যায়।
এই সূক্ষ্ম লোমগুলো বলের পেছনে এক ধরনের বায়ুপ্রবাহ তৈরি করে। যা ব্যাক স্পিন বা টপ স্পিন তৈরি করতে সাহায্য করে। এর ফলে বলের গতি ও দিক অনিশ্চিত হয়ে ওঠে, যা খেলাকে আরও রোমাঞ্চকর করে তোলে।
উনিশ শতকে টেনিস বলগুলো এই লোমের পরিবর্তে গরম পশম দিয়ে মোড়ানো থাকতো। কিন্তু সময়ের বিবর্তনে ও প্রযুক্তির উন্নয়নে পরে এই ক্ষুদ্র লোমগুলোর ব্যবহার শুরু হয়।
সূত্র: জিও নিউজ

ছোটবেলায় টেনিস বল দিয়ে ক্রিকেট খেলেননি, এমন মানুষ পাওয়া হয়তো দুষ্কর। বিশেষ করে নব্বইয়ের দশকে যারা বেড়ে উঠেছেন, তাদের কাছে এটা বেশি পরিচিত। বল-ব্যাট হাতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা খেলা করা এবং বাড়িতে এসে বাবা-মায়ের বকুনি খাওয়া ছিল নৈমিত্যিক ব্যাপার। তবে যদি কখনো কোনো টেনিস ম্যাচ দেখেন, তাহলে দেখবেন প্রত্যেক খেলোয়াড় নতুন বলটি হাতে নেওয়ার পর খুব যত্ন করে পরীক্ষা করে দেখে। তারা আসলে টেনিস বলের গায়ের সূক্ষ্ম লোমগুলোও পরীক্ষা করেন।
বল নিয়ে আপনার মনেও প্রশ্ন জাগতে পারে, এর গায়ে ছোট ছোট লোম বা তুলোর মতো অংশগুলো কেন থাকে? ফুটবল বা ভলিবলে এমন থাকে না কেন?
কেন এই লোম?
টেনিস বলের উপরিভাগে সূক্ষ্ম লোমগুলোকে ন্যাপ বলা হয়। বলটি তৈরি করার সময় একটি প্রেশারাইজড রাবার বলকে আবৃত করে রাখে। উল, নাইলন, তুলা বা এই তিনটির মিশ্রণে তৈরি হয় এর আবরণ।
এই ন্যাপের মূল কাজ হলো বলের গতিকে নিয়ন্ত্রণ করা। বলে হিট করার পর এটি বাতাসের সঙ্গে ঘর্ষণ বাড়িয়ে গতি কিছুটা কমিয়ে আনে। ফলে বল দ্রুত নিচে পড়ে না বরং বাতাসে কিছুটা ভাসে।
উদাহরণস্বরূপ, যখন একজন টেনিস খেলোয়াড় সার্ভ করেন, তখন বলটি ঘণ্টায় ১৫০ মাইল বেগে চলে। কিন্তু প্রতিপক্ষের র্যাকেটে আঘাত করার পর ঘর্ষণের কারণে এর গতি কমে ঘণ্টায় ৫০ মাইল হয়ে যায়।
এই সূক্ষ্ম লোমগুলো বলের পেছনে এক ধরনের বায়ুপ্রবাহ তৈরি করে। যা ব্যাক স্পিন বা টপ স্পিন তৈরি করতে সাহায্য করে। এর ফলে বলের গতি ও দিক অনিশ্চিত হয়ে ওঠে, যা খেলাকে আরও রোমাঞ্চকর করে তোলে।
উনিশ শতকে টেনিস বলগুলো এই লোমের পরিবর্তে গরম পশম দিয়ে মোড়ানো থাকতো। কিন্তু সময়ের বিবর্তনে ও প্রযুক্তির উন্নয়নে পরে এই ক্ষুদ্র লোমগুলোর ব্যবহার শুরু হয়।
সূত্র: জিও নিউজ

টেনিস বলের গায়ে কেন লোম থাকে?
সিজেডএন ডেস্ক

ছোটবেলায় টেনিস বল দিয়ে ক্রিকেট খেলেননি, এমন মানুষ পাওয়া হয়তো দুষ্কর। বিশেষ করে নব্বইয়ের দশকে যারা বেড়ে উঠেছেন, তাদের কাছে এটা বেশি পরিচিত। বল-ব্যাট হাতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা খেলা করা এবং বাড়িতে এসে বাবা-মায়ের বকুনি খাওয়া ছিল নৈমিত্যিক ব্যাপার। তবে যদি কখনো কোনো টেনিস ম্যাচ দেখেন, তাহলে দেখবেন প্রত্যেক খেলোয়াড় নতুন বলটি হাতে নেওয়ার পর খুব যত্ন করে পরীক্ষা করে দেখে। তারা আসলে টেনিস বলের গায়ের সূক্ষ্ম লোমগুলোও পরীক্ষা করেন।
বল নিয়ে আপনার মনেও প্রশ্ন জাগতে পারে, এর গায়ে ছোট ছোট লোম বা তুলোর মতো অংশগুলো কেন থাকে? ফুটবল বা ভলিবলে এমন থাকে না কেন?
কেন এই লোম?
টেনিস বলের উপরিভাগে সূক্ষ্ম লোমগুলোকে ন্যাপ বলা হয়। বলটি তৈরি করার সময় একটি প্রেশারাইজড রাবার বলকে আবৃত করে রাখে। উল, নাইলন, তুলা বা এই তিনটির মিশ্রণে তৈরি হয় এর আবরণ।
এই ন্যাপের মূল কাজ হলো বলের গতিকে নিয়ন্ত্রণ করা। বলে হিট করার পর এটি বাতাসের সঙ্গে ঘর্ষণ বাড়িয়ে গতি কিছুটা কমিয়ে আনে। ফলে বল দ্রুত নিচে পড়ে না বরং বাতাসে কিছুটা ভাসে।
উদাহরণস্বরূপ, যখন একজন টেনিস খেলোয়াড় সার্ভ করেন, তখন বলটি ঘণ্টায় ১৫০ মাইল বেগে চলে। কিন্তু প্রতিপক্ষের র্যাকেটে আঘাত করার পর ঘর্ষণের কারণে এর গতি কমে ঘণ্টায় ৫০ মাইল হয়ে যায়।
এই সূক্ষ্ম লোমগুলো বলের পেছনে এক ধরনের বায়ুপ্রবাহ তৈরি করে। যা ব্যাক স্পিন বা টপ স্পিন তৈরি করতে সাহায্য করে। এর ফলে বলের গতি ও দিক অনিশ্চিত হয়ে ওঠে, যা খেলাকে আরও রোমাঞ্চকর করে তোলে।
উনিশ শতকে টেনিস বলগুলো এই লোমের পরিবর্তে গরম পশম দিয়ে মোড়ানো থাকতো। কিন্তু সময়ের বিবর্তনে ও প্রযুক্তির উন্নয়নে পরে এই ক্ষুদ্র লোমগুলোর ব্যবহার শুরু হয়।
সূত্র: জিও নিউজ

ধীরে ধীর ডুবে যাচ্ছে আস্ত শহর






