বিড়াল কীভাবে মানুষের ঘরে এলো

বিড়াল কীভাবে মানুষের ঘরে এলো
সিটিজেন ডেস্ক

মানুষের ঘরের সোফা থেকে শুরু করে ঘরের সব জায়গাতেই যেন নির্ভার রাজত্ব পোষা বিড়ালের। কিন্তু এই আদুরে প্রাণীর মানুষের বাসস্থানে প্রবেশ কবে, কোথা থেকে তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই গবেষণা চালিয়ে আসছেন বিজ্ঞানীরা। সাম্প্রতিক ডিএনএ বিশ্লেষণে উঠে এসেছে নতুন তথ্য, যা দেখে বিস্মিত গবেষকরাও।
প্রত্নতত্ত্ববিদদের একাংশের ধারণা ছিল, প্রায় সাড়ে ৯ হাজার বছর আগে পশ্চিম এশিয়ার লেভঁত অঞ্চলে মানুষের সঙ্গে বসবাস শুরু করে বিড়াল। কৃষিকাজ শুরু হওয়ার পর মানুষ শস্য মজুত করতে থাকলে ইঁদুরের উৎপাত বাড়ে। সেই ইঁদুর শিকার করত বন্য বিড়াল। এই কারণেই মানুষ ধীরে ধীরে বন্য বিড়ালকে পোষ মানাতে শুরু করে। সাইপ্রাসে পাওয়া বিশ্বের প্রাচীনতম বিড়ালের সমাধিও সেই তত্ত্বকে জোরালো করেছিল।
তবে নতুন গবেষণা বলছে, আধুনিক পোষা বিড়ালের উৎপত্তি লেভঁতে নয়। ইউরোপ ও পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন প্রত্নস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া প্রাচীন বিড়ালের হাড়গোড় পরীক্ষা করে বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন, বর্তমানের গৃহপালিত বিড়ালের পূর্বপুরুষ আসলে উত্তর আফ্রিকার বন্য বিড়াল।
অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক গ্রেগার লারসন জানিয়েছেন, ১০ হাজার বছরেরও পুরোনো বহু হাড়গোড়ের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। যেগুলোকে আগে পোষা বিড়ালের অবশেষ বলা হতো, সেগুলোর ডিএনএ বিশ্লেষণেও মিল পাওয়া যায়নি বর্তমান গৃহপালিত বিড়ালের সঙ্গে।
গবেষণায় দেখা গেছে, আধুনিক পোষা বিড়ালের ‘ফেলিস ক্যাটাস’জিনগত সম্পর্ক সবচেয়ে বেশি আফ্রিকার বন্য বিড়াল ‘ফেলিস লিবিকা’র সঙ্গে।
গবেষকদের মতে, প্রায় দুই হাজার বছর আগে রোমান সাম্রাজ্যের বিস্তারের সময় ইউরোপজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে এই পোষা বিড়াল। অর্থাৎ, মানুষের ঘরের পরিচিত বিড়াল সরাসরি ইউরোপীয় বনবিড়ালের বংশধর নয়।
জার্নাল সেল জেনোমিকসে প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়েছে, ৭৩০ খ্রিস্টাব্দের দিকে সিল্ক রুট হয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে চীনে পৌঁছায় পোষা বিড়াল। বিজ্ঞানীরা প্রাচীন ও আধুনিক মিলিয়ে ৮৭টি বিড়ালের জিন বিশ্লেষণ করেছেন। পাশাপাশি চীনে উদ্ধার হওয়া পাঁচ হাজার বছরের পুরোনো ২২টি বিড়ালের হাড়গোড়ও পরীক্ষা করা হয়।
তাতে দেখা গেছে, প্রাচীন চীনে মানুষের আশপাশে থাকা বিড়াল জাতীয় প্রাণীগুলো বর্তমান পোষা বিড়ালের পূর্বপুরুষ নয়। সেই প্রাণীর নাম ‘প্রায়োনেইলারাস বেঙ্গালেনসিস’। যাকে সাধারণভাবে ‘লেপার্ড ক্যাট’ বলা হয়।
পেকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক শু-জিন লুও জানিয়েছেন, লেপার্ড ক্যাট মানুষের সঙ্গে সহাবস্থান করলেও পুরোপুরি গৃহপালিত হয়ে ওঠেনি। তারা ইঁদুর শিকার করলেও মাঝে মাঝে মানুষের পোষা মুরগিও খেয়ে ফেলত। এ থেকেই মানুষের সঙ্গে সংঘাত শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত তারা আবার বনে ফিরে যায় এবং আজও বন্য প্রাণী হিসেবেই টিকে আছে।
যদিও উত্তর আফ্রিকাকে আধুনিক পোষা বিড়ালের জন্মস্থান হিসেবে মানতে নারাজ অনেক বিজ্ঞানী। তবে ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জোনাথন লোসোস মনে করেন, এই তত্ত্ব অস্বাভাবিক নয়। তিনি মিশরের প্রাচীন গুহাচিত্র ও সমাধির খোদাইয়ের উদাহরণ টেনে বলেন, সেখানে গলায় হার ও কানে দুল পরা বিড়ালের ছবি পাওয়া গেছে। এমনকি মানুষের সঙ্গে একই প্লেট থেকে খাবার খেতেও দেখা যায় তাদের।
তবে ঠিক কোন সময় প্রথম বিড়ালকে গৃহপালিত করা হয়েছিল, সে প্রশ্নের উত্তর এখনো স্পষ্ট নয়।
গবেষকদের ধারণা, হয়তো কোনো একসময় বন্য বিড়ালের শাবককে মানুষ আশ্রয় দিয়েছিল। ধীরে ধীরে সেই সম্পর্কই আজকের ঘরের আদুরে পোষা বিড়ালে রূপ নিয়েছে।
বিজ্ঞানীদের মতে, এ রহস্য পুরোপুরি জানতে আরও বিস্তৃত ডিএনএ গবেষণা প্রয়োজন।

মানুষের ঘরের সোফা থেকে শুরু করে ঘরের সব জায়গাতেই যেন নির্ভার রাজত্ব পোষা বিড়ালের। কিন্তু এই আদুরে প্রাণীর মানুষের বাসস্থানে প্রবেশ কবে, কোথা থেকে তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই গবেষণা চালিয়ে আসছেন বিজ্ঞানীরা। সাম্প্রতিক ডিএনএ বিশ্লেষণে উঠে এসেছে নতুন তথ্য, যা দেখে বিস্মিত গবেষকরাও।
প্রত্নতত্ত্ববিদদের একাংশের ধারণা ছিল, প্রায় সাড়ে ৯ হাজার বছর আগে পশ্চিম এশিয়ার লেভঁত অঞ্চলে মানুষের সঙ্গে বসবাস শুরু করে বিড়াল। কৃষিকাজ শুরু হওয়ার পর মানুষ শস্য মজুত করতে থাকলে ইঁদুরের উৎপাত বাড়ে। সেই ইঁদুর শিকার করত বন্য বিড়াল। এই কারণেই মানুষ ধীরে ধীরে বন্য বিড়ালকে পোষ মানাতে শুরু করে। সাইপ্রাসে পাওয়া বিশ্বের প্রাচীনতম বিড়ালের সমাধিও সেই তত্ত্বকে জোরালো করেছিল।
তবে নতুন গবেষণা বলছে, আধুনিক পোষা বিড়ালের উৎপত্তি লেভঁতে নয়। ইউরোপ ও পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন প্রত্নস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া প্রাচীন বিড়ালের হাড়গোড় পরীক্ষা করে বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন, বর্তমানের গৃহপালিত বিড়ালের পূর্বপুরুষ আসলে উত্তর আফ্রিকার বন্য বিড়াল।
অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক গ্রেগার লারসন জানিয়েছেন, ১০ হাজার বছরেরও পুরোনো বহু হাড়গোড়ের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। যেগুলোকে আগে পোষা বিড়ালের অবশেষ বলা হতো, সেগুলোর ডিএনএ বিশ্লেষণেও মিল পাওয়া যায়নি বর্তমান গৃহপালিত বিড়ালের সঙ্গে।
গবেষণায় দেখা গেছে, আধুনিক পোষা বিড়ালের ‘ফেলিস ক্যাটাস’জিনগত সম্পর্ক সবচেয়ে বেশি আফ্রিকার বন্য বিড়াল ‘ফেলিস লিবিকা’র সঙ্গে।
গবেষকদের মতে, প্রায় দুই হাজার বছর আগে রোমান সাম্রাজ্যের বিস্তারের সময় ইউরোপজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে এই পোষা বিড়াল। অর্থাৎ, মানুষের ঘরের পরিচিত বিড়াল সরাসরি ইউরোপীয় বনবিড়ালের বংশধর নয়।
জার্নাল সেল জেনোমিকসে প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়েছে, ৭৩০ খ্রিস্টাব্দের দিকে সিল্ক রুট হয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে চীনে পৌঁছায় পোষা বিড়াল। বিজ্ঞানীরা প্রাচীন ও আধুনিক মিলিয়ে ৮৭টি বিড়ালের জিন বিশ্লেষণ করেছেন। পাশাপাশি চীনে উদ্ধার হওয়া পাঁচ হাজার বছরের পুরোনো ২২টি বিড়ালের হাড়গোড়ও পরীক্ষা করা হয়।
তাতে দেখা গেছে, প্রাচীন চীনে মানুষের আশপাশে থাকা বিড়াল জাতীয় প্রাণীগুলো বর্তমান পোষা বিড়ালের পূর্বপুরুষ নয়। সেই প্রাণীর নাম ‘প্রায়োনেইলারাস বেঙ্গালেনসিস’। যাকে সাধারণভাবে ‘লেপার্ড ক্যাট’ বলা হয়।
পেকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক শু-জিন লুও জানিয়েছেন, লেপার্ড ক্যাট মানুষের সঙ্গে সহাবস্থান করলেও পুরোপুরি গৃহপালিত হয়ে ওঠেনি। তারা ইঁদুর শিকার করলেও মাঝে মাঝে মানুষের পোষা মুরগিও খেয়ে ফেলত। এ থেকেই মানুষের সঙ্গে সংঘাত শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত তারা আবার বনে ফিরে যায় এবং আজও বন্য প্রাণী হিসেবেই টিকে আছে।
যদিও উত্তর আফ্রিকাকে আধুনিক পোষা বিড়ালের জন্মস্থান হিসেবে মানতে নারাজ অনেক বিজ্ঞানী। তবে ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জোনাথন লোসোস মনে করেন, এই তত্ত্ব অস্বাভাবিক নয়। তিনি মিশরের প্রাচীন গুহাচিত্র ও সমাধির খোদাইয়ের উদাহরণ টেনে বলেন, সেখানে গলায় হার ও কানে দুল পরা বিড়ালের ছবি পাওয়া গেছে। এমনকি মানুষের সঙ্গে একই প্লেট থেকে খাবার খেতেও দেখা যায় তাদের।
তবে ঠিক কোন সময় প্রথম বিড়ালকে গৃহপালিত করা হয়েছিল, সে প্রশ্নের উত্তর এখনো স্পষ্ট নয়।
গবেষকদের ধারণা, হয়তো কোনো একসময় বন্য বিড়ালের শাবককে মানুষ আশ্রয় দিয়েছিল। ধীরে ধীরে সেই সম্পর্কই আজকের ঘরের আদুরে পোষা বিড়ালে রূপ নিয়েছে।
বিজ্ঞানীদের মতে, এ রহস্য পুরোপুরি জানতে আরও বিস্তৃত ডিএনএ গবেষণা প্রয়োজন।

বিড়াল কীভাবে মানুষের ঘরে এলো
সিটিজেন ডেস্ক

মানুষের ঘরের সোফা থেকে শুরু করে ঘরের সব জায়গাতেই যেন নির্ভার রাজত্ব পোষা বিড়ালের। কিন্তু এই আদুরে প্রাণীর মানুষের বাসস্থানে প্রবেশ কবে, কোথা থেকে তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই গবেষণা চালিয়ে আসছেন বিজ্ঞানীরা। সাম্প্রতিক ডিএনএ বিশ্লেষণে উঠে এসেছে নতুন তথ্য, যা দেখে বিস্মিত গবেষকরাও।
প্রত্নতত্ত্ববিদদের একাংশের ধারণা ছিল, প্রায় সাড়ে ৯ হাজার বছর আগে পশ্চিম এশিয়ার লেভঁত অঞ্চলে মানুষের সঙ্গে বসবাস শুরু করে বিড়াল। কৃষিকাজ শুরু হওয়ার পর মানুষ শস্য মজুত করতে থাকলে ইঁদুরের উৎপাত বাড়ে। সেই ইঁদুর শিকার করত বন্য বিড়াল। এই কারণেই মানুষ ধীরে ধীরে বন্য বিড়ালকে পোষ মানাতে শুরু করে। সাইপ্রাসে পাওয়া বিশ্বের প্রাচীনতম বিড়ালের সমাধিও সেই তত্ত্বকে জোরালো করেছিল।
তবে নতুন গবেষণা বলছে, আধুনিক পোষা বিড়ালের উৎপত্তি লেভঁতে নয়। ইউরোপ ও পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন প্রত্নস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া প্রাচীন বিড়ালের হাড়গোড় পরীক্ষা করে বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন, বর্তমানের গৃহপালিত বিড়ালের পূর্বপুরুষ আসলে উত্তর আফ্রিকার বন্য বিড়াল।
অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক গ্রেগার লারসন জানিয়েছেন, ১০ হাজার বছরেরও পুরোনো বহু হাড়গোড়ের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। যেগুলোকে আগে পোষা বিড়ালের অবশেষ বলা হতো, সেগুলোর ডিএনএ বিশ্লেষণেও মিল পাওয়া যায়নি বর্তমান গৃহপালিত বিড়ালের সঙ্গে।
গবেষণায় দেখা গেছে, আধুনিক পোষা বিড়ালের ‘ফেলিস ক্যাটাস’জিনগত সম্পর্ক সবচেয়ে বেশি আফ্রিকার বন্য বিড়াল ‘ফেলিস লিবিকা’র সঙ্গে।
গবেষকদের মতে, প্রায় দুই হাজার বছর আগে রোমান সাম্রাজ্যের বিস্তারের সময় ইউরোপজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে এই পোষা বিড়াল। অর্থাৎ, মানুষের ঘরের পরিচিত বিড়াল সরাসরি ইউরোপীয় বনবিড়ালের বংশধর নয়।
জার্নাল সেল জেনোমিকসে প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়েছে, ৭৩০ খ্রিস্টাব্দের দিকে সিল্ক রুট হয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে চীনে পৌঁছায় পোষা বিড়াল। বিজ্ঞানীরা প্রাচীন ও আধুনিক মিলিয়ে ৮৭টি বিড়ালের জিন বিশ্লেষণ করেছেন। পাশাপাশি চীনে উদ্ধার হওয়া পাঁচ হাজার বছরের পুরোনো ২২টি বিড়ালের হাড়গোড়ও পরীক্ষা করা হয়।
তাতে দেখা গেছে, প্রাচীন চীনে মানুষের আশপাশে থাকা বিড়াল জাতীয় প্রাণীগুলো বর্তমান পোষা বিড়ালের পূর্বপুরুষ নয়। সেই প্রাণীর নাম ‘প্রায়োনেইলারাস বেঙ্গালেনসিস’। যাকে সাধারণভাবে ‘লেপার্ড ক্যাট’ বলা হয়।
পেকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক শু-জিন লুও জানিয়েছেন, লেপার্ড ক্যাট মানুষের সঙ্গে সহাবস্থান করলেও পুরোপুরি গৃহপালিত হয়ে ওঠেনি। তারা ইঁদুর শিকার করলেও মাঝে মাঝে মানুষের পোষা মুরগিও খেয়ে ফেলত। এ থেকেই মানুষের সঙ্গে সংঘাত শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত তারা আবার বনে ফিরে যায় এবং আজও বন্য প্রাণী হিসেবেই টিকে আছে।
যদিও উত্তর আফ্রিকাকে আধুনিক পোষা বিড়ালের জন্মস্থান হিসেবে মানতে নারাজ অনেক বিজ্ঞানী। তবে ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জোনাথন লোসোস মনে করেন, এই তত্ত্ব অস্বাভাবিক নয়। তিনি মিশরের প্রাচীন গুহাচিত্র ও সমাধির খোদাইয়ের উদাহরণ টেনে বলেন, সেখানে গলায় হার ও কানে দুল পরা বিড়ালের ছবি পাওয়া গেছে। এমনকি মানুষের সঙ্গে একই প্লেট থেকে খাবার খেতেও দেখা যায় তাদের।
তবে ঠিক কোন সময় প্রথম বিড়ালকে গৃহপালিত করা হয়েছিল, সে প্রশ্নের উত্তর এখনো স্পষ্ট নয়।
গবেষকদের ধারণা, হয়তো কোনো একসময় বন্য বিড়ালের শাবককে মানুষ আশ্রয় দিয়েছিল। ধীরে ধীরে সেই সম্পর্কই আজকের ঘরের আদুরে পোষা বিড়ালে রূপ নিয়েছে।
বিজ্ঞানীদের মতে, এ রহস্য পুরোপুরি জানতে আরও বিস্তৃত ডিএনএ গবেষণা প্রয়োজন।

যে শহরে বিড়ালের রাজত্ব


