যেভাবে পৃথিবী থেকে মুছে যাবে মানবসভ্যতা
সিটিজেন ডেস্ক

যেভাবে পৃথিবী থেকে মুছে যাবে মানবসভ্যতা
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২০ মে ২০২৬, ২২: ৩০

মানবসভ্যতা কি একদিন পৃথিবী থেকে পুরোপুরি বিলীন হয়ে যাবে? এমন প্রশ্ন ঘিরে বহু বছর ধরেই গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। তাদের সাম্প্রতিক এক গবেষণায় উঠে এসেছে ভয়াবহ এক সম্ভাবনার কথা।
গবেষকদের ধারণা, আগামী প্রায় ২৫ কোটি বছর পরে পৃথিবীর পরিবেশ এতটাই উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে যে মানুষ-সহ অধিকাংশ স্তন্যপায়ী প্রাণীর পক্ষে বেঁচে থাকা অসম্ভব হয়ে পড়বে।
বিজ্ঞানীদের মতে, ভবিষ্যতে পৃথিবীর বর্তমান মহাদেশগুলো ধীরে ধীরে একে অপরের সঙ্গে মিলিত হয়ে তৈরি করতে পারে একটি বিশাল সুপার-কন্টিনেন্ট। এই সম্ভাব্য নতুন মহাদেশের নাম দেওয়া হয়েছে ‘প্যানজিয়া আলটিমা’।
গবেষকদের দাবি, এই পরিবর্তন পৃথিবীর জলবায়ুকে ভয়াবহভাবে প্রভাবিত করবে এবং চরম তাপমাত্রার কারণে মানবজাতির অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়তে পারে।
যুক্তরাজ্যের ব্রিস্টল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার ফার্নসওয়ার্থের নেতৃত্বে পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে,, পৃথিবীর মহাদেশীয় পাতগুলো সবসময়ই ধীরে ধীরে সরে যাচ্ছে। কোটি কোটি বছর পরে আফ্রিকা ও আমেরিকাসহ বিভিন্ন মহাদেশ একত্রিত হয়ে বিশাল এক ভূখণ্ডে পরিণত হতে পারে। এই নতুন সুপার কন্টিনেন্টের বড় অংশ সমুদ্র থেকে অনেক দূরে অবস্থান করবে। ফলে সেখানে তাপ সহজে বের হতে পারবে না। এর ফলে ভূমি আরও বেশি উত্তপ্ত হয়ে উঠবে।
বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, সে সময় বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণও ব্যাপক হারে বেড়ে যাবে। একই সঙ্গে সূর্যের তাপমাত্রা আরও বৃদ্ধি পাবে এবং আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের হারও বাড়তে পারে। সব মিলিয়ে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা পৌঁছে যেতে পারে ৪০ থেকে ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।
গবেষকেরা বলছেন, অতিরিক্ত তাপ ও আর্দ্রতার কারণে মানুষ স্বাভাবিকভাবে ঘামের মাধ্যমে শরীর ঠান্ডা রাখতে পারবে না। এতে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে, যা প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে।
এই গবেষণার সঙ্গে যুক্ত আরেক গবেষক ইউনিস লো সতর্ক করে বলেছেন, ভবিষ্যতের ভয়াবহ পরিস্থিতি এড়াতে এখন থেকেই বিশ্বকে সচেতন হতে হবে। বিশেষ করে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ দ্রুত কমিয়ে আনার ওপর জোর দিয়েছেন তিনি।
তার মতে, বর্তমানে পৃথিবীর তাপমাত্রা যেভাবে বাড়ছে, তা ইতিমধ্যেই মানুষের স্বাস্থ্য, কৃষি এবং পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে এর পরিণতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।

মানবসভ্যতা কি একদিন পৃথিবী থেকে পুরোপুরি বিলীন হয়ে যাবে? এমন প্রশ্ন ঘিরে বহু বছর ধরেই গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। তাদের সাম্প্রতিক এক গবেষণায় উঠে এসেছে ভয়াবহ এক সম্ভাবনার কথা।
গবেষকদের ধারণা, আগামী প্রায় ২৫ কোটি বছর পরে পৃথিবীর পরিবেশ এতটাই উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে যে মানুষ-সহ অধিকাংশ স্তন্যপায়ী প্রাণীর পক্ষে বেঁচে থাকা অসম্ভব হয়ে পড়বে।
বিজ্ঞানীদের মতে, ভবিষ্যতে পৃথিবীর বর্তমান মহাদেশগুলো ধীরে ধীরে একে অপরের সঙ্গে মিলিত হয়ে তৈরি করতে পারে একটি বিশাল সুপার-কন্টিনেন্ট। এই সম্ভাব্য নতুন মহাদেশের নাম দেওয়া হয়েছে ‘প্যানজিয়া আলটিমা’।
গবেষকদের দাবি, এই পরিবর্তন পৃথিবীর জলবায়ুকে ভয়াবহভাবে প্রভাবিত করবে এবং চরম তাপমাত্রার কারণে মানবজাতির অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়তে পারে।
যুক্তরাজ্যের ব্রিস্টল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার ফার্নসওয়ার্থের নেতৃত্বে পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে,, পৃথিবীর মহাদেশীয় পাতগুলো সবসময়ই ধীরে ধীরে সরে যাচ্ছে। কোটি কোটি বছর পরে আফ্রিকা ও আমেরিকাসহ বিভিন্ন মহাদেশ একত্রিত হয়ে বিশাল এক ভূখণ্ডে পরিণত হতে পারে। এই নতুন সুপার কন্টিনেন্টের বড় অংশ সমুদ্র থেকে অনেক দূরে অবস্থান করবে। ফলে সেখানে তাপ সহজে বের হতে পারবে না। এর ফলে ভূমি আরও বেশি উত্তপ্ত হয়ে উঠবে।
বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, সে সময় বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণও ব্যাপক হারে বেড়ে যাবে। একই সঙ্গে সূর্যের তাপমাত্রা আরও বৃদ্ধি পাবে এবং আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের হারও বাড়তে পারে। সব মিলিয়ে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা পৌঁছে যেতে পারে ৪০ থেকে ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।
গবেষকেরা বলছেন, অতিরিক্ত তাপ ও আর্দ্রতার কারণে মানুষ স্বাভাবিকভাবে ঘামের মাধ্যমে শরীর ঠান্ডা রাখতে পারবে না। এতে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে, যা প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে।
এই গবেষণার সঙ্গে যুক্ত আরেক গবেষক ইউনিস লো সতর্ক করে বলেছেন, ভবিষ্যতের ভয়াবহ পরিস্থিতি এড়াতে এখন থেকেই বিশ্বকে সচেতন হতে হবে। বিশেষ করে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ দ্রুত কমিয়ে আনার ওপর জোর দিয়েছেন তিনি।
তার মতে, বর্তমানে পৃথিবীর তাপমাত্রা যেভাবে বাড়ছে, তা ইতিমধ্যেই মানুষের স্বাস্থ্য, কৃষি এবং পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে এর পরিণতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।

যেভাবে পৃথিবী থেকে মুছে যাবে মানবসভ্যতা
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২০ মে ২০২৬, ২২: ৩০

মানবসভ্যতা কি একদিন পৃথিবী থেকে পুরোপুরি বিলীন হয়ে যাবে? এমন প্রশ্ন ঘিরে বহু বছর ধরেই গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। তাদের সাম্প্রতিক এক গবেষণায় উঠে এসেছে ভয়াবহ এক সম্ভাবনার কথা।
গবেষকদের ধারণা, আগামী প্রায় ২৫ কোটি বছর পরে পৃথিবীর পরিবেশ এতটাই উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে যে মানুষ-সহ অধিকাংশ স্তন্যপায়ী প্রাণীর পক্ষে বেঁচে থাকা অসম্ভব হয়ে পড়বে।
বিজ্ঞানীদের মতে, ভবিষ্যতে পৃথিবীর বর্তমান মহাদেশগুলো ধীরে ধীরে একে অপরের সঙ্গে মিলিত হয়ে তৈরি করতে পারে একটি বিশাল সুপার-কন্টিনেন্ট। এই সম্ভাব্য নতুন মহাদেশের নাম দেওয়া হয়েছে ‘প্যানজিয়া আলটিমা’।
গবেষকদের দাবি, এই পরিবর্তন পৃথিবীর জলবায়ুকে ভয়াবহভাবে প্রভাবিত করবে এবং চরম তাপমাত্রার কারণে মানবজাতির অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়তে পারে।
যুক্তরাজ্যের ব্রিস্টল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার ফার্নসওয়ার্থের নেতৃত্বে পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে,, পৃথিবীর মহাদেশীয় পাতগুলো সবসময়ই ধীরে ধীরে সরে যাচ্ছে। কোটি কোটি বছর পরে আফ্রিকা ও আমেরিকাসহ বিভিন্ন মহাদেশ একত্রিত হয়ে বিশাল এক ভূখণ্ডে পরিণত হতে পারে। এই নতুন সুপার কন্টিনেন্টের বড় অংশ সমুদ্র থেকে অনেক দূরে অবস্থান করবে। ফলে সেখানে তাপ সহজে বের হতে পারবে না। এর ফলে ভূমি আরও বেশি উত্তপ্ত হয়ে উঠবে।
বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, সে সময় বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণও ব্যাপক হারে বেড়ে যাবে। একই সঙ্গে সূর্যের তাপমাত্রা আরও বৃদ্ধি পাবে এবং আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের হারও বাড়তে পারে। সব মিলিয়ে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা পৌঁছে যেতে পারে ৪০ থেকে ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।
গবেষকেরা বলছেন, অতিরিক্ত তাপ ও আর্দ্রতার কারণে মানুষ স্বাভাবিকভাবে ঘামের মাধ্যমে শরীর ঠান্ডা রাখতে পারবে না। এতে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে, যা প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে।
এই গবেষণার সঙ্গে যুক্ত আরেক গবেষক ইউনিস লো সতর্ক করে বলেছেন, ভবিষ্যতের ভয়াবহ পরিস্থিতি এড়াতে এখন থেকেই বিশ্বকে সচেতন হতে হবে। বিশেষ করে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ দ্রুত কমিয়ে আনার ওপর জোর দিয়েছেন তিনি।
তার মতে, বর্তমানে পৃথিবীর তাপমাত্রা যেভাবে বাড়ছে, তা ইতিমধ্যেই মানুষের স্বাস্থ্য, কৃষি এবং পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে এর পরিণতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।
/এসবি/




