দৌলতদিয়া ঘাটে ডুবে যাওয়া বাস উদ্ধার

দৌলতদিয়া ঘাটে ডুবে যাওয়া বাস উদ্ধার
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরিতে ওঠার সময় পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়া যাত্রীবাহী বাসটি উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার (২৬ মার্চ) দিবাগত রাত বারোটার দিকে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’র ক্রেনের সাহায্যে বাসটি নদী থেকে তোলা হয়।
এর আগে বুধবার বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে দৌলতদিয়া ঘাটের একটি পন্টুন থেকে পদ্মায় পড়ে যায় সৌহার্দ্য পরিবহনের বাসটি। এতে ৪৫ থেকে ৫০ জন যাত্রী ছিলেন বলে জানা গেছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তাদের মধ্যে সাতজন সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হন।
রাজবাড়ীর সিভিল সার্জন ডা. এস এম মাসুদ জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১১ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে দুই নারীর মরদেহ গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে।
ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিসের কমান্ডার মো. বেলাল উদ্দিন বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এখনও প্রায় ৪০ জন যাত্রী পানির নিচে আটকা থাকতে পারেন।
নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিস ও কোস্ট গার্ডের ডুবুরি দল তল্লাশি চালাচ্ছে। পাশাপাশি পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরাও উদ্ধারকাজে অংশ নিয়েছেন।

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরিতে ওঠার সময় পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়া যাত্রীবাহী বাসটি উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার (২৬ মার্চ) দিবাগত রাত বারোটার দিকে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’র ক্রেনের সাহায্যে বাসটি নদী থেকে তোলা হয়।
এর আগে বুধবার বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে দৌলতদিয়া ঘাটের একটি পন্টুন থেকে পদ্মায় পড়ে যায় সৌহার্দ্য পরিবহনের বাসটি। এতে ৪৫ থেকে ৫০ জন যাত্রী ছিলেন বলে জানা গেছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তাদের মধ্যে সাতজন সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হন।
রাজবাড়ীর সিভিল সার্জন ডা. এস এম মাসুদ জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১১ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে দুই নারীর মরদেহ গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে।
ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিসের কমান্ডার মো. বেলাল উদ্দিন বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এখনও প্রায় ৪০ জন যাত্রী পানির নিচে আটকা থাকতে পারেন।
নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিস ও কোস্ট গার্ডের ডুবুরি দল তল্লাশি চালাচ্ছে। পাশাপাশি পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরাও উদ্ধারকাজে অংশ নিয়েছেন।

দৌলতদিয়া ঘাটে ডুবে যাওয়া বাস উদ্ধার
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরিতে ওঠার সময় পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়া যাত্রীবাহী বাসটি উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার (২৬ মার্চ) দিবাগত রাত বারোটার দিকে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’র ক্রেনের সাহায্যে বাসটি নদী থেকে তোলা হয়।
এর আগে বুধবার বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে দৌলতদিয়া ঘাটের একটি পন্টুন থেকে পদ্মায় পড়ে যায় সৌহার্দ্য পরিবহনের বাসটি। এতে ৪৫ থেকে ৫০ জন যাত্রী ছিলেন বলে জানা গেছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তাদের মধ্যে সাতজন সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হন।
রাজবাড়ীর সিভিল সার্জন ডা. এস এম মাসুদ জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১১ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে দুই নারীর মরদেহ গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে।
ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিসের কমান্ডার মো. বেলাল উদ্দিন বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এখনও প্রায় ৪০ জন যাত্রী পানির নিচে আটকা থাকতে পারেন।
নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিস ও কোস্ট গার্ডের ডুবুরি দল তল্লাশি চালাচ্ছে। পাশাপাশি পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরাও উদ্ধারকাজে অংশ নিয়েছেন।




