হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বেড়েছে: আইআরজিসি
সিটিজেন ডেস্ক

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বেড়েছে: আইআরজিসি
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২০ মে ২০২৬, ২০: ৩০

মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের জেরে দীর্ঘ কড়াকড়ির পর অবশেষে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে গতি ফিরেছে। আইআরজিসি জানিয়েছে, তাদের নৌবাহিনীর নতুন সমন্বয় ও ব্যবস্থাপনার অধীনে গত ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ২৬টি বাণিজ্যিক জাহাজ নিরাপদে এ প্রণালি অতিক্রম করেছে।
বুধবার (২০ মে) আইআরজিসি নৌবাহিনীর কমান্ড এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে, পারস্য উপসাগরের এ কৌশলগত প্রবেশদ্বারে তারা ইরানি সেনাবাহিনীর সাথে যৌথভাবে সার্বক্ষণিক নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখছে। গত এক দিনে পারাপার হওয়া ২৬টি জাহাজের মধ্যে রয়েছে তেল ট্যাংকার, কনটেইনারবাহী জাহাজ এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ভেসেল। প্রতিটি জাহাজই আইআরজিসি নৌবাহিনীর সাথে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ রক্ষা করে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমতিপত্র সংগ্রহ করার পরই নিজেদের গন্তব্যের দিকে নিরাপদে অগ্রসর হয়েছে।
নিরাপত্তা ও তদারকি বৃদ্ধির লক্ষ্যে হরমুজ প্রণালির পরিধি এখন আগের চেয়ে অনেক বিস্তৃত করা হয়েছে বলে আইআরজিসির এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন। বর্তমানে জাস্ক ও সিরিক উপকূল থেকে শুরু করে গ্রেটার তুনব দ্বীপের বাইরে পর্যন্ত প্রায় ৫০০ কিলোমিটার এলাকা একটি বিশেষ অর্ধচন্দ্রাকার অঞ্চল হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে। মূলত গত ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসন শুরু হলে এ জলপথে কঠোর সামরিক বিধিনিষেধ আরোপ করে তেহরান। এতে জাহাজ চলাচল মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয় এবং বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলে প্রভাব পড়ে।
বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের চাহিদার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এ হরমুজ প্রণালি দিয়েই পরিবহন করা হয়ে থাকে। ফলে গত কয়েক মাসে এ রুটে সামরিক কড়াকড়ি ও জাহাজ চলাচল কমে যাওয়ার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলসহ অন্যান্য পণ্যের দামে ব্যাপক ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছিল। তবে নতুন ব্যবস্থাপনার আওতায় মাত্র ২৪ ঘণ্টায় ২৬টি জাহাজের নিরাপদ পারাপার আন্তর্জাতিক সরবরাহ চেইন ও বিশ্ব অর্থনীতির জন্য একটি বড় স্বস্তির খবর হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।
সূত্র: প্রেস টিভি

মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের জেরে দীর্ঘ কড়াকড়ির পর অবশেষে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে গতি ফিরেছে। আইআরজিসি জানিয়েছে, তাদের নৌবাহিনীর নতুন সমন্বয় ও ব্যবস্থাপনার অধীনে গত ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ২৬টি বাণিজ্যিক জাহাজ নিরাপদে এ প্রণালি অতিক্রম করেছে।
বুধবার (২০ মে) আইআরজিসি নৌবাহিনীর কমান্ড এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে, পারস্য উপসাগরের এ কৌশলগত প্রবেশদ্বারে তারা ইরানি সেনাবাহিনীর সাথে যৌথভাবে সার্বক্ষণিক নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখছে। গত এক দিনে পারাপার হওয়া ২৬টি জাহাজের মধ্যে রয়েছে তেল ট্যাংকার, কনটেইনারবাহী জাহাজ এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ভেসেল। প্রতিটি জাহাজই আইআরজিসি নৌবাহিনীর সাথে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ রক্ষা করে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমতিপত্র সংগ্রহ করার পরই নিজেদের গন্তব্যের দিকে নিরাপদে অগ্রসর হয়েছে।
নিরাপত্তা ও তদারকি বৃদ্ধির লক্ষ্যে হরমুজ প্রণালির পরিধি এখন আগের চেয়ে অনেক বিস্তৃত করা হয়েছে বলে আইআরজিসির এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন। বর্তমানে জাস্ক ও সিরিক উপকূল থেকে শুরু করে গ্রেটার তুনব দ্বীপের বাইরে পর্যন্ত প্রায় ৫০০ কিলোমিটার এলাকা একটি বিশেষ অর্ধচন্দ্রাকার অঞ্চল হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে। মূলত গত ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসন শুরু হলে এ জলপথে কঠোর সামরিক বিধিনিষেধ আরোপ করে তেহরান। এতে জাহাজ চলাচল মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয় এবং বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলে প্রভাব পড়ে।
বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের চাহিদার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এ হরমুজ প্রণালি দিয়েই পরিবহন করা হয়ে থাকে। ফলে গত কয়েক মাসে এ রুটে সামরিক কড়াকড়ি ও জাহাজ চলাচল কমে যাওয়ার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলসহ অন্যান্য পণ্যের দামে ব্যাপক ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছিল। তবে নতুন ব্যবস্থাপনার আওতায় মাত্র ২৪ ঘণ্টায় ২৬টি জাহাজের নিরাপদ পারাপার আন্তর্জাতিক সরবরাহ চেইন ও বিশ্ব অর্থনীতির জন্য একটি বড় স্বস্তির খবর হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।
সূত্র: প্রেস টিভি

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বেড়েছে: আইআরজিসি
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২০ মে ২০২৬, ২০: ৩০

মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের জেরে দীর্ঘ কড়াকড়ির পর অবশেষে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে গতি ফিরেছে। আইআরজিসি জানিয়েছে, তাদের নৌবাহিনীর নতুন সমন্বয় ও ব্যবস্থাপনার অধীনে গত ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ২৬টি বাণিজ্যিক জাহাজ নিরাপদে এ প্রণালি অতিক্রম করেছে।
বুধবার (২০ মে) আইআরজিসি নৌবাহিনীর কমান্ড এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে, পারস্য উপসাগরের এ কৌশলগত প্রবেশদ্বারে তারা ইরানি সেনাবাহিনীর সাথে যৌথভাবে সার্বক্ষণিক নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখছে। গত এক দিনে পারাপার হওয়া ২৬টি জাহাজের মধ্যে রয়েছে তেল ট্যাংকার, কনটেইনারবাহী জাহাজ এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ভেসেল। প্রতিটি জাহাজই আইআরজিসি নৌবাহিনীর সাথে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ রক্ষা করে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমতিপত্র সংগ্রহ করার পরই নিজেদের গন্তব্যের দিকে নিরাপদে অগ্রসর হয়েছে।
নিরাপত্তা ও তদারকি বৃদ্ধির লক্ষ্যে হরমুজ প্রণালির পরিধি এখন আগের চেয়ে অনেক বিস্তৃত করা হয়েছে বলে আইআরজিসির এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন। বর্তমানে জাস্ক ও সিরিক উপকূল থেকে শুরু করে গ্রেটার তুনব দ্বীপের বাইরে পর্যন্ত প্রায় ৫০০ কিলোমিটার এলাকা একটি বিশেষ অর্ধচন্দ্রাকার অঞ্চল হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে। মূলত গত ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসন শুরু হলে এ জলপথে কঠোর সামরিক বিধিনিষেধ আরোপ করে তেহরান। এতে জাহাজ চলাচল মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয় এবং বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলে প্রভাব পড়ে।
বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের চাহিদার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এ হরমুজ প্রণালি দিয়েই পরিবহন করা হয়ে থাকে। ফলে গত কয়েক মাসে এ রুটে সামরিক কড়াকড়ি ও জাহাজ চলাচল কমে যাওয়ার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলসহ অন্যান্য পণ্যের দামে ব্যাপক ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছিল। তবে নতুন ব্যবস্থাপনার আওতায় মাত্র ২৪ ঘণ্টায় ২৬টি জাহাজের নিরাপদ পারাপার আন্তর্জাতিক সরবরাহ চেইন ও বিশ্ব অর্থনীতির জন্য একটি বড় স্বস্তির খবর হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।
সূত্র: প্রেস টিভি
/এমএকে/

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনায় সহায়তার আশ্বাস রাশিয়ার


