ইসরায়েলে হামলার হুমকি ইরানের

ইসরায়েলে হামলার হুমকি ইরানের
সিজেডএন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আবারও উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। হরমুজ প্রণালিতে জাহাজে হামলার অজুহাতে ইরানের বিভিন্ন শহরে নতুন করে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এতে অন্তত ১৭ জন মানুষ নিহত হয়েছেন। জবাবে কুয়েত, কাতার, বাহরাইন ও জর্ডানে মার্কিন স্থাপনা লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালিয়েছে তেহরান। যদিও দুই দেশ সাময়িকভাবে হামলা বন্ধে সম্মত হয়েছে। তবে ইরানের জাতীয় অবকাঠামোর ওপর যেকোনো ধরনের হামলা চালানো হলে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে পাল্টা ও কঠোর আঘাত হানা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সংস্থার প্রধান মোহাম্মদ বাঘের জোলঘাদর। শুক্রবার (১০ জুলাই) তিনি এই কড়া বার্তা দেন।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক বিবৃতিতে বাঘের বলেন, ‘আমাদের অবকাঠামোর ওপর যেকোনো হামলার প্রতিশোধ নেওয়া হবে। এসব অপরাধের জন্য দায়ী অপরাধী জায়নবাদী শাসনব্যবস্থা আমাদের যোদ্ধাদের পাল্টা হামলা থেকে কোনোভাবেই নিরাপদ থাকবে না।’
গত ১৭ জুন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) সই করেছিল। ওই চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল এপ্রিলের যুদ্ধবিরতিকে আনুষ্ঠানিক রূপ দেওয়া এবং চলমান যুদ্ধের একটি স্থায়ী অবসানে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে চুক্তিতে পৌঁছানো। চুক্তিতে লেবাননসহ সব ফ্রন্টে যুদ্ধবিরতির কথা বলা হলেও ইসরায়েল সেখানে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। এতে চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগে হরমুজ প্রণালিতে ৩টি জাহাজে হামলা চালায় তেহরান। এদিকে হরমুজে জাহাজে হামলার অভিযোগে ইরানের বিভিন্ন অবকাঠামোতে হামলা চালায় ওয়াশিংটন। এতে দুই দেশের উত্তেজনার পারদ আবারও উপরে উঠতে শুরু করেছে। ফলে আলোচনার প্রক্রিয়াকে আবারও জটিল করে তুলেছে।
বুধবার গভীর রাত থেকে বৃহস্পতিবার ভোর পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী ইরানের অন্তত ১৭০টি স্থাপনায় হামলার দাবি করে।
তবে ইরান অভিযোগ করেছে, ওয়াশিংটন শুধু সামরিক স্থাপনাই নয়, বেসামরিক অবকাঠামোকেও লক্ষ্যবস্তু করেছে। প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির জানাজা ও দাফনকে আড়াল করার জন্য তারা এমনটি করছে বলে জানায় তেহরান।
ইরানের দাবি, রাজধানী তেহরান থেকে খামেনির জন্মশহর মাশহাদের মধ্যে সেতু ও রেল যোগাযোগে হামলা চালানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার মাশহাদে খামেনিকে দাফন করা হয়।
এদিকে শুক্রবার (১০ জুলাই) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যেতে সম্মত হয়েছে। তবে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেছেন যে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতি শেষ হয়ে গেছে।
সামাজিকমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘ইরান আমাদের আলোচনা চালিয়ে যেতে বলেছে। আমরা তাতে রাজি হয়েছি। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র তাদের দ্ব্যর্থহীনভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে, যুদ্ধবিরতি শেষ!’
সূত্র: আরব নিউজ

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আবারও উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। হরমুজ প্রণালিতে জাহাজে হামলার অজুহাতে ইরানের বিভিন্ন শহরে নতুন করে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এতে অন্তত ১৭ জন মানুষ নিহত হয়েছেন। জবাবে কুয়েত, কাতার, বাহরাইন ও জর্ডানে মার্কিন স্থাপনা লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালিয়েছে তেহরান। যদিও দুই দেশ সাময়িকভাবে হামলা বন্ধে সম্মত হয়েছে। তবে ইরানের জাতীয় অবকাঠামোর ওপর যেকোনো ধরনের হামলা চালানো হলে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে পাল্টা ও কঠোর আঘাত হানা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সংস্থার প্রধান মোহাম্মদ বাঘের জোলঘাদর। শুক্রবার (১০ জুলাই) তিনি এই কড়া বার্তা দেন।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক বিবৃতিতে বাঘের বলেন, ‘আমাদের অবকাঠামোর ওপর যেকোনো হামলার প্রতিশোধ নেওয়া হবে। এসব অপরাধের জন্য দায়ী অপরাধী জায়নবাদী শাসনব্যবস্থা আমাদের যোদ্ধাদের পাল্টা হামলা থেকে কোনোভাবেই নিরাপদ থাকবে না।’
গত ১৭ জুন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) সই করেছিল। ওই চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল এপ্রিলের যুদ্ধবিরতিকে আনুষ্ঠানিক রূপ দেওয়া এবং চলমান যুদ্ধের একটি স্থায়ী অবসানে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে চুক্তিতে পৌঁছানো। চুক্তিতে লেবাননসহ সব ফ্রন্টে যুদ্ধবিরতির কথা বলা হলেও ইসরায়েল সেখানে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। এতে চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগে হরমুজ প্রণালিতে ৩টি জাহাজে হামলা চালায় তেহরান। এদিকে হরমুজে জাহাজে হামলার অভিযোগে ইরানের বিভিন্ন অবকাঠামোতে হামলা চালায় ওয়াশিংটন। এতে দুই দেশের উত্তেজনার পারদ আবারও উপরে উঠতে শুরু করেছে। ফলে আলোচনার প্রক্রিয়াকে আবারও জটিল করে তুলেছে।
বুধবার গভীর রাত থেকে বৃহস্পতিবার ভোর পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী ইরানের অন্তত ১৭০টি স্থাপনায় হামলার দাবি করে।
তবে ইরান অভিযোগ করেছে, ওয়াশিংটন শুধু সামরিক স্থাপনাই নয়, বেসামরিক অবকাঠামোকেও লক্ষ্যবস্তু করেছে। প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির জানাজা ও দাফনকে আড়াল করার জন্য তারা এমনটি করছে বলে জানায় তেহরান।
ইরানের দাবি, রাজধানী তেহরান থেকে খামেনির জন্মশহর মাশহাদের মধ্যে সেতু ও রেল যোগাযোগে হামলা চালানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার মাশহাদে খামেনিকে দাফন করা হয়।
এদিকে শুক্রবার (১০ জুলাই) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যেতে সম্মত হয়েছে। তবে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেছেন যে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতি শেষ হয়ে গেছে।
সামাজিকমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘ইরান আমাদের আলোচনা চালিয়ে যেতে বলেছে। আমরা তাতে রাজি হয়েছি। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র তাদের দ্ব্যর্থহীনভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে, যুদ্ধবিরতি শেষ!’
সূত্র: আরব নিউজ

ইসরায়েলে হামলার হুমকি ইরানের
সিজেডএন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আবারও উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। হরমুজ প্রণালিতে জাহাজে হামলার অজুহাতে ইরানের বিভিন্ন শহরে নতুন করে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এতে অন্তত ১৭ জন মানুষ নিহত হয়েছেন। জবাবে কুয়েত, কাতার, বাহরাইন ও জর্ডানে মার্কিন স্থাপনা লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালিয়েছে তেহরান। যদিও দুই দেশ সাময়িকভাবে হামলা বন্ধে সম্মত হয়েছে। তবে ইরানের জাতীয় অবকাঠামোর ওপর যেকোনো ধরনের হামলা চালানো হলে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে পাল্টা ও কঠোর আঘাত হানা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সংস্থার প্রধান মোহাম্মদ বাঘের জোলঘাদর। শুক্রবার (১০ জুলাই) তিনি এই কড়া বার্তা দেন।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক বিবৃতিতে বাঘের বলেন, ‘আমাদের অবকাঠামোর ওপর যেকোনো হামলার প্রতিশোধ নেওয়া হবে। এসব অপরাধের জন্য দায়ী অপরাধী জায়নবাদী শাসনব্যবস্থা আমাদের যোদ্ধাদের পাল্টা হামলা থেকে কোনোভাবেই নিরাপদ থাকবে না।’
গত ১৭ জুন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) সই করেছিল। ওই চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল এপ্রিলের যুদ্ধবিরতিকে আনুষ্ঠানিক রূপ দেওয়া এবং চলমান যুদ্ধের একটি স্থায়ী অবসানে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে চুক্তিতে পৌঁছানো। চুক্তিতে লেবাননসহ সব ফ্রন্টে যুদ্ধবিরতির কথা বলা হলেও ইসরায়েল সেখানে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। এতে চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগে হরমুজ প্রণালিতে ৩টি জাহাজে হামলা চালায় তেহরান। এদিকে হরমুজে জাহাজে হামলার অভিযোগে ইরানের বিভিন্ন অবকাঠামোতে হামলা চালায় ওয়াশিংটন। এতে দুই দেশের উত্তেজনার পারদ আবারও উপরে উঠতে শুরু করেছে। ফলে আলোচনার প্রক্রিয়াকে আবারও জটিল করে তুলেছে।
বুধবার গভীর রাত থেকে বৃহস্পতিবার ভোর পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী ইরানের অন্তত ১৭০টি স্থাপনায় হামলার দাবি করে।
তবে ইরান অভিযোগ করেছে, ওয়াশিংটন শুধু সামরিক স্থাপনাই নয়, বেসামরিক অবকাঠামোকেও লক্ষ্যবস্তু করেছে। প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির জানাজা ও দাফনকে আড়াল করার জন্য তারা এমনটি করছে বলে জানায় তেহরান।
ইরানের দাবি, রাজধানী তেহরান থেকে খামেনির জন্মশহর মাশহাদের মধ্যে সেতু ও রেল যোগাযোগে হামলা চালানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার মাশহাদে খামেনিকে দাফন করা হয়।
এদিকে শুক্রবার (১০ জুলাই) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যেতে সম্মত হয়েছে। তবে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেছেন যে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতি শেষ হয়ে গেছে।
সামাজিকমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘ইরান আমাদের আলোচনা চালিয়ে যেতে বলেছে। আমরা তাতে রাজি হয়েছি। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র তাদের দ্ব্যর্থহীনভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে, যুদ্ধবিরতি শেষ!’
সূত্র: আরব নিউজ

ট্রাম্পকে হত্যার পরিকল্পনা করছে ইরান, দাবি ইসরায়েলের

