‘পাকিস্তানিদের বিদায়ও শেখ হাসিনার চেয়ে সম্মানজনক ছিলো’

‘পাকিস্তানিদের বিদায়ও শেখ হাসিনার চেয়ে সম্মানজনক ছিলো’
রংপুর সংবাদদাতা

বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশ থেকে যে পালিয়ে যায়, সে আর এই দেশে কখনো ফিরে আসে না। শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগ সরকার কাপুরুষোচিতভাবে এই দেশ থেকে পালিয়ে গিয়ে ভারতের কোলে আশ্রয় নিয়েছে। পাকিস্তানিরাও এর থেকে সম্মানজনকভাবে বিদায় নিয়েছিলো। ইংরেজরাও এর থেকে সম্মানজনকভাবে বিদায় নিয়েছিলো
শনিবার (১১ জুলাই) বিকেলে রংপুর জিলা স্কুল মাঠে চার দফা দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের সমাবেশে এ মন্তব্য করেন তিনি।
নাহিদ ইসলাম বলেন, শেখ হাসিনা আসবে কি আসবে না, এটা দিল্লির সঙ্গে ঢাকাকে নির্ধারণ করতে হবে। শেখ হাসিনা দিল্লিতে বসে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছে। ফ্যাসিস্ট মিডিয়ার দোসররা সেসব তথ্য প্রচার করছে। বাংলাদেশের জনগণ এটা মেনে নেবে না।
তিনি বলেন, কিছুদিন আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীন সফরে গিয়েছিলেন। আমরা বিরোধীদলের পক্ষ থেকে সংসদে তাকে ধন্যবাদ জানিয়েছি। এরপরে হয়তো কিছু বলা উচিত না। কিন্তু বলতে বাধ্য হচ্ছি যে, চীন সফরের অর্জন কোথায়? চীন সফরের অর্জন হচ্ছে শুন্য। চীন সফরে তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে আমরা কোনো কমিটমেন্ট পাই নাই। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে কোনো কমিটমেন্ট পাই নাই।
এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, দীর্ঘদিন ধরে রংপুর বিভাগ আঞ্চলিক বৈষম্যের শিকার হয়ে আসছে। আমরা আশা করেছিলাম, গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী এবারের নির্বাচনে যেই সরকার গঠিত হয়েছে তাদের প্রথম বাজেটে রংপুর বিভাগের প্রতি সুনজর দেওয়া হবে। কিন্তু আমরা দেখলাম এবারের বাজেটেও রংপুর বিভাগের সঙ্গে বাজেট বৈষম্য করা হয়েছে। রংপুর বিভাগের বেশির ভাগ আসন বিরোধী দলের হওয়ার কারণে পরিকল্পিতভাবে বরাদ্দ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, রংপুরে কোনো বড় উন্নয়ন প্রজেক্ট রাখা হয়নি। বরাদ্দ সব যাচ্ছে বগুড়ার শিবগঞ্জে। গোপালগঞ্জ প্রতিস্থাপিত হয়েছে বগুড়ার শিবগঞ্জে। কিন্তু যারা প্রকৃত বৈষম্যের শিকার, সেই রংপুরবাসী কোনো বরাদ্দ পাচ্ছে না। সরকারি দলের এমপিরা যে বরাদ্দ পায়, বিরোধী দলের এমপিরা সেই বরাদ্দের তিনভাগের একভাগও পাচ্ছে না।
সমাবেশে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির সভাপতি কর্নেল (অব.) ড. অলী আহমদ বীর বিক্রম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালাল উদ্দিন, নেজামে ইসলাম পার্টির ভারপ্রাপ্ত আমীর আল্লামা আবদুল কাইয়ুম সুবহানী, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহ-সভাপতি ও মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এ কে এম আনোয়ারুল ইসলাম চাঁনসহ ১১ দলীয় ঐক্যের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশ থেকে যে পালিয়ে যায়, সে আর এই দেশে কখনো ফিরে আসে না। শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগ সরকার কাপুরুষোচিতভাবে এই দেশ থেকে পালিয়ে গিয়ে ভারতের কোলে আশ্রয় নিয়েছে। পাকিস্তানিরাও এর থেকে সম্মানজনকভাবে বিদায় নিয়েছিলো। ইংরেজরাও এর থেকে সম্মানজনকভাবে বিদায় নিয়েছিলো
শনিবার (১১ জুলাই) বিকেলে রংপুর জিলা স্কুল মাঠে চার দফা দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের সমাবেশে এ মন্তব্য করেন তিনি।
নাহিদ ইসলাম বলেন, শেখ হাসিনা আসবে কি আসবে না, এটা দিল্লির সঙ্গে ঢাকাকে নির্ধারণ করতে হবে। শেখ হাসিনা দিল্লিতে বসে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছে। ফ্যাসিস্ট মিডিয়ার দোসররা সেসব তথ্য প্রচার করছে। বাংলাদেশের জনগণ এটা মেনে নেবে না।
তিনি বলেন, কিছুদিন আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীন সফরে গিয়েছিলেন। আমরা বিরোধীদলের পক্ষ থেকে সংসদে তাকে ধন্যবাদ জানিয়েছি। এরপরে হয়তো কিছু বলা উচিত না। কিন্তু বলতে বাধ্য হচ্ছি যে, চীন সফরের অর্জন কোথায়? চীন সফরের অর্জন হচ্ছে শুন্য। চীন সফরে তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে আমরা কোনো কমিটমেন্ট পাই নাই। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে কোনো কমিটমেন্ট পাই নাই।
এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, দীর্ঘদিন ধরে রংপুর বিভাগ আঞ্চলিক বৈষম্যের শিকার হয়ে আসছে। আমরা আশা করেছিলাম, গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী এবারের নির্বাচনে যেই সরকার গঠিত হয়েছে তাদের প্রথম বাজেটে রংপুর বিভাগের প্রতি সুনজর দেওয়া হবে। কিন্তু আমরা দেখলাম এবারের বাজেটেও রংপুর বিভাগের সঙ্গে বাজেট বৈষম্য করা হয়েছে। রংপুর বিভাগের বেশির ভাগ আসন বিরোধী দলের হওয়ার কারণে পরিকল্পিতভাবে বরাদ্দ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, রংপুরে কোনো বড় উন্নয়ন প্রজেক্ট রাখা হয়নি। বরাদ্দ সব যাচ্ছে বগুড়ার শিবগঞ্জে। গোপালগঞ্জ প্রতিস্থাপিত হয়েছে বগুড়ার শিবগঞ্জে। কিন্তু যারা প্রকৃত বৈষম্যের শিকার, সেই রংপুরবাসী কোনো বরাদ্দ পাচ্ছে না। সরকারি দলের এমপিরা যে বরাদ্দ পায়, বিরোধী দলের এমপিরা সেই বরাদ্দের তিনভাগের একভাগও পাচ্ছে না।
সমাবেশে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির সভাপতি কর্নেল (অব.) ড. অলী আহমদ বীর বিক্রম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালাল উদ্দিন, নেজামে ইসলাম পার্টির ভারপ্রাপ্ত আমীর আল্লামা আবদুল কাইয়ুম সুবহানী, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহ-সভাপতি ও মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এ কে এম আনোয়ারুল ইসলাম চাঁনসহ ১১ দলীয় ঐক্যের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

‘পাকিস্তানিদের বিদায়ও শেখ হাসিনার চেয়ে সম্মানজনক ছিলো’
রংপুর সংবাদদাতা

বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশ থেকে যে পালিয়ে যায়, সে আর এই দেশে কখনো ফিরে আসে না। শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগ সরকার কাপুরুষোচিতভাবে এই দেশ থেকে পালিয়ে গিয়ে ভারতের কোলে আশ্রয় নিয়েছে। পাকিস্তানিরাও এর থেকে সম্মানজনকভাবে বিদায় নিয়েছিলো। ইংরেজরাও এর থেকে সম্মানজনকভাবে বিদায় নিয়েছিলো
শনিবার (১১ জুলাই) বিকেলে রংপুর জিলা স্কুল মাঠে চার দফা দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের সমাবেশে এ মন্তব্য করেন তিনি।
নাহিদ ইসলাম বলেন, শেখ হাসিনা আসবে কি আসবে না, এটা দিল্লির সঙ্গে ঢাকাকে নির্ধারণ করতে হবে। শেখ হাসিনা দিল্লিতে বসে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছে। ফ্যাসিস্ট মিডিয়ার দোসররা সেসব তথ্য প্রচার করছে। বাংলাদেশের জনগণ এটা মেনে নেবে না।
তিনি বলেন, কিছুদিন আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীন সফরে গিয়েছিলেন। আমরা বিরোধীদলের পক্ষ থেকে সংসদে তাকে ধন্যবাদ জানিয়েছি। এরপরে হয়তো কিছু বলা উচিত না। কিন্তু বলতে বাধ্য হচ্ছি যে, চীন সফরের অর্জন কোথায়? চীন সফরের অর্জন হচ্ছে শুন্য। চীন সফরে তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে আমরা কোনো কমিটমেন্ট পাই নাই। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে কোনো কমিটমেন্ট পাই নাই।
এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, দীর্ঘদিন ধরে রংপুর বিভাগ আঞ্চলিক বৈষম্যের শিকার হয়ে আসছে। আমরা আশা করেছিলাম, গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী এবারের নির্বাচনে যেই সরকার গঠিত হয়েছে তাদের প্রথম বাজেটে রংপুর বিভাগের প্রতি সুনজর দেওয়া হবে। কিন্তু আমরা দেখলাম এবারের বাজেটেও রংপুর বিভাগের সঙ্গে বাজেট বৈষম্য করা হয়েছে। রংপুর বিভাগের বেশির ভাগ আসন বিরোধী দলের হওয়ার কারণে পরিকল্পিতভাবে বরাদ্দ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, রংপুরে কোনো বড় উন্নয়ন প্রজেক্ট রাখা হয়নি। বরাদ্দ সব যাচ্ছে বগুড়ার শিবগঞ্জে। গোপালগঞ্জ প্রতিস্থাপিত হয়েছে বগুড়ার শিবগঞ্জে। কিন্তু যারা প্রকৃত বৈষম্যের শিকার, সেই রংপুরবাসী কোনো বরাদ্দ পাচ্ছে না। সরকারি দলের এমপিরা যে বরাদ্দ পায়, বিরোধী দলের এমপিরা সেই বরাদ্দের তিনভাগের একভাগও পাচ্ছে না।
সমাবেশে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির সভাপতি কর্নেল (অব.) ড. অলী আহমদ বীর বিক্রম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালাল উদ্দিন, নেজামে ইসলাম পার্টির ভারপ্রাপ্ত আমীর আল্লামা আবদুল কাইয়ুম সুবহানী, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহ-সভাপতি ও মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এ কে এম আনোয়ারুল ইসলাম চাঁনসহ ১১ দলীয় ঐক্যের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

শেখ হাসিনার জন্য অপেক্ষা করছে ফাঁসির দড়ি: নাহিদ ইসলাম 

