চট্টগ্রামে কমছে বন্যার পানি, ভেঙে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা

চট্টগ্রামে কমছে বন্যার পানি, ভেঙে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচ জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা এখনও পানির নিচে। সাতকানিয়া, বাঁশখালী ও চন্দনাইশে পানি কিছুটা কমলেও যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ নেই। এছাড়া খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকটে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
বন্যা কবলিত এলাকার অনেক বাড়িতে এখনও রান্না করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে অসংখ্য পরিবার শুকনো খাবারের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত থাকায় ত্রাণ পৌঁছানো এবং জরুরি সেবা নিশ্চিত করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার (১০ জুলাই) পর্যন্ত চট্টগ্রামের ১৭৬টি ইউনিয়নের ১ লাখ ৮৮ হাজার ৬৪৮টি পরিবারের ৭ লাখ ৫৪ হাজার ৫৯০ জন মানুষ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
রবিবার (৫ জুলাই) থেকে টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, চন্দনাইশ ও বাঁশখালীর বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। সাতকানিয়া ও বাঁশখালী উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির সবচেয়ে বেশি অবনতি হয়েছে। এই দুই উপজেলায় ৫ লাখেরও বেশি মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন
সাতকানিয়া উপজেলার প্রায় ৯০ শতাংশ এলাকা এখনো পানির নিচে। অধিকাংশ অভ্যন্তরীণ সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, উপজেলা পরিষদ, থানা চত্বর, আদালত ও পৌরসভা কার্যালয়েও এখনো বন্যার পানি রয়েছে। বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় অনেক এলাকা অন্ধকারে রয়েছে।
বাঁশখালীর ছনুয়া, পুঁইছড়ি, শেখেরখীল, সরল, কাহারঘোনাসহ পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় এখনো পানি নামেনি। সাগরের জোয়ার ও পাহাড়ি ঢলে বহু বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক বাড়িতে পানি ঢুকে পড়ায় রান্নার চুলা জ্বালানো যাচ্ছে না। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রায় ৪ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার ও দেড় হাজার প্যাকেট রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়েছে। বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনও ত্রাণ বিতরণ করছে। তবে ক্ষতিগ্রস্তদের অভিযোগ, এসব সহায়তা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম।
চন্দনাইশে দুইটি পৌরসভা ও আটটি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল এখনো পানির নিচে রয়েছে। বন্যায় প্রায় ২ হাজার ২০০ হেক্টর এলাকার আউশ ধান, ৯০০ হেক্টর এলাকার সবজি ও ৭০ হেক্টর পেঁপে ক্ষেত তলিয়ে গেছে। পাঁচশর বেশি পুকুর ও প্রজেক্টের মাছ ভেসে যাওয়ায় অন্তত ১০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। পাহাড়ি ঢলে বিভিন্ন সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় অনেক এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা এখনো ব্যাহত রয়েছে।
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে দ্রুত ত্রাণ, শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দিতে জেলা প্রশাসন কাজ করছে। যেসব এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত, সেখানে বিকল্প উপায়ে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিল্টন বিশ্বাস বলেন, পানি কিছুটা কমলেও অনেক এলাকায় মানুষ এখনো পানিবন্দি। আশ্রয়কেন্দ্র ও দুর্গত এলাকায় নিয়মিত ত্রাণ বিতরণ করা হচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত প্রশাসনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচ জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা এখনও পানির নিচে। সাতকানিয়া, বাঁশখালী ও চন্দনাইশে পানি কিছুটা কমলেও যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ নেই। এছাড়া খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকটে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
বন্যা কবলিত এলাকার অনেক বাড়িতে এখনও রান্না করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে অসংখ্য পরিবার শুকনো খাবারের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত থাকায় ত্রাণ পৌঁছানো এবং জরুরি সেবা নিশ্চিত করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার (১০ জুলাই) পর্যন্ত চট্টগ্রামের ১৭৬টি ইউনিয়নের ১ লাখ ৮৮ হাজার ৬৪৮টি পরিবারের ৭ লাখ ৫৪ হাজার ৫৯০ জন মানুষ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
রবিবার (৫ জুলাই) থেকে টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, চন্দনাইশ ও বাঁশখালীর বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। সাতকানিয়া ও বাঁশখালী উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির সবচেয়ে বেশি অবনতি হয়েছে। এই দুই উপজেলায় ৫ লাখেরও বেশি মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন
সাতকানিয়া উপজেলার প্রায় ৯০ শতাংশ এলাকা এখনো পানির নিচে। অধিকাংশ অভ্যন্তরীণ সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, উপজেলা পরিষদ, থানা চত্বর, আদালত ও পৌরসভা কার্যালয়েও এখনো বন্যার পানি রয়েছে। বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় অনেক এলাকা অন্ধকারে রয়েছে।
বাঁশখালীর ছনুয়া, পুঁইছড়ি, শেখেরখীল, সরল, কাহারঘোনাসহ পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় এখনো পানি নামেনি। সাগরের জোয়ার ও পাহাড়ি ঢলে বহু বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক বাড়িতে পানি ঢুকে পড়ায় রান্নার চুলা জ্বালানো যাচ্ছে না। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রায় ৪ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার ও দেড় হাজার প্যাকেট রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়েছে। বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনও ত্রাণ বিতরণ করছে। তবে ক্ষতিগ্রস্তদের অভিযোগ, এসব সহায়তা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম।
চন্দনাইশে দুইটি পৌরসভা ও আটটি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল এখনো পানির নিচে রয়েছে। বন্যায় প্রায় ২ হাজার ২০০ হেক্টর এলাকার আউশ ধান, ৯০০ হেক্টর এলাকার সবজি ও ৭০ হেক্টর পেঁপে ক্ষেত তলিয়ে গেছে। পাঁচশর বেশি পুকুর ও প্রজেক্টের মাছ ভেসে যাওয়ায় অন্তত ১০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। পাহাড়ি ঢলে বিভিন্ন সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় অনেক এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা এখনো ব্যাহত রয়েছে।
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে দ্রুত ত্রাণ, শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দিতে জেলা প্রশাসন কাজ করছে। যেসব এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত, সেখানে বিকল্প উপায়ে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিল্টন বিশ্বাস বলেন, পানি কিছুটা কমলেও অনেক এলাকায় মানুষ এখনো পানিবন্দি। আশ্রয়কেন্দ্র ও দুর্গত এলাকায় নিয়মিত ত্রাণ বিতরণ করা হচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত প্রশাসনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

চট্টগ্রামে কমছে বন্যার পানি, ভেঙে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচ জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা এখনও পানির নিচে। সাতকানিয়া, বাঁশখালী ও চন্দনাইশে পানি কিছুটা কমলেও যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ নেই। এছাড়া খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকটে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
বন্যা কবলিত এলাকার অনেক বাড়িতে এখনও রান্না করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে অসংখ্য পরিবার শুকনো খাবারের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত থাকায় ত্রাণ পৌঁছানো এবং জরুরি সেবা নিশ্চিত করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার (১০ জুলাই) পর্যন্ত চট্টগ্রামের ১৭৬টি ইউনিয়নের ১ লাখ ৮৮ হাজার ৬৪৮টি পরিবারের ৭ লাখ ৫৪ হাজার ৫৯০ জন মানুষ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
রবিবার (৫ জুলাই) থেকে টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, চন্দনাইশ ও বাঁশখালীর বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। সাতকানিয়া ও বাঁশখালী উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির সবচেয়ে বেশি অবনতি হয়েছে। এই দুই উপজেলায় ৫ লাখেরও বেশি মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন
সাতকানিয়া উপজেলার প্রায় ৯০ শতাংশ এলাকা এখনো পানির নিচে। অধিকাংশ অভ্যন্তরীণ সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, উপজেলা পরিষদ, থানা চত্বর, আদালত ও পৌরসভা কার্যালয়েও এখনো বন্যার পানি রয়েছে। বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় অনেক এলাকা অন্ধকারে রয়েছে।
বাঁশখালীর ছনুয়া, পুঁইছড়ি, শেখেরখীল, সরল, কাহারঘোনাসহ পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় এখনো পানি নামেনি। সাগরের জোয়ার ও পাহাড়ি ঢলে বহু বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক বাড়িতে পানি ঢুকে পড়ায় রান্নার চুলা জ্বালানো যাচ্ছে না। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রায় ৪ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার ও দেড় হাজার প্যাকেট রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়েছে। বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনও ত্রাণ বিতরণ করছে। তবে ক্ষতিগ্রস্তদের অভিযোগ, এসব সহায়তা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম।
চন্দনাইশে দুইটি পৌরসভা ও আটটি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল এখনো পানির নিচে রয়েছে। বন্যায় প্রায় ২ হাজার ২০০ হেক্টর এলাকার আউশ ধান, ৯০০ হেক্টর এলাকার সবজি ও ৭০ হেক্টর পেঁপে ক্ষেত তলিয়ে গেছে। পাঁচশর বেশি পুকুর ও প্রজেক্টের মাছ ভেসে যাওয়ায় অন্তত ১০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। পাহাড়ি ঢলে বিভিন্ন সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় অনেক এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা এখনো ব্যাহত রয়েছে।
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে দ্রুত ত্রাণ, শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দিতে জেলা প্রশাসন কাজ করছে। যেসব এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত, সেখানে বিকল্প উপায়ে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিল্টন বিশ্বাস বলেন, পানি কিছুটা কমলেও অনেক এলাকায় মানুষ এখনো পানিবন্দি। আশ্রয়কেন্দ্র ও দুর্গত এলাকায় নিয়মিত ত্রাণ বিতরণ করা হচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত প্রশাসনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।




