পুরান ঢাকার এক কিলোমিটারে ১৪ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শতবর্ষী ৮টি

পুরান ঢাকার এক কিলোমিটারে ১৪ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শতবর্ষী ৮টি
শেখ শাহরিয়ার হোসেন

পুরান ঢাকার সদরঘাট-লক্ষ্মীবাজার এলাকা শুধু রাজধানীর বাণিজ্যিক ও ঐতিহাসিক কেন্দ্রই নয়, এটি দেশের শিক্ষা ঐতিহ্যেরও এক গুরুত্বপূর্ণ জনপদ। মাত্র এক কিলোমিটারের মধ্যে সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে গড়ে উঠেছে ১৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, যার মধ্যে ৮টিই শতবর্ষী। মোগল ও ব্রিটিশ আমলে বুড়িগঙ্গা নদীকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই অঞ্চলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো আজও রাজধানীর শিক্ষা ও সংস্কৃতির ধারক-বাহক হিসেবে ভূমিকা রেখে চলেছে।
এই এলাকার সবচেয়ে প্রাচীন প্রতিষ্ঠান হলো ঢাকা কলেজিয়েট স্কুল, যা ১৮৩৫ সালের ১৫ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয়। অবিভক্ত ভারতের প্রথম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় হিসেবে পরিচিত এ প্রতিষ্ঠানটি প্রথমে ‘ঢাকা ইংলিশ সেমিনারী’ নামে যাত্রা শুরু করে। পরে এটি জিলা স্কুলের মর্যাদা লাভ করে।
১৮৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত পোগোজ স্কুল ঢাকা শহরের প্রথম বেসরকারি বিদ্যালয়। আর্মেনীয় ব্যবসায়ী নিকোলাস পোগোজ প্রতিষ্ঠিত এ বিদ্যালয়টি বর্তমানে ‘পোগোজ ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ নামে পরিচালিত হচ্ছে এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে একীভূত হয়েছে।

১৮৬৩ সালে প্রতিষ্ঠিত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ও এ অঞ্চলের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান। ব্রজসুন্দর বসুর প্রতিষ্ঠিত ব্রহ্ম স্কুল থেকে শুরু করে দীর্ঘ পথ পেরিয়ে বর্তমানে এটি দেশের অন্যতম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে বর্তমানে সাতটি অনুষদের অধীনে ৩৮টি বিভাগ ও দুইটি ইনস্টিটিউট রয়েছে।
সেন্ট গ্রেগরিজ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৮২ সালে। ক্যাথলিক ধর্মযাজক গ্রেগরি ডি গ্রুট প্রতিষ্ঠিত এ প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে স্কাউট আন্দোলন ও বাস্কেটবল খেলার পথিকৃৎ হিসেবেও পরিচিত।

১৮৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত কবি নজরুল সরকারি কলেজ, ঢাকা গভর্নমেন্ট মুসলিম হাই স্কুল এবং ইসলামিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়– এই তিনটি প্রতিষ্ঠানের শিকড় একই সূত্রে গাঁথা। হাজী মুহাম্মদ মহসীনের আর্থিক সহায়তায় প্রতিষ্ঠিত ঢাকা মোহসিনীয়া মাদরাসা থেকে পরবর্তী সময়ে এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্ম হয়।
লক্ষ্মীবাজারে অবস্থিত সেন্ট ফ্রান্সিস জেভিয়ার গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ ১৯১২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি ঢাকার অন্যতম প্রাচীন মেয়েদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ২০১৭ সালে কলেজে উন্নীত হয়।

স্বাধীনতা-পূর্ব সময়ে ‘কায়েদ-ই-আজম কলেজ’ নামে যাত্রা শুরু করা সরকারি শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৯ সালে। বর্তমানে কলেজটিতে প্রায় ১৫ হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছেন।
এ অঞ্চলে রয়েছে বাংলাবাজার সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (১৯৫১), ঢাকা সেন্ট্রাল গার্লস হাই স্কুল (১৯৬৮), সেন্ট সিলভেস্টার টিউটেরিয়াল (১৯৮৬), মহানগর মহিলা কলেজ (১৯৯৭) এবং হিড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের সদরঘাট শাখা (২০০৪)।
শিক্ষাবিদদের মতে, বুড়িগঙ্গা নদীকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা পুরান ঢাকার এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শুধু শিক্ষাদানেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং দেশের শিক্ষা, সংস্কৃতি, রাজনীতি ও সামাজিক পরিবর্তনের ইতিহাসেরও গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী হয়ে রয়েছে। রাজধানীর ব্যস্ততম এই অঞ্চলের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানই বহন করছে শতাব্দীপ্রাচীন ঐতিহ্য ও গৌরবের স্মারক।
এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আহসান হাবিব সিজেডএন টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ‘বর্তমানের পুরান ঢাকা ব্রিটিশ আমলে শিক্ষার অন্যতম কেন্দ্র ছিলো। সেসময় পরিকল্পিতভাবে এখানে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়। তবে শিক্ষা পরিকল্পনার একটি মৌলিক নীতি হলো, নির্দিষ্ট এলাকার চাহিদা বিবেচনায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন করা। আমাদের দেশে সেই পরিকল্পনার যথাযথ অনুসরণ হয়নি। সরকারি ও বেসরকারি অসংখ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান একই এলাকায় গড়ে উঠলেও এ বিষয়ে কার্যকর নীতিমালার অভাব রয়েছে।’

পুরান ঢাকার সদরঘাট-লক্ষ্মীবাজার এলাকা শুধু রাজধানীর বাণিজ্যিক ও ঐতিহাসিক কেন্দ্রই নয়, এটি দেশের শিক্ষা ঐতিহ্যেরও এক গুরুত্বপূর্ণ জনপদ। মাত্র এক কিলোমিটারের মধ্যে সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে গড়ে উঠেছে ১৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, যার মধ্যে ৮টিই শতবর্ষী। মোগল ও ব্রিটিশ আমলে বুড়িগঙ্গা নদীকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই অঞ্চলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো আজও রাজধানীর শিক্ষা ও সংস্কৃতির ধারক-বাহক হিসেবে ভূমিকা রেখে চলেছে।
এই এলাকার সবচেয়ে প্রাচীন প্রতিষ্ঠান হলো ঢাকা কলেজিয়েট স্কুল, যা ১৮৩৫ সালের ১৫ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয়। অবিভক্ত ভারতের প্রথম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় হিসেবে পরিচিত এ প্রতিষ্ঠানটি প্রথমে ‘ঢাকা ইংলিশ সেমিনারী’ নামে যাত্রা শুরু করে। পরে এটি জিলা স্কুলের মর্যাদা লাভ করে।
১৮৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত পোগোজ স্কুল ঢাকা শহরের প্রথম বেসরকারি বিদ্যালয়। আর্মেনীয় ব্যবসায়ী নিকোলাস পোগোজ প্রতিষ্ঠিত এ বিদ্যালয়টি বর্তমানে ‘পোগোজ ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ নামে পরিচালিত হচ্ছে এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে একীভূত হয়েছে।

১৮৬৩ সালে প্রতিষ্ঠিত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ও এ অঞ্চলের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান। ব্রজসুন্দর বসুর প্রতিষ্ঠিত ব্রহ্ম স্কুল থেকে শুরু করে দীর্ঘ পথ পেরিয়ে বর্তমানে এটি দেশের অন্যতম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে বর্তমানে সাতটি অনুষদের অধীনে ৩৮টি বিভাগ ও দুইটি ইনস্টিটিউট রয়েছে।
সেন্ট গ্রেগরিজ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৮২ সালে। ক্যাথলিক ধর্মযাজক গ্রেগরি ডি গ্রুট প্রতিষ্ঠিত এ প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে স্কাউট আন্দোলন ও বাস্কেটবল খেলার পথিকৃৎ হিসেবেও পরিচিত।

১৮৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত কবি নজরুল সরকারি কলেজ, ঢাকা গভর্নমেন্ট মুসলিম হাই স্কুল এবং ইসলামিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়– এই তিনটি প্রতিষ্ঠানের শিকড় একই সূত্রে গাঁথা। হাজী মুহাম্মদ মহসীনের আর্থিক সহায়তায় প্রতিষ্ঠিত ঢাকা মোহসিনীয়া মাদরাসা থেকে পরবর্তী সময়ে এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্ম হয়।
লক্ষ্মীবাজারে অবস্থিত সেন্ট ফ্রান্সিস জেভিয়ার গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ ১৯১২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি ঢাকার অন্যতম প্রাচীন মেয়েদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ২০১৭ সালে কলেজে উন্নীত হয়।

স্বাধীনতা-পূর্ব সময়ে ‘কায়েদ-ই-আজম কলেজ’ নামে যাত্রা শুরু করা সরকারি শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৯ সালে। বর্তমানে কলেজটিতে প্রায় ১৫ হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছেন।
এ অঞ্চলে রয়েছে বাংলাবাজার সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (১৯৫১), ঢাকা সেন্ট্রাল গার্লস হাই স্কুল (১৯৬৮), সেন্ট সিলভেস্টার টিউটেরিয়াল (১৯৮৬), মহানগর মহিলা কলেজ (১৯৯৭) এবং হিড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের সদরঘাট শাখা (২০০৪)।
শিক্ষাবিদদের মতে, বুড়িগঙ্গা নদীকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা পুরান ঢাকার এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শুধু শিক্ষাদানেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং দেশের শিক্ষা, সংস্কৃতি, রাজনীতি ও সামাজিক পরিবর্তনের ইতিহাসেরও গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী হয়ে রয়েছে। রাজধানীর ব্যস্ততম এই অঞ্চলের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানই বহন করছে শতাব্দীপ্রাচীন ঐতিহ্য ও গৌরবের স্মারক।
এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আহসান হাবিব সিজেডএন টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ‘বর্তমানের পুরান ঢাকা ব্রিটিশ আমলে শিক্ষার অন্যতম কেন্দ্র ছিলো। সেসময় পরিকল্পিতভাবে এখানে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়। তবে শিক্ষা পরিকল্পনার একটি মৌলিক নীতি হলো, নির্দিষ্ট এলাকার চাহিদা বিবেচনায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন করা। আমাদের দেশে সেই পরিকল্পনার যথাযথ অনুসরণ হয়নি। সরকারি ও বেসরকারি অসংখ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান একই এলাকায় গড়ে উঠলেও এ বিষয়ে কার্যকর নীতিমালার অভাব রয়েছে।’

পুরান ঢাকার এক কিলোমিটারে ১৪ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শতবর্ষী ৮টি
শেখ শাহরিয়ার হোসেন

পুরান ঢাকার সদরঘাট-লক্ষ্মীবাজার এলাকা শুধু রাজধানীর বাণিজ্যিক ও ঐতিহাসিক কেন্দ্রই নয়, এটি দেশের শিক্ষা ঐতিহ্যেরও এক গুরুত্বপূর্ণ জনপদ। মাত্র এক কিলোমিটারের মধ্যে সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে গড়ে উঠেছে ১৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, যার মধ্যে ৮টিই শতবর্ষী। মোগল ও ব্রিটিশ আমলে বুড়িগঙ্গা নদীকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই অঞ্চলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো আজও রাজধানীর শিক্ষা ও সংস্কৃতির ধারক-বাহক হিসেবে ভূমিকা রেখে চলেছে।
এই এলাকার সবচেয়ে প্রাচীন প্রতিষ্ঠান হলো ঢাকা কলেজিয়েট স্কুল, যা ১৮৩৫ সালের ১৫ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয়। অবিভক্ত ভারতের প্রথম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় হিসেবে পরিচিত এ প্রতিষ্ঠানটি প্রথমে ‘ঢাকা ইংলিশ সেমিনারী’ নামে যাত্রা শুরু করে। পরে এটি জিলা স্কুলের মর্যাদা লাভ করে।
১৮৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত পোগোজ স্কুল ঢাকা শহরের প্রথম বেসরকারি বিদ্যালয়। আর্মেনীয় ব্যবসায়ী নিকোলাস পোগোজ প্রতিষ্ঠিত এ বিদ্যালয়টি বর্তমানে ‘পোগোজ ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ নামে পরিচালিত হচ্ছে এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে একীভূত হয়েছে।

১৮৬৩ সালে প্রতিষ্ঠিত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ও এ অঞ্চলের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান। ব্রজসুন্দর বসুর প্রতিষ্ঠিত ব্রহ্ম স্কুল থেকে শুরু করে দীর্ঘ পথ পেরিয়ে বর্তমানে এটি দেশের অন্যতম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে বর্তমানে সাতটি অনুষদের অধীনে ৩৮টি বিভাগ ও দুইটি ইনস্টিটিউট রয়েছে।
সেন্ট গ্রেগরিজ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৮২ সালে। ক্যাথলিক ধর্মযাজক গ্রেগরি ডি গ্রুট প্রতিষ্ঠিত এ প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে স্কাউট আন্দোলন ও বাস্কেটবল খেলার পথিকৃৎ হিসেবেও পরিচিত।

১৮৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত কবি নজরুল সরকারি কলেজ, ঢাকা গভর্নমেন্ট মুসলিম হাই স্কুল এবং ইসলামিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়– এই তিনটি প্রতিষ্ঠানের শিকড় একই সূত্রে গাঁথা। হাজী মুহাম্মদ মহসীনের আর্থিক সহায়তায় প্রতিষ্ঠিত ঢাকা মোহসিনীয়া মাদরাসা থেকে পরবর্তী সময়ে এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্ম হয়।
লক্ষ্মীবাজারে অবস্থিত সেন্ট ফ্রান্সিস জেভিয়ার গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ ১৯১২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি ঢাকার অন্যতম প্রাচীন মেয়েদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ২০১৭ সালে কলেজে উন্নীত হয়।

স্বাধীনতা-পূর্ব সময়ে ‘কায়েদ-ই-আজম কলেজ’ নামে যাত্রা শুরু করা সরকারি শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৯ সালে। বর্তমানে কলেজটিতে প্রায় ১৫ হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছেন।
এ অঞ্চলে রয়েছে বাংলাবাজার সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (১৯৫১), ঢাকা সেন্ট্রাল গার্লস হাই স্কুল (১৯৬৮), সেন্ট সিলভেস্টার টিউটেরিয়াল (১৯৮৬), মহানগর মহিলা কলেজ (১৯৯৭) এবং হিড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের সদরঘাট শাখা (২০০৪)।
শিক্ষাবিদদের মতে, বুড়িগঙ্গা নদীকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা পুরান ঢাকার এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শুধু শিক্ষাদানেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং দেশের শিক্ষা, সংস্কৃতি, রাজনীতি ও সামাজিক পরিবর্তনের ইতিহাসেরও গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী হয়ে রয়েছে। রাজধানীর ব্যস্ততম এই অঞ্চলের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানই বহন করছে শতাব্দীপ্রাচীন ঐতিহ্য ও গৌরবের স্মারক।
এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আহসান হাবিব সিজেডএন টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ‘বর্তমানের পুরান ঢাকা ব্রিটিশ আমলে শিক্ষার অন্যতম কেন্দ্র ছিলো। সেসময় পরিকল্পিতভাবে এখানে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়। তবে শিক্ষা পরিকল্পনার একটি মৌলিক নীতি হলো, নির্দিষ্ট এলাকার চাহিদা বিবেচনায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন করা। আমাদের দেশে সেই পরিকল্পনার যথাযথ অনুসরণ হয়নি। সরকারি ও বেসরকারি অসংখ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান একই এলাকায় গড়ে উঠলেও এ বিষয়ে কার্যকর নীতিমালার অভাব রয়েছে।’

পুরান ঢাকায় ১০ টাকায় ‘নবাবি’ গোসল


