
এদিকে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ওয়াশিংটনের যেকোনো পদক্ষেপ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মাসুদ পেজেশকিয়ান। একইসঙ্গে যেকোনো হামলার কঠিন জবাব দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং সব রাজনৈতিক দলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। একই সঙ্গে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি একটি স্বচ্ছ, অংশগ্রহণমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে সংস্থাটি।

ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে সোমবার (২৫ জানুয়ারি) প্রধান অতিথি হিসেবে থাকছেন ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও লুইস সান্তোস দা কস্তা ও ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লিয়েন।

বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সম্ভাব্য গণভোট পর্যবেক্ষণে নিজেদের জন্য আলাদা কোনো নিরাপত্তা সতর্কতার প্রয়োজনীয়তা দেখছে না ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন।