ইরানে জাতীয় ঐক্যের ডাক মোজতবা খামেনির

ইরানে জাতীয় ঐক্যের ডাক মোজতবা খামেনির
সিটিজেন ডেস্ক

মার্কিন ও ইসরায়েলের ভয়াবহ সামরিক আগ্রাসনের মুখে ইরানি জনগণের অভূতপূর্ব সংহতির ভূয়সী প্রশংসা করেছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। একই সঙ্গে দেশের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় অভ্যন্তরীণ যেকোনো ধরনের রাজনৈতিক কোন্দল এড়িয়ে সবাইকে জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
গত মার্চ মাসে তেহরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি বিমান হামলায় সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর তার ছেলে মোজতবা খামেনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত তিনি জনসমক্ষে না আসলেও, লিখিত বার্তার মাধ্যমে দেশ পুনর্গঠনের এই জরুরি ডাক দিলেন।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) ইরানের আধা সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সিতে প্রকাশিত বার্তায় মোজতবা খামেনি বলেন, ইরানি জনগণের আসল শক্তি ও ভেতরের চেতনা যে তাদের বিশ্বাস, আশা এবং কর্মের মধ্যে নিহিত তা আজ সবার কাছেই প্রমাণিত হয়েছে। কয়েক সপ্তাহের ভয়াবহ বোমাবর্ষণে দেশের স্বাস্থ্যকেন্দ্র, স্কুল ও ঐতিহাসিক ঐতিহ্যবাহী স্থানগুলো ধ্বংসস্তূপে পরিণত হলেও, ইরান এ সামরিক অভিযানের মুখে শক্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এই মুহূর্তে যেকোনো ধরনের ‘অর্থহীন রাজনৈতিক বিবাদ’ এড়িয়ে তিনি দেশ পুনর্গঠন এবং জাতীয় সংহতির ওপর সবচেয়ে বেশি জোর দিয়েছেন।
মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার ফলে ইরানের শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্বের মধ্যে যে বড় ধরনের শূন্যতা ও ফাটল তৈরি হয়েছে, তা পূরণে দেশটির আইনপ্রণেতাদের উদ্দেশে বিশেষ বার্তা দিয়েছেন সর্বোচ্চ নেতা। তিনি বলেন, ইরানের ভবিষ্যৎ পুনর্গঠনের ভিত্তি তৈরি করতে সংসদ সদস্যদের আইন প্রণয়ন ও নজরদারি আরও জোরদার এবং গতিশীল করতে হবে। একই সঙ্গে তিনি সংসদীয় আসনগুলোকে দেশের অগ্রগতির পথের ‘সম্মুখ সমরের পরিখা’ হিসেবে গণ্য করার আহ্বান জানান।
এদিকে, শত্রুতা অবসান ও একটি স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে পর্দার আড়ালে পরোক্ষ আলোচনা চললেও উভয়পক্ষের মূল দাবিগুলো পূরণ না হওয়ায় এই কূটনৈতিক প্রচেষ্টা বর্তমানে স্থবির হয়ে পড়েছে।
সূত্র: সিএনএন

মার্কিন ও ইসরায়েলের ভয়াবহ সামরিক আগ্রাসনের মুখে ইরানি জনগণের অভূতপূর্ব সংহতির ভূয়সী প্রশংসা করেছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। একই সঙ্গে দেশের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় অভ্যন্তরীণ যেকোনো ধরনের রাজনৈতিক কোন্দল এড়িয়ে সবাইকে জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
গত মার্চ মাসে তেহরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি বিমান হামলায় সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর তার ছেলে মোজতবা খামেনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত তিনি জনসমক্ষে না আসলেও, লিখিত বার্তার মাধ্যমে দেশ পুনর্গঠনের এই জরুরি ডাক দিলেন।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) ইরানের আধা সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সিতে প্রকাশিত বার্তায় মোজতবা খামেনি বলেন, ইরানি জনগণের আসল শক্তি ও ভেতরের চেতনা যে তাদের বিশ্বাস, আশা এবং কর্মের মধ্যে নিহিত তা আজ সবার কাছেই প্রমাণিত হয়েছে। কয়েক সপ্তাহের ভয়াবহ বোমাবর্ষণে দেশের স্বাস্থ্যকেন্দ্র, স্কুল ও ঐতিহাসিক ঐতিহ্যবাহী স্থানগুলো ধ্বংসস্তূপে পরিণত হলেও, ইরান এ সামরিক অভিযানের মুখে শক্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এই মুহূর্তে যেকোনো ধরনের ‘অর্থহীন রাজনৈতিক বিবাদ’ এড়িয়ে তিনি দেশ পুনর্গঠন এবং জাতীয় সংহতির ওপর সবচেয়ে বেশি জোর দিয়েছেন।
মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার ফলে ইরানের শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্বের মধ্যে যে বড় ধরনের শূন্যতা ও ফাটল তৈরি হয়েছে, তা পূরণে দেশটির আইনপ্রণেতাদের উদ্দেশে বিশেষ বার্তা দিয়েছেন সর্বোচ্চ নেতা। তিনি বলেন, ইরানের ভবিষ্যৎ পুনর্গঠনের ভিত্তি তৈরি করতে সংসদ সদস্যদের আইন প্রণয়ন ও নজরদারি আরও জোরদার এবং গতিশীল করতে হবে। একই সঙ্গে তিনি সংসদীয় আসনগুলোকে দেশের অগ্রগতির পথের ‘সম্মুখ সমরের পরিখা’ হিসেবে গণ্য করার আহ্বান জানান।
এদিকে, শত্রুতা অবসান ও একটি স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে পর্দার আড়ালে পরোক্ষ আলোচনা চললেও উভয়পক্ষের মূল দাবিগুলো পূরণ না হওয়ায় এই কূটনৈতিক প্রচেষ্টা বর্তমানে স্থবির হয়ে পড়েছে।
সূত্র: সিএনএন

ইরানে জাতীয় ঐক্যের ডাক মোজতবা খামেনির
সিটিজেন ডেস্ক

মার্কিন ও ইসরায়েলের ভয়াবহ সামরিক আগ্রাসনের মুখে ইরানি জনগণের অভূতপূর্ব সংহতির ভূয়সী প্রশংসা করেছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। একই সঙ্গে দেশের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় অভ্যন্তরীণ যেকোনো ধরনের রাজনৈতিক কোন্দল এড়িয়ে সবাইকে জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
গত মার্চ মাসে তেহরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি বিমান হামলায় সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর তার ছেলে মোজতবা খামেনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত তিনি জনসমক্ষে না আসলেও, লিখিত বার্তার মাধ্যমে দেশ পুনর্গঠনের এই জরুরি ডাক দিলেন।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) ইরানের আধা সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সিতে প্রকাশিত বার্তায় মোজতবা খামেনি বলেন, ইরানি জনগণের আসল শক্তি ও ভেতরের চেতনা যে তাদের বিশ্বাস, আশা এবং কর্মের মধ্যে নিহিত তা আজ সবার কাছেই প্রমাণিত হয়েছে। কয়েক সপ্তাহের ভয়াবহ বোমাবর্ষণে দেশের স্বাস্থ্যকেন্দ্র, স্কুল ও ঐতিহাসিক ঐতিহ্যবাহী স্থানগুলো ধ্বংসস্তূপে পরিণত হলেও, ইরান এ সামরিক অভিযানের মুখে শক্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এই মুহূর্তে যেকোনো ধরনের ‘অর্থহীন রাজনৈতিক বিবাদ’ এড়িয়ে তিনি দেশ পুনর্গঠন এবং জাতীয় সংহতির ওপর সবচেয়ে বেশি জোর দিয়েছেন।
মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার ফলে ইরানের শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্বের মধ্যে যে বড় ধরনের শূন্যতা ও ফাটল তৈরি হয়েছে, তা পূরণে দেশটির আইনপ্রণেতাদের উদ্দেশে বিশেষ বার্তা দিয়েছেন সর্বোচ্চ নেতা। তিনি বলেন, ইরানের ভবিষ্যৎ পুনর্গঠনের ভিত্তি তৈরি করতে সংসদ সদস্যদের আইন প্রণয়ন ও নজরদারি আরও জোরদার এবং গতিশীল করতে হবে। একই সঙ্গে তিনি সংসদীয় আসনগুলোকে দেশের অগ্রগতির পথের ‘সম্মুখ সমরের পরিখা’ হিসেবে গণ্য করার আহ্বান জানান।
এদিকে, শত্রুতা অবসান ও একটি স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে পর্দার আড়ালে পরোক্ষ আলোচনা চললেও উভয়পক্ষের মূল দাবিগুলো পূরণ না হওয়ায় এই কূটনৈতিক প্রচেষ্টা বর্তমানে স্থবির হয়ে পড়েছে।
সূত্র: সিএনএন

হিজবুল্লাহর ড্রোন হামলায় ইসরায়েলি নারী সৈন্য নিহত
ইরানে মার্কিন হামলা: বিশ্ববাজারে আবারও বাড়লো তেলের দাম
