ইরানে সামরিক অভিযান শেষ: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ইরানে সামরিক অভিযান শেষ: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
সিটিজেন ডেস্ক

ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার তীব্র উত্তেজনার মধ্যেই ইরানে চালানো ধারাবাহিক সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ সমাপ্তির ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন হাউস ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটিতে দেওয়া এক শুনানিতে এ কথা জানান মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তবে ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধিরা এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত এখনো থামেনি এবং মার্কিন বাহিনী গভীর ঝুঁকিতে রয়েছে।
রুবিও হাউস কমিটিকে জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে প্রথম হামলার মাধ্যমে শুরু হওয়া এ অভিযানের মূল লক্ষ্যগুলো সফলভাবে অর্জিত হয়েছে। তিনি দাবি করেন, তেহরানের প্রতিরক্ষা শিল্প ভিত্তি, ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপক এবং ড্রোনের মজুদ উল্লেখযোগ্যভাবে ধ্বংস করা হয়েছে। একই সঙ্গে দেশটির অবশিষ্ট বিমানবাহিনী এবং সমগ্র প্রচলিত নৌবাহিনীকে নিশ্চিহ্ন করার মাধ্যমে ইরানের সামরিক শক্তিকে ভেঙে দেওয়া হয়েছে। ফলে দেশটির অভ্যন্তরে আর কোনো ধারাবাহিক হামলা চালানোর প্রয়োজন দেখছে না ওয়াশিংটন।
তবে মার্কিন প্রশাসনের এ বিজয় দাবির তীব্র বিরোধিতা করেছেন বিরোধী ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধিরা। ক্যালিফোর্নিয়ার প্রতিনিধি সারা জ্যাকবস চলমান মাঠপর্যায়ের বাস্তবতার কথা উল্লেখ করে জানান, অভিযানের নাম পরিবর্তন করলেও হরমুজ প্রণালি এখনো অবরুদ্ধ এবং মার্কিন সেনাদল চরম বিপদের মুখে রয়েছে। অতি সম্প্রতি কুয়েত বিমানবন্দরে চালানো ইরানি হামলায় একজন নিহত ও ৬৩ জন আহত হওয়ার ঘটনা এবং বাহরাইনে রাতভর ড্রোন হামলাকে তারা সংঘাতের বড় ধরনের বিস্তৃতি হিসেবে দেখছেন।
এদিকে যুদ্ধের অবসান ও শান্তি চুক্তির বিষয়ে রুবিও জানান, আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ইরানের উচ্চমাত্রার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ। ওয়াশিংটন শর্ত দিয়েছে, যেকোনো কার্যকর চুক্তির জন্য তেহরানকে অবশ্যই সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তর করতে হবে, পারমাণবিক কার্যক্রম সীমিত করতে হবে এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দিতে হবে।
তবে তেহরান এখনো চূড়ান্ত চুক্তিতে সায় দেয়নি। ইরান জানিয়েছে, পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনায় বসার আগে তাদের জব্দকৃত ১২ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ ছাড় করতে হবে। একই সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পূর্ববর্তী মন্তব্য প্রত্যাখ্যান করে দেশটি জানিয়ে দিয়েছে যে, তাদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ কোনোভাবেই ধ্বংস করতে দেওয়া হবে না।
সূত্র: ফ্রান্স ২৪

ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার তীব্র উত্তেজনার মধ্যেই ইরানে চালানো ধারাবাহিক সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ সমাপ্তির ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন হাউস ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটিতে দেওয়া এক শুনানিতে এ কথা জানান মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তবে ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধিরা এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত এখনো থামেনি এবং মার্কিন বাহিনী গভীর ঝুঁকিতে রয়েছে।
রুবিও হাউস কমিটিকে জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে প্রথম হামলার মাধ্যমে শুরু হওয়া এ অভিযানের মূল লক্ষ্যগুলো সফলভাবে অর্জিত হয়েছে। তিনি দাবি করেন, তেহরানের প্রতিরক্ষা শিল্প ভিত্তি, ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপক এবং ড্রোনের মজুদ উল্লেখযোগ্যভাবে ধ্বংস করা হয়েছে। একই সঙ্গে দেশটির অবশিষ্ট বিমানবাহিনী এবং সমগ্র প্রচলিত নৌবাহিনীকে নিশ্চিহ্ন করার মাধ্যমে ইরানের সামরিক শক্তিকে ভেঙে দেওয়া হয়েছে। ফলে দেশটির অভ্যন্তরে আর কোনো ধারাবাহিক হামলা চালানোর প্রয়োজন দেখছে না ওয়াশিংটন।
তবে মার্কিন প্রশাসনের এ বিজয় দাবির তীব্র বিরোধিতা করেছেন বিরোধী ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধিরা। ক্যালিফোর্নিয়ার প্রতিনিধি সারা জ্যাকবস চলমান মাঠপর্যায়ের বাস্তবতার কথা উল্লেখ করে জানান, অভিযানের নাম পরিবর্তন করলেও হরমুজ প্রণালি এখনো অবরুদ্ধ এবং মার্কিন সেনাদল চরম বিপদের মুখে রয়েছে। অতি সম্প্রতি কুয়েত বিমানবন্দরে চালানো ইরানি হামলায় একজন নিহত ও ৬৩ জন আহত হওয়ার ঘটনা এবং বাহরাইনে রাতভর ড্রোন হামলাকে তারা সংঘাতের বড় ধরনের বিস্তৃতি হিসেবে দেখছেন।
এদিকে যুদ্ধের অবসান ও শান্তি চুক্তির বিষয়ে রুবিও জানান, আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ইরানের উচ্চমাত্রার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ। ওয়াশিংটন শর্ত দিয়েছে, যেকোনো কার্যকর চুক্তির জন্য তেহরানকে অবশ্যই সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তর করতে হবে, পারমাণবিক কার্যক্রম সীমিত করতে হবে এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দিতে হবে।
তবে তেহরান এখনো চূড়ান্ত চুক্তিতে সায় দেয়নি। ইরান জানিয়েছে, পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনায় বসার আগে তাদের জব্দকৃত ১২ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ ছাড় করতে হবে। একই সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পূর্ববর্তী মন্তব্য প্রত্যাখ্যান করে দেশটি জানিয়ে দিয়েছে যে, তাদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ কোনোভাবেই ধ্বংস করতে দেওয়া হবে না।
সূত্র: ফ্রান্স ২৪

ইরানে সামরিক অভিযান শেষ: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
সিটিজেন ডেস্ক

ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার তীব্র উত্তেজনার মধ্যেই ইরানে চালানো ধারাবাহিক সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ সমাপ্তির ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন হাউস ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটিতে দেওয়া এক শুনানিতে এ কথা জানান মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তবে ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধিরা এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত এখনো থামেনি এবং মার্কিন বাহিনী গভীর ঝুঁকিতে রয়েছে।
রুবিও হাউস কমিটিকে জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে প্রথম হামলার মাধ্যমে শুরু হওয়া এ অভিযানের মূল লক্ষ্যগুলো সফলভাবে অর্জিত হয়েছে। তিনি দাবি করেন, তেহরানের প্রতিরক্ষা শিল্প ভিত্তি, ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপক এবং ড্রোনের মজুদ উল্লেখযোগ্যভাবে ধ্বংস করা হয়েছে। একই সঙ্গে দেশটির অবশিষ্ট বিমানবাহিনী এবং সমগ্র প্রচলিত নৌবাহিনীকে নিশ্চিহ্ন করার মাধ্যমে ইরানের সামরিক শক্তিকে ভেঙে দেওয়া হয়েছে। ফলে দেশটির অভ্যন্তরে আর কোনো ধারাবাহিক হামলা চালানোর প্রয়োজন দেখছে না ওয়াশিংটন।
তবে মার্কিন প্রশাসনের এ বিজয় দাবির তীব্র বিরোধিতা করেছেন বিরোধী ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধিরা। ক্যালিফোর্নিয়ার প্রতিনিধি সারা জ্যাকবস চলমান মাঠপর্যায়ের বাস্তবতার কথা উল্লেখ করে জানান, অভিযানের নাম পরিবর্তন করলেও হরমুজ প্রণালি এখনো অবরুদ্ধ এবং মার্কিন সেনাদল চরম বিপদের মুখে রয়েছে। অতি সম্প্রতি কুয়েত বিমানবন্দরে চালানো ইরানি হামলায় একজন নিহত ও ৬৩ জন আহত হওয়ার ঘটনা এবং বাহরাইনে রাতভর ড্রোন হামলাকে তারা সংঘাতের বড় ধরনের বিস্তৃতি হিসেবে দেখছেন।
এদিকে যুদ্ধের অবসান ও শান্তি চুক্তির বিষয়ে রুবিও জানান, আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ইরানের উচ্চমাত্রার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ। ওয়াশিংটন শর্ত দিয়েছে, যেকোনো কার্যকর চুক্তির জন্য তেহরানকে অবশ্যই সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তর করতে হবে, পারমাণবিক কার্যক্রম সীমিত করতে হবে এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দিতে হবে।
তবে তেহরান এখনো চূড়ান্ত চুক্তিতে সায় দেয়নি। ইরান জানিয়েছে, পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনায় বসার আগে তাদের জব্দকৃত ১২ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ ছাড় করতে হবে। একই সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পূর্ববর্তী মন্তব্য প্রত্যাখ্যান করে দেশটি জানিয়ে দিয়েছে যে, তাদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ কোনোভাবেই ধ্বংস করতে দেওয়া হবে না।
সূত্র: ফ্রান্স ২৪

যুদ্ধবিরতি কার্যকরে ‘সম্মতি দিয়েই’ লেবাননে হামলা ইসরায়েলের
ট্রাম্পের ইরানে হামলার ক্ষমতা সীমিত করতে বিল পাস

