ইরান যুদ্ধে মজুত ক্ষেপণাস্ত্রের অর্ধেকই ব্যবহার করেছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরান যুদ্ধে মজুত ক্ষেপণাস্ত্রের অর্ধেকই ব্যবহার করেছে যুক্তরাষ্ট্র
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে নিজেদের শক্তিশালী প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার প্রায় অর্ধেক ইন্টারসেপ্টর বা ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধক ব্যবহার করে ফেলেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী।ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ (সিএসআইএস) এর বিশ্লেষণের বরাতে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য হিল এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অপারেশন এপিক ফিউরি নামে পরিচিত সামরিক অভিযানের ব্যাপকতার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধাস্ত্রের ভাণ্ডারে ইতোমধ্যে বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হয়েছে।
সিএসআইএসের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মার্কিন সেনাবাহিনী তাদের অতি উঁচুমানের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থাড ও অর্ধেক ইন্টারসেপ্টর ইতোমধ্যে ব্যবহার করে ফেলেছে। প্যাট্রিয়ট ও থাড ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি মার্কিন বাহিনীর প্রিসিশন স্ট্রাইক মিসাইল এর মজুতেও বড় ধরনের টান পড়েছে বলে জানা গেছে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এ বিশেষ ক্ষেপণাস্ত্রের মোট মজুতের ৪৫ শতাংশের বেশি অংশ এ যুদ্ধেই ব্যয় করা হয়েছে। সামরিক বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, যুদ্ধের এমন ভয়াবহতা ও ব্যাপকতা মার্কিন বাহিনীর সংরক্ষিত সমরাস্ত্রের ভাণ্ডারে বড় ধরনের শূন্যতা তৈরি করছে, যা দীর্ঘমেয়াদে দেশটির সামরিক সক্ষমতাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পারে।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে নিজেদের শক্তিশালী প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার প্রায় অর্ধেক ইন্টারসেপ্টর বা ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধক ব্যবহার করে ফেলেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী।ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ (সিএসআইএস) এর বিশ্লেষণের বরাতে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য হিল এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অপারেশন এপিক ফিউরি নামে পরিচিত সামরিক অভিযানের ব্যাপকতার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধাস্ত্রের ভাণ্ডারে ইতোমধ্যে বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হয়েছে।
সিএসআইএসের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মার্কিন সেনাবাহিনী তাদের অতি উঁচুমানের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থাড ও অর্ধেক ইন্টারসেপ্টর ইতোমধ্যে ব্যবহার করে ফেলেছে। প্যাট্রিয়ট ও থাড ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি মার্কিন বাহিনীর প্রিসিশন স্ট্রাইক মিসাইল এর মজুতেও বড় ধরনের টান পড়েছে বলে জানা গেছে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এ বিশেষ ক্ষেপণাস্ত্রের মোট মজুতের ৪৫ শতাংশের বেশি অংশ এ যুদ্ধেই ব্যয় করা হয়েছে। সামরিক বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, যুদ্ধের এমন ভয়াবহতা ও ব্যাপকতা মার্কিন বাহিনীর সংরক্ষিত সমরাস্ত্রের ভাণ্ডারে বড় ধরনের শূন্যতা তৈরি করছে, যা দীর্ঘমেয়াদে দেশটির সামরিক সক্ষমতাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পারে।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরান যুদ্ধে মজুত ক্ষেপণাস্ত্রের অর্ধেকই ব্যবহার করেছে যুক্তরাষ্ট্র
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে নিজেদের শক্তিশালী প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার প্রায় অর্ধেক ইন্টারসেপ্টর বা ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধক ব্যবহার করে ফেলেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী।ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ (সিএসআইএস) এর বিশ্লেষণের বরাতে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য হিল এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অপারেশন এপিক ফিউরি নামে পরিচিত সামরিক অভিযানের ব্যাপকতার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধাস্ত্রের ভাণ্ডারে ইতোমধ্যে বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হয়েছে।
সিএসআইএসের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মার্কিন সেনাবাহিনী তাদের অতি উঁচুমানের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থাড ও অর্ধেক ইন্টারসেপ্টর ইতোমধ্যে ব্যবহার করে ফেলেছে। প্যাট্রিয়ট ও থাড ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি মার্কিন বাহিনীর প্রিসিশন স্ট্রাইক মিসাইল এর মজুতেও বড় ধরনের টান পড়েছে বলে জানা গেছে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এ বিশেষ ক্ষেপণাস্ত্রের মোট মজুতের ৪৫ শতাংশের বেশি অংশ এ যুদ্ধেই ব্যয় করা হয়েছে। সামরিক বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, যুদ্ধের এমন ভয়াবহতা ও ব্যাপকতা মার্কিন বাহিনীর সংরক্ষিত সমরাস্ত্রের ভাণ্ডারে বড় ধরনের শূন্যতা তৈরি করছে, যা দীর্ঘমেয়াদে দেশটির সামরিক সক্ষমতাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পারে।
সূত্র: আল জাজিরা




