অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার

অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
নিজস্ব প্রতিবেদক

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে দেশের মহানগরী এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (বিশ্ববিদ্যালয় বাদে) সশরীর ক্লাসের পাশাপাশি অনলাইনভিত্তিক মিশ্র (ব্লেনডেড) পদ্ধতিতে পাঠদান চালুর চিন্তা করছে সরকার।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এ তথ্য জানান।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট কতদিন স্থায়ী হবে, তা অনিশ্চিত। এ অবস্থায় শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নিতে অনলাইনভিত্তিক ব্যবস্থাকে উৎসাহিত করার বিষয়ে আলোচনা চলছে। তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী যে জ্বালানি সংকট চলছে, তার প্রভাব বাংলাদেশেও পড়ছে। তাই আমরা ভাবছি, স্কুলব্যবস্থাকে সশরীর ও অনলাইনের সমন্বয়ে আনা যায় কি না।
তিনি আরও জানান, পবিত্র রমজান, ঈদের ছুটি এবং বিভিন্ন কর্মসূচির কারণে নির্ধারিত কিছু ক্লাস নেওয়া সম্ভব হয়নি। এ কারণে ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আপাতত ১০টি শনিবারসহ সপ্তাহে ছয় দিন ক্লাস চালু করা হয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, একটি জরিপে দেখা গেছে, ৫৫ শতাংশ অংশীজন অনলাইনে ক্লাস চালুর পক্ষে মত দিয়েছেন। তবে পুরোপুরি অনলাইনে গেলে শিক্ষার্থীদের সামাজিক বিকাশে প্রভাব পড়তে পারে কি না, সে বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে।
এ বিষয়ে আগামী বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) অনুষ্ঠেয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রস্তাব উপস্থাপন করা হবে বলে জানান তিনি। মন্ত্রিসভা যে সিদ্ধান্ত দেবে, সেটিই বাস্তবায়ন করা হবে।
সপ্তাহে কত দিন সশরীর এবং কত দিন অনলাইনে ক্লাস হবে– এ বিষয়ে এখনো কোনো নির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, আমরা একটি প্রস্তাব দেব, তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত মন্ত্রিসভাই নেবে।
মহানগর এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে এই মিশ্র পদ্ধতি চালুর বিষয়টি বিশেষভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
উল্লেখ্য, ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশেও। জ্বালানির ব্যবহার কমাতে শিক্ষা খাতে বিকল্প পদ্ধতি হিসেবে অনলাইন পাঠদান চালুর বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।
রোজা ও ঈদের প্রায় ৪০ দিনের ছুটি শেষে গত রবিবার (২৯ মার্চ) দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ক্লাস কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়েছে।

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে দেশের মহানগরী এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (বিশ্ববিদ্যালয় বাদে) সশরীর ক্লাসের পাশাপাশি অনলাইনভিত্তিক মিশ্র (ব্লেনডেড) পদ্ধতিতে পাঠদান চালুর চিন্তা করছে সরকার।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এ তথ্য জানান।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট কতদিন স্থায়ী হবে, তা অনিশ্চিত। এ অবস্থায় শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নিতে অনলাইনভিত্তিক ব্যবস্থাকে উৎসাহিত করার বিষয়ে আলোচনা চলছে। তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী যে জ্বালানি সংকট চলছে, তার প্রভাব বাংলাদেশেও পড়ছে। তাই আমরা ভাবছি, স্কুলব্যবস্থাকে সশরীর ও অনলাইনের সমন্বয়ে আনা যায় কি না।
তিনি আরও জানান, পবিত্র রমজান, ঈদের ছুটি এবং বিভিন্ন কর্মসূচির কারণে নির্ধারিত কিছু ক্লাস নেওয়া সম্ভব হয়নি। এ কারণে ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আপাতত ১০টি শনিবারসহ সপ্তাহে ছয় দিন ক্লাস চালু করা হয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, একটি জরিপে দেখা গেছে, ৫৫ শতাংশ অংশীজন অনলাইনে ক্লাস চালুর পক্ষে মত দিয়েছেন। তবে পুরোপুরি অনলাইনে গেলে শিক্ষার্থীদের সামাজিক বিকাশে প্রভাব পড়তে পারে কি না, সে বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে।
এ বিষয়ে আগামী বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) অনুষ্ঠেয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রস্তাব উপস্থাপন করা হবে বলে জানান তিনি। মন্ত্রিসভা যে সিদ্ধান্ত দেবে, সেটিই বাস্তবায়ন করা হবে।
সপ্তাহে কত দিন সশরীর এবং কত দিন অনলাইনে ক্লাস হবে– এ বিষয়ে এখনো কোনো নির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, আমরা একটি প্রস্তাব দেব, তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত মন্ত্রিসভাই নেবে।
মহানগর এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে এই মিশ্র পদ্ধতি চালুর বিষয়টি বিশেষভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
উল্লেখ্য, ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশেও। জ্বালানির ব্যবহার কমাতে শিক্ষা খাতে বিকল্প পদ্ধতি হিসেবে অনলাইন পাঠদান চালুর বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।
রোজা ও ঈদের প্রায় ৪০ দিনের ছুটি শেষে গত রবিবার (২৯ মার্চ) দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ক্লাস কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়েছে।

অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
নিজস্ব প্রতিবেদক

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে দেশের মহানগরী এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (বিশ্ববিদ্যালয় বাদে) সশরীর ক্লাসের পাশাপাশি অনলাইনভিত্তিক মিশ্র (ব্লেনডেড) পদ্ধতিতে পাঠদান চালুর চিন্তা করছে সরকার।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এ তথ্য জানান।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট কতদিন স্থায়ী হবে, তা অনিশ্চিত। এ অবস্থায় শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নিতে অনলাইনভিত্তিক ব্যবস্থাকে উৎসাহিত করার বিষয়ে আলোচনা চলছে। তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী যে জ্বালানি সংকট চলছে, তার প্রভাব বাংলাদেশেও পড়ছে। তাই আমরা ভাবছি, স্কুলব্যবস্থাকে সশরীর ও অনলাইনের সমন্বয়ে আনা যায় কি না।
তিনি আরও জানান, পবিত্র রমজান, ঈদের ছুটি এবং বিভিন্ন কর্মসূচির কারণে নির্ধারিত কিছু ক্লাস নেওয়া সম্ভব হয়নি। এ কারণে ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আপাতত ১০টি শনিবারসহ সপ্তাহে ছয় দিন ক্লাস চালু করা হয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, একটি জরিপে দেখা গেছে, ৫৫ শতাংশ অংশীজন অনলাইনে ক্লাস চালুর পক্ষে মত দিয়েছেন। তবে পুরোপুরি অনলাইনে গেলে শিক্ষার্থীদের সামাজিক বিকাশে প্রভাব পড়তে পারে কি না, সে বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে।
এ বিষয়ে আগামী বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) অনুষ্ঠেয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রস্তাব উপস্থাপন করা হবে বলে জানান তিনি। মন্ত্রিসভা যে সিদ্ধান্ত দেবে, সেটিই বাস্তবায়ন করা হবে।
সপ্তাহে কত দিন সশরীর এবং কত দিন অনলাইনে ক্লাস হবে– এ বিষয়ে এখনো কোনো নির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, আমরা একটি প্রস্তাব দেব, তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত মন্ত্রিসভাই নেবে।
মহানগর এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে এই মিশ্র পদ্ধতি চালুর বিষয়টি বিশেষভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
উল্লেখ্য, ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশেও। জ্বালানির ব্যবহার কমাতে শিক্ষা খাতে বিকল্প পদ্ধতি হিসেবে অনলাইন পাঠদান চালুর বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।
রোজা ও ঈদের প্রায় ৪০ দিনের ছুটি শেষে গত রবিবার (২৯ মার্চ) দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ক্লাস কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়েছে।




