মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে নিয়ে আগ্রাসনবিরোধী চুক্তির প্রস্তাব সৌদির
সিটিজেন ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে নিয়ে আগ্রাসনবিরোধী চুক্তির প্রস্তাব সৌদির
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৫ মে ২০২৬, ১৬: ১৮

ছবি: সংগৃহীত
মার্কিন-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যকার সংঘাত অবসানের পর মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতা ফেরাতে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো এবং ইরানকে নিয়ে আগ্রাসনবিরোধী একটি চুক্তির প্রস্তাব দিয়েছে সৌদি আরব। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিনান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। বিদেশি কূটনীতিকদের উদ্ধৃতি দিয়ে পত্রিকাটি জানিয়েছে, স্নায়ু যুদ্ধের উত্তেজনা হ্রাসে সহায়ক ১৯৭৫ সালের ঐতিহাসিক হেলসিঙ্কি চুক্তির আদলে এ নতুন আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছে রিয়াদ। এর প্রধান লক্ষ্য হলো প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তিগুলোর মধ্যে বৈরিতা কমিয়ে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।
যদিও এ আলোচনার বিষয়ে সৌদি আরবের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চয়তা দেওয়া হয়নি, তবে ইউরোপীয় দেশগুলো এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এ উদ্যোগকে জোরালো সমর্থন দিচ্ছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় মনে করছে, এমন একটি চুক্তি ইরানকে নিরাপত্তা নিশ্চয়তা প্রদানের পাশাপাশি ভবিষ্যতে বড় ধরনের সংঘাত রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। মূলত বর্তমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ইরান কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়লেও দেশটির সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ আগ্রাসন এবং ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা নিয়ে উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, যা তাদের এ নতুন পথ খুঁজতে উৎসাহিত করছে।
বিশেষ করে ইসরায়েল, গাজা, লেবানন ও সিরিয়াকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা নিরসনে রিয়াদ এখন প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বিত পদক্ষেপের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। ফিনান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এ পরিবর্তিত পরিস্থিতির সুযোগে সৌদি আরব, পাকিস্তান, তুরস্ক ও মিশরের মধ্যে প্রতিরক্ষা এবং অর্থনৈতিক সম্পর্কের ব্যাপক বিস্তার ঘটছে। এরই ধারাবাহিকতায় পাকিস্তান ও সৌদি আরবের মধ্যকার বিদ্যমান প্রতিরক্ষা চুক্তিতে কাতার এবং তুরস্ককেও অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছে, যা এ অঞ্চলে এক নতুন বহুমুখী নিরাপত্তা বলয় তৈরির ইঙ্গিত দিচ্ছে।
সূত্র: আরব নিউজ

মার্কিন-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যকার সংঘাত অবসানের পর মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতা ফেরাতে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো এবং ইরানকে নিয়ে আগ্রাসনবিরোধী একটি চুক্তির প্রস্তাব দিয়েছে সৌদি আরব। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিনান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। বিদেশি কূটনীতিকদের উদ্ধৃতি দিয়ে পত্রিকাটি জানিয়েছে, স্নায়ু যুদ্ধের উত্তেজনা হ্রাসে সহায়ক ১৯৭৫ সালের ঐতিহাসিক হেলসিঙ্কি চুক্তির আদলে এ নতুন আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছে রিয়াদ। এর প্রধান লক্ষ্য হলো প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তিগুলোর মধ্যে বৈরিতা কমিয়ে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।
যদিও এ আলোচনার বিষয়ে সৌদি আরবের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চয়তা দেওয়া হয়নি, তবে ইউরোপীয় দেশগুলো এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এ উদ্যোগকে জোরালো সমর্থন দিচ্ছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় মনে করছে, এমন একটি চুক্তি ইরানকে নিরাপত্তা নিশ্চয়তা প্রদানের পাশাপাশি ভবিষ্যতে বড় ধরনের সংঘাত রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। মূলত বর্তমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ইরান কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়লেও দেশটির সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ আগ্রাসন এবং ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা নিয়ে উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, যা তাদের এ নতুন পথ খুঁজতে উৎসাহিত করছে।
বিশেষ করে ইসরায়েল, গাজা, লেবানন ও সিরিয়াকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা নিরসনে রিয়াদ এখন প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বিত পদক্ষেপের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। ফিনান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এ পরিবর্তিত পরিস্থিতির সুযোগে সৌদি আরব, পাকিস্তান, তুরস্ক ও মিশরের মধ্যে প্রতিরক্ষা এবং অর্থনৈতিক সম্পর্কের ব্যাপক বিস্তার ঘটছে। এরই ধারাবাহিকতায় পাকিস্তান ও সৌদি আরবের মধ্যকার বিদ্যমান প্রতিরক্ষা চুক্তিতে কাতার এবং তুরস্ককেও অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছে, যা এ অঞ্চলে এক নতুন বহুমুখী নিরাপত্তা বলয় তৈরির ইঙ্গিত দিচ্ছে।
সূত্র: আরব নিউজ

মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে নিয়ে আগ্রাসনবিরোধী চুক্তির প্রস্তাব সৌদির
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৫ মে ২০২৬, ১৬: ১৮

ছবি: সংগৃহীত
মার্কিন-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যকার সংঘাত অবসানের পর মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতা ফেরাতে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো এবং ইরানকে নিয়ে আগ্রাসনবিরোধী একটি চুক্তির প্রস্তাব দিয়েছে সৌদি আরব। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিনান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। বিদেশি কূটনীতিকদের উদ্ধৃতি দিয়ে পত্রিকাটি জানিয়েছে, স্নায়ু যুদ্ধের উত্তেজনা হ্রাসে সহায়ক ১৯৭৫ সালের ঐতিহাসিক হেলসিঙ্কি চুক্তির আদলে এ নতুন আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছে রিয়াদ। এর প্রধান লক্ষ্য হলো প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তিগুলোর মধ্যে বৈরিতা কমিয়ে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।
যদিও এ আলোচনার বিষয়ে সৌদি আরবের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চয়তা দেওয়া হয়নি, তবে ইউরোপীয় দেশগুলো এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এ উদ্যোগকে জোরালো সমর্থন দিচ্ছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় মনে করছে, এমন একটি চুক্তি ইরানকে নিরাপত্তা নিশ্চয়তা প্রদানের পাশাপাশি ভবিষ্যতে বড় ধরনের সংঘাত রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। মূলত বর্তমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ইরান কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়লেও দেশটির সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ আগ্রাসন এবং ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা নিয়ে উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, যা তাদের এ নতুন পথ খুঁজতে উৎসাহিত করছে।
বিশেষ করে ইসরায়েল, গাজা, লেবানন ও সিরিয়াকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা নিরসনে রিয়াদ এখন প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বিত পদক্ষেপের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। ফিনান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এ পরিবর্তিত পরিস্থিতির সুযোগে সৌদি আরব, পাকিস্তান, তুরস্ক ও মিশরের মধ্যে প্রতিরক্ষা এবং অর্থনৈতিক সম্পর্কের ব্যাপক বিস্তার ঘটছে। এরই ধারাবাহিকতায় পাকিস্তান ও সৌদি আরবের মধ্যকার বিদ্যমান প্রতিরক্ষা চুক্তিতে কাতার এবং তুরস্ককেও অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছে, যা এ অঞ্চলে এক নতুন বহুমুখী নিরাপত্তা বলয় তৈরির ইঙ্গিত দিচ্ছে।
সূত্র: আরব নিউজ
/এমএকে/

ইসরায়েলের ওপর ক্ষুব্ধ আমিরাত


