পোল্যান্ডে সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনা বাতিল যুক্তরাষ্ট্রের
সিটিজেন ডেস্ক

পোল্যান্ডে সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনা বাতিল যুক্তরাষ্ট্রের
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৫ মে ২০২৬, ১৮: ৫৬

মার্কিন সেনাবাহিনীর ৪ সদস্য। ছবি: সংগৃহীত
জার্মানি থেকে সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার পোল্যান্ডে ৪,০০০ সেনা পাঠানোর পরিকল্পনা বাতিল করেছে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন। সিদ্ধান্তটি ইউরোপে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি কমিয়ে আনার বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের অবস্থানের একটি বড় প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে। যদিও পেন্টাগন এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি, তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, এ পদক্ষেপটি মূলত জার্মানিতে থাকা বিশাল মার্কিন সৈন্যবাহিনী কমানোর একটি বৃহত্তর প্রক্রিয়ার অংশ হতে পারে।
এ সিদ্ধান্ত পোল্যান্ডের নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগের কারণ হতে পারে এমন আশঙ্কার মাঝে প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্ক জানিয়েছেন, তিনি মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে পূর্ণ আশ্বাস পেয়েছেন এটি একটি লজিস্টিক বা কৌশলগত সিদ্ধান্ত এবং এতে পোল্যান্ডের প্রতিরক্ষা সক্ষমতায় কোনো সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না। তবে মার্কিন সিনেটের সশস্ত্র পরিষেবা কমিটির সদস্য জিন শাহিনসহ অনেক আইনপ্রণেতা এ সিদ্ধান্তে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন, কারণ কংগ্রেসকে এ বিষয়ে আগে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য দেওয়া হয়নি।
ট্রাম্প প্রশাসনের এ কঠোর অবস্থানের পেছনে ইরান যুদ্ধ নিয়ে ইউরোপীয় দেশগুলোর সাথে বিদ্যমান রাজনৈতিক মতভেদ একটি বড় কারণ হিসেবে কাজ করছে। বিশেষ করে জার্মানির মতো দেশগুলোর ওপর ট্রাম্প ক্ষুব্ধ, যারা মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক তৎপরতায় সরাসরি সমর্থন দেয়নি। এছাড়া ইউরোপীয় মিত্ররা তাদের নিজস্ব সামরিক বাজেটে পর্যাপ্ত বরাদ্দ না দিয়ে মার্কিন শক্তির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়ে আছে। এমনকি শর্ত ভঙ্গকারী মিত্রদের শাস্তি হিসেবে ন্যাটো থেকে স্পেনের সদস্যপদ স্থগিত করা বা ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে ব্রিটেনের দাবিতে সমর্থন প্রত্যাহারের মতো কঠোর বিকল্পগুলোও পেন্টাগনের অভ্যন্তরীণ আলোচনায় উঠে এসেছে।
উল্লেখ্য, গত বছরের শেষ নাগাদ ইউরোপে প্রায় ৮৫,০০০ মার্কিন সেনা মোতায়েন ছিল, যা মূলত রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষিতে বৃদ্ধি করা হয়েছিল। ন্যাটোর সামরিক কর্মকর্তারা অবশ্য বর্তমান পরিস্থিতিকে স্বাভাবিক হিসেবেই দেখছেন। তাদের মতে, রোটেশনাল বা অস্থায়ী সেনা মোতায়েন বাতিলের ফলে জোটের সামগ্রিক দীর্ঘমেয়াদী প্রতিরক্ষা পরিকল্পনায় কোনো বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে না।

জার্মানি থেকে সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার পোল্যান্ডে ৪,০০০ সেনা পাঠানোর পরিকল্পনা বাতিল করেছে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন। সিদ্ধান্তটি ইউরোপে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি কমিয়ে আনার বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের অবস্থানের একটি বড় প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে। যদিও পেন্টাগন এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি, তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, এ পদক্ষেপটি মূলত জার্মানিতে থাকা বিশাল মার্কিন সৈন্যবাহিনী কমানোর একটি বৃহত্তর প্রক্রিয়ার অংশ হতে পারে।
এ সিদ্ধান্ত পোল্যান্ডের নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগের কারণ হতে পারে এমন আশঙ্কার মাঝে প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্ক জানিয়েছেন, তিনি মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে পূর্ণ আশ্বাস পেয়েছেন এটি একটি লজিস্টিক বা কৌশলগত সিদ্ধান্ত এবং এতে পোল্যান্ডের প্রতিরক্ষা সক্ষমতায় কোনো সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না। তবে মার্কিন সিনেটের সশস্ত্র পরিষেবা কমিটির সদস্য জিন শাহিনসহ অনেক আইনপ্রণেতা এ সিদ্ধান্তে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন, কারণ কংগ্রেসকে এ বিষয়ে আগে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য দেওয়া হয়নি।
ট্রাম্প প্রশাসনের এ কঠোর অবস্থানের পেছনে ইরান যুদ্ধ নিয়ে ইউরোপীয় দেশগুলোর সাথে বিদ্যমান রাজনৈতিক মতভেদ একটি বড় কারণ হিসেবে কাজ করছে। বিশেষ করে জার্মানির মতো দেশগুলোর ওপর ট্রাম্প ক্ষুব্ধ, যারা মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক তৎপরতায় সরাসরি সমর্থন দেয়নি। এছাড়া ইউরোপীয় মিত্ররা তাদের নিজস্ব সামরিক বাজেটে পর্যাপ্ত বরাদ্দ না দিয়ে মার্কিন শক্তির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়ে আছে। এমনকি শর্ত ভঙ্গকারী মিত্রদের শাস্তি হিসেবে ন্যাটো থেকে স্পেনের সদস্যপদ স্থগিত করা বা ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে ব্রিটেনের দাবিতে সমর্থন প্রত্যাহারের মতো কঠোর বিকল্পগুলোও পেন্টাগনের অভ্যন্তরীণ আলোচনায় উঠে এসেছে।
উল্লেখ্য, গত বছরের শেষ নাগাদ ইউরোপে প্রায় ৮৫,০০০ মার্কিন সেনা মোতায়েন ছিল, যা মূলত রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষিতে বৃদ্ধি করা হয়েছিল। ন্যাটোর সামরিক কর্মকর্তারা অবশ্য বর্তমান পরিস্থিতিকে স্বাভাবিক হিসেবেই দেখছেন। তাদের মতে, রোটেশনাল বা অস্থায়ী সেনা মোতায়েন বাতিলের ফলে জোটের সামগ্রিক দীর্ঘমেয়াদী প্রতিরক্ষা পরিকল্পনায় কোনো বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে না।

পোল্যান্ডে সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনা বাতিল যুক্তরাষ্ট্রের
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৫ মে ২০২৬, ১৮: ৫৬

মার্কিন সেনাবাহিনীর ৪ সদস্য। ছবি: সংগৃহীত
জার্মানি থেকে সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার পোল্যান্ডে ৪,০০০ সেনা পাঠানোর পরিকল্পনা বাতিল করেছে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন। সিদ্ধান্তটি ইউরোপে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি কমিয়ে আনার বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের অবস্থানের একটি বড় প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে। যদিও পেন্টাগন এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি, তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, এ পদক্ষেপটি মূলত জার্মানিতে থাকা বিশাল মার্কিন সৈন্যবাহিনী কমানোর একটি বৃহত্তর প্রক্রিয়ার অংশ হতে পারে।
এ সিদ্ধান্ত পোল্যান্ডের নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগের কারণ হতে পারে এমন আশঙ্কার মাঝে প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্ক জানিয়েছেন, তিনি মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে পূর্ণ আশ্বাস পেয়েছেন এটি একটি লজিস্টিক বা কৌশলগত সিদ্ধান্ত এবং এতে পোল্যান্ডের প্রতিরক্ষা সক্ষমতায় কোনো সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না। তবে মার্কিন সিনেটের সশস্ত্র পরিষেবা কমিটির সদস্য জিন শাহিনসহ অনেক আইনপ্রণেতা এ সিদ্ধান্তে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন, কারণ কংগ্রেসকে এ বিষয়ে আগে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য দেওয়া হয়নি।
ট্রাম্প প্রশাসনের এ কঠোর অবস্থানের পেছনে ইরান যুদ্ধ নিয়ে ইউরোপীয় দেশগুলোর সাথে বিদ্যমান রাজনৈতিক মতভেদ একটি বড় কারণ হিসেবে কাজ করছে। বিশেষ করে জার্মানির মতো দেশগুলোর ওপর ট্রাম্প ক্ষুব্ধ, যারা মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক তৎপরতায় সরাসরি সমর্থন দেয়নি। এছাড়া ইউরোপীয় মিত্ররা তাদের নিজস্ব সামরিক বাজেটে পর্যাপ্ত বরাদ্দ না দিয়ে মার্কিন শক্তির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়ে আছে। এমনকি শর্ত ভঙ্গকারী মিত্রদের শাস্তি হিসেবে ন্যাটো থেকে স্পেনের সদস্যপদ স্থগিত করা বা ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে ব্রিটেনের দাবিতে সমর্থন প্রত্যাহারের মতো কঠোর বিকল্পগুলোও পেন্টাগনের অভ্যন্তরীণ আলোচনায় উঠে এসেছে।
উল্লেখ্য, গত বছরের শেষ নাগাদ ইউরোপে প্রায় ৮৫,০০০ মার্কিন সেনা মোতায়েন ছিল, যা মূলত রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষিতে বৃদ্ধি করা হয়েছিল। ন্যাটোর সামরিক কর্মকর্তারা অবশ্য বর্তমান পরিস্থিতিকে স্বাভাবিক হিসেবেই দেখছেন। তাদের মতে, রোটেশনাল বা অস্থায়ী সেনা মোতায়েন বাতিলের ফলে জোটের সামগ্রিক দীর্ঘমেয়াদী প্রতিরক্ষা পরিকল্পনায় কোনো বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে না।
/এমএকে/

জার্মানি থেকে ৫ হাজার সেনা সরাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র


