বিপণিবিতানগুলোতে ঈদের আমেজ, ক্রেতার ঢল

বিপণিবিতানগুলোতে ঈদের আমেজ, ক্রেতার ঢল
নিজস্ব প্রতিবেদক

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে ঘিরে রাজধানীর বড় বড় বাজারগুলোতে জমজমাট বেচাকেনা চলছে । উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে বিপণিবিতান ও ফুটপাতের দোকানগুলোতেও। নতুন পোশাক, জুতা, প্রসাধনসামগ্রী থেকে শুরু করে নানা পণ্য কিনতে এসব স্থানে ভিড় করছেন ক্রেতারা।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) রাজধানীর নিউমার্কেট এবং আশপাশের বিপণিবিতানগুলোতে গিয়ে এমন চিত্র দেখা গেছে। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত এসব বিপণিবিতান সরব থাকে।
বাচ্চাদের জামাকাপড়ের দোকান থেকে শুরু করে সব দোকানে ক্রেতাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। সবাই পরিবারের সদস্যের জন্য নতুন পোশাক কিনছেন। এ ছাড়া ফুটপাতের দোকানগুলোতেও ক্রেতাদের বেশ উপস্থিতি ছিল।
ব্যবসায়ীদের মতে, গতবছরের তুলনায় এবার বেচাকেনায় মোটামুটি পর্যায়ে রয়েছে। তবে আগের মতো ভালো বেচাকেনা নেই।
বাচ্চাদের পোশাক বিক্রেতা মো. নিরব হোসেন জানালেন, তার দোকানে বেচাকেনা ভালোভাবে এখনো জমে উঠেনি। তবে আগামীকাল ছুটির দিন হওয়ায় ভালো বিক্রি হওয়ার সম্ভাবনা কথা জানালেন তিনি।
তবে আতিক হোসেন নামের আরেকজন বিক্রেতা বলেন, ‘আল্লাহর রহমতে আমাদের দোকানে ভালো বেচাকেনা হয়েছে। প্রচুর কাস্টমার আসছে। আশা করি সামনের দিনে বিক্রি আরও বাড়বে।’
এদিকে নারীদের থ্রি পিস বিক্রেতা মো. আকরাম জানান, তার ব্যবসা তেমন ভালো হচ্ছে না। বেচাকেনা আশানুরূপ হয়নি। আগামীকাল শুক্রবার হওয়ায় বেচাকেনা ভালো হবে, এটাই প্রত্যাশা তার।
ছেলেদর পাঞ্জাবি, শার্ট-প্যান্টের দোকানগুলোতেও বেশ ভিড় ছিল। সবাই পছন্দের পাঞ্জাবি থেকে শুরু করে শার্ট-প্যান্ট কিনছেন।
তবে ক্রেতাদের মতে, ঈদের কারণে দোকানদাররা প্রতিটি পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। ৫০০ টাকার প্যান্ট ৬০০-৬৫০ টাকা করে বিক্রি করছে। ১০০০-১২০০ টাকার পাঞ্জাবি ১৪০০-১৫০০ টাকায় বিক্রি করছে। শার্ট এবং বিভিন্ন গেঞ্জির ক্ষেত্রেও একই অবস্থা।
এদিকে বিক্রেতারা বলছেন ভিন্ন কথা। তারা জানান, প্রায় সব পণ্যের দাম আগের মতো না থাকলেও, খুব বেশি বাড়েনি। ১০০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
বেচাকেনা কেমন হচ্ছে জানতে চাইলে ইলমা পয়েন্টের ম্যানেজার মো. সেলিম বলেন, বেচাকেনা একদম ভালো নেই, আবার খারাপ পর্যায়েও নেই। তবে ২০ রমজান থেকে যেরকম ক্রেতা আশা করেছি, এখনো পর্যন্ত তা পাইনি। আগামীকাল থেকে বেচাকেনা বাড়বে বলে আশাবাদী তিনি।
বেচাকেনা কম হওয়ার কারণ সম্পর্কে তিনি জানান, অনেক ক্রেতা অনলাইনে পণ্য ক্রয় করার কারণে দোকানগুলোর বিক্রিতে কিছুটা ভাঁটা পড়েছে।
সবকিছু মিলিয়ে বিক্রেতারা আগামী শুক্র-শনিবারের আশায় রয়েছেন। তাদের প্রত্যাশা—ছুটির এই দুইদিনে তাদের আশানুরূপ বেচাকেনা হবে।

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে ঘিরে রাজধানীর বড় বড় বাজারগুলোতে জমজমাট বেচাকেনা চলছে । উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে বিপণিবিতান ও ফুটপাতের দোকানগুলোতেও। নতুন পোশাক, জুতা, প্রসাধনসামগ্রী থেকে শুরু করে নানা পণ্য কিনতে এসব স্থানে ভিড় করছেন ক্রেতারা।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) রাজধানীর নিউমার্কেট এবং আশপাশের বিপণিবিতানগুলোতে গিয়ে এমন চিত্র দেখা গেছে। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত এসব বিপণিবিতান সরব থাকে।
বাচ্চাদের জামাকাপড়ের দোকান থেকে শুরু করে সব দোকানে ক্রেতাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। সবাই পরিবারের সদস্যের জন্য নতুন পোশাক কিনছেন। এ ছাড়া ফুটপাতের দোকানগুলোতেও ক্রেতাদের বেশ উপস্থিতি ছিল।
ব্যবসায়ীদের মতে, গতবছরের তুলনায় এবার বেচাকেনায় মোটামুটি পর্যায়ে রয়েছে। তবে আগের মতো ভালো বেচাকেনা নেই।
বাচ্চাদের পোশাক বিক্রেতা মো. নিরব হোসেন জানালেন, তার দোকানে বেচাকেনা ভালোভাবে এখনো জমে উঠেনি। তবে আগামীকাল ছুটির দিন হওয়ায় ভালো বিক্রি হওয়ার সম্ভাবনা কথা জানালেন তিনি।
তবে আতিক হোসেন নামের আরেকজন বিক্রেতা বলেন, ‘আল্লাহর রহমতে আমাদের দোকানে ভালো বেচাকেনা হয়েছে। প্রচুর কাস্টমার আসছে। আশা করি সামনের দিনে বিক্রি আরও বাড়বে।’
এদিকে নারীদের থ্রি পিস বিক্রেতা মো. আকরাম জানান, তার ব্যবসা তেমন ভালো হচ্ছে না। বেচাকেনা আশানুরূপ হয়নি। আগামীকাল শুক্রবার হওয়ায় বেচাকেনা ভালো হবে, এটাই প্রত্যাশা তার।
ছেলেদর পাঞ্জাবি, শার্ট-প্যান্টের দোকানগুলোতেও বেশ ভিড় ছিল। সবাই পছন্দের পাঞ্জাবি থেকে শুরু করে শার্ট-প্যান্ট কিনছেন।
তবে ক্রেতাদের মতে, ঈদের কারণে দোকানদাররা প্রতিটি পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। ৫০০ টাকার প্যান্ট ৬০০-৬৫০ টাকা করে বিক্রি করছে। ১০০০-১২০০ টাকার পাঞ্জাবি ১৪০০-১৫০০ টাকায় বিক্রি করছে। শার্ট এবং বিভিন্ন গেঞ্জির ক্ষেত্রেও একই অবস্থা।
এদিকে বিক্রেতারা বলছেন ভিন্ন কথা। তারা জানান, প্রায় সব পণ্যের দাম আগের মতো না থাকলেও, খুব বেশি বাড়েনি। ১০০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
বেচাকেনা কেমন হচ্ছে জানতে চাইলে ইলমা পয়েন্টের ম্যানেজার মো. সেলিম বলেন, বেচাকেনা একদম ভালো নেই, আবার খারাপ পর্যায়েও নেই। তবে ২০ রমজান থেকে যেরকম ক্রেতা আশা করেছি, এখনো পর্যন্ত তা পাইনি। আগামীকাল থেকে বেচাকেনা বাড়বে বলে আশাবাদী তিনি।
বেচাকেনা কম হওয়ার কারণ সম্পর্কে তিনি জানান, অনেক ক্রেতা অনলাইনে পণ্য ক্রয় করার কারণে দোকানগুলোর বিক্রিতে কিছুটা ভাঁটা পড়েছে।
সবকিছু মিলিয়ে বিক্রেতারা আগামী শুক্র-শনিবারের আশায় রয়েছেন। তাদের প্রত্যাশা—ছুটির এই দুইদিনে তাদের আশানুরূপ বেচাকেনা হবে।

বিপণিবিতানগুলোতে ঈদের আমেজ, ক্রেতার ঢল
নিজস্ব প্রতিবেদক

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে ঘিরে রাজধানীর বড় বড় বাজারগুলোতে জমজমাট বেচাকেনা চলছে । উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে বিপণিবিতান ও ফুটপাতের দোকানগুলোতেও। নতুন পোশাক, জুতা, প্রসাধনসামগ্রী থেকে শুরু করে নানা পণ্য কিনতে এসব স্থানে ভিড় করছেন ক্রেতারা।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) রাজধানীর নিউমার্কেট এবং আশপাশের বিপণিবিতানগুলোতে গিয়ে এমন চিত্র দেখা গেছে। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত এসব বিপণিবিতান সরব থাকে।
বাচ্চাদের জামাকাপড়ের দোকান থেকে শুরু করে সব দোকানে ক্রেতাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। সবাই পরিবারের সদস্যের জন্য নতুন পোশাক কিনছেন। এ ছাড়া ফুটপাতের দোকানগুলোতেও ক্রেতাদের বেশ উপস্থিতি ছিল।
ব্যবসায়ীদের মতে, গতবছরের তুলনায় এবার বেচাকেনায় মোটামুটি পর্যায়ে রয়েছে। তবে আগের মতো ভালো বেচাকেনা নেই।
বাচ্চাদের পোশাক বিক্রেতা মো. নিরব হোসেন জানালেন, তার দোকানে বেচাকেনা ভালোভাবে এখনো জমে উঠেনি। তবে আগামীকাল ছুটির দিন হওয়ায় ভালো বিক্রি হওয়ার সম্ভাবনা কথা জানালেন তিনি।
তবে আতিক হোসেন নামের আরেকজন বিক্রেতা বলেন, ‘আল্লাহর রহমতে আমাদের দোকানে ভালো বেচাকেনা হয়েছে। প্রচুর কাস্টমার আসছে। আশা করি সামনের দিনে বিক্রি আরও বাড়বে।’
এদিকে নারীদের থ্রি পিস বিক্রেতা মো. আকরাম জানান, তার ব্যবসা তেমন ভালো হচ্ছে না। বেচাকেনা আশানুরূপ হয়নি। আগামীকাল শুক্রবার হওয়ায় বেচাকেনা ভালো হবে, এটাই প্রত্যাশা তার।
ছেলেদর পাঞ্জাবি, শার্ট-প্যান্টের দোকানগুলোতেও বেশ ভিড় ছিল। সবাই পছন্দের পাঞ্জাবি থেকে শুরু করে শার্ট-প্যান্ট কিনছেন।
তবে ক্রেতাদের মতে, ঈদের কারণে দোকানদাররা প্রতিটি পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। ৫০০ টাকার প্যান্ট ৬০০-৬৫০ টাকা করে বিক্রি করছে। ১০০০-১২০০ টাকার পাঞ্জাবি ১৪০০-১৫০০ টাকায় বিক্রি করছে। শার্ট এবং বিভিন্ন গেঞ্জির ক্ষেত্রেও একই অবস্থা।
এদিকে বিক্রেতারা বলছেন ভিন্ন কথা। তারা জানান, প্রায় সব পণ্যের দাম আগের মতো না থাকলেও, খুব বেশি বাড়েনি। ১০০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
বেচাকেনা কেমন হচ্ছে জানতে চাইলে ইলমা পয়েন্টের ম্যানেজার মো. সেলিম বলেন, বেচাকেনা একদম ভালো নেই, আবার খারাপ পর্যায়েও নেই। তবে ২০ রমজান থেকে যেরকম ক্রেতা আশা করেছি, এখনো পর্যন্ত তা পাইনি। আগামীকাল থেকে বেচাকেনা বাড়বে বলে আশাবাদী তিনি।
বেচাকেনা কম হওয়ার কারণ সম্পর্কে তিনি জানান, অনেক ক্রেতা অনলাইনে পণ্য ক্রয় করার কারণে দোকানগুলোর বিক্রিতে কিছুটা ভাঁটা পড়েছে।
সবকিছু মিলিয়ে বিক্রেতারা আগামী শুক্র-শনিবারের আশায় রয়েছেন। তাদের প্রত্যাশা—ছুটির এই দুইদিনে তাদের আশানুরূপ বেচাকেনা হবে।




