তাপপ্রবাহ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় ঢাবিতে আন্তর্জাতিক গবেষণা শুরু

তাপপ্রবাহ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় ঢাবিতে আন্তর্জাতিক গবেষণা শুরু
ঢাবি সংবাদদাতা

নগর তাপপ্রবাহের কারণে সৃষ্ট স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি মোকাবিলা এবং জলবায়ু-সহনশীল নগর উন্নয়নের লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) একটি বহুমাত্রিক আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়েছে।
আজ সোমবার (১৫ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সভাকক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে এই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।
ওয়েলকাম ট্রাস্টের অর্থায়নে পরিচালিত এই প্রকল্পের শিরোনাম দেওয়া হয়েছে ‘এক্সপোজিং হিডেন হিট: ম্যাপিং হিট-ড্রিভেন হেলথ ডিসপ্যারিটিজ অ্যান্ড অ্যাডভান্সিং পলিসি ইমপ্লিকেশন ফর ক্লাইমেট-রেজিলিয়েন্ট আরবান ডেভেলপমেন্ট ইন ঢাকা, বাংলাদেশ’। এই যৌথ গবেষণায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি অংশীদার হিসেবে রয়েছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), যুক্তরাষ্ট্রের টুলেইন ইউনিভার্সিটি স্কুল অব পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিন এবং লুইজিয়ানা স্টেট ইউনিভার্সিটি হেলথ সায়েন্সেস সেন্টার।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ‘গবেষণাকে শুধু ক্লাসরুম বা ল্যাবরেটরিতে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না, এর সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। তাত্ত্বিক বিষয়কে ল্যাবে অনুশীলনের মাধ্যমে বাস্তব জীবনে সফল প্রয়োগ ঘটিয়ে মানবকল্যাণ সাধন করতে পারলেই শিক্ষা ও গবেষণা সার্থক হবে।’ রোগের প্রতিকারের চেয়ে রোগ প্রতিরোধ উত্তম উল্লেখ করে উপাচার্য আশা প্রকাশ করেন, বৈশ্বিক উষ্ণতা ও চরম তাপপ্রবাহজনিত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এই গবেষণা কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।
প্রকল্পটির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ পরিচালনা করছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া বিজ্ঞান বিভাগ। এই গবেষণা দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফাতিমা আক্তার। সহ-প্রধান গবেষক হিসেবে তিনি প্রকল্পের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষণা কার্যক্রম তদারকি করবেন। তাঁর নেতৃত্বাধীন দল উন্নত জলবায়ু তথ্য বিশ্লেষণ, তাপমাত্রার মানচিত্র তৈরি এবং পরিবেশগত পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে ঢাকার বিভিন্ন অঞ্চলে চরম তাপমাত্রার স্থানিক ও কালিক বৈচিত্র্য শনাক্তকরণে কাজ করবে।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ঢাবির আবহাওয়া বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ড. রবিউল আউয়াল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এবং আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. হুমায়ুন কবীর।
এছাড়াও বুয়েট, যুক্তরাষ্ট্রের দুই বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে গবেষকগণ ক্রমবর্ধমান নগর তাপপ্রবাহের চ্যালেঞ্জসমূহ তুলে ধরেন এবং প্রকল্পের উদ্দেশ্য ও প্রত্যাশিত ফলাফল নিয়ে একটি প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, এই গবেষণার মাধ্যমে প্রাপ্ত বৈজ্ঞানিক ফলাফল নীতিনির্ধারক, নগর পরিকল্পনাবিদ এবং জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের জন্য সহায়ক হবে। এটি ঢাকাসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন শহরে আরও ন্যায়সংগত, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জলবায়ু-সহনশীল নগর উন্নয়ন কৌশল প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নগর তাপপ্রবাহের কারণে সৃষ্ট স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি মোকাবিলা এবং জলবায়ু-সহনশীল নগর উন্নয়নের লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) একটি বহুমাত্রিক আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়েছে।
আজ সোমবার (১৫ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সভাকক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে এই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।
ওয়েলকাম ট্রাস্টের অর্থায়নে পরিচালিত এই প্রকল্পের শিরোনাম দেওয়া হয়েছে ‘এক্সপোজিং হিডেন হিট: ম্যাপিং হিট-ড্রিভেন হেলথ ডিসপ্যারিটিজ অ্যান্ড অ্যাডভান্সিং পলিসি ইমপ্লিকেশন ফর ক্লাইমেট-রেজিলিয়েন্ট আরবান ডেভেলপমেন্ট ইন ঢাকা, বাংলাদেশ’। এই যৌথ গবেষণায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি অংশীদার হিসেবে রয়েছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), যুক্তরাষ্ট্রের টুলেইন ইউনিভার্সিটি স্কুল অব পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিন এবং লুইজিয়ানা স্টেট ইউনিভার্সিটি হেলথ সায়েন্সেস সেন্টার।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ‘গবেষণাকে শুধু ক্লাসরুম বা ল্যাবরেটরিতে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না, এর সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। তাত্ত্বিক বিষয়কে ল্যাবে অনুশীলনের মাধ্যমে বাস্তব জীবনে সফল প্রয়োগ ঘটিয়ে মানবকল্যাণ সাধন করতে পারলেই শিক্ষা ও গবেষণা সার্থক হবে।’ রোগের প্রতিকারের চেয়ে রোগ প্রতিরোধ উত্তম উল্লেখ করে উপাচার্য আশা প্রকাশ করেন, বৈশ্বিক উষ্ণতা ও চরম তাপপ্রবাহজনিত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এই গবেষণা কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।
প্রকল্পটির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ পরিচালনা করছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া বিজ্ঞান বিভাগ। এই গবেষণা দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফাতিমা আক্তার। সহ-প্রধান গবেষক হিসেবে তিনি প্রকল্পের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষণা কার্যক্রম তদারকি করবেন। তাঁর নেতৃত্বাধীন দল উন্নত জলবায়ু তথ্য বিশ্লেষণ, তাপমাত্রার মানচিত্র তৈরি এবং পরিবেশগত পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে ঢাকার বিভিন্ন অঞ্চলে চরম তাপমাত্রার স্থানিক ও কালিক বৈচিত্র্য শনাক্তকরণে কাজ করবে।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ঢাবির আবহাওয়া বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ড. রবিউল আউয়াল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এবং আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. হুমায়ুন কবীর।
এছাড়াও বুয়েট, যুক্তরাষ্ট্রের দুই বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে গবেষকগণ ক্রমবর্ধমান নগর তাপপ্রবাহের চ্যালেঞ্জসমূহ তুলে ধরেন এবং প্রকল্পের উদ্দেশ্য ও প্রত্যাশিত ফলাফল নিয়ে একটি প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, এই গবেষণার মাধ্যমে প্রাপ্ত বৈজ্ঞানিক ফলাফল নীতিনির্ধারক, নগর পরিকল্পনাবিদ এবং জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের জন্য সহায়ক হবে। এটি ঢাকাসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন শহরে আরও ন্যায়সংগত, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জলবায়ু-সহনশীল নগর উন্নয়ন কৌশল প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তাপপ্রবাহ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় ঢাবিতে আন্তর্জাতিক গবেষণা শুরু
ঢাবি সংবাদদাতা

নগর তাপপ্রবাহের কারণে সৃষ্ট স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি মোকাবিলা এবং জলবায়ু-সহনশীল নগর উন্নয়নের লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) একটি বহুমাত্রিক আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়েছে।
আজ সোমবার (১৫ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সভাকক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে এই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।
ওয়েলকাম ট্রাস্টের অর্থায়নে পরিচালিত এই প্রকল্পের শিরোনাম দেওয়া হয়েছে ‘এক্সপোজিং হিডেন হিট: ম্যাপিং হিট-ড্রিভেন হেলথ ডিসপ্যারিটিজ অ্যান্ড অ্যাডভান্সিং পলিসি ইমপ্লিকেশন ফর ক্লাইমেট-রেজিলিয়েন্ট আরবান ডেভেলপমেন্ট ইন ঢাকা, বাংলাদেশ’। এই যৌথ গবেষণায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি অংশীদার হিসেবে রয়েছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), যুক্তরাষ্ট্রের টুলেইন ইউনিভার্সিটি স্কুল অব পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিন এবং লুইজিয়ানা স্টেট ইউনিভার্সিটি হেলথ সায়েন্সেস সেন্টার।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ‘গবেষণাকে শুধু ক্লাসরুম বা ল্যাবরেটরিতে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না, এর সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। তাত্ত্বিক বিষয়কে ল্যাবে অনুশীলনের মাধ্যমে বাস্তব জীবনে সফল প্রয়োগ ঘটিয়ে মানবকল্যাণ সাধন করতে পারলেই শিক্ষা ও গবেষণা সার্থক হবে।’ রোগের প্রতিকারের চেয়ে রোগ প্রতিরোধ উত্তম উল্লেখ করে উপাচার্য আশা প্রকাশ করেন, বৈশ্বিক উষ্ণতা ও চরম তাপপ্রবাহজনিত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এই গবেষণা কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।
প্রকল্পটির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ পরিচালনা করছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া বিজ্ঞান বিভাগ। এই গবেষণা দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফাতিমা আক্তার। সহ-প্রধান গবেষক হিসেবে তিনি প্রকল্পের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষণা কার্যক্রম তদারকি করবেন। তাঁর নেতৃত্বাধীন দল উন্নত জলবায়ু তথ্য বিশ্লেষণ, তাপমাত্রার মানচিত্র তৈরি এবং পরিবেশগত পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে ঢাকার বিভিন্ন অঞ্চলে চরম তাপমাত্রার স্থানিক ও কালিক বৈচিত্র্য শনাক্তকরণে কাজ করবে।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ঢাবির আবহাওয়া বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ড. রবিউল আউয়াল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এবং আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. হুমায়ুন কবীর।
এছাড়াও বুয়েট, যুক্তরাষ্ট্রের দুই বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে গবেষকগণ ক্রমবর্ধমান নগর তাপপ্রবাহের চ্যালেঞ্জসমূহ তুলে ধরেন এবং প্রকল্পের উদ্দেশ্য ও প্রত্যাশিত ফলাফল নিয়ে একটি প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, এই গবেষণার মাধ্যমে প্রাপ্ত বৈজ্ঞানিক ফলাফল নীতিনির্ধারক, নগর পরিকল্পনাবিদ এবং জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের জন্য সহায়ক হবে। এটি ঢাকাসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন শহরে আরও ন্যায়সংগত, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জলবায়ু-সহনশীল নগর উন্নয়ন কৌশল প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।




