বেনজীরকে ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে: দুদক

বেনজীরকে ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে: দুদক
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সোমবার (১৫ জুন) গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) মো. আকতারুল ইসলাম।
তিনি বলেন, ইতোমধ্যেই বেনজীর আহমেদকে ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। শিগগিরই আরব আমিরাত সরকারকে অনুরোধ চিঠি পাঠানো হবে।
তিনি আরও বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এই চিঠি পাঠানো হবে। ইতোমধ্যেই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ বিষয়ে কাজ শুরু করেছেন।
এর আগে, গত ১২ জুন লন্ডন থেকে এশিয়ার একটি দেশের উদ্দেশ্যে যাত্রাকালে দুবাই ট্রানজিটে বেনজীরকে গ্রেপ্তার করে দেশটির পুলিশ।
সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে বেনজীর আহমেদের বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের খতিয়ান গণমাধ্যমে আসার পর থেকেই তিনি সপরিবারে আত্মগোপনে চলে যান। ওই বছরের ১৫ ডিসেম্বর দুদকের পক্ষ থেকে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপনের অভিযোগে বেনজীর, তার স্ত্রী ও দুই মেয়ের বিরুদ্ধে পৃথক ৪টি মামলা করা হয়। মামলায় এই পরিবারের বিরুদ্ধে ৭৪ কোটি ১৩ লাখ ৩৯ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং সম্পদের তথ্য গোপন করার অভিযোগ আনা হয়। দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে প্রাথমিকভাবে তাদের পরিবারের প্রায় ৪৩ কোটি ৫০ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদের অকাট্য প্রমাণ মেলে।
পরবর্তীতে, ২০২৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. জাকির হোসেন বেনজীর আহমেদকে গ্রেপ্তারের জন্য ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারির আদেশ দেন।
আদালতের আদেশের পর ওই বছরই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ইন্টারপোলকে চিঠি দেয় দুদক। চিঠিটিতে অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন ও পাসপোর্ট জালিয়াতি মামলা দেখানো হয়। পরে ২০২৫ সালের ১১ এপ্রিল ‘রেড নোটিশ’ জারি করে ইন্টারপোল। এর এক বছর পর গত ১২ জুন বেনজীরকে আটকের কথা সরকারকে জানায় দুবাই কর্তৃপক্ষ।

বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সোমবার (১৫ জুন) গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) মো. আকতারুল ইসলাম।
তিনি বলেন, ইতোমধ্যেই বেনজীর আহমেদকে ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। শিগগিরই আরব আমিরাত সরকারকে অনুরোধ চিঠি পাঠানো হবে।
তিনি আরও বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এই চিঠি পাঠানো হবে। ইতোমধ্যেই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ বিষয়ে কাজ শুরু করেছেন।
এর আগে, গত ১২ জুন লন্ডন থেকে এশিয়ার একটি দেশের উদ্দেশ্যে যাত্রাকালে দুবাই ট্রানজিটে বেনজীরকে গ্রেপ্তার করে দেশটির পুলিশ।
সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে বেনজীর আহমেদের বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের খতিয়ান গণমাধ্যমে আসার পর থেকেই তিনি সপরিবারে আত্মগোপনে চলে যান। ওই বছরের ১৫ ডিসেম্বর দুদকের পক্ষ থেকে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপনের অভিযোগে বেনজীর, তার স্ত্রী ও দুই মেয়ের বিরুদ্ধে পৃথক ৪টি মামলা করা হয়। মামলায় এই পরিবারের বিরুদ্ধে ৭৪ কোটি ১৩ লাখ ৩৯ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং সম্পদের তথ্য গোপন করার অভিযোগ আনা হয়। দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে প্রাথমিকভাবে তাদের পরিবারের প্রায় ৪৩ কোটি ৫০ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদের অকাট্য প্রমাণ মেলে।
পরবর্তীতে, ২০২৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. জাকির হোসেন বেনজীর আহমেদকে গ্রেপ্তারের জন্য ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারির আদেশ দেন।
আদালতের আদেশের পর ওই বছরই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ইন্টারপোলকে চিঠি দেয় দুদক। চিঠিটিতে অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন ও পাসপোর্ট জালিয়াতি মামলা দেখানো হয়। পরে ২০২৫ সালের ১১ এপ্রিল ‘রেড নোটিশ’ জারি করে ইন্টারপোল। এর এক বছর পর গত ১২ জুন বেনজীরকে আটকের কথা সরকারকে জানায় দুবাই কর্তৃপক্ষ।

বেনজীরকে ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে: দুদক
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সোমবার (১৫ জুন) গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) মো. আকতারুল ইসলাম।
তিনি বলেন, ইতোমধ্যেই বেনজীর আহমেদকে ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। শিগগিরই আরব আমিরাত সরকারকে অনুরোধ চিঠি পাঠানো হবে।
তিনি আরও বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এই চিঠি পাঠানো হবে। ইতোমধ্যেই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ বিষয়ে কাজ শুরু করেছেন।
এর আগে, গত ১২ জুন লন্ডন থেকে এশিয়ার একটি দেশের উদ্দেশ্যে যাত্রাকালে দুবাই ট্রানজিটে বেনজীরকে গ্রেপ্তার করে দেশটির পুলিশ।
সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে বেনজীর আহমেদের বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের খতিয়ান গণমাধ্যমে আসার পর থেকেই তিনি সপরিবারে আত্মগোপনে চলে যান। ওই বছরের ১৫ ডিসেম্বর দুদকের পক্ষ থেকে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপনের অভিযোগে বেনজীর, তার স্ত্রী ও দুই মেয়ের বিরুদ্ধে পৃথক ৪টি মামলা করা হয়। মামলায় এই পরিবারের বিরুদ্ধে ৭৪ কোটি ১৩ লাখ ৩৯ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং সম্পদের তথ্য গোপন করার অভিযোগ আনা হয়। দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে প্রাথমিকভাবে তাদের পরিবারের প্রায় ৪৩ কোটি ৫০ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদের অকাট্য প্রমাণ মেলে।
পরবর্তীতে, ২০২৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. জাকির হোসেন বেনজীর আহমেদকে গ্রেপ্তারের জন্য ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারির আদেশ দেন।
আদালতের আদেশের পর ওই বছরই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ইন্টারপোলকে চিঠি দেয় দুদক। চিঠিটিতে অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন ও পাসপোর্ট জালিয়াতি মামলা দেখানো হয়। পরে ২০২৫ সালের ১১ এপ্রিল ‘রেড নোটিশ’ জারি করে ইন্টারপোল। এর এক বছর পর গত ১২ জুন বেনজীরকে আটকের কথা সরকারকে জানায় দুবাই কর্তৃপক্ষ।

সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ গ্রেপ্তার


