রাউজানে যুবদল নেতা হত্যায় ৫ অস্ত্রধারী বিএনপির সঙ্গে ‘জড়িত’

রাউজানে যুবদল নেতা হত্যায় ৫ অস্ত্রধারী বিএনপির সঙ্গে ‘জড়িত’
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

চট্টগ্রামের রাউজানে যুবদল নেতা মাকসুদুল হক চৌধুরী মাসুদ হত্যার ঘটনায় পাঁচ অস্ত্রধারীকে শনাক্ত করেছে পুলিশ। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তাদের মধ্যে তিনজনের হাতে পিস্তল এবং দুইজনের হাতে শটগান ছিল।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাকসুদুল হত্যায় জড়িতরা চট্টগ্রামের ত্রাস হিসেবে পরিচিত বড় সাজ্জাদ বাহিনীর অনুগত রায়হান বাহিনীর সদস্য। রায়হান রাউজানের এমপি গিয়াস কাদের চৌধুরীর অনুগত হিসেবে এলাকায় পরিচিত। রায়হান ও তার লোকজন বিএনপির স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।
শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাকসুদুল হক চৌধুরী মাসুদকে রাউজানের পাহাড়তলী ইউনিয়নের চৌমুহনী বাজার এলাকায় অস্ত্রধারীরা প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ৫ অস্ত্রধারীকে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে। তারা হলেন– রাউজানের কদলপুরের মোহাম্মদ ইলিয়াস ওরফে দামা ইলিয়াস, দিদারুল আলম ওরফে দিদার, রাউজান পৌরসভার ফরেস্ট অফিস এলাকার মোহাম্মদ ইউসুফ, রাউজান সদর ইউনিয়নের পূর্ব রাউজান এলাকার মোহাম্মদ জাহেদ ও মোহাম্মদ আবছার। এর মধ্যে ইলিয়াস ও দিদারুল প্রথমে মাকসুদুলকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। পরে ইউসুফ, জাহেদ ও আবছার দৌড়ে গিয়ে তাকে লক্ষ্য করে আরও কয়েকটি গুলি ছোড়ে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শীর্ষ সন্ত্রাসী রায়হানের বিরুদ্ধে রাউজান, রাঙ্গুনিয়া ও নগরীর বিভিন্ন থানায় ১২টি হত্যাসহ ২৪টি মামলা রয়েছে। তার সহযোগী দামা ইলিয়াসের বিরুদ্ধে ৫টি হত্যাসহ ১৮টি মামলা রয়েছে। ইউসুফের বিরুদ্ধে দুইটি হত্যাসহ ৪টি মামলা রয়েছে রাউজান থানায়। দিদার, জাহেদ ও আবছারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একধিক মামলা রয়েছে।
রাউজানের পূর্বদিকের সীমানায় আছে উঁচু-নিচু দুর্গম পাহাড়। সেসব পাহাড়ে রাউজান ও পার্বত্য এলাকার সন্ত্রাসীদের নিরাপদ আস্তানা রয়েছে।
স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাউজানের পাহাড়তলী, কদলপুর, রাউজান সদর ইউনিয়ন ও পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট-পরবর্তী যত খুন, সংঘর্ষ ও গোলাগুলি হয়েছে, তার বেশির ভাগ ঘটনায় পাহাড় থেকে আসা সন্ত্রাসীরা জড়িত। তারা মিশন শেষ করে আবার পাহাড়ের গোপন আস্তানায় নিরাপদে ফিরে যায়। শনিবার দুপুরে যুবদল নেতা মাকসুদুলকে হত্যার মিশন শেষ করা খুনি চক্রের সদস্যরাও পাহাড়ে ফিরে যায়।
হত্যাকাণ্ডের পেছনে কর্ণফুলী নদী থেকে বালু উত্তোলন ও সংশ্লিষ্ট আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধের বিষয়টি এলাকায় আলোচনায় রয়েছে। স্থানীয়রা জানান, রাঙ্গুনিয়ার বেতাগী বাজার-সংলগ্ন চম্পাতলী ঘাট এলাকায় একটি বালুমহাল নিয়ন্ত্রণ করতেন মাকসুদুল। একই সঙ্গে রাঙ্গুনিয়ার সীমান্তবর্তী রাউজানের বাগোয়ান ইউনিয়নের খেলার ঘাট এলাকায় কর্ণফুলী নদীপাড়ের একটি বালুমহালও নিয়ন্ত্রণ করতেন তিনি।
মাকসুদুলকে হত্যার পর দুইদিন পেরিয়ে গেলেও মামলা হয়নি। চিহ্নিত আসামিরাও গ্রেপ্তার হয়নি।
রাঙ্গুনিয়া-রাউজান সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন বলেন, অস্ত্র হাতে দেখা যাওয়া পাঁচজন বড় সাজ্জাদের অনুসারী রায়হান বাহিনীর সদস্য বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তাদের পরিচয়ও শনাক্ত করা হয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে বিস্তারিত প্রকাশ করা হচ্ছে না। খুনিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাউজানের সংসদ সদস্য গিয়াস কাদের চৌধুরী বলেন, সন্ত্রাসীদের কোনো দল নেই। যারা চাঁদাবাজি করে ও মানুষ খুন করে, তাদের পুলিশ গ্রেপ্তার করছে না কেন? অপরাধী যে দলেরই হোক, তাকে আইনের আওতায় আনা উচিত।

চট্টগ্রামের রাউজানে যুবদল নেতা মাকসুদুল হক চৌধুরী মাসুদ হত্যার ঘটনায় পাঁচ অস্ত্রধারীকে শনাক্ত করেছে পুলিশ। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তাদের মধ্যে তিনজনের হাতে পিস্তল এবং দুইজনের হাতে শটগান ছিল।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাকসুদুল হত্যায় জড়িতরা চট্টগ্রামের ত্রাস হিসেবে পরিচিত বড় সাজ্জাদ বাহিনীর অনুগত রায়হান বাহিনীর সদস্য। রায়হান রাউজানের এমপি গিয়াস কাদের চৌধুরীর অনুগত হিসেবে এলাকায় পরিচিত। রায়হান ও তার লোকজন বিএনপির স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।
শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাকসুদুল হক চৌধুরী মাসুদকে রাউজানের পাহাড়তলী ইউনিয়নের চৌমুহনী বাজার এলাকায় অস্ত্রধারীরা প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ৫ অস্ত্রধারীকে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে। তারা হলেন– রাউজানের কদলপুরের মোহাম্মদ ইলিয়াস ওরফে দামা ইলিয়াস, দিদারুল আলম ওরফে দিদার, রাউজান পৌরসভার ফরেস্ট অফিস এলাকার মোহাম্মদ ইউসুফ, রাউজান সদর ইউনিয়নের পূর্ব রাউজান এলাকার মোহাম্মদ জাহেদ ও মোহাম্মদ আবছার। এর মধ্যে ইলিয়াস ও দিদারুল প্রথমে মাকসুদুলকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। পরে ইউসুফ, জাহেদ ও আবছার দৌড়ে গিয়ে তাকে লক্ষ্য করে আরও কয়েকটি গুলি ছোড়ে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শীর্ষ সন্ত্রাসী রায়হানের বিরুদ্ধে রাউজান, রাঙ্গুনিয়া ও নগরীর বিভিন্ন থানায় ১২টি হত্যাসহ ২৪টি মামলা রয়েছে। তার সহযোগী দামা ইলিয়াসের বিরুদ্ধে ৫টি হত্যাসহ ১৮টি মামলা রয়েছে। ইউসুফের বিরুদ্ধে দুইটি হত্যাসহ ৪টি মামলা রয়েছে রাউজান থানায়। দিদার, জাহেদ ও আবছারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একধিক মামলা রয়েছে।
রাউজানের পূর্বদিকের সীমানায় আছে উঁচু-নিচু দুর্গম পাহাড়। সেসব পাহাড়ে রাউজান ও পার্বত্য এলাকার সন্ত্রাসীদের নিরাপদ আস্তানা রয়েছে।
স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাউজানের পাহাড়তলী, কদলপুর, রাউজান সদর ইউনিয়ন ও পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট-পরবর্তী যত খুন, সংঘর্ষ ও গোলাগুলি হয়েছে, তার বেশির ভাগ ঘটনায় পাহাড় থেকে আসা সন্ত্রাসীরা জড়িত। তারা মিশন শেষ করে আবার পাহাড়ের গোপন আস্তানায় নিরাপদে ফিরে যায়। শনিবার দুপুরে যুবদল নেতা মাকসুদুলকে হত্যার মিশন শেষ করা খুনি চক্রের সদস্যরাও পাহাড়ে ফিরে যায়।
হত্যাকাণ্ডের পেছনে কর্ণফুলী নদী থেকে বালু উত্তোলন ও সংশ্লিষ্ট আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধের বিষয়টি এলাকায় আলোচনায় রয়েছে। স্থানীয়রা জানান, রাঙ্গুনিয়ার বেতাগী বাজার-সংলগ্ন চম্পাতলী ঘাট এলাকায় একটি বালুমহাল নিয়ন্ত্রণ করতেন মাকসুদুল। একই সঙ্গে রাঙ্গুনিয়ার সীমান্তবর্তী রাউজানের বাগোয়ান ইউনিয়নের খেলার ঘাট এলাকায় কর্ণফুলী নদীপাড়ের একটি বালুমহালও নিয়ন্ত্রণ করতেন তিনি।
মাকসুদুলকে হত্যার পর দুইদিন পেরিয়ে গেলেও মামলা হয়নি। চিহ্নিত আসামিরাও গ্রেপ্তার হয়নি।
রাঙ্গুনিয়া-রাউজান সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন বলেন, অস্ত্র হাতে দেখা যাওয়া পাঁচজন বড় সাজ্জাদের অনুসারী রায়হান বাহিনীর সদস্য বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তাদের পরিচয়ও শনাক্ত করা হয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে বিস্তারিত প্রকাশ করা হচ্ছে না। খুনিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাউজানের সংসদ সদস্য গিয়াস কাদের চৌধুরী বলেন, সন্ত্রাসীদের কোনো দল নেই। যারা চাঁদাবাজি করে ও মানুষ খুন করে, তাদের পুলিশ গ্রেপ্তার করছে না কেন? অপরাধী যে দলেরই হোক, তাকে আইনের আওতায় আনা উচিত।

রাউজানে যুবদল নেতা হত্যায় ৫ অস্ত্রধারী বিএনপির সঙ্গে ‘জড়িত’
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

চট্টগ্রামের রাউজানে যুবদল নেতা মাকসুদুল হক চৌধুরী মাসুদ হত্যার ঘটনায় পাঁচ অস্ত্রধারীকে শনাক্ত করেছে পুলিশ। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তাদের মধ্যে তিনজনের হাতে পিস্তল এবং দুইজনের হাতে শটগান ছিল।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাকসুদুল হত্যায় জড়িতরা চট্টগ্রামের ত্রাস হিসেবে পরিচিত বড় সাজ্জাদ বাহিনীর অনুগত রায়হান বাহিনীর সদস্য। রায়হান রাউজানের এমপি গিয়াস কাদের চৌধুরীর অনুগত হিসেবে এলাকায় পরিচিত। রায়হান ও তার লোকজন বিএনপির স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।
শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাকসুদুল হক চৌধুরী মাসুদকে রাউজানের পাহাড়তলী ইউনিয়নের চৌমুহনী বাজার এলাকায় অস্ত্রধারীরা প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ৫ অস্ত্রধারীকে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে। তারা হলেন– রাউজানের কদলপুরের মোহাম্মদ ইলিয়াস ওরফে দামা ইলিয়াস, দিদারুল আলম ওরফে দিদার, রাউজান পৌরসভার ফরেস্ট অফিস এলাকার মোহাম্মদ ইউসুফ, রাউজান সদর ইউনিয়নের পূর্ব রাউজান এলাকার মোহাম্মদ জাহেদ ও মোহাম্মদ আবছার। এর মধ্যে ইলিয়াস ও দিদারুল প্রথমে মাকসুদুলকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। পরে ইউসুফ, জাহেদ ও আবছার দৌড়ে গিয়ে তাকে লক্ষ্য করে আরও কয়েকটি গুলি ছোড়ে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শীর্ষ সন্ত্রাসী রায়হানের বিরুদ্ধে রাউজান, রাঙ্গুনিয়া ও নগরীর বিভিন্ন থানায় ১২টি হত্যাসহ ২৪টি মামলা রয়েছে। তার সহযোগী দামা ইলিয়াসের বিরুদ্ধে ৫টি হত্যাসহ ১৮টি মামলা রয়েছে। ইউসুফের বিরুদ্ধে দুইটি হত্যাসহ ৪টি মামলা রয়েছে রাউজান থানায়। দিদার, জাহেদ ও আবছারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একধিক মামলা রয়েছে।
রাউজানের পূর্বদিকের সীমানায় আছে উঁচু-নিচু দুর্গম পাহাড়। সেসব পাহাড়ে রাউজান ও পার্বত্য এলাকার সন্ত্রাসীদের নিরাপদ আস্তানা রয়েছে।
স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাউজানের পাহাড়তলী, কদলপুর, রাউজান সদর ইউনিয়ন ও পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট-পরবর্তী যত খুন, সংঘর্ষ ও গোলাগুলি হয়েছে, তার বেশির ভাগ ঘটনায় পাহাড় থেকে আসা সন্ত্রাসীরা জড়িত। তারা মিশন শেষ করে আবার পাহাড়ের গোপন আস্তানায় নিরাপদে ফিরে যায়। শনিবার দুপুরে যুবদল নেতা মাকসুদুলকে হত্যার মিশন শেষ করা খুনি চক্রের সদস্যরাও পাহাড়ে ফিরে যায়।
হত্যাকাণ্ডের পেছনে কর্ণফুলী নদী থেকে বালু উত্তোলন ও সংশ্লিষ্ট আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধের বিষয়টি এলাকায় আলোচনায় রয়েছে। স্থানীয়রা জানান, রাঙ্গুনিয়ার বেতাগী বাজার-সংলগ্ন চম্পাতলী ঘাট এলাকায় একটি বালুমহাল নিয়ন্ত্রণ করতেন মাকসুদুল। একই সঙ্গে রাঙ্গুনিয়ার সীমান্তবর্তী রাউজানের বাগোয়ান ইউনিয়নের খেলার ঘাট এলাকায় কর্ণফুলী নদীপাড়ের একটি বালুমহালও নিয়ন্ত্রণ করতেন তিনি।
মাকসুদুলকে হত্যার পর দুইদিন পেরিয়ে গেলেও মামলা হয়নি। চিহ্নিত আসামিরাও গ্রেপ্তার হয়নি।
রাঙ্গুনিয়া-রাউজান সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন বলেন, অস্ত্র হাতে দেখা যাওয়া পাঁচজন বড় সাজ্জাদের অনুসারী রায়হান বাহিনীর সদস্য বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তাদের পরিচয়ও শনাক্ত করা হয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে বিস্তারিত প্রকাশ করা হচ্ছে না। খুনিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাউজানের সংসদ সদস্য গিয়াস কাদের চৌধুরী বলেন, সন্ত্রাসীদের কোনো দল নেই। যারা চাঁদাবাজি করে ও মানুষ খুন করে, তাদের পুলিশ গ্রেপ্তার করছে না কেন? অপরাধী যে দলেরই হোক, তাকে আইনের আওতায় আনা উচিত।

রাউজানে দুর্বৃত্তের গুলিতে যুবদল নেতা খুন


