শিরোনাম

নোবিপ্রবিতে শহীদুল্লা কায়সারের সাহিত্যকর্ম নিয়ে সেমিনার

নোবিপ্রবি সংবাদদাতা
নোবিপ্রবি সংবাদদাতা
নোবিপ্রবিতে শহীদুল্লা কায়সারের সাহিত্যকর্ম নিয়ে সেমিনার
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) শহীদুল্লা কায়সারের সাহিত্যকর্ম বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) শহীদুল্লা কায়সারের সাহিত্যকর্ম বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সোমবার (১৫ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন অডিটোরিয়ামে বাংলা বিভাগের আয়োজনে দুইদিনব্যাপী এ সেমিনারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে সেমিনার উদ্বোধন করেন নোবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী।

উদ্বোধনী বক্তব্যে নোবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, শহীদুল্লা কায়সার এমন একজন সাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক যিনি তার সাহিত্যকর্মের মাধ্যমে আমাদের মাঝে বেঁচে আছেন। তার অন্যতম সাহিত্যকর্মের মধ্যে রয়েছে সংশপ্তক, সারেং বউ ইত্যাদি। সারেং বউ চলচ্চিত্রে একজন জেলের জীবনের ঘটনা এবং একজন নারীর সংগ্রামী জীবন ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। পাশাপাশি সংশপ্তক নাটকে মোড়ল শ্রেণির লোক দ্বারা কীভাবে মানুষ শোষিত হচ্ছে তা দেখানো হয়েছে। তিনি তার বিভিন্ন লেখনীর মাধ্যমে শোষক ও শোষিত শ্রেণির চিত্র তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন।

এ সময় তিনি আরও বলেন, অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য যে, আমাদের তার জন্ম তারিখ জানা থাকলেও মৃত্যুর কোনো তারিখ আমাদের জানা নেই। আজকের এই দিনে আমরা তাঁকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি। আমরা তার বিভিন্ন লেখনীর মাধ্যমে তাঁকে জানার চেষ্টা করবো।

বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান ড. মাসুদ রহমানের সভাপতিত্বে সেমিনারে আলোচক হিসেবে ছিলেন বাংলা অ্যাকাডেমির ফোকলোর, জাদুঘর ও মহাফেজখানার পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) ড. তপন বাগচি, নোবিপ্রবি ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান ড. শিরিন আক্তার, বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. শুভেন্দু সাহা। নোবিপ্রবি বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সাদিকা পারভীন তামান্নার সঞ্চালনায় সেমিনারে প্রাবন্ধিক হিসেবে ছিলেন বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তিথি দেবনাথ। সেমিনারে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বাংলা অ্যাকাডেমির অভিধান ও বিশ্বকোশ উপবিভাগের সহকারী সম্পাদক রাজীব কুমার সাহা।

উল্লেখ্য, সেমিনারে নোবিপ্রবির বাংলা বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

/এমআর/