শিশুদের মৃত্যুর কারণ নিয়ে আদ-দ্বীন কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

শিশুদের মৃত্যুর কারণ নিয়ে আদ-দ্বীন কর্তৃপক্ষের বক্তব্য
নিজস্ব প্রতিবেদক

ছয় শিশু মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে আদ-দ্বীন ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ডা. শেখ মহিউদ্দিন বলেছেন, ‘আমাদের কাছে মৃত্যুর কারণ জানা নেই।’ সোমবার বিকালে (১৫ জুন) রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ-দ্বীন মেডিকেল হাসপাতালে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
ডা. শেখ মহিউদ্দিন বলেন, যদি ভেন্টিলেশনের বিষয়টি নিয়ে বলি, তাহলে আমরা যখন এর কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়েছি, তখন দেখেছি যে, ভেন্টিলেশনের ক্ষেত্রে কার্বন ডাই-অক্সাইডের যে মাত্রা থাকার কথা, সেই মাত্রা নিয়েই এখনো এক্সপার্টদের মধ্যে আলোচনা রয়েছে। যারা এক্সপার্ট, তারা মনে করেন না যে এই কারণেই শিশুদের মৃত্যু হয়েছে।
শিশু মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে আপনাদের কাছে কী কারণ আছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে কারণ জানা নেই।’
আদ-দ্বীন ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক বলেন, আমরা এখনও মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ নির্ণয় করতে পারিনি। একটি শিশুর মৃত্যুর কারণ নির্ধারণ করতে শুধু পোস্টমর্টেমই যথেষ্ট নয়। উন্নত দেশগুলোতে এ ধরনের ঘটনার ক্ষেত্রে আরও অনেক ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। মৃত্যুর পর বিভিন্ন ধরনের ফরেনসিক পরীক্ষা রয়েছে, যেগুলোর মাধ্যমে প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান করা হয়। আমাদের দেশে সাধারণত পোস্টমর্টেমের মধ্যেই বিষয়টি সীমাবদ্ধ থাকে, কিন্তু বিদেশে এ ধরনের ঘটনার ক্ষেত্রে আরও বিস্তৃত ও দীর্ঘমেয়াদি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। এসব পরীক্ষা অত্যন্ত ব্যয়বহুল হলেও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে সহায়তা করে। এক দিনে এতগুলো শিশুর মৃত্যু অত্যন্ত গুরুতর এবং জাতীয় গুরুত্বের একটি বিষয়। এটি একটি রাষ্ট্রীয় বিষয় হিসেবেই বিবেচিত হওয়া উচিত।
সরকারি রিপোর্ট কি তাহলে ভুল বলছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আসলে উনারা (সরকার) যেটা বলতে চেয়েছেন, আকার-ইঙ্গিতে বুঝাতে চেয়েছেন, সুনির্দিষ্টভাবে বা স্পেসিফিকভাবে না, তারা যেটা বোঝাতে চেয়েছেন, ভেন্টিলেশন কম থাকার ফলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছিল এবং সেই কারণেই হয়ত বাচ্চারা মারা গিয়েছে।

হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল নিয়ে যা বললেন
হাসপাতালের লাইসেন্সের বিষয়ে ডা. শেখ মহিউদ্দিন বলেন, হাসপাতালের বিভিন্ন সংস্কার কাজ করেছি। এসময় সরকার কি কোনো আশ্বাস দিয়েছে যে এসব কাজ করলে লাইসেন্স ফিরে পাবেন? আর যদি কাজগুলো করতেই হয়, তাহলে আগে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয়নি কেন—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, না, এমন কোনো আশ্বাসের ব্যাপার নেই। এটা আমাদের চলমান। আর আগে মনে হয়নি—এটা আমি বলব না। আমরা কিছু কাজ আগেই শুরু করেছিলাম।
আপনারা যে পরিবর্তনগুলো করছেন, সেগুলো কি সরকারের নির্দেশনায় হচ্ছে কিনা জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, সরকার আমাদের একটা রিপোর্ট দিয়েছে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই আমাদের লাইসেন্স বাতিল হয়েছে। আমরা রিপোর্টে উল্লিখিত সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের চেষ্টা করছি। এ জন্য নিজস্ব এক্সপার্ট কমিটি গঠন করেছি।
মন্ত্রীর পেছনে টাকা নিয়ে ঘুরিনি
মন্ত্রীকে ঘুষ দিয়ে চেয়েছেন কিনা এমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি তার পেছনে টাকা নিয়ে কেন ঘুরবো? আমি মন্ত্রীর পেছনে কোনো টাকা নিয়ে ঘুরিনি।
আপিলের ব্যাপারে যা বললেন
আপনারা ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করবেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, হ্যাঁ, ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করার কথা রয়েছে। আমাদের আবেদনপত্র প্রস্তুত হয়েছে। আশা করছি আগামীকালই আবেদন করা হবে।
আজ হাইকোর্টে যে রিট হয়েছে, সেটি কি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ করেছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, না, আমরা কোনো রিট করিনি। কেউ হয়ত জনস্বার্থে বা ব্যক্তিগত উদ্যোগে করে থাকতে পারেন।
শেখ মহিউদ্দিন সংবাদ সম্মেলনে বলেন, এক্সপার্ট টিমের মতামতের ভিত্তিতে আমরা প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের কাজ শুরু করেছি। আমাদের পরামর্শক দলে রয়েছেন একজন বুয়েট ইঞ্জিনিয়ার, একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার এবং একজন কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার। তাদের পর্যবেক্ষণে মূল উদ্বেগের বিষয় ছিল ভেন্টিলেশন এবং কার্বন ডাই-অক্সাইডের মাত্রা। এই বিষয়টি সমাধানের জন্য আমরা কার্বন ডাই-অক্সাইড, কার্বন মনোক্সাইড এবং অক্সিজেন পরিমাপের যন্ত্র কিনেছি। এসব যন্ত্রের মাধ্যমে আমাদের প্রতিটি রুম পরীক্ষা করা হচ্ছে। পরীক্ষায় দেখা গেছে, কোনো রুমেই উল্লেখযোগ্য ডেভিয়েশন নেই। তবে বাইরের বায়ুমণ্ডলের কার্বন ডাই-অক্সাইড লেভেলের তুলনায় ভেতরের লেভেল কিছুটা বেশি, যা সাধারণ বাসাবাড়িতেও দেখা যায়। তবে এটি গ্রহণযোগ্য মাত্রার বাইরে নয়। তারপরও আমরা চেষ্টা করছি যেন কার্বন ডাই-অক্সাইডের মাত্রা বাইরের এটমোসফেরিক লেভেলের কাছাকাছি আনা যায়, যাতে কমফোর্ট লেভেল আরও বৃদ্ধি পায়।
তিনি বলেন, প্রতিটি ইঞ্জিনিয়ারের পরামর্শ অনুযায়ী আমরা প্রতিটি রুমে পজিটিভ এয়ার প্রেসার দিচ্ছি, যাতে কার্বন ডাই-অক্সাইড দ্রুত বের হয়ে যায়। ইতোমধ্যে আমরা শিশু ওয়ার্ডসহ আরও কয়েকটি ওয়ার্ডের কাজ শেষ করেছি। যে ওয়ার্ডটি কর্তৃপক্ষ সিলগালা করেছে, সেটির চাবিও আমরা চেয়েছি। আজ তারা জানিয়েছেন যে আমরা আবেদন করলে তারা বিষয়টি বিবেচনা করবেন। আমাদের পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়েছে এবং আশা করছি আগামীকাল চাবি পাওয়া যাবে। এরপর ওই অংশের কাজও সম্পন্ন করা হবে।
হাসপাতালটির নির্বাহী পরিচালক বলেন, আমাদের ওপরের তলায় যে বেকারি ছিল, সেটি নিয়ে। আপনারা জানেন, বেকারির লাইসেন্স সংক্রান্ত কোনো সমস্যা ছিল না। তারপরও যেহেতু সরকারের আপত্তি রয়েছে, আমরা আপাতত বেকারিটি বন্ধ করে দিয়েছি। বেকারিটিকে অন্য জায়গায় স্থানান্তরের কাজও শুরু হয়েছে। আপাতত কোনো অস্থায়ী জায়গা পাওয়া গেলে সেখানে নেওয়া হবে, অন্যথায় স্থায়ী জায়গা প্রস্তুত হলে সেখানে স্থানান্তর করা হবে।৭২ ঘণ্টার মধ্যে রোগী সরানোর বিষয়ে তিনি বলেন, ৭২ ঘণ্টার বিষয়ে বলতে গেলে, আমাদেরকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে স্থানত্যাগের কোনো নির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। ‘৭২ ঘণ্টা’ শব্দটি বলা হয়নি; বরং যত দ্রুত সম্ভব সমস্যার সমাধান করতে বলা হয়েছে। আমরা রোগীদের বলেছি, আপনারা দ্রুত এখান থেকে অন্যত্র চলে যান। আমরা নতুন কোনো বড় রোগীও ভর্তি করিনি। তবে কিছু রোগী আছে, বিশেষ করে আমাদের এনআইসিইউতে, যারা অত্যন্ত সংকটাপন্ন অবস্থায় রয়েছে। তাদেরকে স্থানান্তর করতে গেলে মৃত্যুঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এই কারণেই আমরা জোর করে তাদের সরিয়ে দিইনি। রোগীদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করেই আমরা ধীরে ধীরে স্থানান্তরের প্রক্রিয়া পরিচালনা করছি।

সরেজমিন
হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, অনেক রোগী চিকিৎসা নিতে এসে আবার ফিরেও গেছেন।
রাজধানীর লালবাগ এলাকা থেকে এসেছেন মো. জাবেদ। জরুরি বিভাগে ডাক্তার দেখাতে এসেছেন তিনি। হাসপাতালে এসে দেখেন সবকিছু বন্ধ। হাসপাতালের একজন কর্মচারী জাবেদকে উদ্দেশ্য করে বলেন, হাসপাতালের চিকিৎসা বন্ধ রয়েছে। জরুরি বিভাগও বন্ধ।
এসময় জাবেদ সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল হয়েছে সেটা জানি। তবে, চিকিৎসা কার্যক্রম বন্ধ যে, তা জানি না। এরপর তাকে হাসপাতাল ত্যাগ করতে দেখা গেছে।
জাবেদের মতো আরও কয়েকজনকেও হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে ফিরে যেতে দেখা গেছে।
এদিকে হাসপাতালে প্রবেশ করে দেখা যায়, হাসপাতালের কর্মচারীরা কেউ বসে আছে, কেউ বা আবার হাঁটাচলা করছেন। হাসপাতালের এম্বুলেন্সগুলোও সারিবদ্ধভাবে রাখা হয়েছে।

ছয় শিশু মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে আদ-দ্বীন ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ডা. শেখ মহিউদ্দিন বলেছেন, ‘আমাদের কাছে মৃত্যুর কারণ জানা নেই।’ সোমবার বিকালে (১৫ জুন) রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ-দ্বীন মেডিকেল হাসপাতালে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
ডা. শেখ মহিউদ্দিন বলেন, যদি ভেন্টিলেশনের বিষয়টি নিয়ে বলি, তাহলে আমরা যখন এর কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়েছি, তখন দেখেছি যে, ভেন্টিলেশনের ক্ষেত্রে কার্বন ডাই-অক্সাইডের যে মাত্রা থাকার কথা, সেই মাত্রা নিয়েই এখনো এক্সপার্টদের মধ্যে আলোচনা রয়েছে। যারা এক্সপার্ট, তারা মনে করেন না যে এই কারণেই শিশুদের মৃত্যু হয়েছে।
শিশু মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে আপনাদের কাছে কী কারণ আছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে কারণ জানা নেই।’
আদ-দ্বীন ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক বলেন, আমরা এখনও মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ নির্ণয় করতে পারিনি। একটি শিশুর মৃত্যুর কারণ নির্ধারণ করতে শুধু পোস্টমর্টেমই যথেষ্ট নয়। উন্নত দেশগুলোতে এ ধরনের ঘটনার ক্ষেত্রে আরও অনেক ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। মৃত্যুর পর বিভিন্ন ধরনের ফরেনসিক পরীক্ষা রয়েছে, যেগুলোর মাধ্যমে প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান করা হয়। আমাদের দেশে সাধারণত পোস্টমর্টেমের মধ্যেই বিষয়টি সীমাবদ্ধ থাকে, কিন্তু বিদেশে এ ধরনের ঘটনার ক্ষেত্রে আরও বিস্তৃত ও দীর্ঘমেয়াদি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। এসব পরীক্ষা অত্যন্ত ব্যয়বহুল হলেও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে সহায়তা করে। এক দিনে এতগুলো শিশুর মৃত্যু অত্যন্ত গুরুতর এবং জাতীয় গুরুত্বের একটি বিষয়। এটি একটি রাষ্ট্রীয় বিষয় হিসেবেই বিবেচিত হওয়া উচিত।
সরকারি রিপোর্ট কি তাহলে ভুল বলছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আসলে উনারা (সরকার) যেটা বলতে চেয়েছেন, আকার-ইঙ্গিতে বুঝাতে চেয়েছেন, সুনির্দিষ্টভাবে বা স্পেসিফিকভাবে না, তারা যেটা বোঝাতে চেয়েছেন, ভেন্টিলেশন কম থাকার ফলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছিল এবং সেই কারণেই হয়ত বাচ্চারা মারা গিয়েছে।

হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল নিয়ে যা বললেন
হাসপাতালের লাইসেন্সের বিষয়ে ডা. শেখ মহিউদ্দিন বলেন, হাসপাতালের বিভিন্ন সংস্কার কাজ করেছি। এসময় সরকার কি কোনো আশ্বাস দিয়েছে যে এসব কাজ করলে লাইসেন্স ফিরে পাবেন? আর যদি কাজগুলো করতেই হয়, তাহলে আগে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয়নি কেন—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, না, এমন কোনো আশ্বাসের ব্যাপার নেই। এটা আমাদের চলমান। আর আগে মনে হয়নি—এটা আমি বলব না। আমরা কিছু কাজ আগেই শুরু করেছিলাম।
আপনারা যে পরিবর্তনগুলো করছেন, সেগুলো কি সরকারের নির্দেশনায় হচ্ছে কিনা জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, সরকার আমাদের একটা রিপোর্ট দিয়েছে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই আমাদের লাইসেন্স বাতিল হয়েছে। আমরা রিপোর্টে উল্লিখিত সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের চেষ্টা করছি। এ জন্য নিজস্ব এক্সপার্ট কমিটি গঠন করেছি।
মন্ত্রীর পেছনে টাকা নিয়ে ঘুরিনি
মন্ত্রীকে ঘুষ দিয়ে চেয়েছেন কিনা এমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি তার পেছনে টাকা নিয়ে কেন ঘুরবো? আমি মন্ত্রীর পেছনে কোনো টাকা নিয়ে ঘুরিনি।
আপিলের ব্যাপারে যা বললেন
আপনারা ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করবেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, হ্যাঁ, ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করার কথা রয়েছে। আমাদের আবেদনপত্র প্রস্তুত হয়েছে। আশা করছি আগামীকালই আবেদন করা হবে।
আজ হাইকোর্টে যে রিট হয়েছে, সেটি কি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ করেছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, না, আমরা কোনো রিট করিনি। কেউ হয়ত জনস্বার্থে বা ব্যক্তিগত উদ্যোগে করে থাকতে পারেন।
শেখ মহিউদ্দিন সংবাদ সম্মেলনে বলেন, এক্সপার্ট টিমের মতামতের ভিত্তিতে আমরা প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের কাজ শুরু করেছি। আমাদের পরামর্শক দলে রয়েছেন একজন বুয়েট ইঞ্জিনিয়ার, একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার এবং একজন কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার। তাদের পর্যবেক্ষণে মূল উদ্বেগের বিষয় ছিল ভেন্টিলেশন এবং কার্বন ডাই-অক্সাইডের মাত্রা। এই বিষয়টি সমাধানের জন্য আমরা কার্বন ডাই-অক্সাইড, কার্বন মনোক্সাইড এবং অক্সিজেন পরিমাপের যন্ত্র কিনেছি। এসব যন্ত্রের মাধ্যমে আমাদের প্রতিটি রুম পরীক্ষা করা হচ্ছে। পরীক্ষায় দেখা গেছে, কোনো রুমেই উল্লেখযোগ্য ডেভিয়েশন নেই। তবে বাইরের বায়ুমণ্ডলের কার্বন ডাই-অক্সাইড লেভেলের তুলনায় ভেতরের লেভেল কিছুটা বেশি, যা সাধারণ বাসাবাড়িতেও দেখা যায়। তবে এটি গ্রহণযোগ্য মাত্রার বাইরে নয়। তারপরও আমরা চেষ্টা করছি যেন কার্বন ডাই-অক্সাইডের মাত্রা বাইরের এটমোসফেরিক লেভেলের কাছাকাছি আনা যায়, যাতে কমফোর্ট লেভেল আরও বৃদ্ধি পায়।
তিনি বলেন, প্রতিটি ইঞ্জিনিয়ারের পরামর্শ অনুযায়ী আমরা প্রতিটি রুমে পজিটিভ এয়ার প্রেসার দিচ্ছি, যাতে কার্বন ডাই-অক্সাইড দ্রুত বের হয়ে যায়। ইতোমধ্যে আমরা শিশু ওয়ার্ডসহ আরও কয়েকটি ওয়ার্ডের কাজ শেষ করেছি। যে ওয়ার্ডটি কর্তৃপক্ষ সিলগালা করেছে, সেটির চাবিও আমরা চেয়েছি। আজ তারা জানিয়েছেন যে আমরা আবেদন করলে তারা বিষয়টি বিবেচনা করবেন। আমাদের পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়েছে এবং আশা করছি আগামীকাল চাবি পাওয়া যাবে। এরপর ওই অংশের কাজও সম্পন্ন করা হবে।
হাসপাতালটির নির্বাহী পরিচালক বলেন, আমাদের ওপরের তলায় যে বেকারি ছিল, সেটি নিয়ে। আপনারা জানেন, বেকারির লাইসেন্স সংক্রান্ত কোনো সমস্যা ছিল না। তারপরও যেহেতু সরকারের আপত্তি রয়েছে, আমরা আপাতত বেকারিটি বন্ধ করে দিয়েছি। বেকারিটিকে অন্য জায়গায় স্থানান্তরের কাজও শুরু হয়েছে। আপাতত কোনো অস্থায়ী জায়গা পাওয়া গেলে সেখানে নেওয়া হবে, অন্যথায় স্থায়ী জায়গা প্রস্তুত হলে সেখানে স্থানান্তর করা হবে।৭২ ঘণ্টার মধ্যে রোগী সরানোর বিষয়ে তিনি বলেন, ৭২ ঘণ্টার বিষয়ে বলতে গেলে, আমাদেরকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে স্থানত্যাগের কোনো নির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। ‘৭২ ঘণ্টা’ শব্দটি বলা হয়নি; বরং যত দ্রুত সম্ভব সমস্যার সমাধান করতে বলা হয়েছে। আমরা রোগীদের বলেছি, আপনারা দ্রুত এখান থেকে অন্যত্র চলে যান। আমরা নতুন কোনো বড় রোগীও ভর্তি করিনি। তবে কিছু রোগী আছে, বিশেষ করে আমাদের এনআইসিইউতে, যারা অত্যন্ত সংকটাপন্ন অবস্থায় রয়েছে। তাদেরকে স্থানান্তর করতে গেলে মৃত্যুঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এই কারণেই আমরা জোর করে তাদের সরিয়ে দিইনি। রোগীদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করেই আমরা ধীরে ধীরে স্থানান্তরের প্রক্রিয়া পরিচালনা করছি।

সরেজমিন
হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, অনেক রোগী চিকিৎসা নিতে এসে আবার ফিরেও গেছেন।
রাজধানীর লালবাগ এলাকা থেকে এসেছেন মো. জাবেদ। জরুরি বিভাগে ডাক্তার দেখাতে এসেছেন তিনি। হাসপাতালে এসে দেখেন সবকিছু বন্ধ। হাসপাতালের একজন কর্মচারী জাবেদকে উদ্দেশ্য করে বলেন, হাসপাতালের চিকিৎসা বন্ধ রয়েছে। জরুরি বিভাগও বন্ধ।
এসময় জাবেদ সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল হয়েছে সেটা জানি। তবে, চিকিৎসা কার্যক্রম বন্ধ যে, তা জানি না। এরপর তাকে হাসপাতাল ত্যাগ করতে দেখা গেছে।
জাবেদের মতো আরও কয়েকজনকেও হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে ফিরে যেতে দেখা গেছে।
এদিকে হাসপাতালে প্রবেশ করে দেখা যায়, হাসপাতালের কর্মচারীরা কেউ বসে আছে, কেউ বা আবার হাঁটাচলা করছেন। হাসপাতালের এম্বুলেন্সগুলোও সারিবদ্ধভাবে রাখা হয়েছে।

শিশুদের মৃত্যুর কারণ নিয়ে আদ-দ্বীন কর্তৃপক্ষের বক্তব্য
নিজস্ব প্রতিবেদক

ছয় শিশু মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে আদ-দ্বীন ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ডা. শেখ মহিউদ্দিন বলেছেন, ‘আমাদের কাছে মৃত্যুর কারণ জানা নেই।’ সোমবার বিকালে (১৫ জুন) রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ-দ্বীন মেডিকেল হাসপাতালে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
ডা. শেখ মহিউদ্দিন বলেন, যদি ভেন্টিলেশনের বিষয়টি নিয়ে বলি, তাহলে আমরা যখন এর কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়েছি, তখন দেখেছি যে, ভেন্টিলেশনের ক্ষেত্রে কার্বন ডাই-অক্সাইডের যে মাত্রা থাকার কথা, সেই মাত্রা নিয়েই এখনো এক্সপার্টদের মধ্যে আলোচনা রয়েছে। যারা এক্সপার্ট, তারা মনে করেন না যে এই কারণেই শিশুদের মৃত্যু হয়েছে।
শিশু মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে আপনাদের কাছে কী কারণ আছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে কারণ জানা নেই।’
আদ-দ্বীন ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক বলেন, আমরা এখনও মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ নির্ণয় করতে পারিনি। একটি শিশুর মৃত্যুর কারণ নির্ধারণ করতে শুধু পোস্টমর্টেমই যথেষ্ট নয়। উন্নত দেশগুলোতে এ ধরনের ঘটনার ক্ষেত্রে আরও অনেক ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। মৃত্যুর পর বিভিন্ন ধরনের ফরেনসিক পরীক্ষা রয়েছে, যেগুলোর মাধ্যমে প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান করা হয়। আমাদের দেশে সাধারণত পোস্টমর্টেমের মধ্যেই বিষয়টি সীমাবদ্ধ থাকে, কিন্তু বিদেশে এ ধরনের ঘটনার ক্ষেত্রে আরও বিস্তৃত ও দীর্ঘমেয়াদি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। এসব পরীক্ষা অত্যন্ত ব্যয়বহুল হলেও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে সহায়তা করে। এক দিনে এতগুলো শিশুর মৃত্যু অত্যন্ত গুরুতর এবং জাতীয় গুরুত্বের একটি বিষয়। এটি একটি রাষ্ট্রীয় বিষয় হিসেবেই বিবেচিত হওয়া উচিত।
সরকারি রিপোর্ট কি তাহলে ভুল বলছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আসলে উনারা (সরকার) যেটা বলতে চেয়েছেন, আকার-ইঙ্গিতে বুঝাতে চেয়েছেন, সুনির্দিষ্টভাবে বা স্পেসিফিকভাবে না, তারা যেটা বোঝাতে চেয়েছেন, ভেন্টিলেশন কম থাকার ফলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছিল এবং সেই কারণেই হয়ত বাচ্চারা মারা গিয়েছে।

হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল নিয়ে যা বললেন
হাসপাতালের লাইসেন্সের বিষয়ে ডা. শেখ মহিউদ্দিন বলেন, হাসপাতালের বিভিন্ন সংস্কার কাজ করেছি। এসময় সরকার কি কোনো আশ্বাস দিয়েছে যে এসব কাজ করলে লাইসেন্স ফিরে পাবেন? আর যদি কাজগুলো করতেই হয়, তাহলে আগে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয়নি কেন—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, না, এমন কোনো আশ্বাসের ব্যাপার নেই। এটা আমাদের চলমান। আর আগে মনে হয়নি—এটা আমি বলব না। আমরা কিছু কাজ আগেই শুরু করেছিলাম।
আপনারা যে পরিবর্তনগুলো করছেন, সেগুলো কি সরকারের নির্দেশনায় হচ্ছে কিনা জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, সরকার আমাদের একটা রিপোর্ট দিয়েছে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই আমাদের লাইসেন্স বাতিল হয়েছে। আমরা রিপোর্টে উল্লিখিত সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের চেষ্টা করছি। এ জন্য নিজস্ব এক্সপার্ট কমিটি গঠন করেছি।
মন্ত্রীর পেছনে টাকা নিয়ে ঘুরিনি
মন্ত্রীকে ঘুষ দিয়ে চেয়েছেন কিনা এমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি তার পেছনে টাকা নিয়ে কেন ঘুরবো? আমি মন্ত্রীর পেছনে কোনো টাকা নিয়ে ঘুরিনি।
আপিলের ব্যাপারে যা বললেন
আপনারা ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করবেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, হ্যাঁ, ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করার কথা রয়েছে। আমাদের আবেদনপত্র প্রস্তুত হয়েছে। আশা করছি আগামীকালই আবেদন করা হবে।
আজ হাইকোর্টে যে রিট হয়েছে, সেটি কি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ করেছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, না, আমরা কোনো রিট করিনি। কেউ হয়ত জনস্বার্থে বা ব্যক্তিগত উদ্যোগে করে থাকতে পারেন।
শেখ মহিউদ্দিন সংবাদ সম্মেলনে বলেন, এক্সপার্ট টিমের মতামতের ভিত্তিতে আমরা প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের কাজ শুরু করেছি। আমাদের পরামর্শক দলে রয়েছেন একজন বুয়েট ইঞ্জিনিয়ার, একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার এবং একজন কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার। তাদের পর্যবেক্ষণে মূল উদ্বেগের বিষয় ছিল ভেন্টিলেশন এবং কার্বন ডাই-অক্সাইডের মাত্রা। এই বিষয়টি সমাধানের জন্য আমরা কার্বন ডাই-অক্সাইড, কার্বন মনোক্সাইড এবং অক্সিজেন পরিমাপের যন্ত্র কিনেছি। এসব যন্ত্রের মাধ্যমে আমাদের প্রতিটি রুম পরীক্ষা করা হচ্ছে। পরীক্ষায় দেখা গেছে, কোনো রুমেই উল্লেখযোগ্য ডেভিয়েশন নেই। তবে বাইরের বায়ুমণ্ডলের কার্বন ডাই-অক্সাইড লেভেলের তুলনায় ভেতরের লেভেল কিছুটা বেশি, যা সাধারণ বাসাবাড়িতেও দেখা যায়। তবে এটি গ্রহণযোগ্য মাত্রার বাইরে নয়। তারপরও আমরা চেষ্টা করছি যেন কার্বন ডাই-অক্সাইডের মাত্রা বাইরের এটমোসফেরিক লেভেলের কাছাকাছি আনা যায়, যাতে কমফোর্ট লেভেল আরও বৃদ্ধি পায়।
তিনি বলেন, প্রতিটি ইঞ্জিনিয়ারের পরামর্শ অনুযায়ী আমরা প্রতিটি রুমে পজিটিভ এয়ার প্রেসার দিচ্ছি, যাতে কার্বন ডাই-অক্সাইড দ্রুত বের হয়ে যায়। ইতোমধ্যে আমরা শিশু ওয়ার্ডসহ আরও কয়েকটি ওয়ার্ডের কাজ শেষ করেছি। যে ওয়ার্ডটি কর্তৃপক্ষ সিলগালা করেছে, সেটির চাবিও আমরা চেয়েছি। আজ তারা জানিয়েছেন যে আমরা আবেদন করলে তারা বিষয়টি বিবেচনা করবেন। আমাদের পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়েছে এবং আশা করছি আগামীকাল চাবি পাওয়া যাবে। এরপর ওই অংশের কাজও সম্পন্ন করা হবে।
হাসপাতালটির নির্বাহী পরিচালক বলেন, আমাদের ওপরের তলায় যে বেকারি ছিল, সেটি নিয়ে। আপনারা জানেন, বেকারির লাইসেন্স সংক্রান্ত কোনো সমস্যা ছিল না। তারপরও যেহেতু সরকারের আপত্তি রয়েছে, আমরা আপাতত বেকারিটি বন্ধ করে দিয়েছি। বেকারিটিকে অন্য জায়গায় স্থানান্তরের কাজও শুরু হয়েছে। আপাতত কোনো অস্থায়ী জায়গা পাওয়া গেলে সেখানে নেওয়া হবে, অন্যথায় স্থায়ী জায়গা প্রস্তুত হলে সেখানে স্থানান্তর করা হবে।৭২ ঘণ্টার মধ্যে রোগী সরানোর বিষয়ে তিনি বলেন, ৭২ ঘণ্টার বিষয়ে বলতে গেলে, আমাদেরকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে স্থানত্যাগের কোনো নির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। ‘৭২ ঘণ্টা’ শব্দটি বলা হয়নি; বরং যত দ্রুত সম্ভব সমস্যার সমাধান করতে বলা হয়েছে। আমরা রোগীদের বলেছি, আপনারা দ্রুত এখান থেকে অন্যত্র চলে যান। আমরা নতুন কোনো বড় রোগীও ভর্তি করিনি। তবে কিছু রোগী আছে, বিশেষ করে আমাদের এনআইসিইউতে, যারা অত্যন্ত সংকটাপন্ন অবস্থায় রয়েছে। তাদেরকে স্থানান্তর করতে গেলে মৃত্যুঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এই কারণেই আমরা জোর করে তাদের সরিয়ে দিইনি। রোগীদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করেই আমরা ধীরে ধীরে স্থানান্তরের প্রক্রিয়া পরিচালনা করছি।

সরেজমিন
হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, অনেক রোগী চিকিৎসা নিতে এসে আবার ফিরেও গেছেন।
রাজধানীর লালবাগ এলাকা থেকে এসেছেন মো. জাবেদ। জরুরি বিভাগে ডাক্তার দেখাতে এসেছেন তিনি। হাসপাতালে এসে দেখেন সবকিছু বন্ধ। হাসপাতালের একজন কর্মচারী জাবেদকে উদ্দেশ্য করে বলেন, হাসপাতালের চিকিৎসা বন্ধ রয়েছে। জরুরি বিভাগও বন্ধ।
এসময় জাবেদ সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল হয়েছে সেটা জানি। তবে, চিকিৎসা কার্যক্রম বন্ধ যে, তা জানি না। এরপর তাকে হাসপাতাল ত্যাগ করতে দেখা গেছে।
জাবেদের মতো আরও কয়েকজনকেও হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে ফিরে যেতে দেখা গেছে।
এদিকে হাসপাতালে প্রবেশ করে দেখা যায়, হাসপাতালের কর্মচারীরা কেউ বসে আছে, কেউ বা আবার হাঁটাচলা করছেন। হাসপাতালের এম্বুলেন্সগুলোও সারিবদ্ধভাবে রাখা হয়েছে।




