নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের বাংলো ও গাড়ি বরাদ্দের প্রক্রিয়া শুরু

নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের বাংলো ও গাড়ি বরাদ্দের প্রক্রিয়া শুরু
আয়নাল হোসেন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের মন্ত্রিসভার সদস্যদের বাংলো বরাদ্দ দেওয়ার দাপ্তরিক কাজ শুরু হয়েছে। এ ছাড়া মন্ত্রীসভার সদস্যদের শপথ এবং পরবর্তীতে তাদের গাড়ি বরাদ্দের দাপ্তরিক প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ, গণপূর্ত অধিদপ্তর ও পরিবহন পুল সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচন শেষ হওয়ার পর থেকেই নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের বরণের প্রস্তুতি চলছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সরকার গঠন ও রাষ্ট্রাচার অধিশাখা থেকে জানানো হয়, নির্বাচনের পর প্রথম কাজ হচ্ছে সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ানো। এরপর মন্ত্রীসভা গঠন হলে তাদের শপথ নেওয়ার স্থান নির্ধারণের কাজ শুরু হবে।
আবাসন পরিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে সরকারের বাংলো বাড়ি রয়েছে ৭৯টি। এসব বাড়িতে সাধারণত মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, প্রধান বিচারপতি, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, ঢাকা জেলা প্রশাসক এবং পুলিশ সুপারের পরিবারের থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের মন্ত্রিসভার সদস্যদের জন্য বাংলো বাড়ি বরাদ্দের জন্য দাপ্তারিক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। তবে কে কোন দপ্তর পেলেন তার ভিত্তিতে নির্ধারিত বাংলো বাড়ি বরাদ্দ দেওয়া হবে।
জানতে চাইলে গণপূর্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম সিটিজেন জার্নালকে বলেন, মন্ত্রীদের জন্য বাংলোগুলো বরাদ্দের দপ্তরিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বর্তমানে বাংলোগুলোতে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা রয়েছেন। সেগুলো খালি হওয়ার পর মেরামতের কাজ শুরু হবে।
এদিকে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের জন্য গাড়িও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরের পরিবহন কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) মো. খায়রুল কবীর মেনন সিটিজেন জার্নালকে বলেন, ‘গাড়ি বরাদ্দ দেওয়ার জন্য আমরা প্রস্তুত আছি।’
দুই দশক পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি এককভাবে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। সংসদ সদস্যদের শপথ শেষ হলেই শুরু হবে নতুন মন্ত্রিসভা গঠন। সেখানে কারা কারা স্থান পাবেন, তা নিয়ে মানুষের ব্যাপক আগ্রহ রয়েছে। তবে সবকিছু নির্ভর করছে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ওপর। তিনি মন্ত্রিসভার সদস্যসংখ্যা নির্ধারণ করবেন। এ সবকিছুই হবে সংসদ সদস্যরা শপথ নেওয়ার পরে।
১৮ ফেব্রুয়ারি বুধবার নতুন মন্ত্রিসভা গঠন হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। একই সঙ্গে শনি অথবা রবিবার সংসদ সদস্যদের শপথ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
নিয়ম অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের শপথের পর সংসদীয় বোর্ডের সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেখান থেকে দলনেতা নির্বাচিত হবেন। তারপর দলের নেতা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করে সরকার প্রধান নির্বাচন করার অনুরোধ করবেন। তারপরেই গঠিত হবে নতুন সরকার। নির্বাচনে সর্বোচ্চসংখ্যক আসন পাওয়া বিএনপির সংসদীয় দলের নেতা হবেন নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সংসদীয় দলের নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন- এটি প্রায় শতভাগ নিশ্চিত।
বাংলাদেশ সংবিধানের ১৪৮ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বিদায়ী স্পিকার নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন। ১৪৮ (২) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, স্পিকারের মনোনীত কোনো ব্যক্তির কাছেও এমপিরা শপথ নিতে পারবেন।
কিন্তু জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ২০২৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদের তৎকালীন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী পদত্যাগ করেন। বিগত সংসদের ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকুও এখন কারাগারে আছেন।
সম্প্রতি আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল জানান, নির্বাচিত নতুন সংসদ সদস্যরা (এমপি) রাষ্ট্রপতি মনোনীত কোনো ব্যক্তি হিসেবে প্রধান বিচারপতির কাছে শপথ নিতে পারেন। এ ছাড়া নির্বাচিত হওয়ার তিন দিন পর প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে শপথ নিতে পারেন। তবে নতুন এমপিরা কার কাছে শপথ নেবেন তা সরকারের নীতিগত পর্যায়ের সিদ্ধান্ত বলেও জানিয়েছিলেন আইন উপদেষ্টা।
সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মন্ত্রিসভায় একজন প্রধানমন্ত্রী থাকবেন এবং প্রধানমন্ত্রী যেভাবে নির্ধারন করবেন সেভাবে অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী থাকবেন। প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দিয়ে থাকেন। তবে মন্ত্রিসভার সদস্যদের সংখ্যার কমপক্ষে দশভাগের নয় ভাগ এমপিদের মধ্য থেকে নিয়োগ পাবেন। আর সর্বোচ্চ দশভাগের এক ভাগ সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য ব্যক্তিদের মধ্য থেকে মন্ত্রিসভার সদস্য মনোনীত (টেকনোক্র্যাট) হতে পারবেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের মন্ত্রিসভার সদস্যদের বাংলো বরাদ্দ দেওয়ার দাপ্তরিক কাজ শুরু হয়েছে। এ ছাড়া মন্ত্রীসভার সদস্যদের শপথ এবং পরবর্তীতে তাদের গাড়ি বরাদ্দের দাপ্তরিক প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ, গণপূর্ত অধিদপ্তর ও পরিবহন পুল সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচন শেষ হওয়ার পর থেকেই নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের বরণের প্রস্তুতি চলছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সরকার গঠন ও রাষ্ট্রাচার অধিশাখা থেকে জানানো হয়, নির্বাচনের পর প্রথম কাজ হচ্ছে সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ানো। এরপর মন্ত্রীসভা গঠন হলে তাদের শপথ নেওয়ার স্থান নির্ধারণের কাজ শুরু হবে।
আবাসন পরিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে সরকারের বাংলো বাড়ি রয়েছে ৭৯টি। এসব বাড়িতে সাধারণত মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, প্রধান বিচারপতি, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, ঢাকা জেলা প্রশাসক এবং পুলিশ সুপারের পরিবারের থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের মন্ত্রিসভার সদস্যদের জন্য বাংলো বাড়ি বরাদ্দের জন্য দাপ্তারিক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। তবে কে কোন দপ্তর পেলেন তার ভিত্তিতে নির্ধারিত বাংলো বাড়ি বরাদ্দ দেওয়া হবে।
জানতে চাইলে গণপূর্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম সিটিজেন জার্নালকে বলেন, মন্ত্রীদের জন্য বাংলোগুলো বরাদ্দের দপ্তরিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বর্তমানে বাংলোগুলোতে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা রয়েছেন। সেগুলো খালি হওয়ার পর মেরামতের কাজ শুরু হবে।
এদিকে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের জন্য গাড়িও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরের পরিবহন কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) মো. খায়রুল কবীর মেনন সিটিজেন জার্নালকে বলেন, ‘গাড়ি বরাদ্দ দেওয়ার জন্য আমরা প্রস্তুত আছি।’
দুই দশক পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি এককভাবে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। সংসদ সদস্যদের শপথ শেষ হলেই শুরু হবে নতুন মন্ত্রিসভা গঠন। সেখানে কারা কারা স্থান পাবেন, তা নিয়ে মানুষের ব্যাপক আগ্রহ রয়েছে। তবে সবকিছু নির্ভর করছে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ওপর। তিনি মন্ত্রিসভার সদস্যসংখ্যা নির্ধারণ করবেন। এ সবকিছুই হবে সংসদ সদস্যরা শপথ নেওয়ার পরে।
১৮ ফেব্রুয়ারি বুধবার নতুন মন্ত্রিসভা গঠন হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। একই সঙ্গে শনি অথবা রবিবার সংসদ সদস্যদের শপথ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
নিয়ম অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের শপথের পর সংসদীয় বোর্ডের সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেখান থেকে দলনেতা নির্বাচিত হবেন। তারপর দলের নেতা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করে সরকার প্রধান নির্বাচন করার অনুরোধ করবেন। তারপরেই গঠিত হবে নতুন সরকার। নির্বাচনে সর্বোচ্চসংখ্যক আসন পাওয়া বিএনপির সংসদীয় দলের নেতা হবেন নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সংসদীয় দলের নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন- এটি প্রায় শতভাগ নিশ্চিত।
বাংলাদেশ সংবিধানের ১৪৮ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বিদায়ী স্পিকার নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন। ১৪৮ (২) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, স্পিকারের মনোনীত কোনো ব্যক্তির কাছেও এমপিরা শপথ নিতে পারবেন।
কিন্তু জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ২০২৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদের তৎকালীন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী পদত্যাগ করেন। বিগত সংসদের ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকুও এখন কারাগারে আছেন।
সম্প্রতি আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল জানান, নির্বাচিত নতুন সংসদ সদস্যরা (এমপি) রাষ্ট্রপতি মনোনীত কোনো ব্যক্তি হিসেবে প্রধান বিচারপতির কাছে শপথ নিতে পারেন। এ ছাড়া নির্বাচিত হওয়ার তিন দিন পর প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে শপথ নিতে পারেন। তবে নতুন এমপিরা কার কাছে শপথ নেবেন তা সরকারের নীতিগত পর্যায়ের সিদ্ধান্ত বলেও জানিয়েছিলেন আইন উপদেষ্টা।
সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মন্ত্রিসভায় একজন প্রধানমন্ত্রী থাকবেন এবং প্রধানমন্ত্রী যেভাবে নির্ধারন করবেন সেভাবে অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী থাকবেন। প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দিয়ে থাকেন। তবে মন্ত্রিসভার সদস্যদের সংখ্যার কমপক্ষে দশভাগের নয় ভাগ এমপিদের মধ্য থেকে নিয়োগ পাবেন। আর সর্বোচ্চ দশভাগের এক ভাগ সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য ব্যক্তিদের মধ্য থেকে মন্ত্রিসভার সদস্য মনোনীত (টেকনোক্র্যাট) হতে পারবেন।

নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের বাংলো ও গাড়ি বরাদ্দের প্রক্রিয়া শুরু
আয়নাল হোসেন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের মন্ত্রিসভার সদস্যদের বাংলো বরাদ্দ দেওয়ার দাপ্তরিক কাজ শুরু হয়েছে। এ ছাড়া মন্ত্রীসভার সদস্যদের শপথ এবং পরবর্তীতে তাদের গাড়ি বরাদ্দের দাপ্তরিক প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ, গণপূর্ত অধিদপ্তর ও পরিবহন পুল সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচন শেষ হওয়ার পর থেকেই নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের বরণের প্রস্তুতি চলছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সরকার গঠন ও রাষ্ট্রাচার অধিশাখা থেকে জানানো হয়, নির্বাচনের পর প্রথম কাজ হচ্ছে সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ানো। এরপর মন্ত্রীসভা গঠন হলে তাদের শপথ নেওয়ার স্থান নির্ধারণের কাজ শুরু হবে।
আবাসন পরিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে সরকারের বাংলো বাড়ি রয়েছে ৭৯টি। এসব বাড়িতে সাধারণত মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, প্রধান বিচারপতি, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, ঢাকা জেলা প্রশাসক এবং পুলিশ সুপারের পরিবারের থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের মন্ত্রিসভার সদস্যদের জন্য বাংলো বাড়ি বরাদ্দের জন্য দাপ্তারিক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। তবে কে কোন দপ্তর পেলেন তার ভিত্তিতে নির্ধারিত বাংলো বাড়ি বরাদ্দ দেওয়া হবে।
জানতে চাইলে গণপূর্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম সিটিজেন জার্নালকে বলেন, মন্ত্রীদের জন্য বাংলোগুলো বরাদ্দের দপ্তরিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বর্তমানে বাংলোগুলোতে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা রয়েছেন। সেগুলো খালি হওয়ার পর মেরামতের কাজ শুরু হবে।
এদিকে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের জন্য গাড়িও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরের পরিবহন কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) মো. খায়রুল কবীর মেনন সিটিজেন জার্নালকে বলেন, ‘গাড়ি বরাদ্দ দেওয়ার জন্য আমরা প্রস্তুত আছি।’
দুই দশক পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি এককভাবে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। সংসদ সদস্যদের শপথ শেষ হলেই শুরু হবে নতুন মন্ত্রিসভা গঠন। সেখানে কারা কারা স্থান পাবেন, তা নিয়ে মানুষের ব্যাপক আগ্রহ রয়েছে। তবে সবকিছু নির্ভর করছে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ওপর। তিনি মন্ত্রিসভার সদস্যসংখ্যা নির্ধারণ করবেন। এ সবকিছুই হবে সংসদ সদস্যরা শপথ নেওয়ার পরে।
১৮ ফেব্রুয়ারি বুধবার নতুন মন্ত্রিসভা গঠন হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। একই সঙ্গে শনি অথবা রবিবার সংসদ সদস্যদের শপথ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
নিয়ম অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের শপথের পর সংসদীয় বোর্ডের সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেখান থেকে দলনেতা নির্বাচিত হবেন। তারপর দলের নেতা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করে সরকার প্রধান নির্বাচন করার অনুরোধ করবেন। তারপরেই গঠিত হবে নতুন সরকার। নির্বাচনে সর্বোচ্চসংখ্যক আসন পাওয়া বিএনপির সংসদীয় দলের নেতা হবেন নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সংসদীয় দলের নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন- এটি প্রায় শতভাগ নিশ্চিত।
বাংলাদেশ সংবিধানের ১৪৮ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বিদায়ী স্পিকার নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন। ১৪৮ (২) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, স্পিকারের মনোনীত কোনো ব্যক্তির কাছেও এমপিরা শপথ নিতে পারবেন।
কিন্তু জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ২০২৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদের তৎকালীন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী পদত্যাগ করেন। বিগত সংসদের ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকুও এখন কারাগারে আছেন।
সম্প্রতি আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল জানান, নির্বাচিত নতুন সংসদ সদস্যরা (এমপি) রাষ্ট্রপতি মনোনীত কোনো ব্যক্তি হিসেবে প্রধান বিচারপতির কাছে শপথ নিতে পারেন। এ ছাড়া নির্বাচিত হওয়ার তিন দিন পর প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে শপথ নিতে পারেন। তবে নতুন এমপিরা কার কাছে শপথ নেবেন তা সরকারের নীতিগত পর্যায়ের সিদ্ধান্ত বলেও জানিয়েছিলেন আইন উপদেষ্টা।
সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মন্ত্রিসভায় একজন প্রধানমন্ত্রী থাকবেন এবং প্রধানমন্ত্রী যেভাবে নির্ধারন করবেন সেভাবে অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী থাকবেন। প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দিয়ে থাকেন। তবে মন্ত্রিসভার সদস্যদের সংখ্যার কমপক্ষে দশভাগের নয় ভাগ এমপিদের মধ্য থেকে নিয়োগ পাবেন। আর সর্বোচ্চ দশভাগের এক ভাগ সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য ব্যক্তিদের মধ্য থেকে মন্ত্রিসভার সদস্য মনোনীত (টেকনোক্র্যাট) হতে পারবেন।




