মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার চালু নিয়ে যা জানা গেলো
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার চালু নিয়ে যা জানা গেলো
আজ বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) মালয়েশিয়ার পুত্রজায়ায় বাংলাদেশ সরকার ও মালয়েশিয়া সরকারের মধ্যে শ্রম অভিবাসনের বিষয়ে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।


বৈঠকে উভয় পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় এবং বাংলাদেশ-মালয়েশিয়ার দীর্ঘদিনের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

সিঙ্গাপুর থেকে একটি জাহাজে জেট ফুয়েল (বিমানের জ্বালানি) এবং মালয়েশিয়া থেকে ২টি জাহাজে করে ডিজেল এসেছে। এসব জাহাজ থেকে জ্বালানি খালাস কার্যক্রম চলছে।

আটক এসব অভিবাসীকে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। নির্ধারিত সময় পর্যন্ত তারা আর মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করতে পারবে না।

রবিবার সচিবালয়ে মালয়েশিয়া সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে মাহদী আমিন দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলে দেওয়ার বিষয়ে এই ইতিবাচক কথা বলেন ।
আজ বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) মালয়েশিয়ার পুত্রজায়ায় বাংলাদেশ সরকার ও মালয়েশিয়া সরকারের মধ্যে শ্রম অভিবাসনের বিষয়ে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) স্থানীয় সময় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক বৈঠকে এ আমন্ত্রণ জানান আনোয়ার ইব্রাহিম।

এছাড়াও ২১ জন মিয়ানমারের, ১৪ জন ভারতীয়, ১২ জন পাকিস্তানি, ৬ জন নেপালি, ৬ জন ভিয়েতনামি এবং একজন করে থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া, চীন ও নাইজেরিয়ার নাগরিক রয়েছেন।

মালয়েশিয়া থেকে ৩৪ হাজার টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে ‘শান গ্যাং ফা জিয়ান’ নামে একটি চীনা জাহাজ।

অভিবাসন বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘অপারেশন পান্তাউ’ নামে পরিচালিত এই বিশেষ অভিযানে ১৪৭টি পৃথক কার্যক্রম চালানো হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (এফবিআই) বরাত দিয়ে মালয়েশিয়ার পত্রিকা সান জানিয়েছে, ২৮ বছর বয়সী ওই বাংলাদেশির নাম জোবায়দুল আমিন। গত ২ মার্চ তাকে মালয়েশিয়া থেকে বিমানে করে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়। এর দুদিন পর নেওয়া হয় আলাস্কায়।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া দীর্ঘদিন ধরে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখছে। সাম্প্রতিক বছরে দুই দেশের মধ্যে শ্রমবাজার,

মূলত নিপাহ ভাইরাসের সম্ভাব্য প্রাদুর্ভাবের প্রস্তুতি হিসেবে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বন্দিদের কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও রানতাউ পাঞ্জাং আইসিকিউএস কমপ্লেক্সের মাধ্যমে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

হাইকমিশনের পক্ষ থেকে প্রবাসীদের নির্ধারিত তারিখের পর নতুন হারে ফি পরিশোধ করে ই-পাসপোর্ট সেবা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
