মালয়েশিয়ার অভিযানে ৭ হাজার বিদেশি যাচাই, শীর্ষে বাংলাদেশি

মালয়েশিয়ার অভিযানে ৭ হাজার বিদেশি যাচাই, শীর্ষে বাংলাদেশি
সিটিজেন ডেস্ক

গত ২০ থেকে ২৯ মার্চ পর্যন্ত দেশজুড়ে পরিচালিত একাধিক অভিযানে মোট ৭ হাজার ১৫৪ জন বিদেশি নাগরিককে জিজ্ঞাসাবাদ ও নথিপত্র যাচাই করেছে মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ। এসব অভিযানের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ছিলেন বাংলাদেশি নাগরিক।
অভিবাসন বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘অপারেশন পান্তাউ’ নামে পরিচালিত এই বিশেষ অভিযানে ১৪৭টি পৃথক কার্যক্রম চালানো হয়। এতে অংশ নেন ২২২ জন এনফোর্সমেন্ট অফিসার। সংস্থাটির ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক পোস্টে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিভাগটি জানায়, বিদেশিদের আইনি অবস্থান যাচাই, বৈধ ভ্রমণ নথির সত্যতা পরীক্ষা এবং অভিবাসন আইন যথাযথভাবে মানা হচ্ছে কি না– এসব নিশ্চিত করতেই এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। গোয়েন্দা তথ্য ও ঝুঁকি বিশ্লেষণের ভিত্তিতে নির্ধারিত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) অনুসরণ করে অভিযানগুলো পরিচালিত হয়েছে বলেও জানানো হয়।
অভিযানে মোট ৭ হাজারের বেশি বিদেশির মধ্যে ৩ হাজার ৩৫৪ জন বাংলাদেশির নথিপত্র যাচাই করা হয়েছে। এর বাইরে মিয়ানমারের ৭৮২ জন, ইন্দোনেশিয়ার ৭৭৯ জন, পাকিস্তানের ৫১৪ জন, নেপালের ৪৭৮ জন, ভারতের ৩৪০ জন, থাইল্যান্ডের ১৬৯ জন, ফিলিপাইনের ১৫৭ জন, চীনের ১২১ জন এবং ব্রুনাইয়ের ১০৫ জন নাগরিক রয়েছেন।
অভিবাসন বিভাগ আরও জানায়, উৎসবের মৌসুম বিবেচনায় সাধারণ মানুষের চলাচলে যাতে বিঘ্ন না ঘটে, সেদিকে লক্ষ্য রেখে অভিযান পরিচালনায় একটি ভারসাম্যপূর্ণ পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে। বিশেষ করে জনবহুল এলাকায় সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক চলাচল বজায় রাখতে বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়।
সংস্থাটি স্পষ্ট করেছে, অভিবাসন আইন বাস্তবায়ন এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
সূত্র: নিউ স্ট্রেইট টাইমস

গত ২০ থেকে ২৯ মার্চ পর্যন্ত দেশজুড়ে পরিচালিত একাধিক অভিযানে মোট ৭ হাজার ১৫৪ জন বিদেশি নাগরিককে জিজ্ঞাসাবাদ ও নথিপত্র যাচাই করেছে মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ। এসব অভিযানের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ছিলেন বাংলাদেশি নাগরিক।
অভিবাসন বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘অপারেশন পান্তাউ’ নামে পরিচালিত এই বিশেষ অভিযানে ১৪৭টি পৃথক কার্যক্রম চালানো হয়। এতে অংশ নেন ২২২ জন এনফোর্সমেন্ট অফিসার। সংস্থাটির ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক পোস্টে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিভাগটি জানায়, বিদেশিদের আইনি অবস্থান যাচাই, বৈধ ভ্রমণ নথির সত্যতা পরীক্ষা এবং অভিবাসন আইন যথাযথভাবে মানা হচ্ছে কি না– এসব নিশ্চিত করতেই এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। গোয়েন্দা তথ্য ও ঝুঁকি বিশ্লেষণের ভিত্তিতে নির্ধারিত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) অনুসরণ করে অভিযানগুলো পরিচালিত হয়েছে বলেও জানানো হয়।
অভিযানে মোট ৭ হাজারের বেশি বিদেশির মধ্যে ৩ হাজার ৩৫৪ জন বাংলাদেশির নথিপত্র যাচাই করা হয়েছে। এর বাইরে মিয়ানমারের ৭৮২ জন, ইন্দোনেশিয়ার ৭৭৯ জন, পাকিস্তানের ৫১৪ জন, নেপালের ৪৭৮ জন, ভারতের ৩৪০ জন, থাইল্যান্ডের ১৬৯ জন, ফিলিপাইনের ১৫৭ জন, চীনের ১২১ জন এবং ব্রুনাইয়ের ১০৫ জন নাগরিক রয়েছেন।
অভিবাসন বিভাগ আরও জানায়, উৎসবের মৌসুম বিবেচনায় সাধারণ মানুষের চলাচলে যাতে বিঘ্ন না ঘটে, সেদিকে লক্ষ্য রেখে অভিযান পরিচালনায় একটি ভারসাম্যপূর্ণ পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে। বিশেষ করে জনবহুল এলাকায় সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক চলাচল বজায় রাখতে বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়।
সংস্থাটি স্পষ্ট করেছে, অভিবাসন আইন বাস্তবায়ন এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
সূত্র: নিউ স্ট্রেইট টাইমস

মালয়েশিয়ার অভিযানে ৭ হাজার বিদেশি যাচাই, শীর্ষে বাংলাদেশি
সিটিজেন ডেস্ক

গত ২০ থেকে ২৯ মার্চ পর্যন্ত দেশজুড়ে পরিচালিত একাধিক অভিযানে মোট ৭ হাজার ১৫৪ জন বিদেশি নাগরিককে জিজ্ঞাসাবাদ ও নথিপত্র যাচাই করেছে মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ। এসব অভিযানের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ছিলেন বাংলাদেশি নাগরিক।
অভিবাসন বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘অপারেশন পান্তাউ’ নামে পরিচালিত এই বিশেষ অভিযানে ১৪৭টি পৃথক কার্যক্রম চালানো হয়। এতে অংশ নেন ২২২ জন এনফোর্সমেন্ট অফিসার। সংস্থাটির ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক পোস্টে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিভাগটি জানায়, বিদেশিদের আইনি অবস্থান যাচাই, বৈধ ভ্রমণ নথির সত্যতা পরীক্ষা এবং অভিবাসন আইন যথাযথভাবে মানা হচ্ছে কি না– এসব নিশ্চিত করতেই এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। গোয়েন্দা তথ্য ও ঝুঁকি বিশ্লেষণের ভিত্তিতে নির্ধারিত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) অনুসরণ করে অভিযানগুলো পরিচালিত হয়েছে বলেও জানানো হয়।
অভিযানে মোট ৭ হাজারের বেশি বিদেশির মধ্যে ৩ হাজার ৩৫৪ জন বাংলাদেশির নথিপত্র যাচাই করা হয়েছে। এর বাইরে মিয়ানমারের ৭৮২ জন, ইন্দোনেশিয়ার ৭৭৯ জন, পাকিস্তানের ৫১৪ জন, নেপালের ৪৭৮ জন, ভারতের ৩৪০ জন, থাইল্যান্ডের ১৬৯ জন, ফিলিপাইনের ১৫৭ জন, চীনের ১২১ জন এবং ব্রুনাইয়ের ১০৫ জন নাগরিক রয়েছেন।
অভিবাসন বিভাগ আরও জানায়, উৎসবের মৌসুম বিবেচনায় সাধারণ মানুষের চলাচলে যাতে বিঘ্ন না ঘটে, সেদিকে লক্ষ্য রেখে অভিযান পরিচালনায় একটি ভারসাম্যপূর্ণ পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে। বিশেষ করে জনবহুল এলাকায় সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক চলাচল বজায় রাখতে বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়।
সংস্থাটি স্পষ্ট করেছে, অভিবাসন আইন বাস্তবায়ন এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
সূত্র: নিউ স্ট্রেইট টাইমস




