৭৭ হাজার টন জ্বালানি তেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে ৩ জাহাজ

৭৭ হাজার টন জ্বালানি তেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে ৩ জাহাজ
নিজস্ব প্রতিবেদক

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার কারণে জ্বালানি পরবিহনের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। ফলে বিশ্বব্যাপী তীব্র জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ৭৭ হাজার টন জ্বালানি তেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়েছে তিনটি জাহাজ।
বন্দর সূত্রে জানা গেছে, সিঙ্গাপুর থেকে একটি জাহাজে জেট ফুয়েল (বিমানের জ্বালানি) এবং মালয়েশিয়া থেকে ২টি জাহাজে করে ডিজেল এসেছে। এসব জাহাজ থেকে জ্বালানি খালাস কার্যক্রম চলছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জানায়, সিঙ্গাপুর থেকে ১১ হাজার টন জেট ফুয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়েছে এমটি গ্রেট প্রিন্সেস জাহাজ। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৮টা থেকে ডলফিন জেটি-৬-এ জ্বালানি খালাস শুরু হয়েছে।
অন্যদিকে, ৩৪ হাজার টন ডিজেল নিয়ে ইন্দোনেশিয়ার পতাকাবাহী এমটি লুসিয়া সোলিস জাহাজটি ৯ এপ্রিল মালয়েশিয়া থেকে রওনা দিয়ে মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১১টায় চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। বর্তমানে লাইটারেজ প্রক্রিয়ায় জ্বালানি খালাস চলছে। বুধবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে এটি ডলফিন জেটি-৫-এ ভেড়ার কথা রয়েছে।
এছাড়াও, প্রায় ৩২ হাজার টন ডিজেল নিয়ে ডেনমার্কের পতাকাবাহী জাহাজ এমটি টর্ম দামিনি মঙ্গলবার রাত থেকে বহির্নোঙরে জ্বালানি খালাস শুরু করে। জাহাজটি আজ ডলফিন জেটি-৬-এ পৌঁছানোর কথা রয়েছে। বিপিসির সহকারী ব্যবস্থাপক ফারজিন হাসান মৌমিতা এ তথ্য জানান।
বিপিসির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চট্টগ্রাম বন্দরের গভীরতা সমস্যা থাকায় বড় জাহাজ প্রথমে বহির্নোঙরে পৌঁছে কিছু তেল খালাস করে ৷ পরে জাহাজ কিছুটা খালি হলে বাকিগুলো জেটিতে ভেড়ানোর পর খালাস করা হয়।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার কারণে জ্বালানি পরবিহনের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। ফলে বিশ্বব্যাপী তীব্র জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ৭৭ হাজার টন জ্বালানি তেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়েছে তিনটি জাহাজ।
বন্দর সূত্রে জানা গেছে, সিঙ্গাপুর থেকে একটি জাহাজে জেট ফুয়েল (বিমানের জ্বালানি) এবং মালয়েশিয়া থেকে ২টি জাহাজে করে ডিজেল এসেছে। এসব জাহাজ থেকে জ্বালানি খালাস কার্যক্রম চলছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জানায়, সিঙ্গাপুর থেকে ১১ হাজার টন জেট ফুয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়েছে এমটি গ্রেট প্রিন্সেস জাহাজ। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৮টা থেকে ডলফিন জেটি-৬-এ জ্বালানি খালাস শুরু হয়েছে।
অন্যদিকে, ৩৪ হাজার টন ডিজেল নিয়ে ইন্দোনেশিয়ার পতাকাবাহী এমটি লুসিয়া সোলিস জাহাজটি ৯ এপ্রিল মালয়েশিয়া থেকে রওনা দিয়ে মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১১টায় চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। বর্তমানে লাইটারেজ প্রক্রিয়ায় জ্বালানি খালাস চলছে। বুধবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে এটি ডলফিন জেটি-৫-এ ভেড়ার কথা রয়েছে।
এছাড়াও, প্রায় ৩২ হাজার টন ডিজেল নিয়ে ডেনমার্কের পতাকাবাহী জাহাজ এমটি টর্ম দামিনি মঙ্গলবার রাত থেকে বহির্নোঙরে জ্বালানি খালাস শুরু করে। জাহাজটি আজ ডলফিন জেটি-৬-এ পৌঁছানোর কথা রয়েছে। বিপিসির সহকারী ব্যবস্থাপক ফারজিন হাসান মৌমিতা এ তথ্য জানান।
বিপিসির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চট্টগ্রাম বন্দরের গভীরতা সমস্যা থাকায় বড় জাহাজ প্রথমে বহির্নোঙরে পৌঁছে কিছু তেল খালাস করে ৷ পরে জাহাজ কিছুটা খালি হলে বাকিগুলো জেটিতে ভেড়ানোর পর খালাস করা হয়।

৭৭ হাজার টন জ্বালানি তেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে ৩ জাহাজ
নিজস্ব প্রতিবেদক

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার কারণে জ্বালানি পরবিহনের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। ফলে বিশ্বব্যাপী তীব্র জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ৭৭ হাজার টন জ্বালানি তেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়েছে তিনটি জাহাজ।
বন্দর সূত্রে জানা গেছে, সিঙ্গাপুর থেকে একটি জাহাজে জেট ফুয়েল (বিমানের জ্বালানি) এবং মালয়েশিয়া থেকে ২টি জাহাজে করে ডিজেল এসেছে। এসব জাহাজ থেকে জ্বালানি খালাস কার্যক্রম চলছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জানায়, সিঙ্গাপুর থেকে ১১ হাজার টন জেট ফুয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়েছে এমটি গ্রেট প্রিন্সেস জাহাজ। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৮টা থেকে ডলফিন জেটি-৬-এ জ্বালানি খালাস শুরু হয়েছে।
অন্যদিকে, ৩৪ হাজার টন ডিজেল নিয়ে ইন্দোনেশিয়ার পতাকাবাহী এমটি লুসিয়া সোলিস জাহাজটি ৯ এপ্রিল মালয়েশিয়া থেকে রওনা দিয়ে মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১১টায় চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। বর্তমানে লাইটারেজ প্রক্রিয়ায় জ্বালানি খালাস চলছে। বুধবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে এটি ডলফিন জেটি-৫-এ ভেড়ার কথা রয়েছে।
এছাড়াও, প্রায় ৩২ হাজার টন ডিজেল নিয়ে ডেনমার্কের পতাকাবাহী জাহাজ এমটি টর্ম দামিনি মঙ্গলবার রাত থেকে বহির্নোঙরে জ্বালানি খালাস শুরু করে। জাহাজটি আজ ডলফিন জেটি-৬-এ পৌঁছানোর কথা রয়েছে। বিপিসির সহকারী ব্যবস্থাপক ফারজিন হাসান মৌমিতা এ তথ্য জানান।
বিপিসির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চট্টগ্রাম বন্দরের গভীরতা সমস্যা থাকায় বড় জাহাজ প্রথমে বহির্নোঙরে পৌঁছে কিছু তেল খালাস করে ৷ পরে জাহাজ কিছুটা খালি হলে বাকিগুলো জেটিতে ভেড়ানোর পর খালাস করা হয়।




