দ্বিতীয় বিয়েতে কি স্ত্রীর অনুমতি লাগবে, কী বলছে আইন

দ্বিতীয় বিয়েতে কি স্ত্রীর অনুমতি লাগবে, কী বলছে আইন
সিটিজেন ডেস্ক

হঠাৎ করেই দ্বিতীয় বিয়ের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম খুললেই চোখে পড়ছে এ নিয়ে অসংখ্য পোস্ট, তর্ক-বিতর্ক ও মতামত। কেউ প্রশ্ন তুলছেন—প্রথম স্ত্রী থাকা অবস্থায় দ্বিতীয় বিয়ের প্রয়োজন কী? কেউ গুরুত্ব দিচ্ছেন আর্থিক সামর্থ্যের প্রশ্নে। আবার অনেকেই জানতে চাচ্ছেন, প্রথম স্ত্রীর সম্মতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে আদৌ সম্ভব কি না? পাশাপাশি অনেকেই জানতে চাচ্ছেন আইন কী বলছে?
বাংলাদেশের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ (সংশোধিত) অনুযায়ী, কোনো পুরুষ তার প্রথম স্ত্রী জীবিত থাকা অবস্থায় পুনরায় বিয়ে করতে চাইলে সালিশি কাউন্সিলের লিখিত অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। এই অনুমতি ছাড়া বিয়ে করলে তা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
সম্প্রতি হাইকোর্টের একটি রায়কে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করে সামাজিক মাধ্যমে প্রচার করা হয় যে, দ্বিতীয় বিয়েতে আর স্ত্রীর অনুমতি লাগবে না। তবে সংশ্লিষ্ট রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি বিশ্লেষণ করে আইনজীবীরা জানান, আদালত এমন কোনো নির্দেশনা দেয়নি।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মিতি সানজানা বলেন, দ্বিতীয় বিয়ের ক্ষেত্রে বিদ্যমান স্ত্রী বা স্ত্রীদের সম্মতি নেওয়ার নিয়মে কোনো পরিবর্তন হয়নি। সালিশি কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া কোনো বিয়ে নিবন্ধনযোগ্য নয়।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক আবু নাসের মোহাম্মদ ওয়াহিদ বলেন, স্ত্রীর অনুমতি ছাড়াই দ্বিতীয় বিয়ে করা যাবে—এমন প্রচার সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর। আদালত বরং বিদ্যমান আইনি প্রক্রিয়াকেই সমর্থন করেছে।
আইন অনুযায়ী, দ্বিতীয় বিয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন করতে হয়। আবেদনে বিয়ের কারণ, প্রয়োজনীয়তা এবং বর্তমান স্ত্রীর সম্মতির বিষয় উল্লেখ করতে হয়। এরপর সালিশি কাউন্সিল বিষয়টি বিবেচনা করে অনুমতি দেয় বা না দেয়।
যদি কোনো ব্যক্তি এই অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে করেন, তবে তাকে পূর্বের স্ত্রী বা স্ত্রীদের দেনমোহর অবিলম্বে পরিশোধ করতে হবে। পাশাপাশি, অভিযোগ প্রমাণিত হলে এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।
উল্লেখ্য, ২০২২ সালে এই আইনের ৬ ধারার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করা হয়। চূড়ান্ত শুনানি শেষে আদালত রায়ে বলেন, বহুবিবাহের ক্ষেত্রে নির্ধারিত অনুমতি প্রক্রিয়া বৈষম্যমূলক নয় এবং এটি নারী-পুরুষ উভয়ের অধিকার সুরক্ষায় সহায়ক।
রায়ে আরও উল্লেখ করা হয়, ইসলাম বহুবিবাহের অনুমতি দিলেও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এর মূল শর্ত। যদি কেউ ন্যায়বিচার করতে অক্ষম হওয়ার আশঙ্কা করেন, তাহলে একটিমাত্র বিয়ে করাই উত্তম।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো বিভ্রান্তিকর তথ্য এড়িয়ে সঠিক আইনি ব্যাখ্যার ওপর নির্ভর করা জরুরি।

হঠাৎ করেই দ্বিতীয় বিয়ের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম খুললেই চোখে পড়ছে এ নিয়ে অসংখ্য পোস্ট, তর্ক-বিতর্ক ও মতামত। কেউ প্রশ্ন তুলছেন—প্রথম স্ত্রী থাকা অবস্থায় দ্বিতীয় বিয়ের প্রয়োজন কী? কেউ গুরুত্ব দিচ্ছেন আর্থিক সামর্থ্যের প্রশ্নে। আবার অনেকেই জানতে চাচ্ছেন, প্রথম স্ত্রীর সম্মতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে আদৌ সম্ভব কি না? পাশাপাশি অনেকেই জানতে চাচ্ছেন আইন কী বলছে?
বাংলাদেশের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ (সংশোধিত) অনুযায়ী, কোনো পুরুষ তার প্রথম স্ত্রী জীবিত থাকা অবস্থায় পুনরায় বিয়ে করতে চাইলে সালিশি কাউন্সিলের লিখিত অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। এই অনুমতি ছাড়া বিয়ে করলে তা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
সম্প্রতি হাইকোর্টের একটি রায়কে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করে সামাজিক মাধ্যমে প্রচার করা হয় যে, দ্বিতীয় বিয়েতে আর স্ত্রীর অনুমতি লাগবে না। তবে সংশ্লিষ্ট রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি বিশ্লেষণ করে আইনজীবীরা জানান, আদালত এমন কোনো নির্দেশনা দেয়নি।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মিতি সানজানা বলেন, দ্বিতীয় বিয়ের ক্ষেত্রে বিদ্যমান স্ত্রী বা স্ত্রীদের সম্মতি নেওয়ার নিয়মে কোনো পরিবর্তন হয়নি। সালিশি কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া কোনো বিয়ে নিবন্ধনযোগ্য নয়।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক আবু নাসের মোহাম্মদ ওয়াহিদ বলেন, স্ত্রীর অনুমতি ছাড়াই দ্বিতীয় বিয়ে করা যাবে—এমন প্রচার সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর। আদালত বরং বিদ্যমান আইনি প্রক্রিয়াকেই সমর্থন করেছে।
আইন অনুযায়ী, দ্বিতীয় বিয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন করতে হয়। আবেদনে বিয়ের কারণ, প্রয়োজনীয়তা এবং বর্তমান স্ত্রীর সম্মতির বিষয় উল্লেখ করতে হয়। এরপর সালিশি কাউন্সিল বিষয়টি বিবেচনা করে অনুমতি দেয় বা না দেয়।
যদি কোনো ব্যক্তি এই অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে করেন, তবে তাকে পূর্বের স্ত্রী বা স্ত্রীদের দেনমোহর অবিলম্বে পরিশোধ করতে হবে। পাশাপাশি, অভিযোগ প্রমাণিত হলে এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।
উল্লেখ্য, ২০২২ সালে এই আইনের ৬ ধারার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করা হয়। চূড়ান্ত শুনানি শেষে আদালত রায়ে বলেন, বহুবিবাহের ক্ষেত্রে নির্ধারিত অনুমতি প্রক্রিয়া বৈষম্যমূলক নয় এবং এটি নারী-পুরুষ উভয়ের অধিকার সুরক্ষায় সহায়ক।
রায়ে আরও উল্লেখ করা হয়, ইসলাম বহুবিবাহের অনুমতি দিলেও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এর মূল শর্ত। যদি কেউ ন্যায়বিচার করতে অক্ষম হওয়ার আশঙ্কা করেন, তাহলে একটিমাত্র বিয়ে করাই উত্তম।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো বিভ্রান্তিকর তথ্য এড়িয়ে সঠিক আইনি ব্যাখ্যার ওপর নির্ভর করা জরুরি।

দ্বিতীয় বিয়েতে কি স্ত্রীর অনুমতি লাগবে, কী বলছে আইন
সিটিজেন ডেস্ক

হঠাৎ করেই দ্বিতীয় বিয়ের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম খুললেই চোখে পড়ছে এ নিয়ে অসংখ্য পোস্ট, তর্ক-বিতর্ক ও মতামত। কেউ প্রশ্ন তুলছেন—প্রথম স্ত্রী থাকা অবস্থায় দ্বিতীয় বিয়ের প্রয়োজন কী? কেউ গুরুত্ব দিচ্ছেন আর্থিক সামর্থ্যের প্রশ্নে। আবার অনেকেই জানতে চাচ্ছেন, প্রথম স্ত্রীর সম্মতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে আদৌ সম্ভব কি না? পাশাপাশি অনেকেই জানতে চাচ্ছেন আইন কী বলছে?
বাংলাদেশের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ (সংশোধিত) অনুযায়ী, কোনো পুরুষ তার প্রথম স্ত্রী জীবিত থাকা অবস্থায় পুনরায় বিয়ে করতে চাইলে সালিশি কাউন্সিলের লিখিত অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। এই অনুমতি ছাড়া বিয়ে করলে তা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
সম্প্রতি হাইকোর্টের একটি রায়কে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করে সামাজিক মাধ্যমে প্রচার করা হয় যে, দ্বিতীয় বিয়েতে আর স্ত্রীর অনুমতি লাগবে না। তবে সংশ্লিষ্ট রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি বিশ্লেষণ করে আইনজীবীরা জানান, আদালত এমন কোনো নির্দেশনা দেয়নি।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মিতি সানজানা বলেন, দ্বিতীয় বিয়ের ক্ষেত্রে বিদ্যমান স্ত্রী বা স্ত্রীদের সম্মতি নেওয়ার নিয়মে কোনো পরিবর্তন হয়নি। সালিশি কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া কোনো বিয়ে নিবন্ধনযোগ্য নয়।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক আবু নাসের মোহাম্মদ ওয়াহিদ বলেন, স্ত্রীর অনুমতি ছাড়াই দ্বিতীয় বিয়ে করা যাবে—এমন প্রচার সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর। আদালত বরং বিদ্যমান আইনি প্রক্রিয়াকেই সমর্থন করেছে।
আইন অনুযায়ী, দ্বিতীয় বিয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন করতে হয়। আবেদনে বিয়ের কারণ, প্রয়োজনীয়তা এবং বর্তমান স্ত্রীর সম্মতির বিষয় উল্লেখ করতে হয়। এরপর সালিশি কাউন্সিল বিষয়টি বিবেচনা করে অনুমতি দেয় বা না দেয়।
যদি কোনো ব্যক্তি এই অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে করেন, তবে তাকে পূর্বের স্ত্রী বা স্ত্রীদের দেনমোহর অবিলম্বে পরিশোধ করতে হবে। পাশাপাশি, অভিযোগ প্রমাণিত হলে এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।
উল্লেখ্য, ২০২২ সালে এই আইনের ৬ ধারার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করা হয়। চূড়ান্ত শুনানি শেষে আদালত রায়ে বলেন, বহুবিবাহের ক্ষেত্রে নির্ধারিত অনুমতি প্রক্রিয়া বৈষম্যমূলক নয় এবং এটি নারী-পুরুষ উভয়ের অধিকার সুরক্ষায় সহায়ক।
রায়ে আরও উল্লেখ করা হয়, ইসলাম বহুবিবাহের অনুমতি দিলেও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এর মূল শর্ত। যদি কেউ ন্যায়বিচার করতে অক্ষম হওয়ার আশঙ্কা করেন, তাহলে একটিমাত্র বিয়ে করাই উত্তম।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো বিভ্রান্তিকর তথ্য এড়িয়ে সঠিক আইনি ব্যাখ্যার ওপর নির্ভর করা জরুরি।

কেউ আপনাকে হিংসা করে কি না বুঝবেন যেভাবে


