আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্রের যুগে তুরস্ক

আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্রের যুগে তুরস্ক
সিটিজেন ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে প্রথমবারের মতো আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (আইসিবিএম) ‘ইলদিরিমহান’ উন্মোচন করেছে তুরস্ক।
মঙ্গলবার (৫ মে) ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত ‘সাহা ২০২৬’ প্রতিরক্ষা প্রদর্শনীতে এই ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রকাশ্যে আনা হয়। এর ফলে দূরপাল্লায় আঘাত হানার সক্ষমতায় বড় অগ্রগতি পেয়েছে দেশটি।
আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র হলো এমন একটি দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, যা ৫৫০০ কিলোমিটার বা তার চেয়ে বেশি দূরত্বের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে। এমনকি এটি এক মহাদেশ থেকে আরেক মহাদেশেও আঘাত করতে সক্ষম।
‘ইলদিরিমহান’ তুরস্কের জাতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্রের তত্ত্বাবধানে তৈরি। এর গতি সর্বোচ্চ ম্যাক ২৫ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। ইলদিরিমহানের পাল্লা প্রায় ৬ হাজার কিলোমিটার। ফলে এটি ইউরোপের বিশাল অংশ, এশিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকা এবং আফ্রিকার কিছু অঞ্চল পর্যন্ত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।
ক্ষেপণাস্ত্রটির জ্বালানি হিসেবে ব্যবহ্রত হয়েছে তরল নাইট্রোজেন টেট্রঅক্সাইড। এতে চারটি রকেট ইঞ্জিন রয়েছে। এটি তুরস্কের তৈরি অন্যতম আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
ক্ষেপণাস্ত্রটির নামকরণেও রয়েছে অটোমান শাসনের ধারাবাহিকতা। তুর্কি ইলদিরিম শব্দের অর্থ বজ্রপাত। উসমানীয় সুলতান বায়েজিদ ইলদিরিমহান ছিলেন অটোম্যান সাম্রাজ্যের চতুর্থ সুলতান। তার নামেই মিসাইলটির নামকরণ করা হয়েছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রতিরক্ষা খাতে ব্যাপক বিনিয়োগ বাড়িয়েছে তুরস্ক। বিশেষ করে ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা, মানববিহীন প্ল্যাটফর্ম, আকাশ প্রতিরক্ষা, বিমান ও মহাকাশ প্রযুক্তিতে দেশটি অগ্রগতি অর্জনের চেষ্টা করছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে শুরু হয় রক্তক্ষয়ী সংঘাত। এ সময় ইসরায়েলের পরবর্তী টার্গেট তুরস্ক বলে মন্তব্য করেছেন দখলদার দেশটির একাধিক কর্মকর্তা। এমন বাস্তবসতায় তুরস্কের এই অগ্রগতি দেশটিকে আরও সুরক্ষিত করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি, ডেইলি সাবাহ

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে প্রথমবারের মতো আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (আইসিবিএম) ‘ইলদিরিমহান’ উন্মোচন করেছে তুরস্ক।
মঙ্গলবার (৫ মে) ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত ‘সাহা ২০২৬’ প্রতিরক্ষা প্রদর্শনীতে এই ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রকাশ্যে আনা হয়। এর ফলে দূরপাল্লায় আঘাত হানার সক্ষমতায় বড় অগ্রগতি পেয়েছে দেশটি।
আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র হলো এমন একটি দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, যা ৫৫০০ কিলোমিটার বা তার চেয়ে বেশি দূরত্বের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে। এমনকি এটি এক মহাদেশ থেকে আরেক মহাদেশেও আঘাত করতে সক্ষম।
‘ইলদিরিমহান’ তুরস্কের জাতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্রের তত্ত্বাবধানে তৈরি। এর গতি সর্বোচ্চ ম্যাক ২৫ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। ইলদিরিমহানের পাল্লা প্রায় ৬ হাজার কিলোমিটার। ফলে এটি ইউরোপের বিশাল অংশ, এশিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকা এবং আফ্রিকার কিছু অঞ্চল পর্যন্ত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।
ক্ষেপণাস্ত্রটির জ্বালানি হিসেবে ব্যবহ্রত হয়েছে তরল নাইট্রোজেন টেট্রঅক্সাইড। এতে চারটি রকেট ইঞ্জিন রয়েছে। এটি তুরস্কের তৈরি অন্যতম আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
ক্ষেপণাস্ত্রটির নামকরণেও রয়েছে অটোমান শাসনের ধারাবাহিকতা। তুর্কি ইলদিরিম শব্দের অর্থ বজ্রপাত। উসমানীয় সুলতান বায়েজিদ ইলদিরিমহান ছিলেন অটোম্যান সাম্রাজ্যের চতুর্থ সুলতান। তার নামেই মিসাইলটির নামকরণ করা হয়েছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রতিরক্ষা খাতে ব্যাপক বিনিয়োগ বাড়িয়েছে তুরস্ক। বিশেষ করে ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা, মানববিহীন প্ল্যাটফর্ম, আকাশ প্রতিরক্ষা, বিমান ও মহাকাশ প্রযুক্তিতে দেশটি অগ্রগতি অর্জনের চেষ্টা করছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে শুরু হয় রক্তক্ষয়ী সংঘাত। এ সময় ইসরায়েলের পরবর্তী টার্গেট তুরস্ক বলে মন্তব্য করেছেন দখলদার দেশটির একাধিক কর্মকর্তা। এমন বাস্তবসতায় তুরস্কের এই অগ্রগতি দেশটিকে আরও সুরক্ষিত করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি, ডেইলি সাবাহ

আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্রের যুগে তুরস্ক
সিটিজেন ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে প্রথমবারের মতো আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (আইসিবিএম) ‘ইলদিরিমহান’ উন্মোচন করেছে তুরস্ক।
মঙ্গলবার (৫ মে) ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত ‘সাহা ২০২৬’ প্রতিরক্ষা প্রদর্শনীতে এই ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রকাশ্যে আনা হয়। এর ফলে দূরপাল্লায় আঘাত হানার সক্ষমতায় বড় অগ্রগতি পেয়েছে দেশটি।
আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র হলো এমন একটি দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, যা ৫৫০০ কিলোমিটার বা তার চেয়ে বেশি দূরত্বের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে। এমনকি এটি এক মহাদেশ থেকে আরেক মহাদেশেও আঘাত করতে সক্ষম।
‘ইলদিরিমহান’ তুরস্কের জাতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্রের তত্ত্বাবধানে তৈরি। এর গতি সর্বোচ্চ ম্যাক ২৫ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। ইলদিরিমহানের পাল্লা প্রায় ৬ হাজার কিলোমিটার। ফলে এটি ইউরোপের বিশাল অংশ, এশিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকা এবং আফ্রিকার কিছু অঞ্চল পর্যন্ত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।
ক্ষেপণাস্ত্রটির জ্বালানি হিসেবে ব্যবহ্রত হয়েছে তরল নাইট্রোজেন টেট্রঅক্সাইড। এতে চারটি রকেট ইঞ্জিন রয়েছে। এটি তুরস্কের তৈরি অন্যতম আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
ক্ষেপণাস্ত্রটির নামকরণেও রয়েছে অটোমান শাসনের ধারাবাহিকতা। তুর্কি ইলদিরিম শব্দের অর্থ বজ্রপাত। উসমানীয় সুলতান বায়েজিদ ইলদিরিমহান ছিলেন অটোম্যান সাম্রাজ্যের চতুর্থ সুলতান। তার নামেই মিসাইলটির নামকরণ করা হয়েছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রতিরক্ষা খাতে ব্যাপক বিনিয়োগ বাড়িয়েছে তুরস্ক। বিশেষ করে ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা, মানববিহীন প্ল্যাটফর্ম, আকাশ প্রতিরক্ষা, বিমান ও মহাকাশ প্রযুক্তিতে দেশটি অগ্রগতি অর্জনের চেষ্টা করছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে শুরু হয় রক্তক্ষয়ী সংঘাত। এ সময় ইসরায়েলের পরবর্তী টার্গেট তুরস্ক বলে মন্তব্য করেছেন দখলদার দেশটির একাধিক কর্মকর্তা। এমন বাস্তবসতায় তুরস্কের এই অগ্রগতি দেশটিকে আরও সুরক্ষিত করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি, ডেইলি সাবাহ

লেবাননে ইসরায়েলের হামলা বিশ্ব নিরাপত্তার জন্য হুমকি: তুরস্ক


