শিশু অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার

শিশু অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার
নেত্রকোনা সংবাদদাতা

নেত্রকোনার মদন উপজেলায় ধর্ষণের শিকার হয়ে ১১ বছরের এক শিশু অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরকে আটক করেছে র্যাব-১৪। মঙ্গলবার (৫ মে) রাতে তাকে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা থেকে আটক করা হয়।
বুধবার (৬ মে) সকালে মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় মদন থানায় ভুক্তভোগীর মা আমান উল্লাহ সাগরকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করেন। অভিযুক্ত শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগর উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের পাঁচহার বড়বাড়ি গ্রামের মৃত শামসুদ্দিন মিয়ার ছেলে।
মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগর মদন উপজেলার পাঁচহার গ্রামে ২০২২ সালে হযরত ফাতেমা তুজ্জহুরা মহিলা কওমি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। একই মাদ্রাসাতে তার স্ত্রীও প্রধান শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত। ভুক্তভোগীও একই এলাকার বাসিন্দা। মেয়েটির মাকে ছেড়ে গেছে তার বাবা। জীবিকার তাগিদে শিশুটির মা সিলেটে গৃহপরিচারিকার কাজ করেন। ভুক্তভোগী শিশুটি তার নানির কাছে থেকে ওই মাদ্রাসায় লেখাপড়া করতো।
অভিযোগ রয়েছে, ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগর ওই মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনা কাউকে জানালে প্রাণনাশের ভয় দেখান ওই মাদ্রাসা শিক্ষক। পরবর্তীতে এপ্রিল মাসের ১৮ তারিখে ওই শিক্ষক ছুটিতে যাওয়ার পর আর মাদ্রাসায় আসেননি বলে জানিয়েছেন আরেক শিক্ষক। ভুক্তভোগী ছাত্রী গত পাঁচ মাস ধরে মাদ্রাসায় আসা বন্ধ করে দেয়।
এ অবস্থায় শিশুটির শারীরিক পরিবর্তন দেখে সন্দেহ হয় পরিবারের। তখন তার মা সিলেট থেকে এসে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে পারেন ঘটনা। শিশুটি মাদ্রাসার শিক্ষকের দ্বারা ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে জানায়। এরপর শিশুটিকে নিয়ে মদন উপজেলার বেসরকারি একটি ক্লিনিকে গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. সায়মা আক্তারকে দেখান। তিনি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জানান, মেয়েটি ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা।
এদিকে, ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর অভিযুক্ত সাগর তার স্বজন ও মাদ্রাসার অন্য এক শিক্ষককে নিয়ে ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করার আপ্রাণ চেষ্টা চালান। তারা দরিদ্র পরিবারটিকে নানাভাবে চাপ প্রয়োগ করতে থাকে। কিন্তু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে গত ১৮ এপ্রিল অভিযুক্ত সাগর তার স্ত্রী ও সন্তানসহ পালিয়ে যান। বর্তমানে মাদ্রাসাটি বন্ধ রয়েছে।
মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম ঘটনাস্থলসহ ভুক্তভোগী শিশুটির বাড়ি পরিদর্শন করেন। তিনি পরিবারটিকে আইনি সহায়তা এবং নিরাপত্তার আশ্বাস দেন। সেই সঙ্গে কোনো ধরনের হুমকি-ধমকি দেওয়া হলে তারও ব্যবস্থা নেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
ওসি মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, আমি যোগদানের আগেই মামলাটি হয়েছে এবং মামলার দুই একদিন আগে আসামি পালিয়ে যায়।
এদিকে, পালিয়ে থাকা অবস্থায় নিজেকে নির্দোষ উল্লেখ করে ফেসবুকে এক ভিডিও বার্তার মাধ্যমে ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীকে বের করার দাবি জানান শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগর।

নেত্রকোনার মদন উপজেলায় ধর্ষণের শিকার হয়ে ১১ বছরের এক শিশু অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরকে আটক করেছে র্যাব-১৪। মঙ্গলবার (৫ মে) রাতে তাকে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা থেকে আটক করা হয়।
বুধবার (৬ মে) সকালে মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় মদন থানায় ভুক্তভোগীর মা আমান উল্লাহ সাগরকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করেন। অভিযুক্ত শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগর উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের পাঁচহার বড়বাড়ি গ্রামের মৃত শামসুদ্দিন মিয়ার ছেলে।
মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগর মদন উপজেলার পাঁচহার গ্রামে ২০২২ সালে হযরত ফাতেমা তুজ্জহুরা মহিলা কওমি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। একই মাদ্রাসাতে তার স্ত্রীও প্রধান শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত। ভুক্তভোগীও একই এলাকার বাসিন্দা। মেয়েটির মাকে ছেড়ে গেছে তার বাবা। জীবিকার তাগিদে শিশুটির মা সিলেটে গৃহপরিচারিকার কাজ করেন। ভুক্তভোগী শিশুটি তার নানির কাছে থেকে ওই মাদ্রাসায় লেখাপড়া করতো।
অভিযোগ রয়েছে, ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগর ওই মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনা কাউকে জানালে প্রাণনাশের ভয় দেখান ওই মাদ্রাসা শিক্ষক। পরবর্তীতে এপ্রিল মাসের ১৮ তারিখে ওই শিক্ষক ছুটিতে যাওয়ার পর আর মাদ্রাসায় আসেননি বলে জানিয়েছেন আরেক শিক্ষক। ভুক্তভোগী ছাত্রী গত পাঁচ মাস ধরে মাদ্রাসায় আসা বন্ধ করে দেয়।
এ অবস্থায় শিশুটির শারীরিক পরিবর্তন দেখে সন্দেহ হয় পরিবারের। তখন তার মা সিলেট থেকে এসে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে পারেন ঘটনা। শিশুটি মাদ্রাসার শিক্ষকের দ্বারা ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে জানায়। এরপর শিশুটিকে নিয়ে মদন উপজেলার বেসরকারি একটি ক্লিনিকে গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. সায়মা আক্তারকে দেখান। তিনি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জানান, মেয়েটি ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা।
এদিকে, ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর অভিযুক্ত সাগর তার স্বজন ও মাদ্রাসার অন্য এক শিক্ষককে নিয়ে ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করার আপ্রাণ চেষ্টা চালান। তারা দরিদ্র পরিবারটিকে নানাভাবে চাপ প্রয়োগ করতে থাকে। কিন্তু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে গত ১৮ এপ্রিল অভিযুক্ত সাগর তার স্ত্রী ও সন্তানসহ পালিয়ে যান। বর্তমানে মাদ্রাসাটি বন্ধ রয়েছে।
মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম ঘটনাস্থলসহ ভুক্তভোগী শিশুটির বাড়ি পরিদর্শন করেন। তিনি পরিবারটিকে আইনি সহায়তা এবং নিরাপত্তার আশ্বাস দেন। সেই সঙ্গে কোনো ধরনের হুমকি-ধমকি দেওয়া হলে তারও ব্যবস্থা নেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
ওসি মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, আমি যোগদানের আগেই মামলাটি হয়েছে এবং মামলার দুই একদিন আগে আসামি পালিয়ে যায়।
এদিকে, পালিয়ে থাকা অবস্থায় নিজেকে নির্দোষ উল্লেখ করে ফেসবুকে এক ভিডিও বার্তার মাধ্যমে ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীকে বের করার দাবি জানান শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগর।

শিশু অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার
নেত্রকোনা সংবাদদাতা

নেত্রকোনার মদন উপজেলায় ধর্ষণের শিকার হয়ে ১১ বছরের এক শিশু অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরকে আটক করেছে র্যাব-১৪। মঙ্গলবার (৫ মে) রাতে তাকে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা থেকে আটক করা হয়।
বুধবার (৬ মে) সকালে মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় মদন থানায় ভুক্তভোগীর মা আমান উল্লাহ সাগরকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করেন। অভিযুক্ত শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগর উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের পাঁচহার বড়বাড়ি গ্রামের মৃত শামসুদ্দিন মিয়ার ছেলে।
মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগর মদন উপজেলার পাঁচহার গ্রামে ২০২২ সালে হযরত ফাতেমা তুজ্জহুরা মহিলা কওমি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। একই মাদ্রাসাতে তার স্ত্রীও প্রধান শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত। ভুক্তভোগীও একই এলাকার বাসিন্দা। মেয়েটির মাকে ছেড়ে গেছে তার বাবা। জীবিকার তাগিদে শিশুটির মা সিলেটে গৃহপরিচারিকার কাজ করেন। ভুক্তভোগী শিশুটি তার নানির কাছে থেকে ওই মাদ্রাসায় লেখাপড়া করতো।
অভিযোগ রয়েছে, ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগর ওই মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনা কাউকে জানালে প্রাণনাশের ভয় দেখান ওই মাদ্রাসা শিক্ষক। পরবর্তীতে এপ্রিল মাসের ১৮ তারিখে ওই শিক্ষক ছুটিতে যাওয়ার পর আর মাদ্রাসায় আসেননি বলে জানিয়েছেন আরেক শিক্ষক। ভুক্তভোগী ছাত্রী গত পাঁচ মাস ধরে মাদ্রাসায় আসা বন্ধ করে দেয়।
এ অবস্থায় শিশুটির শারীরিক পরিবর্তন দেখে সন্দেহ হয় পরিবারের। তখন তার মা সিলেট থেকে এসে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে পারেন ঘটনা। শিশুটি মাদ্রাসার শিক্ষকের দ্বারা ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে জানায়। এরপর শিশুটিকে নিয়ে মদন উপজেলার বেসরকারি একটি ক্লিনিকে গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. সায়মা আক্তারকে দেখান। তিনি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জানান, মেয়েটি ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা।
এদিকে, ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর অভিযুক্ত সাগর তার স্বজন ও মাদ্রাসার অন্য এক শিক্ষককে নিয়ে ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করার আপ্রাণ চেষ্টা চালান। তারা দরিদ্র পরিবারটিকে নানাভাবে চাপ প্রয়োগ করতে থাকে। কিন্তু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে গত ১৮ এপ্রিল অভিযুক্ত সাগর তার স্ত্রী ও সন্তানসহ পালিয়ে যান। বর্তমানে মাদ্রাসাটি বন্ধ রয়েছে।
মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম ঘটনাস্থলসহ ভুক্তভোগী শিশুটির বাড়ি পরিদর্শন করেন। তিনি পরিবারটিকে আইনি সহায়তা এবং নিরাপত্তার আশ্বাস দেন। সেই সঙ্গে কোনো ধরনের হুমকি-ধমকি দেওয়া হলে তারও ব্যবস্থা নেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
ওসি মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, আমি যোগদানের আগেই মামলাটি হয়েছে এবং মামলার দুই একদিন আগে আসামি পালিয়ে যায়।
এদিকে, পালিয়ে থাকা অবস্থায় নিজেকে নির্দোষ উল্লেখ করে ফেসবুকে এক ভিডিও বার্তার মাধ্যমে ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীকে বের করার দাবি জানান শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগর।




