ট্রাম্পের ইঙ্গিতের পর কমলো জ্বালানি তেলের দাম

ট্রাম্পের ইঙ্গিতের পর কমলো জ্বালানি তেলের দাম
সিটিজেন ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ করার একটি সম্ভাব্য চুক্তির ইঙ্গিত দেওয়ার পর বিশ্ববাজারে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো কমেছে জ্বালানি তেলের দাম।
বুধবার (৬ মে) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের সম্ভাব্য চুক্তির ইঙ্গিত দেওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যে আটকে পড়া জাহাজ ছাড়ার সম্ভাবনা দেখা দেওয়ায় তেলের দরপতন অব্যাহত রয়েছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৬ দশমিক ৭০ ডলার কমে ১০৩ দশমিক ১৭ ডলারে নেমে এসেছে। এক্ষেত্রে কমেছে ৬ দশমিক ১ শতাংশ। এছাড়া মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দাম ৬ দশমিক ৭৭ ডলার কমে ৯৫ দশমিক ৫০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এক্ষেত্রে ৬ দশমিক ৬ শতাংশ কমেছে ডব্লিউটিআইর দাম। আগেরদিন উভয় তেলের দাম প্রায় ৪ শতাংশ কমেছিল।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথ হামলা চালালে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেয় তেহরান। গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথটি বন্ধ হওয়ায় তেলের সরবরাহে ঘাটতি দেখা দেয়। ফলে বাড়তে থাকে জ্বালানি তেলের দাম। গত সপ্তাহে ব্রেন্ট তেলের দাম ২০২২ সালের মার্চের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়।
তবে ইরানের সঙ্গে একটি পূর্ণাঙ্গ চুক্তির পথে অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প মঙ্গলবার (৫ মে) ঘোষণা দেন, তিনি প্রণালি দিয়ে জাহাজ পারাপারের অভিযানটি সাময়িকভাবে স্থগিত রাখবেন। যদিও তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি। তবে মার্কিন নৌবাহিনী ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ অব্যাহত রাখবে বলে জানান ট্রাম্প। যদিও এ বিষয়ে ইরান এখনও কোনো মন্তব্য করেনি।
তবে ট্রাম্পের এই ঘোষণার ফলে তেলের দাম কমলেও অনিশ্চয়তা এখনও কাটেনি। কারণ ইরান বলেছে, তারা কেবল একটি ন্যায্য ও দীর্ঘমেয়াদি চুক্তিই গ্রহণ করবে। যদি উভয় দেশ চুক্তিতে না পৌঁছায়, তবে জ্বালানি তেলের দাম আরও বাড়বে বলে জানিয়েছেন বিশ্লেষকরা।
এদিকে যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে টানা তৃতীয় সপ্তাহে অপরিশোধিত তেলের মজুত কমেছে। ১ মে মজুত কমেছে প্রায় ৮ দশমিক ১ মিলিয়ন ব্যারেল। একই সময়ে পেট্রোলের মজুত কমেছে ৬ দশমিক ১ মিলিয়ন ব্যারেল এবং অন্যান্য জ্বালানি তেলের মজুত কমেছে ৪ দশমিক ৬ মিলিয়ন ব্যারেল।
সূত্র: রয়টার্স

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ করার একটি সম্ভাব্য চুক্তির ইঙ্গিত দেওয়ার পর বিশ্ববাজারে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো কমেছে জ্বালানি তেলের দাম।
বুধবার (৬ মে) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের সম্ভাব্য চুক্তির ইঙ্গিত দেওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যে আটকে পড়া জাহাজ ছাড়ার সম্ভাবনা দেখা দেওয়ায় তেলের দরপতন অব্যাহত রয়েছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৬ দশমিক ৭০ ডলার কমে ১০৩ দশমিক ১৭ ডলারে নেমে এসেছে। এক্ষেত্রে কমেছে ৬ দশমিক ১ শতাংশ। এছাড়া মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দাম ৬ দশমিক ৭৭ ডলার কমে ৯৫ দশমিক ৫০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এক্ষেত্রে ৬ দশমিক ৬ শতাংশ কমেছে ডব্লিউটিআইর দাম। আগেরদিন উভয় তেলের দাম প্রায় ৪ শতাংশ কমেছিল।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথ হামলা চালালে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেয় তেহরান। গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথটি বন্ধ হওয়ায় তেলের সরবরাহে ঘাটতি দেখা দেয়। ফলে বাড়তে থাকে জ্বালানি তেলের দাম। গত সপ্তাহে ব্রেন্ট তেলের দাম ২০২২ সালের মার্চের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়।
তবে ইরানের সঙ্গে একটি পূর্ণাঙ্গ চুক্তির পথে অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প মঙ্গলবার (৫ মে) ঘোষণা দেন, তিনি প্রণালি দিয়ে জাহাজ পারাপারের অভিযানটি সাময়িকভাবে স্থগিত রাখবেন। যদিও তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি। তবে মার্কিন নৌবাহিনী ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ অব্যাহত রাখবে বলে জানান ট্রাম্প। যদিও এ বিষয়ে ইরান এখনও কোনো মন্তব্য করেনি।
তবে ট্রাম্পের এই ঘোষণার ফলে তেলের দাম কমলেও অনিশ্চয়তা এখনও কাটেনি। কারণ ইরান বলেছে, তারা কেবল একটি ন্যায্য ও দীর্ঘমেয়াদি চুক্তিই গ্রহণ করবে। যদি উভয় দেশ চুক্তিতে না পৌঁছায়, তবে জ্বালানি তেলের দাম আরও বাড়বে বলে জানিয়েছেন বিশ্লেষকরা।
এদিকে যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে টানা তৃতীয় সপ্তাহে অপরিশোধিত তেলের মজুত কমেছে। ১ মে মজুত কমেছে প্রায় ৮ দশমিক ১ মিলিয়ন ব্যারেল। একই সময়ে পেট্রোলের মজুত কমেছে ৬ দশমিক ১ মিলিয়ন ব্যারেল এবং অন্যান্য জ্বালানি তেলের মজুত কমেছে ৪ দশমিক ৬ মিলিয়ন ব্যারেল।
সূত্র: রয়টার্স

ট্রাম্পের ইঙ্গিতের পর কমলো জ্বালানি তেলের দাম
সিটিজেন ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ করার একটি সম্ভাব্য চুক্তির ইঙ্গিত দেওয়ার পর বিশ্ববাজারে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো কমেছে জ্বালানি তেলের দাম।
বুধবার (৬ মে) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের সম্ভাব্য চুক্তির ইঙ্গিত দেওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যে আটকে পড়া জাহাজ ছাড়ার সম্ভাবনা দেখা দেওয়ায় তেলের দরপতন অব্যাহত রয়েছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৬ দশমিক ৭০ ডলার কমে ১০৩ দশমিক ১৭ ডলারে নেমে এসেছে। এক্ষেত্রে কমেছে ৬ দশমিক ১ শতাংশ। এছাড়া মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দাম ৬ দশমিক ৭৭ ডলার কমে ৯৫ দশমিক ৫০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এক্ষেত্রে ৬ দশমিক ৬ শতাংশ কমেছে ডব্লিউটিআইর দাম। আগেরদিন উভয় তেলের দাম প্রায় ৪ শতাংশ কমেছিল।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথ হামলা চালালে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেয় তেহরান। গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথটি বন্ধ হওয়ায় তেলের সরবরাহে ঘাটতি দেখা দেয়। ফলে বাড়তে থাকে জ্বালানি তেলের দাম। গত সপ্তাহে ব্রেন্ট তেলের দাম ২০২২ সালের মার্চের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়।
তবে ইরানের সঙ্গে একটি পূর্ণাঙ্গ চুক্তির পথে অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প মঙ্গলবার (৫ মে) ঘোষণা দেন, তিনি প্রণালি দিয়ে জাহাজ পারাপারের অভিযানটি সাময়িকভাবে স্থগিত রাখবেন। যদিও তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি। তবে মার্কিন নৌবাহিনী ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ অব্যাহত রাখবে বলে জানান ট্রাম্প। যদিও এ বিষয়ে ইরান এখনও কোনো মন্তব্য করেনি।
তবে ট্রাম্পের এই ঘোষণার ফলে তেলের দাম কমলেও অনিশ্চয়তা এখনও কাটেনি। কারণ ইরান বলেছে, তারা কেবল একটি ন্যায্য ও দীর্ঘমেয়াদি চুক্তিই গ্রহণ করবে। যদি উভয় দেশ চুক্তিতে না পৌঁছায়, তবে জ্বালানি তেলের দাম আরও বাড়বে বলে জানিয়েছেন বিশ্লেষকরা।
এদিকে যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে টানা তৃতীয় সপ্তাহে অপরিশোধিত তেলের মজুত কমেছে। ১ মে মজুত কমেছে প্রায় ৮ দশমিক ১ মিলিয়ন ব্যারেল। একই সময়ে পেট্রোলের মজুত কমেছে ৬ দশমিক ১ মিলিয়ন ব্যারেল এবং অন্যান্য জ্বালানি তেলের মজুত কমেছে ৪ দশমিক ৬ মিলিয়ন ব্যারেল।
সূত্র: রয়টার্স

২২ কোটি ডলারের তেল নিয়ে মার্কিন অবরোধ এড়ালো ইরানি ট্যাংকার


