৮ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে লজ্জার রেকর্ড দিল্লির

৮ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে লজ্জার রেকর্ড দিল্লির
সিটিজেন স্পোর্টস ডেস্ক

ম্যাচের দ্বিতীয় বলে সাহিল পারাখকে বোল্ড করলেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর পেসার ভুবনেশ্বর কুমার। পরের ওভারে জোড়া শিকার ধরলেন জশ হ্যাজেলউড। তাদের একের পর এক ছোবলে এক পর্যায়ে দলীয় ৮ রানে ৬ উইকেট হারায় দিল্লি ক্যাপিটালস। শেষ পর্যন্ত ৭৫ রানে অলআউট হয় তারা। বেঙ্গালুরু ম্যাচ জেতে ৯ উইকেটে, ৮১ বল হাতে রেখে।
পাওয়ার প্লেতে ৬ উইকেট হারানো দিল্লি ১৩ রান করতে পারে। আইপিএলের ইতিহাসে প্রথম ছয় ওভারে যা সর্বনিম্ন।
অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডটি এতদিন ছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ও রাজস্থান রয়্যালসের। ২০২২ সালে রাজস্থানের বিপক্ষে পাওয়ার প্লেতে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৪ রান করেছিল সানরাইজার্স। আর ২০০৯ সালে বেঙ্গালুরুর সঙ্গে ১৪ রান করতে ২ উইকেট হারিয়েছিল রাজস্থান।
এই তালিকায় এখন তৃতীয় স্থানে চেন্নাই সুপার কিংস। ২০১১ সালে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে ২ উইকেটে ১৫ রান করেছিল তারা।
আইপিএলে কোনো ইনিংসের পাওয়ার প্লেতে এর চেয়ে বেশি উইকেট পড়ার নজির নেই। ২০১১ সালে ডেকান চার্জার্সের বিপক্ষে প্রথম ছয় ওভারে ৬ উইকেট হারিয়েছিল কোচি টাস্কার্স কেরালা।
৮ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর সপ্তম উইকেটে ৩৫ রানের জুটি গড়েন অভিষেক পোরেল ও ডেভিড মিলার। মিলার (১৯) ফিরলে সেই জুটিও ভাঙে। ইনিংস সর্বোচ্চ ৩০ রান করেন অভিষেক। এছাড়া ১২ রান করেন কাইল জেমিসন।
স্রেফ ১২ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন হ্যাজেলউড। স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ান পেসারের এটা সেরা বোলিং। ৩ ওভারে ৫ রান দিয়ে ৩ শিকার ধরেন ভুবনেশ্বর।

ম্যাচের দ্বিতীয় বলে সাহিল পারাখকে বোল্ড করলেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর পেসার ভুবনেশ্বর কুমার। পরের ওভারে জোড়া শিকার ধরলেন জশ হ্যাজেলউড। তাদের একের পর এক ছোবলে এক পর্যায়ে দলীয় ৮ রানে ৬ উইকেট হারায় দিল্লি ক্যাপিটালস। শেষ পর্যন্ত ৭৫ রানে অলআউট হয় তারা। বেঙ্গালুরু ম্যাচ জেতে ৯ উইকেটে, ৮১ বল হাতে রেখে।
পাওয়ার প্লেতে ৬ উইকেট হারানো দিল্লি ১৩ রান করতে পারে। আইপিএলের ইতিহাসে প্রথম ছয় ওভারে যা সর্বনিম্ন।
অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডটি এতদিন ছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ও রাজস্থান রয়্যালসের। ২০২২ সালে রাজস্থানের বিপক্ষে পাওয়ার প্লেতে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৪ রান করেছিল সানরাইজার্স। আর ২০০৯ সালে বেঙ্গালুরুর সঙ্গে ১৪ রান করতে ২ উইকেট হারিয়েছিল রাজস্থান।
এই তালিকায় এখন তৃতীয় স্থানে চেন্নাই সুপার কিংস। ২০১১ সালে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে ২ উইকেটে ১৫ রান করেছিল তারা।
আইপিএলে কোনো ইনিংসের পাওয়ার প্লেতে এর চেয়ে বেশি উইকেট পড়ার নজির নেই। ২০১১ সালে ডেকান চার্জার্সের বিপক্ষে প্রথম ছয় ওভারে ৬ উইকেট হারিয়েছিল কোচি টাস্কার্স কেরালা।
৮ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর সপ্তম উইকেটে ৩৫ রানের জুটি গড়েন অভিষেক পোরেল ও ডেভিড মিলার। মিলার (১৯) ফিরলে সেই জুটিও ভাঙে। ইনিংস সর্বোচ্চ ৩০ রান করেন অভিষেক। এছাড়া ১২ রান করেন কাইল জেমিসন।
স্রেফ ১২ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন হ্যাজেলউড। স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ান পেসারের এটা সেরা বোলিং। ৩ ওভারে ৫ রান দিয়ে ৩ শিকার ধরেন ভুবনেশ্বর।

৮ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে লজ্জার রেকর্ড দিল্লির
সিটিজেন স্পোর্টস ডেস্ক

ম্যাচের দ্বিতীয় বলে সাহিল পারাখকে বোল্ড করলেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর পেসার ভুবনেশ্বর কুমার। পরের ওভারে জোড়া শিকার ধরলেন জশ হ্যাজেলউড। তাদের একের পর এক ছোবলে এক পর্যায়ে দলীয় ৮ রানে ৬ উইকেট হারায় দিল্লি ক্যাপিটালস। শেষ পর্যন্ত ৭৫ রানে অলআউট হয় তারা। বেঙ্গালুরু ম্যাচ জেতে ৯ উইকেটে, ৮১ বল হাতে রেখে।
পাওয়ার প্লেতে ৬ উইকেট হারানো দিল্লি ১৩ রান করতে পারে। আইপিএলের ইতিহাসে প্রথম ছয় ওভারে যা সর্বনিম্ন।
অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডটি এতদিন ছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ও রাজস্থান রয়্যালসের। ২০২২ সালে রাজস্থানের বিপক্ষে পাওয়ার প্লেতে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৪ রান করেছিল সানরাইজার্স। আর ২০০৯ সালে বেঙ্গালুরুর সঙ্গে ১৪ রান করতে ২ উইকেট হারিয়েছিল রাজস্থান।
এই তালিকায় এখন তৃতীয় স্থানে চেন্নাই সুপার কিংস। ২০১১ সালে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে ২ উইকেটে ১৫ রান করেছিল তারা।
আইপিএলে কোনো ইনিংসের পাওয়ার প্লেতে এর চেয়ে বেশি উইকেট পড়ার নজির নেই। ২০১১ সালে ডেকান চার্জার্সের বিপক্ষে প্রথম ছয় ওভারে ৬ উইকেট হারিয়েছিল কোচি টাস্কার্স কেরালা।
৮ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর সপ্তম উইকেটে ৩৫ রানের জুটি গড়েন অভিষেক পোরেল ও ডেভিড মিলার। মিলার (১৯) ফিরলে সেই জুটিও ভাঙে। ইনিংস সর্বোচ্চ ৩০ রান করেন অভিষেক। এছাড়া ১২ রান করেন কাইল জেমিসন।
স্রেফ ১২ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন হ্যাজেলউড। স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ান পেসারের এটা সেরা বোলিং। ৩ ওভারে ৫ রান দিয়ে ৩ শিকার ধরেন ভুবনেশ্বর।

ধোনির মাঠে ফেরা নিয়ে যা বললেন চেন্নাই কোচ
ধোনির রেকর্ড ভাঙলেন রিংকু


