দুদকের তদন্তের মধ্যেই ক্ষমতা পেলেন অথরাইজড অফিসার পলাশ

দুদকের তদন্তের মধ্যেই ক্ষমতা পেলেন অথরাইজড অফিসার পলাশ
সেলিনা আক্তার

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) অথরাইজড অফিসার প্রকৌশলী পলাশ সিকদারের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধান চলছে। সেই অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর এক পর্যায়ে এই কর্মকর্তার প্রশাসনিক ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়। কিন্তু তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই আবার তাকে রাজউকের অথরাইজড অফিসার হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।
গত ২২ জুলাই জারি করা মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে ইমারত নির্মাণ আইন, ১৯৫২-এর ২(ক) ধারার আওতায় রাজউক কর্মকর্তা পলাশ সিকদারকে এক বছরের জন্য অথরাইজড অফিসারের ক্ষমতা দেওয়া হয়। এই দায়িত্বে তিনি অবৈধ স্থাপনা ও ভবন নির্মাণসংক্রান্ত আইন প্রয়োগসহ বিভিন্ন নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।
এদিকে, পলাশ সিকদারের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে দুদক। সংস্থাটির প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ সালে সহকারী অথরাইজড অফিসার হিসেবে চাকরিতে যোগ দেওয়ার পর ২০২৩ সালের জুন পর্যন্ত বেতন-ভাতা বাবদ তার আয় প্রায় ৩৪ লাখ ৩১ হাজার টাকা। অথচ অভিযোগে বলা হয়েছে, একই সময়ে তার নামে-বেনামে প্রায় ৫ কোটি টাকার সম্পদ গড়ে উঠেছে। বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে বিপুল অঙ্কের লেনদেনের বিষয়ও যাচাই করছে দুদক। সম্প্রতি সংস্থাটির প্রধান কার্যালয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে।
অভিযোগে পিরোজপুরে প্রায় ২ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি ডুপ্লেক্স বাড়ি নির্মাণ, পরিবারের সদস্যদের নামে বাড়ি ও জমি কেনা, রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় আত্মীয়ের নামে প্লটে ভবন নির্মাণ এবং অন্যের নামে নিবন্ধিত একটি বিলাসবহুল গাড়ি ব্যবহারের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি সরকারি কর্মকর্তা হয়েও নিজেকে ভূমিহীন দেখিয়ে এক একর সরকারি জমি বন্দোবস্ত নেওয়ার অভিযোগও অনুসন্ধানের আওতায় রয়েছে। রাজউকের এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অথরাইজড অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তার অধিক্ষেত্রে বিভিন্ন ভবনের নকশা অনুমোদনে অনিয়মের অভিযোগও রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ও বিষয়টি নিয়ে বিভাগীয় তদন্ত করে। তদন্ত চলাকালে পলাশ সিকদারকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়। পরে রাজউকের তদন্ত কর্মকর্তা তার প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগটি বর্তমানে দুদকের অনুসন্ধানাধীন। তাই দুদকের তদন্ত শেষ হওয়ার আগে এ বিষয়ে কোনো মতামত দেওয়া সমীচীন হবে না।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে পলাশ সিকদার সিজেডএন টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ‘শুধু আমার বিরুদ্ধে নয়, সব অথরাইজড অফিসারের বিরুদ্ধেই দুদকে অভিযোগ রয়েছে। এই অভিযোগের কারণে আমার ক্ষমতা বাতিল করা হয়নি। মূলত ফ্যাসিস্ট আমলের মন্ত্রীর অনৈতিক আবদার না রাখার কারণে আমাকে ওএসডি করা হয়েছিল। যাদের ক্ষমতা বাতিল করা হয়েছিল, তাদের আবার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।’

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) অথরাইজড অফিসার প্রকৌশলী পলাশ সিকদারের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধান চলছে। সেই অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর এক পর্যায়ে এই কর্মকর্তার প্রশাসনিক ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়। কিন্তু তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই আবার তাকে রাজউকের অথরাইজড অফিসার হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।
গত ২২ জুলাই জারি করা মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে ইমারত নির্মাণ আইন, ১৯৫২-এর ২(ক) ধারার আওতায় রাজউক কর্মকর্তা পলাশ সিকদারকে এক বছরের জন্য অথরাইজড অফিসারের ক্ষমতা দেওয়া হয়। এই দায়িত্বে তিনি অবৈধ স্থাপনা ও ভবন নির্মাণসংক্রান্ত আইন প্রয়োগসহ বিভিন্ন নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।
এদিকে, পলাশ সিকদারের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে দুদক। সংস্থাটির প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ সালে সহকারী অথরাইজড অফিসার হিসেবে চাকরিতে যোগ দেওয়ার পর ২০২৩ সালের জুন পর্যন্ত বেতন-ভাতা বাবদ তার আয় প্রায় ৩৪ লাখ ৩১ হাজার টাকা। অথচ অভিযোগে বলা হয়েছে, একই সময়ে তার নামে-বেনামে প্রায় ৫ কোটি টাকার সম্পদ গড়ে উঠেছে। বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে বিপুল অঙ্কের লেনদেনের বিষয়ও যাচাই করছে দুদক। সম্প্রতি সংস্থাটির প্রধান কার্যালয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে।
অভিযোগে পিরোজপুরে প্রায় ২ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি ডুপ্লেক্স বাড়ি নির্মাণ, পরিবারের সদস্যদের নামে বাড়ি ও জমি কেনা, রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় আত্মীয়ের নামে প্লটে ভবন নির্মাণ এবং অন্যের নামে নিবন্ধিত একটি বিলাসবহুল গাড়ি ব্যবহারের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি সরকারি কর্মকর্তা হয়েও নিজেকে ভূমিহীন দেখিয়ে এক একর সরকারি জমি বন্দোবস্ত নেওয়ার অভিযোগও অনুসন্ধানের আওতায় রয়েছে। রাজউকের এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অথরাইজড অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তার অধিক্ষেত্রে বিভিন্ন ভবনের নকশা অনুমোদনে অনিয়মের অভিযোগও রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ও বিষয়টি নিয়ে বিভাগীয় তদন্ত করে। তদন্ত চলাকালে পলাশ সিকদারকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়। পরে রাজউকের তদন্ত কর্মকর্তা তার প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগটি বর্তমানে দুদকের অনুসন্ধানাধীন। তাই দুদকের তদন্ত শেষ হওয়ার আগে এ বিষয়ে কোনো মতামত দেওয়া সমীচীন হবে না।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে পলাশ সিকদার সিজেডএন টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ‘শুধু আমার বিরুদ্ধে নয়, সব অথরাইজড অফিসারের বিরুদ্ধেই দুদকে অভিযোগ রয়েছে। এই অভিযোগের কারণে আমার ক্ষমতা বাতিল করা হয়নি। মূলত ফ্যাসিস্ট আমলের মন্ত্রীর অনৈতিক আবদার না রাখার কারণে আমাকে ওএসডি করা হয়েছিল। যাদের ক্ষমতা বাতিল করা হয়েছিল, তাদের আবার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।’

দুদকের তদন্তের মধ্যেই ক্ষমতা পেলেন অথরাইজড অফিসার পলাশ
সেলিনা আক্তার

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) অথরাইজড অফিসার প্রকৌশলী পলাশ সিকদারের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধান চলছে। সেই অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর এক পর্যায়ে এই কর্মকর্তার প্রশাসনিক ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়। কিন্তু তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই আবার তাকে রাজউকের অথরাইজড অফিসার হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।
গত ২২ জুলাই জারি করা মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে ইমারত নির্মাণ আইন, ১৯৫২-এর ২(ক) ধারার আওতায় রাজউক কর্মকর্তা পলাশ সিকদারকে এক বছরের জন্য অথরাইজড অফিসারের ক্ষমতা দেওয়া হয়। এই দায়িত্বে তিনি অবৈধ স্থাপনা ও ভবন নির্মাণসংক্রান্ত আইন প্রয়োগসহ বিভিন্ন নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।
এদিকে, পলাশ সিকদারের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে দুদক। সংস্থাটির প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ সালে সহকারী অথরাইজড অফিসার হিসেবে চাকরিতে যোগ দেওয়ার পর ২০২৩ সালের জুন পর্যন্ত বেতন-ভাতা বাবদ তার আয় প্রায় ৩৪ লাখ ৩১ হাজার টাকা। অথচ অভিযোগে বলা হয়েছে, একই সময়ে তার নামে-বেনামে প্রায় ৫ কোটি টাকার সম্পদ গড়ে উঠেছে। বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে বিপুল অঙ্কের লেনদেনের বিষয়ও যাচাই করছে দুদক। সম্প্রতি সংস্থাটির প্রধান কার্যালয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে।
অভিযোগে পিরোজপুরে প্রায় ২ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি ডুপ্লেক্স বাড়ি নির্মাণ, পরিবারের সদস্যদের নামে বাড়ি ও জমি কেনা, রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় আত্মীয়ের নামে প্লটে ভবন নির্মাণ এবং অন্যের নামে নিবন্ধিত একটি বিলাসবহুল গাড়ি ব্যবহারের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি সরকারি কর্মকর্তা হয়েও নিজেকে ভূমিহীন দেখিয়ে এক একর সরকারি জমি বন্দোবস্ত নেওয়ার অভিযোগও অনুসন্ধানের আওতায় রয়েছে। রাজউকের এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অথরাইজড অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তার অধিক্ষেত্রে বিভিন্ন ভবনের নকশা অনুমোদনে অনিয়মের অভিযোগও রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ও বিষয়টি নিয়ে বিভাগীয় তদন্ত করে। তদন্ত চলাকালে পলাশ সিকদারকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়। পরে রাজউকের তদন্ত কর্মকর্তা তার প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগটি বর্তমানে দুদকের অনুসন্ধানাধীন। তাই দুদকের তদন্ত শেষ হওয়ার আগে এ বিষয়ে কোনো মতামত দেওয়া সমীচীন হবে না।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে পলাশ সিকদার সিজেডএন টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ‘শুধু আমার বিরুদ্ধে নয়, সব অথরাইজড অফিসারের বিরুদ্ধেই দুদকে অভিযোগ রয়েছে। এই অভিযোগের কারণে আমার ক্ষমতা বাতিল করা হয়নি। মূলত ফ্যাসিস্ট আমলের মন্ত্রীর অনৈতিক আবদার না রাখার কারণে আমাকে ওএসডি করা হয়েছিল। যাদের ক্ষমতা বাতিল করা হয়েছিল, তাদের আবার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।’

অর্থ ছাড়া কাজ করে না ‘অথরাইজড অফিসার’
ভুয়া কিস্তির রশিদে প্লট ছাড়লো রাজউক 







